Become a News Creator

Your local stories, Your voice

Follow us on
Download App fromplay-storeapp-store
Advertisement
Back
84111
रात में फिर कोलकाता में हादसा: ड्राइवर-खालाशी भागे, पुलिस जांच जारी
NHNantu Hazra
Feb 02, 2026 04:17:56
Salt Lake City, Utah
Another accident in Kolkata at night. The small contenor car lost control and overturned. The driver and sailor are absconding. পুলিশ সূত্রে খবর সাইনসিটি দিক থেকে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে আসছিল ছোট হাতি গাড়িটি। চিংড়িঘাটা ফ্লাইওভারে ওঠার আগেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডিভাইডারে ধাক্কা মেরে উল্টে যায় গাড়িটি। গাড়িতে থাকা চালক ও খালাসী গাড়ি ফেলে চম্পট দেয়। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে গাড়িটিকে সরিয়ে ফেলে। ইতিমধ্যেই গাড়িটিকে বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ চালক ও খালাসীর খোঁজে তল্লাশি চলছে。
0
comment0
Report

For breaking news and live news updates, like us on Facebook or follow us on Twitter and YouTube . Read more on Latest News on Pinewz.com

Advertisement
STSrikanta Thakur
Feb 07, 2026 05:06:54
Dinajpur, Rangpur Division:আবাস যোজনার টাকা একজনের ডকুমেন্ট ব্যবহার করে অন্যজনের একাউন্টে ঢুকিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল পরিচালিত পতিরাম গ্রাম পঞ্চায়েত ও স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে। বালুরঘাট ব্লকের পাহাড়পুর সংসদের বাসিন্দা উত্তম সরকার ২০২৪ সালে অক্টোবর মাসে আবাস যোজনার ঘরের জন্য আবেদন করেছিলেন এবং সেই আবেদন গৃহীত হয়। তার আবেদনপত্রের নাম্বার WB 119874828। টিনের বেড়া দেওয়া পাটকাঠি ও কাদা দিয়ে তৈরি ছোট্ট একটি ঘরে বসবাস করেন উত্তম সরকার তার মা স্ত্রী ও কন্যা। রাজনৈতিক পরিচয় তিনি বিজেপির স্থানীয় বুথ সম্পাদক এবং এলাকায় সক্রিয় বিজেপি কর্মী। ২৮/০১/২০২৬ তারিখে তার কাছে সরকারিভাবে মেসেজ আসে WBIFMS বালুরঘাট ট্রেজারি থেকে অ্যাকাউন্ট নাম্বার *******7996 এ বাড়ি তৈরীর প্রথম কিস্তির টাকা ৬০০০০ দু একদিনের মধ্যেই ক্রেডিট হবে।সেই সময় তিনি একাউন্ট নাম্বারটি অতটা খেয়াল করেননি। পরে যখন অন্যদের একাউন্টে টাকা ঢোকে তিনি তার অ্যাকাউন্ট চেক করতে গিয়ে দেখেন সেখানে টাকা ক্রেডিট হয়নি। অথচ সরকারি ভাবে তাকে মেসেজ দেওয়া হয়েছে তার একাউন্টে টাকা দেওয়া হলো। এরপরই উত্তম সরকার তদবির শুরু করেন। প্রথমে পঞ্চায়েত, স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারা কোন সদউত্তর দিতে না পারায় তিনি বালুরঘাট ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসারের দপ্তর ও যোগাযোগ করেন। বিষয়টি নিয়ে সেখানেও খুব একটা মাথা ঘামায়নি দায়িত্বে থাকা অফিসাররা বলে অভিযোগ উত্তম বাবুর পরিবারের। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ উত্তম সরকার যেহেতু সক্রিয় বিজেপি কর্মী সেই কারণেই তাকে সরকারি এই সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। শুধু তাই নয় বিজেপির আরো অভিযোগ ডকুমেন্ট ব্যবহার করা হয়েছে তার কিন্তু অন্যের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে তার একাউন্টে টাকা ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই কাজের জন্য সম্পূর্ণভাবে দায়ী যারা সার্ভে করেছিলেন সেই সমস্ত ব্যক্তি ও স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। পেশায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও কৃষক উত্তম সরকারের বাড়ি দেখলে স্পষ্ট ভাবে বোঝা যায় তিনি বাড়ি পাওয়ার যোগ্য। ভাঙাচোরা বাড়িতেই বসবাস করেন তার পরিবার নিয়ে।