Become a News Creator

Your local stories, Your voice

Follow us on
Download App fromplay-storeapp-store
Advertisement
Back
Paschim Bardhaman713210

पश्चिम बर्धमान के पांडबेश्वर में टीएमसी के जनसंपर्क से भीड़ भारी उमड़ी

CDChittaranjan Das
Feb 28, 2026 04:45:45
Durgapur, West Bengal
*বিজেপি নেতাকে প্রত্যাখ্যান করে জেলা তৃণমূলের সভাপতির জনসংযোগে উপচে পড়লো ভিড়, ব্যতিক্রমী ছবি পাণ্ডবেশ্বরে। বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারির জনসংযোগে যেতেই দরজা বন্ধ রেখেছিল পশ্চিম বर्धমান জেলার পাণ্ডবেশ্বরের চন্দ্রডাঙ্গা এলাকার মানুষ। তৃণমূল বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী এলাকায় যেতেই বাড়তি উৎসাহ এলাকার মানুষের মধ্যে। গত কয়েক দিন আগেই বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারির জনসংযোগ নিয়ে যুযুধান দুই নেতা একে অপরকে শোলের গব্বর বলে উপাধি দিয়েছিল। নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর সাথে জনসংযোগে যোগ দিলেন গোটা এলাকার কয়েকশো মানুষ। জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী বলেন,"যিনি খারাপ ব্যবহার করেছিলেন মানুষের সাথে তিনি ফলও পেয়েছেন। কিন্তু আমি যতবারই আসি ততবারই মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি। আবার মানুষের আমন্ত্রণে আমি সাড়া দিয়েছি। আজও বহু মানুষের সমাগম হয়েছে। ಪুজো দিলাম গোটা এলাকার মানুষের সাথে কথা বললাম। অভাব অভিযোগের কথা শুনলাম। সকলেই অত্যন্ত খুশি।" স্থানীয় सूत्रে জানা গেছে, এলাকার রাস্তা, পানীয় জল, নিকাশি ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্প নিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেন বিধায়ক। বহুেই নিজেদের ব্যক্তিগত সমস্যার কথাও তুলে ধরেন তাঁর সামনে। বিধায়ক আশ্বাস দেন, দ্রুত সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে কথা বলে সমস্যার সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। সব মিলিয়ে চন্দ্রডাঙ্গা এলাকায় দুই রাজনৈতিক শিবিরের জনসংযোগ কর্মসূচিকে ঘিরে যে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা গেল, তা আসন্ন রাজনৈতিক পরিস্থিতির ইঙ্গিত বহন করছে বলেই মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক মহল。 তবে এই বিষয়ে জিতেন্দ্র তিওয়ারির কোনো বক্তব্য পাওয়া যায় নি। ছবির টুসিতে ফাইল নাম 2802ZG_DGP_NREN_PRACHR_R
0
comment0
Report

For breaking news and live news updates, like us on Facebook or follow us on Twitter and YouTube . Read more on Latest News on Pinewz.com

Advertisement
PCPrabir Chakraborty
Feb 28, 2026 05:49:01
