Become a News Creator

Your local stories, Your voice

Follow us on
Download App fromplay-storeapp-store
Advertisement
Back
Purba BardhamanPurba Bardhaman

बर्दमान में साढ़े छह लाख रुपये बरामद, दो गिरफ्तार

ALArup Laha
Feb 05, 2026 06:50:02
Belna, West Bengal
vote-er age barna- in Bengali content about Bardhaman cash seizure: বর্ধমান শহরে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধারের ঘটনায়.police investigating links to political funding. মঙ্গলবার বিকেলে বর্ধমান শহর সংলগ্ন রেনেসাঁ উপনগরী থেকে চারচাকা গাড়ি আটক করে সাড়ে ৬ লক্ষ টাকার উদ্ধার। গাড়িটি আটক করে পিছনের সিটের নীচ থেকে টাকা উদ্ধার। ধৃতরা সৌরভ ঘোড়ুই ও বাপন হাঁসদা, ওন্দা থানার বাসিন্দা। ধারণা করা হয় তারা পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানে একাধিক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে নগদ টাকা সংগ্রহ করে বাঁকুড়ায় ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিল। টাকার উৎস ও উদ্দেশ্য স্পষ্ট নয়। তদন্ত চলছে; রাজনৈতিক তহবিলের যোগসূত্র, ভোটের আগে আর্থিক লেনদেন, ও দুর্নীতির সম্ভাব্য সূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রাজ্যে এসআইআর চাপানউতোর, কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধি দলও উপস্থিত। পূর্বে ইডির মাধ্যমে নগদ টাকার উদ্ধার ও ওসির বাড়িতে ইডি অভিযান নিয়ে জল্পনা চলেছে। জেলায় তৃণমূল ও বিজেপির বিভিন্ন নেতা-নেত্রীদের মন্তব্য রয়েছে।
0
comment0
Report

For breaking news and live news updates, like us on Facebook or follow us on Twitter and YouTube . Read more on Latest News on Pinewz.com

Advertisement
DGDebabrata Ghosh
Feb 11, 2026 12:15:13
Howrah, West Bengal:ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার এক বৃদ্ধার দেহ। মৃতার নাম সুমিতা দে (৬০)। বাড়ি টিকিয়াপাড়া এলাকার বেলিলিয়াস রোডে। এই ঘটনা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। আজ দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ তাকে বিছানার উপর সংজ্ঞাহীন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন প্রতিবেশীরা। তারা সঙ্গে সঙ্গে খবর দেন টিকিয়াপাড়া ফাঁড়িতে। পুলিশ তার একতলার ফ্ল্যাট থেকে তাকে উদ্ধারের পর হাওড়া জেলা হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিশ সূত্রে খবর ওই বৃদ্ধা একাই ফ্ল্যাটে থাকতেন। তার স্বামী হাওড়া আদালতের আইনজীবী ছিলেন। বছর তিনেক আগে তার মৃত্যু হয়। প্রাথমিক তদন্তে মৃতদেহে কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। হাওড়া থানার পুলিশের পক্ষ থেকে একটি অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে.