একাধিকবার বাড়ির জন্য করেছেন পঞ্চায়েত সহ বিভিন্ন স্তরে। পরে সরকারিভাবে তার কাছে মেসেজ আসায় উত্তমবাবু ও তার পরিবার স্বপ্ন দেখেছিলেন তাদের কপালে সিকে ছিঁড়তে চলেছে । কিন্তু বিধি বাম। শেষ পর্যন্ত টাকা তারা পাননি। তার পরিবার চাইছে কি কারনে টাকা পাওয়া গেল না veya কি কারণে অন্যের একাউন্টে টাকা ঢুকে গেল তা খতিয়ে দেখা হোক। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব অবশ্য এই বিষয়ের মধ্যে রাজনৈতিক কারসাজি দেখতে পাচ্ছেন। অবশ্য বিজেপির তোলা এই অভিযোগ কে পুরোপুরি অস্বীকার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসারের অফিস সূত্রে তারা জানতে পেরেছেন সার্ভে পর্যন্ত তার নাম লিস্টে ছিল। কিন্তু চূড়ান্ত প্রাপকদের যখন তালিকা তৈরি হয় সেই সময় উত্তম নাম ছিল না। পাশের পাড়ার আরেকজন উত্তম সরকার রয়েছে তার নাম ঢকানো হয়। যে কারণে ফোন নাম্বার উত্তম সরকারের থাকলেও টাকাটা পেয়েছেন সঠিক ব্যক্তি। তৃণমূলের সরকার কারো সঙ্গে রাজনৈতিক মতভেদ করে না। রাজনৈতিক মতভেদের কারণে কাউকে সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে না। প্রয়োজনে তারা প্রশাসনের দ্বারস্থ হতে পারেন। অন্যদিকে বিজেপির দাবি চূড়ান্ত তালিকায় নাম থাকার পরেই উত্তম সরকারকে পঞ্চায়েতে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয় রীতিমতো চিঠি দিয়ে এবং সেখানে গিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তাকে সংবর্ধনাও দেওয়া হয় তারপরেও কি করে নাম পরিবর্তন হয়ে গেল তা অজানা। সব মিলিয়ে রাজনৈতিক দড়ি টানাটানি শুরু হয়েছে টাকা অন্যের একাউন্টে ঢুকে যাওয়াকে কেন্দ্র করে। বাইট ১/ সন্ধ্যা সরকার ( মা) ২/ মনহর মন্ডল ( প্রতিবেশী) ৩/ছোটন চক্রবর্তী বিজেপি ব্লক সভাপতি ৪/ মলয় কুমার সরকার তৃণমূল ব্লক সভাপতি ৫/ শ্রীকান্ত ঠাকুর পি টি সি।
0
comment0
Report
ABArup Basak
Feb 07, 2026 05:06:27
Mal Bazar, West Bengal:মালবাজার মহকুমার নাগরাকাটা ব্লকে ১৯১১ জন ব্যক্তি বাংলার বাড়িতে পেয়েছেন। সাংবাদিক সম্মেলน করে একথা জানালেন নাগরাকাটা ব্লকের ভিডিও জয় প্রকাশ মণ্ডল। বিডিও উনার দপ্তরে এক সাংবাদিক সম্মেলন করেন। এখানে উপস্থিত ছিলেন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সঞ্জয় কুজুর এবং পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ প্রবীণ কুমার ঝাঁ। বিডিও বলেন, আমাদের ব্লকে ১৯১১ জনের অনুকুলে বাংলার বাড়ির প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দ এসেছিল। আমরা সেই অর্থ প্রত্যেক বেনিফিশারির খাতায় জমা করে দিয়েছি। 많은েই বাড়ি করেছেন এবং থাকতে শুরু করেছেন। রাজ্য সরকারের এটা অত্যন্ত ভালো উদ্যোগ। অনেকেই পুরনো বাড়িতে থাকতেন, কেউ কেউ জীর্ণ বসবাসের অযোগ্য বাড়িতে থাকতেন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে তাদের নতুন বাড়ি হয়েছে। এটা ভালো দিক। আমরা ১৯৬২ জনের নাম পাঠিয়েছিলাম তারমধ্যে গত ৫ অক্টোবরের ভয়ংকর বন্যায় যাদের বাড়িঘর ভেসে গিয়েছিল তাদের টাকা তারা আগেই পেয়ে গেছেন। এজন্যে ১৯১১ জনের বরাদ্দ এসেছিল আমরা গোটাটাই ব্যবহার করতে পেরেছি। এখনো অনেকই বাড়ি পাইনি বলে জানাচ্ছেন, কি বলবেন? প্রশ্ন করা হলে বিডিও বলেন, হ্যাঁ, এখনো আবেদন আসছে আমরা সেগুলো বিচারের মধ্যে রেখেছি।prosঙ্গত উল্লেখ্য, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দরিদ্র মানুষের বসবাসের উপযোগী ঘর নির্মাণের জন্য বাংলার বাড়ি প্রকল্প ঘোষণা করেছিলেন। ইতিমধ্যেই প্রত্যন্ত ব্লক গুলোতে সেই বরাদ্দ এসে গেছে। ব্লক প্রশাসন উপভোক্তাদের খাতায় জমা করেছে। এভাবে দ্রুত প্রকল্প রূপায়ণ হওয়ায় সাধারণ মানুষ অত্যন্ত খুশি বলে তিনি জানান।