Kolkata, West Bengal:নজরে তফশিল ভোট। আগামী ২ তারিখ বৃহত্তর সমাবেশ করতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। নজরুল মঞ্চে হবে তফশিল সংলাপ সভায় বক্তব্য রাখবেন অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। সমাজের অনগ্রসর শ্রেণির ভোট নিজেদের দিকে টানতে একাধিক পদক্ষেপ করেছে ঘাসফুল শিবির। সে কথা মাথায় রেখেই এবার দলের তফসিলি জাতি (SC) , তফসিলি উপজাতি (ST) নেতাদের নিয়ে সভা তৃণমূল কংগ্রেসের। উপস্থিত থাকবেন অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। ভোটার তালিকা প্রকাশের পরেই তাঁদের পদক্ষেপ রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল。 এবারের বির্বাচনে সমাজের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ভোটকে আলাদা আলাদাভাব টার্গেট করছে গেরুয়া শিবির। তাদের সেই মাস্টার প্ল্যানের পালটা দিতে তৈরি তৃণমূলও। সেই দিকে নজর রেখেই এবার দলের তফসিলি জাতি, তফসিলি উপজাতিদের নিয়ে হবে এই সমাবেশ。 রাজ্যের তফসিলি জাতি এবং জনজাতির মানুষের কাছাকাছি পৌঁছতে ২০২৪ সালের ১৫ মার্চ থেকে ‘তপশিলি সংলাপ’ নামে ওই প্রচারাভিযানে নেমেছে তৃণমূল。 রাজ্যের প্রায় সাড়ে তিন হাজার তফসিলি জাতি এবং জনজাতি নেতা-নেত্রীকে আগেই দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়েছেন অভিষেক。 তৃণমূল সূত্রে খবর, দলের নেতা-নেত্রী এবং জনপ্রতিনিধিরা ওই প্রচার গাড়িতে চেপে তফসিলি জাতি এবং জনজাতি অধ্যুষিত এলাকায় প্রচার চালাবেন। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে কথা বলে শুনবেন তাঁদের পাওয়া না-পাওয়ার কথা。
0
comment0
Report
ALArup Laha
Feb 28, 2026 05:46:04
Belna, West Bengal:এবার তৃণমূল কংগ্রেসের পোস্টার।খোদ বিধায়কের বিরুদ্ধেই পোস্টার পড়লো পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে।মানগোবিন্দ অধিকারীকে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী না করার দাবি জানিয়ে পোস্টার পড়লো ভাতার বাজার, কামারপাড়া মোড় ও নতুন বাসস্ট্যাণ্ড সহ বিভিন্ন জায়গায়। যদিও পোস্টারে লেখা আছে ভাতারের এলাকাবাসীবৃন্দ।কিন্তু ভাতারে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী কোন্দল সর্বজনবিদিত। প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরা ও বর্তমান বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারীর মধ্যে দলে আড়াআড়ি বিভাজন তৈরি হয়েছে বছর খানেক ধরে। তা বারে বারে প্রকাশ্যে এসেছে। এলাকায় দু"পক্ষের মিটিং, মিছিলের পাশাপাশি অনেক সময়ে বনমালী হাজরার অনুগামীরা সামাজিক মাধ্যমেই মানগোবিন্দ অধিকারীর বিরুদ্ধেই সরব হয়েছে। এই বিষয়ে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক বাগবুল ইসলাম বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস মানুষের পাশে থাকে।যারা সাধারণ মানুষের পাশে থাকে না। তারাই এসব নোংরা রাজনীতি করে। তারা পোস্টার দেয়।এতো পরিস্কার বিরোধীরা চক্রান্ত করে পোস্টার দিয়ে তৃণমূলকে হেয় করার চেষ্টা করছে। কিন্তু বাংলার মানুষ তার ভালো জানে। বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি টেলিফোনে জানান, দলের একাংশ বিরোধীদের সঙ্গে জোট বেঁধে এসব করছে। তবে সুযোগ পেয়ে শাসককে কটাক্ষ করতে ছাড়ে নি বিরোধীরা। বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা যে দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত। তা প্রমাণ হল আর একবার।সাধারণ মানুষ এবার পোস্টার দিয়ে প্রমাণ করলেন। বাইট ১।(স্থানীয়), ২।বাগবুল ইসলাম (সাধারণ সম্পাদক, জেলা তৃণমূল), ৩।মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র(বিজেপি নেতা)।