0
comment0
Report
BSBidhan Sarkar
Feb 11, 2026 11:38:17
Chinsurah, West Bengal:ত্রিবেনী কুম্ভমেলার পঞ্চম বর্ষ의 সূচনা। কাঁচ বাবা,টুপিবাবा কিন্নর সাধুদের আখড়া ভীর জমতে শুরু করেছে। নগরকীর্তন,শক্তিপিঠ পরিক্রমা,রুদ্রাভিষেক,রুদ্র মহাযজ্ঞ,শিব সহস্র নাম,সাধু প্রবচন,ধর্মসভা। সপ্তর্ষি ঘাটে সন্ধায় গঙ্গা আরতি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। নাগা সাধুদের আখাড়া নিয়ে শুরু হল ত্রিবেনী কুম kumb মেলা। প্রায় সাতশ বছর আগে হুগলির ত্রিবেনীতে গঙ্গা যমুনা সরস্বতীর সঙ্গমে কুম্ভ বসত বলে জনশ্রুতি।গঙ্গাসাগরে মকর সংক্রান্তি শেষে ফেরার পথে সাধু সন্ন্যাসীরা পায়ে হেঁটে ত্রিবেনী সঙ্গমে মিলিত হতেন মাঘি পূর্নিমায়। সেখানে একদিনের কুম্ভ হত, যাকে অনুকুম্ভ বলা হয়। সেই কুম্ভ আবার শুরু হয়েছে পাঁচ বছর আগে। ত্রিবেনীতে এই তিন দিন বহু মানুষের সমাগম হয়। গঙ্গার ঘাটে পরশু হবে পূন্যস্নান।তার আগে নাগা সাধুদের নগর পরিক্রমা হবে। যাকে ঘিরে প্রশাসনিক তৎপরতা রয়েছে। গঙ্গাপারে রিফিউজি ক্যাম্পে সাধু আখড়ায় নাগা সাধুরা এসে গেছেন।আসামের কামাক্ষ্যা থেকে কিন্নর সাধুরাও এসেছেন। এবারে সাধু আখড়ার আকর্ষন কাঁচ বাবা।ছাই ভষ্ম মেখে কাঁচের বোতল ভেঙে তার উপর দাঁড়িয়ে থাকছেন বাবা।বলছেন মাস চারেক আগে ভাঙা কাঁচের টুকরোর উপর দাঁড়ানো অভ্যাস করেন।পায়ে ব্যাথা বা কেটে রক্ত ঝড়ে না!সাধুর কথায় সবই মায়া। বঙ্গীয় ত্রিবেণী কুম্ভ পরিচালনা সমিতির কাঞ্চন বন্দ্যোপাধ্যায়,প্রদীপ ভট্টাচার্যরা জানান,সপ্তর্ষি ঘাট শিবপুর মাঠ আর আর ক্যাম্প এই তিনটি জায়গায় মেলার কাজ চলছে।ক্যাম্পে মূলত সনাতনী কার্যক্রম হবে।সন্ধ্যাবেলায় সপ্তর্ষি ঘাটে কয়েক হাজার প্রদীপ জ্বালানো হবে।সন্ধ্যা আরতি হবে।পূর্বপুরুষদের উদ্দেশ্যে প্রদীপ জ্বালাতে পারবেন সাধারণ মানুষ। একটা সময় এই সপ্তগ্রামে বাণিজ্য বন্দর ছিল।যেখানে বিদেশি জাহাজ আসতো বাণিজ্য হতো। ত্রিবেনী কুম্ভ মেলায় কয়েক লক্ষ মানুষের সমাগম হবে। নতুন করে সেই ত্রিবেনী আবার জমজমাট হবে। আগামী কাল রাজ্যপাল আসার কথা ত্রিবেনী কুম্ভমেলায়。
0
comment0
Report
BSBidhan Sarkar
Feb 11, 2026 11:37:53
Chinsurah, West Bengal:मोদি সরকারের উদ্যোগে দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত 'বন্দে মাতরম' গানের সার্ধ শতবর্ষ। সরকারি অনুষ্ঠানে বাধ্যতামূলক 'বন্দে মাতরম'-এর (Vande Mataram) প্রথম ৬ স্তবক । বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক । সেই বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়েছে সব রাজ্য সরকারকে । 'জন গণ মন-র আগে বন্দে মাতরম সঙ্গীতের সরকারি সংস্করণ সমবেতভাবে গাওয়া বাধ্যতামূলক' করা হয়। কোন কোন ক্ষেত্রে তা গাওয়া হবে, তার তালিকাও দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক । বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সময় কোরাসে 'বন্দে মাতরম' গাওয়া যাবে । রাষ্ট্রপতির কোনও সরকারি বা জনসাধারণের অনুষ্ঠানেও গাওয়া যাবে 'বন্দে মাতরম' । মন্ত্রীদের উপস্থিতিতে তাৎপর্যপূর্ণ অনুষ্ঠানেও উপযুক্ত মর্যাদায় 'বন্দে মাতরম'-এর প্রথম ৬ স্তবক গাওয়া যেতে পারে । 