0
comment0
Report
KMKIRAN MANNA
Feb 07, 2026 05:05:58
Dihierench, West Bengal:শিক্ষক সংকটে বন্ধ পাঁচটি শিক্ষা কেন্দ্র, দূরমুঠে স্কুলহীন ভবিষ্যতের আশঙ্কা—দুশ্চিন্তায় অভিভাবক থেকে গ্রামবাসীরা। যদিও প্রশাসনের দাবি কাছাকাছি রয়েছে প্রাথমিকের অন্য স্কুল। ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যা কমের কারণে বন্ধ করা হয়েছে স্কুল। গ্রামবাসীদের একাংশ এবং বিরোধীদল বাম বিজেপির অভিযোগ সময়ে শিক্ষক নিয়োগ না হওয়ায় ধীরে ধীরে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথির সন্নিকটে দূরমুঠ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় গত এক বছরে বন্ধ হয়ে গেল পাঁচটি শিক্ষা কেন্দ্র। এর মধ্যে রয়েছে চারটি শিশু শিক্ষা কেন্দ্র (SSK) এবং একটি মাধ্যমিক শিক্ষা কেন্দ্র (MSK)। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র অসন্তোষ ছড়িয়েছে গ্রামবাসী ও বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে। অভিযোগ, বর্তমান সরকারের আমলে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকায় বিদ্যালয়গুলিতে গুরুতর শিক্ষক সংকট তৈরি হয়। একসময় যেখানে তিন থেকে চারজন শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়ে সুষ্ঠুভাবে চলছিল স্কুলগুলি, সেখানে অবসরজনিত কারণে শিক্ষক সংখ্যা কমে যায় এবং নতুন নিয়োগ না হওয়ায় বহু ক্ষেত্রে একজন শিক্ষক দিয়েই বিদ্যালয় চালাতে হয়। কোথাও আবার শিক্ষক অবসর নেওয়ার পর আর কাউকে নিয়োগই করা হয়নি।ফলে স্বাভাবিকভাবেই পठन-পাঠনের পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ক্রমশ কমতে থাকে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হচ্ছে, ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণেই বিদ্যালয়গুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যদিও গ্রামবাসীদের একাংশের দাবি, কোথাও ছাত্র না থাকায় স্কুল বন্ধ হলেও, কোথাও ছাত্র থাকা সত্ত্বেও শিক্ষিকাকে অন্যত্র বদলি করে বিদ্যালয় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বন্ধ হয়ে যাওয়া বিদ্যালয়গুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য— ১) ভূতগেড়্যা পশ্চিমপাড়া শিশু শিক্ষা কেন্দ্র ২) দইসাই দক্ষিণ শিশু শিক্ষা কেন্দ্র ৩) বরুনা বেড়িয়া শিশু শিক্ষা কেন্দ্র। ৪) গামাডুলি শিশু শিক্ষা কেন্দ্র। ৫) দুরমুঠ মাধ্যমিক শিক্ষা কেন্দ্র। ----দূরমুঠ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার মোট পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান。 জানা যায়, বিদ্যালয়গুলি ২০০২ সালে বামফ্রন্ট সরকারের আমলে গড়ে ওঠে। তৎকালীন কারিগরি শিক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী চক্রধর মেইকাপের উদ্যোগে এবং দপ্তরের আর্থিক সহায়তায় এই স্কুলগুলি নির্মিত হয়। যেসব এলাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয় ছিল না, সেখানে শিশু শিক্ষা কেন্দ্র এবং যেখানে হাইস্কুল ছিল না, সেখানে মাধ্যমিক শিক্ষা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছিল। লক্ষ্য ছিল—সব শিশুকে স্কুলমুখী করা এবং স্কুলছুটের সংখ্যা কমানো। সরকারি অর্থে বিদ্যালয়গুলি গড়ে উঠলেও গ্রামবাসীরা নিজেদের জমি দান করে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলেন। কিন্তু বর্তমানে শিক্ষক সংকট ও উপযুক্ত পরিকাঠামোর অভাবে বিদ্যালয়গুলির প্রতি শিশুদের আগ্রহ কমে যায়। শেষপর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রী