0
comment0
Report
SGShreyasi Ganguly
Feb 28, 2026 05:16:17
Kolkata, West Bengal:কেন্দ্রীয় বাহিনী স্কুল কলেজে থাকা নিয়ে এবার নতুন জটিলতা। আগামী ১ তারিখ এবং আট তারিখ রয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ পরীক্ষা। বহু কলেজ এবং স্কুল যেখানে এই পরীক্ষাগুলো হবে সেগুলোকে বাহিনী থাকার জায়গা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে । আজ থেকেই বিভিন্ন জায়গায় বাহিনীর থাকারও কথা। কিন্তু বাহিনী থাকলে কি করে পরীক্ষা নেওয়া যাবে । চিন্তায় স্কুল সার্ভিস কমিশন । পুলিশের কাছে ইতিমধ্যেই নিজেদের কথা জানিয়ে চিঠি দিয়েছে কমিশন । সূত্রের খবর জটিলতা কাটাতে উদ্যোগ নিয়েছেন রাজ্যের পুলিশ প্রধান । পরীক্ষা যেখানে হবে সেখানে যাতে বাহিনী না থাকে সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে ।
0
comment0
Report
AGAyan Ghosal
Feb 28, 2026 05:16:11
Kolkata, West Bengal:হাওড়া শ্যুট আউটে পুলিশি ধরপাকড় অব্যাহত মুহম্মদ আসলাম নামে আরও এক যুবক গ্রেফতার মেটিয়াব্রুজ থেকে। পুলিশ সূত্রে খবর মহম্মদ বিলাল ওরফে রিঙ্কুর বাড়ি থেকে খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র সংগ্রহ করে এই মহম্মদ আসলাম সেটা মহম্মদ ওয়াকিল ওরফে মুন্নার বাড়ির জলের ট্যাঙ্কে লুকিয়ে রেখেছিল। বৌবাজার থানার কলাবাগান এলাকায় দুই আততায়ীর সেদিনের ব্যবহৃত দুটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে হাওড়া পুলিশ। প্রসঙ্গত মহম্মদ বিলাল (রিঙ্কু) এবং মহম্মদ ওয়াকিল (মুন্না) প্রতিবেশী। বৌবাজার থানার কলাবাগানে সেই বাড়িতে ঢুকেছিল জি ২৪ ঘণ্টা। মুন্নার ঘর তালাবন্ধ থাকলেও রিঙ্কুর ঘরে তার দাদার স্ত্রীর (বৌদির) সঙ্গে কথা বলল জি ২৪ ঘণ্টা। জানা গেল দুই আততায়ীর মধ্যে অন্যতম হারুনের সঙ্গে ৫ বছর আগে আজমের শরিফ বেড়াতে গিয়ে আলাপ হয় রিঙ্কুর। বন্ধুত্ব গাঢ় হয়। তবে গত দেড় দুই বছর সেইভাবে আর সরাসরি যোগাযোগ নেই ওই দুজনের সঙ্গে। মাঝে মধ্যে ফোনে কথা হত এটুকুই। পুলিশ সূত্র অবশ্য অন্য দাবি করছে। এই অত্যন্ত ঘিঞ্জি কলাবাগান এলাকায় এই ঘরেই রচিত হয়েছিল খুনের ছক। দিলদার, ওয়াকিল, রিঙ্কু এরা সবাই এই এলাকার বা বলা ভালো এই বাড়ির আশেপাশের বাসিন্দা।
0
comment0
Report
PDPradyut Das
Feb 28, 2026 04:45:59
Jalpaiguri, West Bengal:কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আজ অথবা আগামীকালের মধ্যে জলপাইগুড়িতে পৌঁছে যাবে বলে জেলা পুলিশ সুপার জানান। সাতটি থানা এলাকায় সমস্ত ব্যবস্থা তৈরি। ৭ কোম্পানি কেন্দ্র বাহিনী জলপাইগুড়িতে আসতে চলেছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। কেন্দ্রীয় বাহিনী আসার আগ মুহূর্তে তাদের থাকার জন্য সমস্ত ব্যবস্থা করা হচ্ছে