icon-pinewzicon-zee
PINEWZ
become creator
न्यूज़ क्रिएटर बनें

आपकी स्थानीय कहानियाँ, आपकी आवाज़

Follow us on
Download App fromplay-storeapp-store
Advertisement
Back

हमें फेसबुक पर लाइक करें, ट्विटर पर फॉलो और यूट्यूब पर सब्सक्राइब्ड करें ताकि आप ताजा खबरें और लाइव अपडेट्स प्राप्त कर सकें| और यदि आप विस्तार से पढ़ना चाहते हैं तो https://pinewz.com/hindi से जुड़े और पाए अपने इलाके की हर छोटी सी छोटी खबर|

Advertisement

सतना में बारिश से बाढ़ के आसार, प्रशासन ने अलर्ट जारी किया

Satna, Madhya Pradesh:सतना में लगातार देर रात से बारिश का दौर जारी, शहर भर में बारिश से हालात बिगड़े। इसके साथ ही चित्रकूट में मंदाकिनी नदी बाढ़ की संभावना बनी हुई है। वही प्रशासन भी अलर्ट मोड पर है। चित्रकूट में बाढ़ की तबाही के बाद अब सतना शहर में ऐसी ही तबाही के आसार दिखाई दे रहे हैं। शहर के बीच स्थित माधवगढ़ नदी, सतना नदी, जिग्नहट रपटा सहित शहर के आंचलिक क्षेत्रों से जुड़ी सेमरावाल नदी में भी हालात बेकाबू है। ऐसे में शासन प्रशासन लोगों से अपील कर रहा है कि निचले स्तर में बसे हुए लोग ऊपरी भाग वाली जगहों पर चले जाएँ ताकि किसी भी प्रकार की घटना दुर्घटना से बचा जा सके। शहर की बात करे तो प्रेम नगर अंडर ब्रिज, भरहुत नगर, सर्किट हाउस सहित कई इलाकों में पानी भर चुका है। लोगों में भय का माहौल बना हुआ है। पुल पुलिया व रपटे में पानी ऊपर से होने के कारण आवागमन रोक दिया गया है। बारिश की बात करें तो 30 अगस्त को 21.9 मिलीमीटर, 31 अगस्त को 23.8 मिलीमीटर बारिश, जबकि बीते दिन 1 सितम्बर को 60.4 मिलीमीटर बारिश पूरे जिले में दर्ज की गई है। अगर बारिश नहीं रुकी तो हालत बिगड़ सकते हैं।
0
0
Report
Advertisement
0
0
Report
Advertisement

लगातार बारिश में दीवार गिरने से सोनामुखी, बांकुड़ा में बुजुर्ग महिला की मौत

Bankura, West Bengal:লাগাতার বৃষ্টিতে ফের দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত্যু বাঁকুড়ার সোনামুখীতে নিম্নচাপের লাগাতার বৃষ্টিতে মাটির দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত্যু হল এক বৃদ্ধার। অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন মৃতার ছেলে ও পূত্রবধূ। গতকাল রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার সোনামুখী থানার কুণ্ড পুষ্করিণী গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে মৃতার নাম বেলি রুইদাস। পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে। বাঁকুড়ার সোনামুখী ব্লকের কুণ্ড পুষ্করিণী গ্রামের ৭৬ বছর বয়সের বাসিন্দা বেলি রুইদাস ছেলে ও পুত্রবধূর সঙ্গে একচিলতে মাটির বাড়িতে বসবাস করে আসছিলেন। ছেলে রাজ্যের বাংলার বাড়ি প্রকল্পে পাকা বাড়ি তৈরীর জন্য সরকারি ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ পান। কিন্তু সামান্য ওই টাকায় বাড়ির কাজ থমকে যায় মাঝপথেই। অগত্যা এই বর্ষাতেও পরিবারটির দিন কাটছিল নিজেদের একচিলতে মাটির বাড়িতে। গতকাল রাতে আচমকাই মাটির বাড়ির একটি দেওয়াল ধসতে শুরু করে। বুঝতে পেরে ছেলে ও পুত্রবধূ তাড়াহুড়ো করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন। বের করে আনা হয় বাড়ির ভেতর থাকা বেশ কয়েকটি গরুকেও। কিন্তু বেলি রুইদাস ও একটি গরুকে বাড়ির বাইরে বের করে আনার আগেই কাঁচা বাড়ির দেওয়াল ধসে পড়ে। মাটির দেওয়ালের ভেঙে পড়া অংশের নিচে চাপা পড়ে যান বেলি রুইদাস। পরে স্থানীয়রা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে বৃদ্ধাকে উদ্ধার করলেও ততক্ষণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। এরপরই পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে। পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়দের দাবি বাংলার বাড়ি প্রকল্পে বরাদ্দ বেশি থাকলে বৃদ্ধার এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটতো না。
0
0
Report

