icon-pinewzicon-zee
PINEWZ
become creator
न्यूज़ क्रिएटर बनें

आपकी स्थानीय कहानियाँ, आपकी आवाज़

Follow us on
Download App fromplay-storeapp-store
Advertisement
Back
Pinewz
284003
Praveen BhargavPraveen BhargavFollow14 Oct 2024, 12:34 pm
0
0
Report

हमें फेसबुक पर लाइक करें, ट्विटर पर फॉलो और यूट्यूब पर सब्सक्राइब्ड करें ताकि आप ताजा खबरें और लाइव अपडेट्स प्राप्त कर सकें| और यदि आप विस्तार से पढ़ना चाहते हैं तो https://pinewz.com/hindi से जुड़े और पाए अपने इलाके की हर छोटी सी छोटी खबर|

झारखंड बीजेपी सांसद-विधायकों ने मुख्य सचिव को ज्ञापन सौंपा, सीबीआई जांच की मांग

Ranchi, Jharkhand:रांची भाजपा प्रदेश अध्यक्ष आदित्य साहू और नेता प्रतिपक्ष बाबूलाल मरांडी के नेतृत्व में पार्टी के सभी सांसद एवं विधायक गण प्रोजेक्ट भवन में मुख्य सचिव से मिलने उनके कार्यालय पहुंचे। मुख्य सचिव कार्यालय में ज्ञापन सौंपेगे। साथ में झारखंड बीजेपी के प्रदेश पदाधिकारी भी मुख्य सचिव को ज्ञापन सौपने प्रोजेक्ट भवन पहुंचे। झारखंड में छात्रों पर हुए एफआईआर औए jpsc/jssc परीक्षा में हुई धांधली को लेकर cbi जांच की मांग और दोषी पदाधिकारियों की गिरफ्तारी की मांग को लेकर ज्ञापन सौंपने पहुंचे।
0
0
Report
Advertisement

लगातार बारिश में दीवार गिरने से सोनामुखी, बांकुड़ा में बुजुर्ग महिला की मौत

Bankura, West Bengal:লাগাতার বৃষ্টিতে ফের দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত্যু বাঁকুড়ার সোনামুখীতে নিম্নচাপের লাগাতার বৃষ্টিতে মাটির দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত্যু হল এক বৃদ্ধার। অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন মৃতার ছেলে ও পূত্রবধূ। গতকাল রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার সোনামুখী থানার কুণ্ড পুষ্করিণী গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে মৃতার নাম বেলি রুইদাস। পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে। বাঁকুড়ার সোনামুখী ব্লকের কুণ্ড পুষ্করিণী গ্রামের ৭৬ বছর বয়সের বাসিন্দা বেলি রুইদাস ছেলে ও পুত্রবধূর সঙ্গে একচিলতে মাটির বাড়িতে বসবাস করে আসছিলেন। ছেলে রাজ্যের বাংলার বাড়ি প্রকল্পে পাকা বাড়ি তৈরীর জন্য সরকারি ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ পান। কিন্তু সামান্য ওই টাকায় বাড়ির কাজ থমকে যায় মাঝপথেই। অগত্যা এই বর্ষাতেও পরিবারটির দিন কাটছিল নিজেদের একচিলতে মাটির বাড়িতে। গতকাল রাতে আচমকাই মাটির বাড়ির একটি দেওয়াল ধসতে শুরু করে। বুঝতে পেরে ছেলে ও পুত্রবধূ তাড়াহুড়ো করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন। বের করে আনা হয় বাড়ির ভেতর থাকা বেশ কয়েকটি গরুকেও। কিন্তু বেলি রুইদাস ও একটি গরুকে বাড়ির বাইরে বের করে আনার আগেই কাঁচা বাড়ির দেওয়াল ধসে পড়ে। মাটির দেওয়ালের ভেঙে পড়া অংশের নিচে চাপা পড়ে যান বেলি রুইদাস। পরে স্থানীয়রা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে বৃদ্ধাকে উদ্ধার করলেও ততক্ষণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। এরপরই পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে। পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়দের দাবি বাংলার বাড়ি প্রকল্পে বরাদ্দ বেশি থাকলে বৃদ্ধার এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটতো না。
0
0
Report