কমে যাওয়ার কারণে জেলা শিক্ষা দপ্তরের নির্দেশে বিদ্যালয়গুলিতে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। এর জেরে সমস্যায় পড়েছেন অভিভাবকরা। শিশুদের পড়াশোনার জন্য এখন দূরবর্তী সরকারি বিদ্যালয় অথবা ব্যয়বহুল বেসরকারি স্কুলের উপর নির্ভর করতে হচ্ছে। পাশাপাশি, মিড-ডে মিলের সঙ্গে যুক্ত রান্নার কাজ করা কর্মীরাও কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। বিরোধীদল বাম ও বিজেপির অভিযোগ, বর্তমান সরকার শিক্ষা ব্যবস্থার দিকে যথাযথ নজর না দিয়ে বেসরকারিকরণের পথইে হাঁটছ। অপরদিকে, দীর্ঘদিন বিদ্যালয় বন্ধ থাকলে ভবনগুলি দুষ্কৃতকারীদের আস্তানায় পরিণত হওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসীরা। গ্রামবাসীদের দাবি পুনরায় শিক্ষক নিয়োগের পাশাপাশি পরিকাঠামো গড়ে তুলে স্কুলগুলি খুলে দেওয়া হোক。 *বাইট:-* ১)বাইট ঝড়েশ্বর বেরা।সিপিআইএম নেতা। ২:১৯ সেঃ এবং ২৪ সেঃ দুটি বাইট。 ২)বাইট শম্ভু রাম রানা।কাঁথি তিন দক্ষিণ মন্ডল সভাপতি, বিজেপি।২:৫০ সেঃ。 ৩)বাইট চন্দন মাইতি, অভিভাবক এবং এলাকার শিক্ষা বন্ধু। ১:৩৯ সেঃ。 ৪)বাইট কল্যাণী বারুই। প্রাক্তন প্রধান এবং স্থানীয় তৃণমূল নেত্রী। ৩:৩৭ সেঃ。 ৫)বাইট মিড ডে মিলের রাঁধুনি। ৪৫ সেঃ。 বাইট সুনির্মল মিত্র। শিশু শিক্ষা দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক। ৪৩ সেঃ বাইট。 Wt. ক্যামেরায় সান্তনু খুঁটিয়ার সাথে- কিরণ মান্না।১:৫১ সেঃ。
0
comment0
Report
BSBarun Sengupta
Feb 07, 2026 05:05:33
Barrackpore, Kolkata, West Bengal:সুপ্রিম কোর্টে গাউন পড়ে আইনজীবী হয়ে যেভাব মুখ্যমন্ত্রী সাওয়াল করলেন,তেমনি আমার মেয়ের জন্য হাইকোর্টে ও উনি এইভাবে সাওয়াল করুন!! আমার মেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরেই খুন হয়েছে,আমরা ৩৬ বার হাইকোর্ট থেকে মেয়ের মামলা না শুনানি দেখে ফিরছি!! চূড়ান্ত ক্ষোভ উগড়ে দিলেন তিলোত্তমার বাবা-মা এই নিয়ে ৩৬ বার হাইকোর্ট থেকে মেয়ে তিলোত্তমার মামলা না সুনেই ফিরে এলেন তিলোত্তমার বাবা-মা।৩৬ দিনই মামলা হাইকোর্ট এ শুনানি থাকলেও বিচারক মামলা টি শুনছেন না!! তাদের পরের মামলার শুনানি হলেও তিলোত্তমার মামলা পড়ে থাকছেই।কি কারনে তিলোত্তমার মামলার হেয়ারিং হচ্ছে না তার সদুত্তর নেই তিলোত্তমার বাবা- মায়ের কাছেই। তাই তাদের দাবী মুখ্যমন্ত্রী গাউন পরে যেমন সুপ্রিম কোর্টে সাওয়াল করেছেন,তেমনই আমার মেয়ের মামলার জন্য ও উকিলের গাউন পরে তদারকি করুন।কারন তিলোত্তমা তার দপ্তরেই খুন হয়েছেন।আর উনিই মুখ্যমন্ত্রী এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী।তাই উনি হাইকোর্টে সওয়াল তিলোত্তমার জন্য সওয়াল করুক!! এই দাবী জানালেন তিলোত্তমার বাবা-মা।
0
comment0
Report
AGAyan Ghosal
Feb 07, 2026 04:30:49
Kolkata, West Bengal:বাবা দীর্ঘদিনের তৃণমূল কর্মী। তার ছেলে কেন বিজেপি করবে? এই যুক্তিতে পরশু এবং গতকাল রাতে উপর্যুপরি দুবার আক্রমণ করা হয়েছে আনন্দপুর থানা এলাকার বাসিন্দা ৩৭ বছরের এক যুবককে। রাজেশ মন্ডল নামের ওই যুবকের অভিযোগ পরশু রাতে হেরিটেজ স্কুল লাগোয়া তার চা এবং ব্রেকফাস্টের দোকানে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। দোকান ভাঙচুরের পর আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় এবং সিলিন্ডার ব্লাস্ট করে। পুলিশ অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে। এতে প্রশ্রয় পেয়ে গতকাল রাতে ফের তার ওপর আক্রোশ দেখানো হয়। এবার সরাসরি বাড়িতে এসে 그의 বাইক বাড়ি থেকে প্রায় ১০০ মিটার দূরে খালপাড়ে টেনে এনে তাতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ করছেন রাজেশ মন্ডল। কলকাতা পুরসভার ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের এই এলাকা কসবা বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। কাল রাতে ঘটনার খবর পেয়ে আসে আনন্দপুর থানার পুলিশ। তবে এবারও লিখিত অভিযোগ পুলিশ নিতে অস্বীকার করেছে বলে রাজেশের দাবি।