जलपाईगुड़ी के बिरयानी-फास्टफूड दुकानों पर प्रशासन की छापेमारी

Jalpaiguri, West Bengal:*রাস্তায় বেরোলেই বিরিয়ানি-ফাস্টফুড, কিন্তু কী খাচ্ছি আমরা? শহরের জনপ্রিয় দোকানে প্রশাসনের হানা। জলপাইগুড়ি শহরের বিরিয়ানি এবং রেস্টুরেন্ট গুলোতে মহকুমা শাসকের হানা। রাস্তায় বেরোলেই চোখে পড়ে বিরিয়ানি থেকে শুরু করে নানা ধরনের ফাস্টফুডের দোকান। কিন্তু সেই খাবার কতটা স্বাস্থ্যসম্মত? প্রশ্ন উঠছে তা নিয়েই। জলপাইগুড়ি শহরের একাধিক জনপ্রিয় বিরিয়ানি ও ফাস্টফুডের দোকানে হানা দিল প্রশাসন। আর অভিযানে সামনে এল চাঞ্চল্যকর ছবি। কোথাও প্রচুর পরিমাণে পুরনো তেল, কোথাও নষ্ট খাবার, আবার কোথাও মোমো, স্যুপ, চাওমিন থেকে মাংস—জব্দ করে নষ্ট করে দেওয়া হল একাধিক খাদ্যসামগ্রী। বিরিয়ানি হোক 그렇거나 চাওমিন, মোমো হোক কিংবা নানা ধরনের ফাস্টফুড—জলপাইগুড়ি শহরে দিন দিন বাড়ছে এই ধরনের খাবারের চাহিদা। কিন্তু খাবারের গুণমান এবং স্বাস্থ্যবিধি কতটা মানা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এবার শহরের বিভিন্ন জনপ্রিয় বিরিয়ানি ও ফাস্টফুডের দোকানে অভিযান চালাল প্রশাসন। অভিযানে ছিলেন জলপাইগুড়ি মহকুমা শাসক মঈন আহমেদ, জলপাইগুড়ি পৌরসভার আধিকারিকরা, খাদ্য দপ্তরের আধিকারিক এবং পুলিশকর্মীরা। অভিযানে কোথাও দেখা গেল দীর্ঘদিনের ব্যবহৃত তেল। সেই তেল পরীক্ষা করে ব্যবহারের অনুপযুক্ত মনে হওয়ায় তা ফেলে দিয়ে নষ্ট করে দেওয়া হয়। আবার কোথাও মোমো এবং স্যুপ-সহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। চাওমিন, মাংস-সহ বেশ কিছু খাবারও পরীক্ষা করা হয়। স্বাস্থ্যসম্মত নয় বলে সন্দেহ হওয়া একাধিক খাদ্যসামগ্রী ঘটনাস্থলেই নষ্ট করে দেওয়া হয়। বাইট – মঈন আহমেদ, মহকুমা শাসক। প্রশাসনের এই অভিযানে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে—প্রতিদিন যে খাবারগুলি আমরা চোখ বন্ধ করে খাচ্ছি, সেগুলি আদৌ কতটা নিরাপদ? শহরবাসীর একাংশের দাবি, শুধু অভিযান নয়, নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন। পাশাপাশি খাবারের মান, ব্যবহৃত তেল এবং রান্নার পরিবেশ নিয়ে দোকানদারদেরও আরও সতর্ক হতে হবে। বাইট – সাধারণ মানুষ। বিরিয়ানি, মোমো কিংবা চাওমিন—স্বাদের সঙ্গে আপস করতে চান না কেউই। কিন্তু সেই স্বাদের আড়ালে যদি লুকিয়ে থাকে স্বাস্থ্যঝুঁকি, তাহলে সতর্ক হওয়া জরুরি। প্রশাসনের এই অভিযান কি এবার খাবারের দোকানগুলিতে স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে কতটা প্রভাব ফেলে, সেটাই দেখার। ক্যামেরায়:- ঋষি চক্রবর্তী। রিপোর্ট: - প্রদ্যুৎ দাস। জি ২৪ ঘণ্টা, জলপাইগুড়ি।
0
0
Report
Advertisement