জোড় কদমে। জলপাইগুড়ি পলিটেকনিক্যাল কলেজে নিউ হোস্টেল এলাকায় কেন্দ্র বাহিনী জন্য প্রস্তুতি প্রায় শেষ। অস্থায়ী পরিকাঠামো টয়লেট, স্নানের ব্যবস্থা, থাকার জায়গা ইত্যাদি ব্যবস্থা প্রায় শেষ। বিধানসভা ভোটকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহলদারি জলপাইগুড়ি বিধানসভার বিভিন্ন কেন্দ্রে থাকছে। ইতিমধ্যেই এই হোস্টেলের ছাত্রদের অন্য জায়গায় করে দেওয়া হয়েছে কলেজের পক্ষ থেকে বলে জানা যায়। খুব শীঘ্রই কেন্দ্রীয় বাহিনী জলপাইগুড়িতে প্রবেশ করবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা যায়।
0
comment0
Report
CDChittaranjan Das
Feb 28, 2026 04:45:30
Durgapur, West Bengal:*বিজেপি কর্মীর বাড়িতে বোমাবাজি, অভিযোগের তির তৃণমূলের বিরুদ্ধে, অভিযোগ অস্বীকার তৃণমূলের। নির্বাচনের আগেই চাঞ্চল্যকর ঘটনা দুর্গাপুরের ইস্পাত নগরীতে গতকাল রাতে । দুর্গাপুরের ইস্পাত নগরীর রানা প্রতাপ রোড এলাকায় থাকেন দুর্গাপুর পূর্ব এক নম্বর মন্ডলের সাধারণ সম্পাদক শাশ্বতী গিরি। শুক্রবার রাত নটার পর তাদের বাড়ির সামনে কেউ বোম ছুড়ে দিয়ে পালায়। বিকট বোমের আওয়াজে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে পরিবারের লোকজন। ঘটনার খবর পেয়ে পৌঁছায় দুর্গাপুর থানার পুলিশ। পুলিশ পুরো ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে। পরিবারের প্রবীণ সদস্যা রিনা নন্দী বলেন,"আমার মেয়ে বিজেপি দল করে। বাড়িতে মাঝেমধ্যে বিজেপি কর্মীদের আসা-যাওয়াও আছে। তবে কি কারণে বোম ছোড়া দেওয়া হলো বুঝে উঠতে পারছি না। কে বা কারা করল সেটাও দেখতে পাইনি। তবে বোমার আওয়াজে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলাম." বিজেপি জেলা সহ সভাধিপতি চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় এর বক্তব্য," নির্বাচনের আগে বিজেপি কর্মীদের এইভাবে ভয় দেখিয়ে লাভ হবে না." অন্যদিকে এলাকার তৃণমূল নেতা রাজীব ঘোষের বক্তব্য, এই ঘটনার সম্পূর্ণ অস্বীকৃতি করে বলেন," উনি যে বিজেপি করেন তাই জানি না." বিজেপি নেত্রী শাশ্বতী গিরি বলেন,"আমি তো সবসময় বাড়িতে থাকি না। বাচ্চারা সহ বাড়ির অন্যান্য সদস্যদের নিরাপত্তার দরকার আছে। আর যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের আমি শাস্তি চাইছি।"
0
comment0
Report
ABArup Basak
Feb 28, 2026 04:32:24
Mal Bazar, West Bengal:গভীর রাতে নাগরাকাটার ধরনীপুর চাবাগানের কাছে জাতীয় সড়কে বাইকের সাথে গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ এ মৃত্যু হল দুজনের। মৃত্যু দুই জনের নাম বিজয় সাওতাল(৪০) ধরনীপুর চাবাগানে বাড়ি, ছোটে মারান্ডি(৩৮) বাড়ি ভগতপুর চাবাগানে। জানা গেছে দুই জন বাইকে করে নাগরাকাটার দিকে আসছিলো। সেই সময় ধরনীপুর চাবাগানের কাছে ১৭ নাম্বার জাতীয় সড়কে তাদের বাইকের সাথে একটি গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। খবর পেয়ে নাগরাকাটা পুলিশ দুজনকে উদ্ধার করে শুলকাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে আসে। কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাদের মৃত বলে ঘোষণা করে। পুলিশ গাড়ি দুটিকে আটক করেছে। অন্যদিকে নাগরাকাটায় অন্য পথ দুর্ঘটনায় আর তিন জন আহত হয়েছে।