'দেশের সমস্ত স্কুল Shurur আগে সমবেত কণ্ঠে গাওয়া যেতে পারে বন্দে মাতরম'। ঠিক কী বলা হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দেশিকায় ? নির্দেশ জারি হয়েছে, সমস্ত সরকারি অনুষ্ঠানে ও সব স্কুলে জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’ পরিবেশনের পরই বাজাতে হবে জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’ । যে অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি উপস্থিত থাকেন, সেখানে তিনি আসা ও যাওয়ার সময় পরিবেশন করতে হবে এই গান । পাশাপাশি বন্দে মাতরম বাজাতে হবে পদ্ম পুরস্কারের মতো অসামরিক তথা নাগরিক সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানেও । যদিও সিনেমা হলে এই গান বাজানো বাধ্যতামূলক নয় বলেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে । 全সমস্ত রাজ্যগুলিকে পাঠানো নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, এবার ‘বন্দে মাতরম’-এর ছটি স্তবকই পরিবেশন করতে হবে । এর আগে ১৯৩৭ সালে কংগ্রেস সরকারের আমলে গানটির চারটি স্তবক বাদ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কেন হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত? জানা গিয়েছে, দেশের মানুষের মধ্যে দেশপ্রেম বোধ জাগাতে, শৃঙ্খলাবদ্ধ করতে ও দেশের প্রতি সম্মান বাড়াতেই এই পদক্ষেপ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের। এই প্রসঙ্গে চুঁচুড়ার স্থানীয় ইতিহাস চর্চাকারী সপ্তর্ষি বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,সত্যিই এটি গৌরবের বিষয়। various political दृष्टिकोণ থেকেই বন্দেমাতরম সংগীতের তবক গুলিকে বিভিন্নভাবে বাদ দেওয়া হয়েছিল কিন্তু আজ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠান এবং সর্বত্র বন্দেমাতরম এর প্রথম ছয় স্তবক গাওয়ার নির্দেশিকা দেওয়া সত্যিই প্রশংসনীয়। তৃণমূলের চুঁচুড়ার পুরসভার কাউন্সিলর জয়দেব অধিকারী বলেন,চুঁচুড়া শহরে বঙ্কিমচন্দ্রের বন্দেমাতরম এর ইতিহাস জড়িত রয়েছে।আমাদের গর্বের।কিন্তু ভোটের আগে এটা একটা গিমিক。
0
comment0
Report
BCBasudeb Chatterjee
Feb 11, 2026 11:37:37
Asansol, West Bengal:অগ্নিমিত্রা পালকে হেনস্তার অভিযোগে রানীগঞ্জে বিজেপির মিছিল, তৃণমূলের সঙ্গে উত্তেজনা ও বচসা আসানসোল: বিজেপি নেত্রী ও আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভার বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পালকে হেনস্তার অভিযোগকে কেন্দ্র করে রানীগঞ্জের নিউ এগারা গ্রামে বিজেপির পক্ষ থেকে প্রতিবাদ মিছিল সংগঠিত করা হয়। শনিবার অগ্নিমিত্রা পালের নেতৃত্বে ওই মিছিল বের হয় এবং মিছিল চলাকালীন তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে স্লোগান তোলেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিছিল নিউ এগারা গ্রাম অতিক্রম করার সময় গ্রামবাসীরা এবং তৃণমূল কংগ্রেসের কিছু কর্মী ও সমর্থকেরা বিজেপির স্লোগানের প্রতিবাদ জানালে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র বচসা শুরু হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে হাতাহাতির পরিস্থিতিও তৈরি হয় বলে অভিযোগ। ঘটনারস্থলে অগ্নিমাত্রা পাল উপস্থিত ছিলেন। এই ঘটনার পর অগ্নিমিত্রা পাল অভিযোগ করেন, যারা প্রতিবাদে সামিল হয়েছিল তারা স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা বিবেক মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ। তিনি দাবি করেন, বিজেপি কর্মীরাও স্লোগানের পাল্টা হিসেবে স্লোগান তোলে。 