खातड़ा के रेस्टोरां-होटलों में खाद्य मानक उल्लंघन, सात दिन में सुधार के निर्देश

Bankura, West Bengal:বাঁকুড়া শহরের পর এবার খাতড়া মহকুমা সদর এবং মুকুটমণিপুরের হোটেল-রেস্তোরাঁগুলিতে অভিযান চালিয়ে খাবারের গুণমান ও স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে একাধিক অনিয়মের হদিস পেল জেলা প্রশাসন। কোথাও ফ্রিজে রাখা মাংসের উৎস ও বিলের নথি দেখাতে পারেননি ব্যবসায়ী, কোথাও মিলেছে ফাঙ্গাস ধরা ভাজা মাছ ও ডিম। কয়েকটি রেস্তোরাঁ থেকে উদ্ধার হয়েছে খাবারে ব্যবহারের জন্য নিষিদ্ধ রাসায়নিক রং ও কৃত্রিম সুগন্ধি। মুকুটমণিপুরের কয়েকটি হোটেলে আবার ব্যাচ নম্বর, উৎপাদন ও মেয়াদ শেষের তারিখহীন খাবার তৈরির সামগ্রী পাওয়া গিয়েছে। এই ঘটনায় বড়সড়ো প্রশ্ন উঠছে। ঘটনা হল कुछদিন আগে বাঁকুড়া শহরে একাধিক অভিজাত রেস্তোরাঁয় অভিযান চালিয়ে একই ঘটনা চাক্ষুষ করেছিলেন প্রশাসনিক কর্তারা। এরপর খাতড়াতেও এই ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে। সোমবার রাতে খাতড়া বাজারের প্রায় ১৫টি মিষ্টির দোকান ও রেস্তোরাঁয় অভিযান চালায় জেলা প্রশাসনের দল। একই সঙ্গে মুকুটমণিপুরের একাধিক হোটেল ও রেস্তোরাঁতেও পরিদর্শন করা হয়। অভিযানে ছিলেন বাঁকুড়ার অতিরিক্ত জেলাশাসক (সাধারণ) চিরন্তন প্রামাণিক, খাতড়ার মহকুমাশাসক তাপস ভট্টাচার্য, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক আখতার আলী সহ জেলা খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকেরা। প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, খাতড়ার একটি রেস্তোরাঁয় ফ্রিজে রাখা মাংসের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তার কেনার বিল দেখাতে পারেননি মালিক। মাংসটি কবে কেনা হয়েছিল, তারও উপযুক্ত নথি দেখানো যায়নি বলে প্রশাসনের দাবি। অন্য একটি খাবারের দোকানে ভাজা মাছ ও ডিমে ফাঙ্গাস ধরার বিষয়টি আধিকারিকদের নজরে আসে। কয়েকটি রেস্তোরাঁয় খাবারে ব্যবহারের জন্য অনুমোদনহীন রাসায়নিক রং ও এসেন্সও পাওয়া যায়। খাবারে ওই সব রং ব্যবহারের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়েছে। কয়েকটি জায়গায় গৃহস্থের ব্যবহারের জন্য রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহার করতে দেখা যায়। সেগুলি অবিলম্বে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মুকুটমণিপুরের হোটেলগুলিতে অভিযান চালিয়েও উঠে এসেছে নানা অনিয়মের ছবি। কয়েকটি জায়গায় এমন খাবার তৈরির সামগ্রী পাওয়া গিয়েছে, যার গায়ে ব্যাচ নম্বর, উৎপাদনের তারিখ বা মেয়াদ শেষের তারিখ উল্লেখ নেই। একটি হোটেলে পশু খাদ্যের জন্য ব্যবহৃত বেসনও পাওয়া গিয়েছে। অধিকাংশ হোটেলের রান্নাঘর ও খাবার তৈরির জায়গায় পরিচ্ছন্নতার অভাব রয়েছে। যেসব দোকান ও রেস্তোরাঁয় অনিয়ম ধরা পড়েছে, তাদের নোটিস দেওয়া হয়েছে। সাত দিনের মধ্যে সমস্ত ত্রুটি সংশোধন করে নিয়ম মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দ্বিতীয় বা তৃতীয় বার অনিয়ম ধরা পড়েছে, তাদের বিরুদ্ধে খাদ্য সুরক্ষা আইনের সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া শুরু করা হবে বলেও KN_ADVUNK উল্লেখ করেন। অতিরিক্ত জেলাশাসক চিরন্তন প্রামাণিক বলেন, কয়েকটি জায়গায় মেয়াদোত্তীর্ণ সামগ্রী ব্যবহার করতে দেখা গিয়েছে। রান্নাঘর এবং বিভিন্ন সরঞ্জামের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার ক্ষেত্রেও চরম উদাসীনতা রয়েছে। এমন কিছু অনুমোদনহীন ফুড কালার ও এসেন্স ব্যবহার করা হচ্ছে, যেগুলি খাবারে ব্যবহার করা যায় না। এই সমস্ত অনিয়মের জন্য সংশ্লিষ্ট দোকানগুলিকে নোটিস দেওয়া হয়েছে এবং সাত দিনের মধ্যে তা সংশোধন করতে বলা হয়েছে। কিছু জায়গায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় বার অভিযান চলছে। তাদের ক্ষেত্রে অ্যাডজুডিকেশনের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার সঙ্গে কোনও রকম আপস করা হবে না। খাবারের ব্যবসায়ীদের নিয়ম মেনে ব্যবসা করতে হবে। ক্রেতারাও যাতে তারা কী খাবার কিনছেন, তার গুণমান ও উপাদান সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা পান, তা নিশ্চিত করাই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।
0
0
Report
Advertisement
Advertisement
Back to top