0
comment0
Report
SRSanjoy Rajbanshi
Feb 28, 2026 04:19:04
Kalna, West Bengal:একশোটি পরিবারের যাতায়াতের জন্যে এক মাত্র ভরসা সরু ঢালাই রাস্তা, কয়েক মাসের মধ্যে এই রাস্তা ধসে ভেঙে পড়েছে, এম্বুলেসে তো দূরের কথা সাধারণ মানুষ এই পথ দিয়ে হেঁটে চলতে হিমশিম খেতে হয় গ্রামের মানুষদের, প্রায় ঘটে দুর্ঘটনা । কয়েকমাস আগে পথশ্রী প্রকল্পে তৈরী হয়েছিল এই ঢালাই রাস্তা, চলাচলের দিকে বেশ ভালোই উপকৃত হয়েছিল কালনার এক নম্বর ব্লকে, হোরশুনা গ্রামের মানুষরা, কয়েক মাস যেতে না যেতেই পুকুরের ধারে ধসে যায় ঢালাই রাস্তা, কালনার এক নম্বর ব্লকের বিডিও কে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি ক্যামেরার সামনে কোন কথা বলতে রাজি হয়নি। রাস্তা মেরামতির জন্যে প্রশাসনকে জানিও কোনো সুরাহা না মেলায় গ্রামের মানুষরা পুকুর বাঁধন দিয়ে রাস্তা বাঁচানোর চেষ্টা করেন, ভাঙা রাস্তার জন্য এম্বুলেন্স ঢোকেনা তাই গ্রামে কোন রোগী বা গর্ভবতী মা কে হাসপাতাল নিয়ে যাওয়ার জন্যে খাটিয়ায় করে নিয়ে যেতে হয়, আজও রাস্তা সঙ্গস্কার না হওয়ায় ক্ষুব্ধ এই গ্রামের মানুষেরা, শুধু মেলে প্রতিশ্রুতি কিন্তু মেলেনা সমাধান।
0
comment0
Report
PDPradyut Das
Feb 28, 2026 04:18:53
Jalpaiguri, West Bengal:শনিবার অর্থাৎ আজ SIR এর ভোটারদের নামের তালিকা প্রকাশের দিন।আর তার আগে সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছিলেন জলপাইগুড়ির জেলাশাসক।জলপাইগুড়ি জেলায় যাতে কোন রকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেই কারনে জলপাইগুড়ি জেলাতে ৭ কোম্পানি আধা সামরিক বাহিনী আসছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় জলপাইগুড়ির পুলিশ সুপার অমরনাথ কে জানান,, আজ জলপাইগুড়ি জেলায় ৭ কোম্পানী আধা সামরিক বাহিনী আসছে। জেলায় যাতে কোন রকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেই কারনেই এই আধা সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হবে। জেলাশাসকের দপ্তরে জেলাশাসকের উপস্থিতিতে সর্ব দলীয় বৈঠক হয়। SIR এর তালিকা প্রকাশের ফলে নিরাপত্তা বিষয়ে আলোভনা হয়েছে।বৈঠকে আজ যে SIR এর ফাইনাল তালিকা প্রকাশ হবে তা জানানো হয়।আমরা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে প্রস্তুত রয়েছি।যাতে কোন রকম সমস্যা না হয়।বাড়তি পুলিশ বাহিনী মোতায়েত করা হবে।যাতে জেলায় শান্তিপূর্ণ থাকে আমরা সেটা দেখব। যাতে কেউ আতঙ্কিত না হন সেটাই বলব।