অন্যদিকে, এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সম্পাদক ভি. শিবদাসন দাসু বলেন, “যারা ওই ঘটনায় জড়িত ছিল তারা গ্রামবাসী। তারা তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ বা তৃণমূল কংগ্রেস জিন্দাবাদ স্লোগান দিত। কোনও ব্যক্তির নামে স্লোগান দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। বিষয়টি খতিয়ে দেখা দরকার তারা আদৌ তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী কিনা。” ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। যদিও পরবর্তীতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। ঘটনার জেরে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে চাপানউতোর।
0
comment0
Report
STSrikanta Thakur
Feb 11, 2026 11:15:19
Dinajpur, Rangpur Division:শহরজুড়ে বৃক্ষরোপণ প্রকল্পের ফলক বসানো হলেও বাস্তবে পর্যাপ্ত গাছের দেখা মিলছে না—এমন অভিযোগ ঘিরে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে বালুরঘাট পুরসভায়। কোথাও ফলক থাকলেও চারাগাছ নেই, আবার কোথাও গাছ লাগানো যদিও তবে পরিচর্যার অভাবে সেগুলি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রকল্পের খরচ নিয়ে প্রশ্ন তুলে বালুরঘাট সদর মহকুমা শাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে বামফ্রন্ট। পাশাপাশি পুরসভার কাছেও ব্যয়ের হিসেব চাওয়া হয়েছে।পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, কেন্দ্র সরকারের ‘অম্রুত মিত্র’ প্রকল্প ও রাজ্য নগর জীবিকা মিশনের যৌথ উদ্যোগে বালুরঘাট শহরে প্রায় তিন হাজার গাছ লাগানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়। গত বছর আগস্ট মাস থেকে কর্মসূচি শুরু হয়। এক বছরের মধ্যে মোট ৩১৪২টি গাছ লাগানোর লক্ষ্য ছিল। মঙ্গলবার পর্যন্ত নথি অনুযায়ী ২,৭৯৩টি গাছ রোপণ করা হয়েছে। রোপণ ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শহরের স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের। এই প্রকল্পে মোট বরাদ্দ ৬০ লক্ষ টাকা, যা চার দফায় পাওয়ার কথা থাকলেও আপাতত এক দফার টাকা পেয়েছে পুরসভা। ওই অর্থে শহরের ১৮টি জায়গায় বৃক্ষরোপণের কাজ হয়েছে বলে দাবি।তবে অভিযোগ, এতদিন গাছের কোনও ফলক চোখে পড়েনি। গত দু’दिन ধরে ফলক বসানো শুরু হতেই প্রকল্পের বাস্তব চিত্র সামনে আসে। বামেদের দাবি, হিসেব অনুযায়ী একটি গাছের পিছনে প্রায় দু’হাজার টাকা বরাদ্দ। তা সত্ত্বেও না রয়েছে পর্যাপ্ত গাছ, না রয়েছে রক্ষণাবেক্ষণ। কোথাও ফলক থাকলেও একটি গাছও নেই।এই বিষয়ে বামফ্রন্টের সাংবাদিক দের প্রশ্নের উত্তরে জেলা নেতা অমল সরকার ও প্রাক্তন কাউন্সিলর প্রলয় ঘোষ বলেন, “আমাদের ধারণা, এই প্রকল্পের টাকা নয়ছয় করা হয়েছে। একটি গাছের জন্য এত খরচ কেন? আর খরচ হলে রক্ষণাবেক্ষণই বা হল না কেন? ফলকের কিউ আর কোড স্ক্যান করে দেখা যাচ্ছে, অধিকাংশ অর্ডার কপিতে প্রকল্পের স্থান হিসেবে বালুরঘাট হাসপাতালের নাম রয়েছে, অথচ ফলক বসানো হয়েছে অন্যত্র। এই অসঙ্গতি নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।” তদন্তের দাবিতে তাঁরা মহকুমা শাসকের কাছে অভিযোগ জমা দিয়েছেন।