0
comment0
Report
PDPradyut Das
Feb 07, 2026 04:30:39
Jalpaiguri, West Bengal:বাংলার বাড়ি প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে জলপাইগুড়ি জেলায় প্রায় ৩৪ হাজার উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকে গিয়েছে। দু একদিনের মধ্যে বাকিদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকে যাবে বলে दावा অতিরিক্ত জেলাশাসক (জেলা পরিষদ) রৌনক আগরওয়াল। তিনি বলেন, প্রথম পর্যায়ে জলপাইগুড়ি জেলায় ৩২ হাজার উপভোক্তা বাংলার বাড়ির টাকা পেয়েছেন। দ্বিতীয় পর্যায়ে ৩৫ হাজার বেনিফিশিয়ারি চিহ্নিত হয়েছে। বাংলার বাড়ির প্রচারে জেলায় ট্যাবলো ঘুরছে।প্রথম পর্যায়ে জেলায় যাঁরা বাংলার বাড়ির টাকা পেয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে ৯৮.৫ শতাংশ বাড়ি তৈরির কাজ শেষ করে ফেলেছেন। উপভোক্তাদের কারও বাড়িতে যদি শৌচালয় না থাকে, সেটি তৈরির জন্য আলাদা করে ১২ হাজার টাকা দেওয়া হচ্ছে। ট্যাবলো উদ্বোধন উপলক্ষ্যে ছিলেন সভাধিপতি কৃষ্ণা রায় বর্মন।
0
comment0
Report
AGAyan Ghosal
Feb 07, 2026 03:33:51
Kolkata, West Bengal:EDEN TRAFFIC *ইডেনে টি ২০ বিশ্বকাপ। শহরে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ বিজ্ঞপ্তি জারি পুলিশের* আজ ৭ ফেব্রুয়ারি বেলা ১ টা থেকে রাত ৯টা এবং ১৪ ও ১৬ ফেব্রুয়ারি বেলা ১ টা থেকে রাত ৯ টা ইডেন গার্ডেন লাগোয়া এলাকায় যান নিয়ন্ত্রণ। ক্ষুদিরাম বোস রোড, নর্থ ব্রুক এভিনিউ, গোষ্ঠ পাল সরণি বন্ধ রাখা হবে সম্পূর্ণ ভাবে। রানী রাসমণি এভিনিউ, ওল্ড কোর্ট হাউস স্ট্রিট, ডাফরিন রোড,গুরু নানক সরণি তে নিষিদ্ধ হচ্ছে সমস্ত রকম গাড়ি পার্কিং। এই সময়ের মধ্যে দক্ষিণ কলকাতা দিক থেকে আসা যানবাহন এজেসি বোস রোড হয়ে সেন্ট জর্জেস রোড এবং স্ট্রান্ড ধরে হাওড়া যাবে। হাওড়া দিক থেকে আসা গাড়ি গুলি কে বিবাদী বাগ হয়ে বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিট ধরে রানি রাসমণি এভিনিউ ধরে জহরলাল নেহরু রোড দিয়ে দক্ষিণ দিকে পাঠানো হবে। এছাড়াও বেশ কিছু নির্দিষ্ট রাস্তার বিকল্প পথ বেছে নিয়ে চালানো হবে যান বাহন。
0
comment0
Report
ABArup Basak
Feb 07, 2026 03:04:53
Mal Bazar, West Bengal:চাবাগান সংলগ্ন এলাকায় ঘাস কাটতে গিয়ে বাইসনের আক্রমনে মৃত্যু হল এক মহিলার। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার বিকেলে নাগরাকাটা ব্লকের বামনডাঙ্গা চাবাগান এলাকায়। পুলিশ সুত্রে জানা গেছে মৃত মহিলার নাম সাবিত্রী কাওয়ার(৫৬) বাড়ি বামনডাঙ্গা চাবানগার মডেল ভিলেজ এলাকায়৷ প্রতিবেশিদের সাথে বাড়ির গরুর জন্য খাস কাটতে যায় এই মহিলা। স্থানিয় সুত্রে জানা গেছে অন্যান্য মহিলাদের সাথে এই মহিলাও আপন মনে ঘাস কাটতে থাকে। সেই সময় ডায়না জঙ্গল থেকে একটি বাইসন বেরিয়ে আসে। তা দেখে অন্যান্য মহিলারা পালিয়ে গেলেও এই মহিলা বাইসনের সামনে পড়ে যায়। বাইসন সিং দিয়ে গুতো দিয়ে ফেলে দেয়। ঘটনা স্থলে মৃত্যু হয় তার। এরপর বাইসনটি জঙ্গল এ চলে গেলে অন্যান্য শ্রমিকেরা ওই মহিলাকে সন্ধ্যা নাগাদ শুলকাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করে। বন দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে সরকারি নিয়মে সাহায্য করা হবে।
0
comment0
Report