যাদের নাম থাকবে না সেটার প্রসেস আছে। আজ ও পরশুর মধ্যে ৭ কোম্পানী আধা সামরিক বাহিনী আমরা পেয়ে যাব। এদিন জলপাইগুড়ি জেলাশাসকের কনফারেন্স রুমে সর্বদলীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত। বৈঠকে কংগ্রেস,তৃণমূল বিজেপি সহ অন্যান্য দলের প্রতিনিধিরা ছাড়াও জেলা পুলিশ সুপার অমরনাথ সহ পুলিশের আধিকারিকরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। এদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা চন্দন ভৌমিক বলেন, আজ জেলাশাসক আমাদের ডেকেছিলেন। আমরা সব শুনলাম। যাতে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেটাও দেখতে বললেন। CPI(M) এর জেলা সম্পাদক পিযুষ মিশ্র বলেন, প্রশাসনের যেভাবে কাজ করার কথা ছিল তা প্রথম থেকে করেনি। তার ব্যর্থতা কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকে নিতে হবে বৈধ কোন ভোটারের নাম কাটা যাবে না আমরা এটাই বলেছি। যদি বৈধ ভোটারের নাম কাটা যায় তীব্র আন্দোলন হবে। শান্তি শৃখলা বিঘ্নিত হবে কিনা সেটা বলা সম্ভব না। কংগ্রেসের পক্ষে গনেশ ঘোষ বলেন,, আমরা আতঙ্ক ও চিন্তা নিয়ে বাড়ি যাচ্ছি। সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন বিষয়।আমাদের আস্থা রাখতে হবে বলে জেলাশাসক আমাদের জানালেন। বাইট :- অমরনাথ কে (জেলা পুলিশ সুপার) বাইট :- চন্দন ভৌমিক (তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা) বাইট :- পিযুষ মিশ্র (CPI(M) জেলা সম্পাদক) বাইট :- গনেশ ঘোষ ( কংগ্রেস নেতা ) রিপোর্ট :- প্রদ্যুত দাস ( জলপাইগুড়ি )
0
comment0
Report
STSrikanta Thakur
Feb 28, 2026 03:46:06
Dinajpur, Rangpur Division:দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট ব্লকের সীমান্ত লাগোয়া গ্রাম ডাংগি থেকে খিদিরপুর পর্যন্ত তিন কিলোমিটার গ্রামীণ রাস্তার পুনর নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনার আওতায়। বড় করে বোর্ড লাগানো হয়েছে ডাংগি গ্রামের শুরুতেই। যেখানে দেখা যাচ্ছে ২০২৫ সালের ১০ এপ্রিল এই নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে তবে শেষ কবে হবে তার কোন তারিখ উল্লেখ করা নেই। প্রকল্পের জন্য ব্যয় বরাদ্দ ধরা হচ্ছে ৬৩ লক্ষ ৭২ হাজার টাকা। তিন কিলোমিটার এই রাস্তার জন্য যে টাকা বরাদ্দ হয়েছে যথেষ্ট বলেই দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ ঠিকাদার সংস্থা রাস্তার পাশে থাকা জঞ্জাল একটু পরিষ্কার করে দুদিন মাটি কাটা মেশিন ঘুরিয়ে পরে রাস্তার পাশে থাকা পিলার গুলোকে কালো সাদা রং করে দিয়ে এলাকা ছেড়েছে। তাহলে বোর্ডে লেখা ৬৩ লক্ষ ৭২ হাজার টাকার কাজ কি হলো? তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা বলছেন আগে যাও বা রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করা যেত এখন কাজ হয়ে যাওয়ার পর আরও খারাপ অবস্থা হয়েছে রাস্তার। একফোঁটা পিচ বা নতুন কোন পাথর বালি রাস্তায় পড়েনি। এমনকি নামমাত্র মাটির কাজ করেই এলাকা ছেড়ে দিয়েছে ঠিকাদার সংস্থা। একরকম কোন কাজই হয়নি বলে দাবি স্থানীয়দের। কেউবা বলছেন ভোটের আগে টাকাগুলো নয় ছয় করে দিয়েছে ঠিকাদার সংস্থা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনুমান ঠিকাদার সংস্থা এইটুকু কাজ করে এলাকা ছেড়েছে এবং তারা এই কাজে মোটেই খুশি নয়। কারণ দীর্ঘদিন ধরে দাবি করেও রাস্তা নির্মাণের কাজ হয়নি। যদিওবা সরকারি দপ্তর বরাদ্দ করেছে সেই মতো বোর্ড