অভিযোগের ভিত্তিতে শহরের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, বটকৃষ্ণ পল্লীতে প্রায় ৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে গাছ লাগানোর কথা থাকলেও সেখানে মাত্র ৮০-৮৫টি গাছ অযत্নে পড়ে রয়েছে। আর্য সমিতি এলাকার উদ্যানে ফলক থাকলেও সেখানে একটি গাছেরও দেখা মেলেনি। অনেক ক্ষেত্রেই অর্ডার কপিতে এক জায়গার ঠিকানা, আর বাস্তবে ফলক অন্য জায়গায়—যা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে পুরসভার বিরুদ্ধে।এ বিষয়ে বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান সুরজিৎ সাহা বলেন, “প্রকল্পের মাধ্যমে যেসব গাছ লাগানো হয়েছে, সেগুলির সঠিক পরিচর্যার জন্যই ফলক বসানো হচ্ছে। বামফ্রন্ট যে অভিযোগ তুলছে, তা ঠিক নয়। প্রকল্পের সময় আমি চেয়ারম্যান ছিলাম না, তবু পুরো বিষয়টির রিপোর্ট নিয়ে খতিয়ে দেখছি।”বৃক্ষরোপণ প্রকল্প ঘিরে এই বিতর্কে এখন নজর শহরবাসীর, আদৌ তদন্তে কী উঠে আসে, সেটাই দেখার।
0
comment0
Report
AGAyan Ghosal
Feb 11, 2026 11:03:47
Kolkata, West Bengal:আজ সকালের আবহাওয়া। সিনোপসিস। .DAYের বেলায় শীতের অনুভূতি ক্রমশ কমবে। উইকেন্ডে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দু থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে। রবিবারে মধ্যে দিনের বেলায় শীত কার্যত উধাও হবে। ঘন কুয়াশার সতর্কতা আপাতত আর নেই। সকালে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা। উত্তরবঙ্গে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি থাকবে দার্জিলিং জলপাইগুড়ি কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুর জেলাতে। কলকাতা সহ বাকি জেলাতে খুব হালকা শিশির বা কুয়াশার সামান্য সম্ভাবনা সকালের দিকে। systেম। পাঞ্জাব ও সংলগ্ন উত্তর পাকিস্তান এলাকায় পশ্চিমী ঝঞ্ছা। উত্তর-পশ্চিম ভারতের পার্বত্য এলাকায় পশ্চিমী ঝঞ্ঝার দাপট। দক্ষিণ-পশ্চিম রাজস্থান এলাকায় একটি সক্রিয় ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন ভারত মহাসাগর এলাকায় একটি আপার এয়ার সার্কুলেশন বা ঘূর্ণাবর্ত। দক্ষিণবঙ্গ। আজ দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের কিছুটা নিচে। দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলাতে স্বাভাবিকের তুলনায় দু ডিগ্রি নিচে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আগামীকাল বৃহস্পতিবার ১২ ই ফেব্রুয়ারি থেকে তাপমাত্রা বাড়বে। পরবর্তী তিন দিনে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বনিম্ন तাপমাত্রা বাড়তে পারে বলে অনুমান আবহাওয়াবিদদের। সকালের দিকে হালকা শিশির কিংবা কুয়াশা। দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই শুষ্ক আবহাওয়া। এই সপ্তাহে বৃষ্টির কোন সম্ভাবনা নেই। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলায় সকালের দিকে হালকা কুয়াশার সামান্য সম্ভাবনা। উত্তরবঙ্গে ঘন কুয়াশার সতর্কবার্তা আপাতত থাকছে না। সব জেলার ই বেশ কিছু এলাকায় হালকা/মাঝারি মানের কুয়াশার সম্ভাবনা। আগামী তিন চার দিন হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই। দার্জিলিং জলপাইগুড়ি উত্তর দিনাজপুর এবং কোচবিহার জেলাতে কুয়াশার সম্ভাবনা একটু বেশি থাকবে আগামী দু-তিন দিন। উত্তরবঙ্গের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার কোনো হেরফের