जलपाईगुड़ी के बिरयानी-फास्टफूड दुकानों पर प्रशासन की छापेमारी

Jalpaiguri, West Bengal:*রাস্তায় বেরোলেই বিরিয়ানি-ফাস্টফুড, কিন্তু কী খাচ্ছি আমরা? শহরের জনপ্রিয় দোকানে প্রশাসনের হানা। জলপাইগুড়ি শহরের বিরিয়ানি এবং রেস্টুরেন্ট গুলোতে মহকুমা শাসকের হানা। রাস্তায় বেরোলেই চোখে পড়ে বিরিয়ানি থেকে শুরু করে নানা ধরনের ফাস্টফুডের দোকান। কিন্তু সেই খাবার কতটা স্বাস্থ্যসম্মত? প্রশ্ন উঠছে তা নিয়েই। জলপাইগুড়ি শহরের একাধিক জনপ্রিয় বিরিয়ানি ও ফাস্টফুডের দোকানে হানা দিল প্রশাসন। আর অভিযানে সামনে এল চাঞ্চল্যকর ছবি। কোথাও প্রচুর পরিমাণে পুরনো তেল, কোথাও নষ্ট খাবার, আবার কোথাও মোমো, স্যুপ, চাওমিন থেকে মাংস—জব্দ করে নষ্ট করে দেওয়া হল একাধিক খাদ্যসামগ্রী। বিরিয়ানি হোক 그렇거나 চাওমিন, মোমো হোক কিংবা নানা ধরনের ফাস্টফুড—জলপাইগুড়ি শহরে দিন দিন বাড়ছে এই ধরনের খাবারের চাহিদা। কিন্তু খাবারের গুণমান এবং স্বাস্থ্যবিধি কতটা মানা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এবার শহরের বিভিন্ন জনপ্রিয় বিরিয়ানি ও ফাস্টফুডের দোকানে অভিযান চালাল প্রশাসন। অভিযানে ছিলেন জলপাইগুড়ি মহকুমা শাসক মঈন আহমেদ, জলপাইগুড়ি পৌরসভার আধিকারিকরা, খাদ্য দপ্তরের আধিকারিক এবং পুলিশকর্মীরা। অভিযানে কোথাও দেখা গেল দীর্ঘদিনের ব্যবহৃত তেল। সেই তেল পরীক্ষা করে ব্যবহারের অনুপযুক্ত মনে হওয়ায় তা ফেলে দিয়ে নষ্ট করে দেওয়া হয়। আবার কোথাও মোমো এবং স্যুপ-সহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। চাওমিন, মাংস-সহ বেশ কিছু খাবারও পরীক্ষা করা হয়। স্বাস্থ্যসম্মত নয় বলে সন্দেহ হওয়া একাধিক খাদ্যসামগ্রী ঘটনাস্থলেই নষ্ট করে দেওয়া হয়। বাইট – মঈন আহমেদ, মহকুমা শাসক। প্রশাসনের এই অভিযানে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে—প্রতিদিন যে খাবারগুলি আমরা চোখ বন্ধ করে খাচ্ছি, সেগুলি আদৌ কতটা নিরাপদ? শহরবাসীর একাংশের দাবি, শুধু অভিযান নয়, নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন। পাশাপাশি খাবারের মান, ব্যবহৃত তেল এবং রান্নার পরিবেশ নিয়ে দোকানদারদেরও আরও সতর্ক হতে হবে। বাইট – সাধারণ মানুষ। বিরিয়ানি, মোমো কিংবা চাওমিন—স্বাদের সঙ্গে আপস করতে চান না কেউই। কিন্তু সেই স্বাদের আড়ালে যদি লুকিয়ে থাকে স্বাস্থ্যঝুঁকি, তাহলে সতর্ক হওয়া জরুরি। প্রশাসনের এই অভিযান কি এবার খাবারের দোকানগুলিতে স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে কতটা প্রভাব ফেলে, সেটাই দেখার। ক্যামেরায়:- ঋষি চক্রবর্তী। রিপোর্ট: - প্রদ্যুৎ দাস। জি ২৪ ঘণ্টা, জলপাইগুড়ি।
0
0
Report
Advertisement