MMManoranjan Mishra
Feb 07, 2026 03:03:34
Purulia, West Bengal:পুরুলিয়া: ট্র্যাক্টরের ধাক্কায় শিশু মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায় । শুক্রবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটে কাশীপুর - বাঁকুড়া রাজ্য সড়কের উপর কাশিপুর থানার পাহাড়পুর এলাকায়। প্রায় ৩ বছর বয়সী মৃত শিশুর নাম সাজ্জাদ আনসারি। বাড়ি কাশিপুর থানার হরিদি গ্রামে। জানা যায়, একটি বাইকে করে বাবা ও মা তাদের শিশুটিকে নিয়ে রাস্তায় যাচ্ছিল । সেই সময় অপরদিক থেকে আসা একটি ট্রাক্টরের সঙ্গে ধাক্কা লাগে বাইকের। ঘটনায় আহত বাবা মা ও শিশুটিকে তড়িঘড়ি উদ্ধার করে কল্লোলী গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় । সেখানে চিকিৎসকেরা শিশুটিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। বাবা ও মা চিকিৎসাধীন। ঘটনার পর স্থানীয়রা ট্রাক্টর আটকে বিক্ষোভ দেখান । খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ। যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রনের দাবি জানান তারা। পুলিশ সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলে এবং ট্রাক্টরটিকে আটক করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় ।
0
comment0
Report
AGAyan Ghosal
Feb 07, 2026 02:48:25
Kolkata, West Bengal:*আবহাওয়া পয়েন্টার* ১) চার দিন পর ফের কলকাতায় রাতের পারদ নামল ১৪ এর ঘরে। চলতি শীতের মরশুমের এটাই লাস্ট ইনিংস। কলকাতায় গতকাল রাতের তাপমাত্রা ১৪.৪ ডিগ্রি। যা এই সময়ের স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় আড়াই ডিগ্রি কম। কাল দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৬.৫ ডিগ্রি। যা এই সময়ের স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি কম। বেশি রাতে এবং খুব ভোরে শীতের আমেজ সোম মঙ্গলবার পর্যন্ত। আগামী সপ্তাহ শেষ হলে রাজ্যের দক্ষিণবঙ্গে শীত বলে আর কোনকিছু অস্তিত্ব থাকবে না। ২) রাজ্যে কোথাও আর ঘন কুয়াশার সতর্কতা আপাতত আর নেই। জেলাগুলিতে সকালে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা। উত্তরবঙ্গে সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা। দক্ষিণবঙ্গে আগামী দুদিন কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি থাকবে পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূম জেলাতে। ৩) পশ্চিমী ঝঞ্ঝা উত্তর-পূর্ব ইরান সংলগ্ন আফগানিস্তান এলাকায়। আরো একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা আসবে কাল ৮ই ফেব্রুয়ারি রবিবার। উত্তর পূর্ব আসামে ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। ঘূর্ণাবর্ত দক্ষিণ-পূর্ব আরবসাগর সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। লাক্ষাদ্বীপ এবং কেরালা উপকৌলের মাঝে এর অবস্থান। ৪) উইকেন্ডে শীতের আমেজ বাড়ল। কাল রবিবার রাতের মধ্যে আরো দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা কমতে পারে দক্ষিণবঙ্গের কোনো কোন জেলাতে। রবিবার পর্যন্ত কলকাতায় ১৪ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর মধ্যে থাকবে তাপমাত্রা। উপকূলের ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১৩ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর মধ্যে। পশ্চিমের জেলার তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির কাছাকাছি নেমে যেতে পারে। ১১ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে পশ্চিমের বেশিরভাগ জেলার তাপমাত্রা। হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা বিক্ষিপ্তভাবে