নেই আগামী চার পাঁচ দিন। একই রকম আবহাওয়া থাকবে। দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উত্তরবঙ্গের উপরের দিকে কালিম্পং সহ সমতলের জেলাতে ৮ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে তাপমাত্রা থাকবে। শিলিগুড়ি এবং মালদা সহ নিচের দিকের জেলাতে ১৪ থেকে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। উইকেন্ডে বেড়ে যাবে এই তাপমাত্রা। কলকাতা। রাতে ও সকালে শীতের অনুভূতি। হালকা শীতের আমেজ থাকবে। আজকেও ১৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস এর ঘরে তাপমাত্রা। তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়তে থাকবে। উর্দ্ধমুখী তাপমাত্রা। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস মতোই পরিস্কার আকাশ। সকালে হালকা শিশির/ কুয়াশার সম্ভাবনা। আগামী সাতদিন শুষ্ক আবহাওয়া। বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই। কলকাতার তাপমান। আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫.৬ ডিগ্রি। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৮.০ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ আপেক্ষিক আর্দ্রতা ২৯ থেকে ৮৪ শতাংশ। আগামী ২৪ ঘন্টায় শহরের তাপমাত্রা থাকবে ১৬ ডিগ্রি থেকে ২৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস এর মধ্যে। গত ২৪ ঘন্টায় কেরালার কোয়েত্তাম এবং তেলেঙ্গানার মাহবুবনগর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছিল। দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল পশ্চিম রাজস্থানের পালিতে ৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জম্মু-কাশ্মীরে ফের দুর্যдомের আবহাওয়া। পশ্চিমী ঝন্ঝার প্রভাবে বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড় বৃষ্টির আশঙ্কা। বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সঙ্গে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা বাতাস। জম্মু-কাশ্মীর শুধু নয় লাদাখ মোজাফরাবাদ হিমাচল প্রদেশেও এর প্রভাব পড়বে। উত্তরাখন্ডে ও আংশিক প্রভাব। বৃষ্টির সঙ্গে তুষারপাতের সম্ভাবনা।
0
comment0
Report
DGDebabrata Ghosh
Feb 11, 2026 11:02:52
Howrah, West Bengal:বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জের।স্ত্রীকে খুনের অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে।চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার ঘটনা ঘটেছে ডোমজুর থানার অন্তর্গত জালান কমপ্লেক্সে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা রাহুল শেখ তার স্ত্রীকে নিয়ে ভাড়া থাকতেন জালান কমপ্লেক্সের তিন নম্বর গেটের পাঁচ নম্বর লেনে।দুজনেই কাজ করতেন গেঞ্জি কারখানায়।এই কারখানার ঠিকাদার রোশন কুমারের সাথে রাহুলের স্ত্রীর বিবাহ বহির্ভত সম্পর্ক গড়ে ওঠে।এনিয়ে ওই দম্পতির মধ্যে বিবাদ চরমে ওঠে।স্বামীর চাপে বাধ্য হয়ে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ডোমজুর থানায় গতকাল শ্লীলতাহানির অভিযোগ করেন মহিলা।পুলিশ ঠিকাদারকে গ্রেফতার করে।কিন্তু এরপরেও স্বামী স্ত্রীর ঝামেলা থামেনি।আজ ঘর থেকে স্ত্রীর দেহ উদ্ধার হয়।ঘটনার পর থেকে স্বামী রাহুল শেখ পলাতক।সেকারনেই পুলিশের সন্দেহ এটা খুনের ঘটনা।ডোমজুর থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে。