खातड़ा के रेस्टोरां-होटलों में खाद्य मानक उल्लंघन, सात दिन में सुधार के निर्देश

Bankura, West Bengal:বাঁকুড়া শহরের পর এবার খাতড়া মহকুমা সদর এবং মুকুটমণিপুরের হোটেল-রেস্তোরাঁগুলিতে অভিযান চালিয়ে খাবারের গুণমান ও স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে একাধিক অনিয়মের হদিস পেল জেলা প্রশাসন। কোথাও ফ্রিজে রাখা মাংসের উৎস ও বিলের নথি দেখাতে পারেননি ব্যবসায়ী, কোথাও মিলেছে ফাঙ্গাস ধরা ভাজা মাছ ও ডিম। কয়েকটি রেস্তোরাঁ থেকে উদ্ধার হয়েছে খাবারে ব্যবহারের জন্য নিষিদ্ধ রাসায়নিক রং ও কৃত্রিম সুগন্ধি। মুকুটমণিপুরের কয়েকটি হোটেলে আবার ব্যাচ নম্বর, উৎপাদন ও মেয়াদ শেষের তারিখহীন খাবার তৈরির সামগ্রী পাওয়া গিয়েছে। এই ঘটনায় বড়সড়ো প্রশ্ন উঠছে। ঘটনা হল कुछদিন আগে বাঁকুড়া শহরে একাধিক অভিজাত রেস্তোরাঁয় অভিযান চালিয়ে একই ঘটনা চাক্ষুষ করেছিলেন প্রশাসনিক কর্তারা। এরপর খাতড়াতেও এই ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে। সোমবার রাতে খাতড়া বাজারের প্রায় ১৫টি মিষ্টির দোকান ও রেস্তোরাঁয় অভিযান চালায় জেলা প্রশাসনের দল। একই সঙ্গে মুকুটমণিপুরের একাধিক হোটেল ও রেস্তোরাঁতেও পরিদর্শন করা হয়। অভিযানে ছিলেন বাঁকুড়ার অতিরিক্ত জেলাশাসক (সাধারণ) চিরন্তন প্রামাণিক, খাতড়ার মহকুমাশাসক তাপস ভট্টাচার্য, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক আখতার আলী সহ জেলা খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকেরা। প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, খাতড়ার একটি রেস্তোরাঁয় ফ্রিজে রাখা মাংসের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তার কেনার বিল দেখাতে পারেননি মালিক। মাংসটি কবে কেনা হয়েছিল, তারও উপযুক্ত নথি দেখানো যায়নি বলে প্রশাসনের দাবি। অন্য একটি খাবারের দোকানে ভাজা মাছ ও ডিমে ফাঙ্গাস ধরার বিষয়টি আধিকারিকদের নজরে আসে। কয়েকটি রেস্তোরাঁয় খাবারে ব্যবহারের জন্য অনুমোদনহীন রাসায়নিক রং ও এসেন্সও পাওয়া যায়। খাবারে ওই সব রং ব্যবহারের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়েছে। কয়েকটি জায়গায় গৃহস্থের ব্যবহারের জন্য রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহার করতে দেখা যায়। সেগুলি অবিলম্বে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মুকুটমণিপুরের হোটেলগুলিতে অভিযান চালিয়েও উঠে এসেছে নানা অনিয়মের ছবি। কয়েকটি জায়গায় এমন খাবার তৈরির সামগ্রী পাওয়া গিয়েছে, যার গায়ে ব্যাচ নম্বর, উৎপাদনের তারিখ বা মেয়াদ শেষের তারিখ উল্লেখ নেই। একটি হোটেলে পশু খাদ্যের জন্য ব্যবহৃত বেসনও পাওয়া গিয়েছে। অধিকাংশ হোটেলের রান্নাঘর ও খাবার তৈরির জায়গায় পরিচ্ছন্নতার অভাব রয়েছে। যেসব দোকান ও রেস্তোরাঁয় অনিয়ম ধরা পড়েছে, তাদের নোটিস দেওয়া হয়েছে। সাত দিনের মধ্যে সমস্ত ত্রুটি সংশোধন করে নিয়ম মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দ্বিতীয় বা তৃতীয় বার অনিয়ম ধরা পড়েছে, তাদের বিরুদ্ধে খাদ্য সুরক্ষা আইনের সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া শুরু করা হবে বলেও KN_ADVUNK উল্লেখ করেন। অতিরিক্ত জেলাশাসক চিরন্তন প্রামাণিক বলেন, কয়েকটি জায়গায় মেয়াদোত্তীর্ণ সামগ্রী ব্যবহার করতে দেখা গিয়েছে। রান্নাঘর এবং বিভিন্ন সরঞ্জামের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার ক্ষেত্রেও চরম উদাসীনতা রয়েছে। এমন কিছু অনুমোদনহীন ফুড কালার ও এসেন্স ব্যবহার করা হচ্ছে, যেগুলি খাবারে ব্যবহার করা যায় না। এই সমস্ত অনিয়মের জন্য সংশ্লিষ্ট দোকানগুলিকে নোটিস দেওয়া হয়েছে এবং সাত দিনের মধ্যে তা সংশোধন করতে বলা হয়েছে। কিছু জায়গায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় বার অভিযান চলছে। তাদের ক্ষেত্রে অ্যাডজুডিকেশনের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার সঙ্গে কোনও রকম আপস করা হবে না। খাবারের ব্যবসায়ীদের নিয়ম মেনে ব্যবসা করতে হবে। ক্রেতারাও যাতে তারা কী খাবার কিনছেন, তার গুণমান ও উপাদান সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা পান, তা নিশ্চিত করাই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।
0
0
Report
Advertisement