দক্ষিণবঙ্গে। কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি থাকবে পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূম জেলার কিছু অংশে। আজ ও কাল সকালে এই জেলাগুলিতে কুয়াশার সম্ভাবনা একটু বেশি থাকবে। কলকাতা সহ বাকি জেলাতে সকালের দিকে হালকা কুয়াশার সামান্য সম্ভাবনা। ৫) উত্তরে ঘন কুয়াশার সতর্কবার্তা আপাতত থাকছে না। সব জেলাতেই বেশ কিছু এলাকায় হালকা/মাঝারি মানের কুয়াশার সম্ভাবনা। আগামী ৩ থেকে ৪ দিন হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই。 উত্তরবঙ্গের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার কোন হেরফের নেই আগামী চার পাঁচ দিন। একই রকম আবহাওয়া থাকবে। রবিবার পর্যন্ত দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় ৫ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উত্তরবঙ্গের উপরের দিকে কালিম্পং সহ সমতলের জেলাতে ১০ থেকে ১২ ডিগ্রির মধ্যে তাপমাত্রা থাকবে। মালদা সহ নিচের দিকের জেলাতে ১৩ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। ৬) কলকাতায় আজ রাতে আরো সামান্য নামবে পারদ। রাতে ও সকালে শীতের অনুভূতি বাড়লো। শুক্রবার রাতে ১৪ এর ঘরে নামল পারদ। চলতি উইকেন্ডে শেষ বারের মতো জমিয়ে শীতের আমেজ। পরিস্কার আকাশ। সকালে হালকা শিশির বা কুয়াশার সম্ভাবনা। আগামী সাতদিন শুষ্ক আবহাওয়া।মঙ্গলবার থেকে ফের উর্দ্ধমুখী তাপমাত্রা. ৭) ঘন কুয়াশার সতর্কবার্তা হিমাচল প্রদেশে। পূর্ব উত্তর প্রদেশের কিছু অংশে ঘন কুয়াশার সতর্কবার্তা।
0
comment0
Report
ALArup Laha
Feb 07, 2026 02:48:10
Belna, West Bengal:আবির খেলা এবং মিষ্টি মুখে মেতে উঠলেন ব্লকের আশা আইসিডিএস কর্মীসহ সাধারণ মহিলারা। বিজেপির দাবী আবীর খেলে ও মিষ্টিমুখ করিয়ে শাসক দল সস্তায় প্রচার করছে। তবে পাল্টা দিতে ছাড়ে নি তৃণমূল নেতৃত্ব। বৃহস্পতিবার অন্তর্বর্তিকালীন বাজেটে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বৃদ্ধির সঙ্গে আইসিডিএস এবং আশা কর্মীদের হাজার টাকা সাম্মানিক বাড়ানোর পাশাপাশি একাধিক সুযোগ-সুবিধা ঘোষণা করেন রাজ্যের অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। শুক্রবার সন্ধ্যায় পূর্ব বর্ধমানের আউসগ্রাম ২ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে অমরপুর অঞ্চলের আদুরিয়া গ্রামে “লক্ষ্মী এলো ঘরে” শীর্ষক তথ্যচিত্র প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হয়। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সেখ আব্দুল লালন ও তৃণমূল নেতৃত্ব সহ স্থানীয় বাসিন্দারা। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের অর্থ বৃদ্ধির খবরে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন এলাকার আদিবাসী মহিলারা। তারা আবির খেলায় মেতে ওঠেন, একে অপরকে মিষ্টিমুখ করিয়ে আনন্দ ভাগ করে নেন। এই আনন্দঘন মুহূর্তে তাদের সঙ্গে শামিল হন এলাকার আশা কর্মী ও আইসিডিএস কর্মীরাও। স্থানীয় মহিলাদের বক্তব্য, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের প্রকল্পের মাধ্যমে তারা আর্থিকভাবে অনেকটাই স্বনির্ভর হয়েছেন। ভাতা বৃদ্ধির ফলে সংসার চালানো আরও কিছুটা সহজ হবে বলেই মত তাঁদের। গোটা অনুষ্ঠান জুড়ে ছিল উৎসবের আবহ, হাসি-খুশি আর রঙিন আনন্দের ছোঁয়া। বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, আশাকর্মীরা ভাতা চান না, তারা বেতন চান।যারা তাদের দাবীতে এখনও অনঢ়।অথচ তৃণমূল নেতা আবীর ও মিষ্টিমুখ করিয়ে আনন্দ উচ্ছ্বাস দেখাচ্ছে।আসলে এটার মধ্যে মিথ্যে লুকিয়ে আছে। ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সেখ আব্দুল লালন বলেন,অন্তর্বর্তিকালীন বাজেটে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণায় খুশির জোয়ার রাজ্যজুড়ে। রাজ্যের অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বাজেট পেশের সময় লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের অর্থ ৫০০ টাকা বৃদ্ধির পাশাপাশি আইসিডিএস ও আশা কর্মীদের জন্য এক হাজার টাকা সাম্মানিক এবং একাধিক সুযোগ-সুবিধার কথা ঘোষণা করেন। এই ঘোষণাকে কেন্দ্র করে খুশিতে আবির খেলায় মেতে ওঠেন। তারা একে অপরকে মিষ্টিমুখ করিয়ে দেন। এছাড়াও তাদের সঙ্গে উপস্থিত হন অঞ্চলের আশা কর্মী এবং আইসিডিএস কর্মীরাও।
0
comment0
Report
PSPrasenjit Sardar
Feb 07, 2026 01:45:31
Baruipur, West Bengal:ভাঙড়ে ভাঙন আইএসএফের। আইএসএফের অঞ্চল সহ সভাপতি ও একাধিক কর্মী যোগ দিয়েছে তৃণমূলে, দাবি সওকাত মোল্লার। পাল্টা শওকত মোল্লার দাবি অস্বীকার করলেন আই एस এফ। বিপদে পড়ে একজন তৃণমূলে যোগ দিয়েছে। ভাঙড়ের হাতিশালা এলাকায় প্রায় ৫০ জন আইএসএফ সমর্থক যোগ দেয় তৃণমূলে। ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক সওকাত মোল্লার হাত ধরে যোগদান করেন আইএসএফ কর্মী সমর্থকরা।। পাশাপাশি এদিন বেশকিছু সিপিআইএম কর্মী সমর্থকরাও তৃণমূলে যোগ দেয়।। বেঁওতা দুই গ্রাম পঞ্চায়েতের আইএসএফের সহ সভাপত ইসলাম মোল্লা সহ তাঁর অনুগামীরা যোগদান করে বলেন, তৃণমূলের উন্নয়নে সামিল হতেই আজ যোগদান করলাম।। সওকাত মোল্লার দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাজেটে খুশি হয়ে এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নে সামিল হতে আজ যোগ দিয়েছে। যদিও শওকাত মোল্লার দাবি অস্বীকার করলে আই এস এফের নেতা বাবুল মোল্লা। তার দাবি একজন তৃণমূলে যোগ দিয়েছে।কিন্তু তিনি কোন পদে ছিল না আই এস এফের । বিপদে ছিল তাই তিনি যোগদান করেছে।
0
comment0
Report
BBBimal Basu
Feb 07, 2026 01:02:45
Basirhat, West Bengal:এসআইআর এ যাদের শুনানির হয়ে গেছে তাদের মৃত দেখিয়ে ফর্ম-৭ ফিলাপ করে বিডিও অফিসে জমা দেওয়া হয়েছে বিজেপির পক্ষ থেকে। এই অভিযোগে বাদুড়িয়া বিডিও অফিসে সেই মৃত ও ডবলিং ভোটারদের নিয়ে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল কংগ্রেস। তবে বিজেপি ঘটনা অস্বীকার করে বলেন এগুলো তৃণমূলের কারসাজি এসআইআরভন্ডুল করার চক্র। উত্তর ২৪ পরগণার বাদুড়িয়ার চন্ডিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তর ব্যана গ্রামে ৪৫ নম্বর বুথে ৩৩ জন মৃত ও ১২ জন ডবলিং ভোটারদের নামে ফর্ম-৭ ফিলাপ করে জমা দেয় বিজেপির মন্ডল সভাপতি দীপক মন্ডল বলে অভিযোগ। এই অভিযোগে শুক্রবার বিকেলে ভোটারদের সঙ্গে নিয়ে বাদুড়িয়া বিডিও অফিসে সামনে তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ দেখানো হয়। তার পর ৪৫ জনই ঘরের মধ্যে ঢুকে বিডিও পার্থ হাজরার সামনে হাজির হয় তারা মৃত কি জীবিত তা প্রমাণ করতে। বিডিও পার্থ হাজরা সবাইকে আশ্বস্ত করেন বিষয়টি তিনি খতিয়ে দেখবেন। ৭৩ বছরের অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মী এলাহী বক্স বলেন কে আমাকে মৃত ঘোষণা করেছে আমার ডেথ সার্টিফিকেট চাই। এরা ননসেন্স এদের প্রত্যেককে আর্মিতে ভর্তি করা উচিত যেখানে জবাব দিতে হয়। এদের জবাব দিতে হয় না সেই জন্য এরা যা খুশি করছে। এছাড়াও সত্তর উর্ধ্ব বয়স্ক ভোটাররা মহিলারা তাদের হয়রানীর করার জন্য ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন যখন আমরা মৃত তখন আমাদের ডেথ সার্টিফিকেট টি দেখাক। বিডিও পার্থ হাজরা বলেন ওনারা কমপ্লেন নিয়ে এসেছিলেন আমরা তদন্ত করে যেটা পাব সেটাই রেজাল্ট হবে।
0
comment0
Report
Advertisement
Back to top