0
comment0
Report
NRNarayan Roy
Feb 11, 2026 10:23:14
Siliguri, West Bengal:বাংলাদেশে ভোটের আগে কড়া নিরাপত্তা, সীমান্তে বাড়ানো হলো নজরদারি রাত পেরোলেই বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন। ১২ ফেব্রুয়ারির এই ভোটকে ঘира ঘিরে চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে সে দেশে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের আবহে এই নির্বাচনকে ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই বাড়তি সতর্কতা নিয়েছে ভারতও। তবে সীমান্ত সিল করা হয়নি, বরং ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তজুড়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সীমান্তবর্তী একাধিক এলাকায় বিএসএফের টহলদারি জোরদার করা হয়েছে। নিয়মিত পেট্রোলিংয়ের পাশাপাশি চলছে কড়া ম্যানুয়াল মনিটরিং। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে—ড্রোন, সিসিটিভি ক্যামেরা, নাইট ভিশন ডিভাইস এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক সার্ভেলেন্স ব্যবস্থার মাধ্যমে সীমান্ত পরিস্থিতির ওপর ২৪ ঘণ্টা নজর রাখা হচ্ছে। সীমান্তের সংবেদনশীল পয়েন্টগুলিতে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে বলেও সূত্রের খবর। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে ১০ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের সমস্ত নিরাপত্তা সংস্থাকে হাই অ্যালার্টে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলির প্রশাসনকেও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে, যাতে কোনওরকম অনুপ্রবেশ, চোরাছালান বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়। গোয়েন্দা সংস্থাগুও পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে। কেন্দ্রীয় সূত্রের দাবি, বাংলাদেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়া এবং সামগ্রিক পরিস্থিতির ওপর নজর রয়েছে ভারত সরকারের। প্রতিবেশী দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির প্রভাব যাতে ভারতের ভেতরে না পড়ে, সে বিষয়টি মাথায় রেখেই আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে সীমান্তে বাড়তি নজরদারি ও কড়া নিরাপত্তার আবহেই বাংলাদেশের নির্বাচনের দিনকে সামনে রেখে প্রস্তুত রয়েছে ভারত।
0
comment0
Report
BBBimal Basu
Feb 11, 2026 10:07:40
Basirhat, West Bengal:दो दिनों से लापता तृणमूल कार्यकर्ता नासिर अली की खोज को लेकर चातरा रोड पर आग जलाकर सड़क अवरोध कर प्रदर्शन किया गया। परिवार के अनुसार पिछले रविवार एक ERO के परिचय से कहकर कहा गया कि कागज-पत्र में कुछ गलत है, फिर सोमवार को आधार कार्ड आदि लेकर बीडीओ कार्यालय आने को कहा; सुबह फिर फोन कर बताया गया कि मैं HABRA जा रहा हूं, शाम को आना; इसी क्रम में वह मोटरसाइकिल लेकर निकला और उसके बाद उसका कोई पता नहीं चला; मोबाइल स्विच ऑफ। रातभर खोज के बाद पुलिस ने नदी समेत अन्य जगहों पर खोज की, पर उसका सुराग नहीं मिला। चातरा ब्रिज के डॉक्टर-खाना मोड़ पर सड़क पर टायर जलाकर प्रदर्शन किया गया; कुछ समय के बाद पुलिस मौके पर पहुँची और प्रदर्शनकारियों को शांत कराने के बाद अवरोध हटाए गए।
0
comment0
Report
Advertisement
Back to top