दामोदर दुर्गापुर बैराज से जल छोड़ना बढ़ा, आसपास के इलाके बाढ़ की आशंका—पंचेत और मैथन जलाशयों से पानी भी बढ़ा

Durgapur, West Bengal: দামোদরের দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার পরিমাণ আরো বাড়ল, দুপুর বারোটায় জল ছাড়ার পরিমাণ প্রায় এক লক্ষ কিউসেক ছাড়িয়ে গেল। এর ফলে দুর্গাপুর ব্যারেজের দামোদরের পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলো বানভাসি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাঞ্চেত জলাধার এবং মাইথন জলাধার থেকে জল ছাড়ার পরamount বেড়েছে দু দিনের নিম্নচাপের ফলে । গতকাল পাঞ্চেত জলাধার থেকে জল ছাড়ার পরিমাণ 53800 কিউসেক এবং মাইথন জলাধার থেকে জল ছাড়ার পরিমাণ 6000 কিউসেক । দুটো জলাধার থেকে জল ছাড়ার পরিমাণ প্রায় 60,000 কিউসেক । এছাড়াও দুর্গাপুরের দামোদর ব্যারেজে বৃষ্টির জল এসে পড়ায় দুর্গাপুরের দামোদর ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার পরিমাণ বাড়িয়ে এখন প্রায় এক লক্ষ তিন হাজার কিউসেক জল ছাড়া হচ্ছে। এই জল ছাড়ার পরিমাণ আরো বাড়বে বলে জানায় সেচ দফতরের আধিকারিক।
0
0
Report

मधेपुरा के बिहारीगंज में भीषण आग: 16 दुकानों को जलाकर राख, लाखों का नुकसान

Madanpur, Bihar:मधेपुरा जिले के बिहारीगंज प्रखंड मुख्यालय स्थित चंदा टॉकीज रोड के माया मार्केट में बुधवार अलसुबह भीषण अगलगी की घटना में करीब 16 दुकानें पूरी तरह जलकर राख हो गईं। आग में कपड़े, जूते, मोबाइल, मसाला, जेवरात समेत विभिन्न दुकानों में रखा लाखों रुपये का सामान जलकर नष्ट हो गया। दुकानदारों ने इस घटना में एक करोड़ रुपये से अधिक की संपत्ति के नुकसान का अनुमान जताया है। जानकारी के अनुसार, बुधवार सुबह करीब साढ़े तीन बजे नंदन झा की दुकान से अचानक आग की लपटें उठने लगीं। देखते ही देखते आग ने विकराल रूप धारण कर लिया और आसपास की दुकानों को भी अपनी चपेट में ले लिया। घटना के समय अलसुबह होने के कारण अधिकांश लोग सो रहे थे। आग की लपटें और धुआं देखकर आसपास के लोगों ने शोर मचाया, जिसके बाद बड़ी संख्या में स्थानीय लोग मौके पर जुट गए और आग बुझाने का प्रयास शुरू किया। घटना की सूचना मिलने पर दमकल की चार छोटी और दो बड़ी गाड़ियां मौके पर पहुंचीं। दमकल कर्मियों ने स्थानीय लोगों की मदद से घंटों मशक्कत की, जिसके बाद सुबह तक आग पर पूरी तरह काबू पाया जा सका। हालांकि, तब तक करीब 16 दुकानों का सामान पूरी तरह जलकर नष्ट हो चुका था। अगलगी से नंदन झा, शुभम दास, पिंटू स्वर्णकार, ओमप्रकाश झा, शंकर वस्त्रालय, अशोक गुप्ता, पवन कुमार, संजय गुप्ता, गौरव कुमार, श्रीकांत कुमार, सूरज कुमार शाह, पप्पू शाह, रूपेश कुमार, किशन कुमार और राहुल कुमार समेत अन्य दुकानदारों की दुकानें प्रभावित हुई हैं। आग लगने के कारणों का फिलहाल स्पष्ट पता नहीं चल सका है। घटना की सूचना मिलने पर अंचलाधिकारी अविनाश कुमार मौके पर पहुंचे और घटनास्थल का जायजा लिया। उन्होंने घटना को दुखद बताते हुए कहा कि राजस्व कर्मचारी की जांच रिपोर्ट के आधार पर सरकारी प्रावधानों के तहत पीड़ित दुकानदारों को मिलने वाली सहायता या मुआवजा उपलब्ध कराने की प्रक्रिया की जाएगी।
0
0
Report
Advertisement

जत में दुष्काळी समस्याओं के विरोध में आरपीआई का रास्ता रोको प्रदर्शन

Sangli, Maharashtra:जतमध्ये दुष्काळी प्रश्नावरून जतमध्ये आरपीआयकडून रास्तारोको आंदोलन करण्यात आले आहे. जत तालुक्यामध्ये यंदा दुष्काळी परिस्थिती निर्माण झाली आहे। पावसाळा संपत आला तरी अद्याप समाधानकारक पाऊस न पडल्याने पिण्यासह शेतीच्या पाण्याचा व जनावरांच्या चाऱ्याचा प्रश्न गंभीर बनला आहे, त्यामुळे जत दुष्काळी तालुक्याला जाहीर करावा यासह म्हैसाळ सिंचन योजनेच्या माध्यमातून कोरडे तलाव भरून घ्यावेत, तातडीने पिण्याचे टँकर व जनावरांना चारा उपलब्ध करून द्यावा. यासह विविध मागण्यांसाठी आरपीआय आठवले गटाच्यावतीने जत शहरातील तहसील कार्यालयासमोर रास्ता रोको आंदोलन करण्यात आले, पाण्याच्या घागरी, जनावरांचा चारा घेऊन, यावेळी शासनाचे लक्ष वेधण्यात आले. रास्ता रोकोमुळे काही काळ वाहतूक थांबली होती. शासनाकडून दुष्काळीजच्या मागण्यांबाबत दुर्लक्ष केल्यास तीव्र आंदोलन छेडण्याचा इशारा देखील यावेळी आरपीआयचे पश्चिम महाराष्ट्र प्रमुख संजय कांबळे यांनी दिला आहे.
0
0
Report

बारिश के जलमग्न रास्ते ने बच्चों की जिंदगी खतरे में डाला, ग्रामीणों ने बचाया

Ansar Nagar, Jharkhand:जान जोखिम में डालकर स्कूल जाने को विवश हैं बच्चे, डूबने से बचे दो स्कूली बच्चे चतरा :  हंटरगंज प्रखंड के ग्राम पंचायत तरवागड़ा के ग्राम परसिया के बच्चे जान जोखिम में डालकर स्कूल जाने को विवश हैं। इसकी बानगी आज देखने को मिली,जब स्कूल जाने के दौरान दो छोटे छोटे बच्चे गणेश कुमार उम्र लगभग 7 वर्ष, एवं रवि कुमार उम्र 6 वर्ष जलमग्न रास्ते के गहरे पानी में डूबने लगे। भला हो कुछ दूरी पर मौजूद कुछ ग्रामीणों का जो बच्चों को डूबता देख भागकर आये और दोनों बच्चों को सुरक्षित बाहर निकाला। इस घटना के बाद से स्थानीय ग्रामीणों में भारी आक्रोश है। ग्रामीणों का कहना है इस सड़क से गुजरना मौत को दावत देने के समान है। बरसात में छाती भर पानी भर जाता है। ऐसे स्कूली बच्चों को परेशानी तो होती ही है, लेकिन इस दौरान गांव में अगर किसी महिला को प्रसव पीड़ा हुई तो उसे डोली खटोली पर लादकर, कंधे पर लेकर पार कराना पड़ता है। अगर थोड़ी सी भी चूक हुई तो जिंदगी का सफर थम भी सकती है। आक्रोशित ग्रामीणों ने प्रशासन से अविलंब सुरक्षित सड़क बनाने की मांग की है। ग्रामीणो ने बताया कि यह रास्ता पूर्वजों के लंबे समय से उपयोग मे है और परसिया दास टोला में निवास करने वाले लगभग चालीस घरों के लोगों का इसी रास्ते से आवागमन होता रहा है। बाइट 1 : स्कूली बच्चा。 बाइट 2 : ग्रामीण महिला。 बाइट 3 : ग्रामीण युवक。
0
0
Report
Advertisement
Advertisement
Back to top