লাগানো হয়েছে তাই সিডিউল মেনেই সমস্ত কাজ সম্পূর্ণ করতে হবে। এই বিষয়টি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদের সহকারি সভাধিপতি অম্বরীশ সরকার জানিয়েছেন এই বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে এবং খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে এই প্রকল্পের কাজ হওয়ার সময় সীমা দীর্ঘ তিন বছর। পর্যায়ে পর্যায়ে এই কাজ হবে। কোনো ঠিকাদার সংস্থা এলাক ছেড়ে যাওনি বা তাদের পেমেন্ট হয়ে যাওয়ার কোন বিষয় নেই। তবে তিনি ইঞ্জিনিয়ারদের নির্দেশ দিয়েছেন যাতে দ্রুত এই কাজ সম্পূর্ণ হয়। এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে যে ধারণা তৈরি হয়েছে সে ধারণা তৈরি হওয়ার স্বাভাবিক বলে মনে করছেন তিনি। অন্যদিকে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বিজেপি নেতৃত্ব মনে করছে এক আজব যুক্তি। কোন প্রকল্প এই কখনো পাঁচ বছর ধরে রাস্তা সাড়াই হতে পারে না। আজব যুক্তি দিয়ে মানুষের দাবীকে খন্ডন করতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। যে টাকা বরাদ্দ হয়েছিল সেই টাকা তোলাবাজি করে শেষ করে দিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। আর এখন যখন গ্রামবাসীরা দাবি তুলেছে তখন তারা এই ধরনের যুক্তি খাড়া করছে। গ্রামবাসীদের উচিত জেলা পরিষদে এসে তথ্য জানার অধিকারী এই রাস্তা সংক্রান্ত বিষয়ের খরচ খরচা কোথায় হল তার হিসাব জানতে চাওয়া। আর তাতেই পরিষ্কার হয়ে যাবে কোন টাকা কোথায় কত খরচ হয়েছে।
0
comment0
Report
BSBarun Sengupta
Feb 28, 2026 03:45:46
Barrackpur Cantonment, West Bengal:ব্যারাকপুরে নিলগঞ্জে বিজেপি নেতা রবীন মালের বাড়ি হামলা,অভিযোগ বিভাগ কার্য্যকর্তা সন্দিপ ব্যানার্জির গোষ্ঠীর দিকে,CCTV ইর ছবি ভাইরাল হতেই ভোটের আগে বিজেপির গোষ্ঠি কোদাল নিয়ে আসরে তৃনমুল,গোষ্ঠী কোন্দল নিয়ে মুখে কুলুপ বিজেপির উচ্চ নেতৃত্ব ব্যারাকপুর নিলগঞ্জে বিজেপির নেতা নবীন মালের বাড়িতে হামলা চালালো বিজেপিরই অপর গোষ্ঠী। হামলায় রবীন মালের মেয়ে উচ্চ মাধ্যমিক ছাত্রী আতংকে ট্রমাটাইজ।আতংকিত গোটা পরিবার এবং ওই এলাকার বিজেপির নিচুতলার কর্মিরাও। অভিযোগ বিভাগ কার্য্যকর্তা সন্দিপ ব্যানার্জির গোষ্ঠীর দিকে।যদিও এই ব্যাপারে সন্দিপ ব্যানার্জি মুখ খুলতে নারাজ।মুখে কুলুপ এটেছে ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস ঘোষ ও।সামনে ভোট আর তার আগেই বিজেপির প্রকাশ্যেই এই গোষ্ঠী কোন্দলে অস্বস্তিতে বিজেপির উচ্চ নেতৃত্ব।যদিও আক্রান্ত রবীন মাল মোহন পুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।রবীন মালের অভিযোগ জেলা পার্টি অফিসে দলের থেকে পাঠানো কার্য্যকর্তাদের টাকা না পাওয়া নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এরপর প পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তার স্কুটি টি ভাংচুর করে সন্দিপ ব্যানার্জি ঘনিষ্ঠরা। বাইটঃ- রবীন মাল( বিজেপির আমডাংগার মন্ডল ইনচার্জ) বাইটঃ- ক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মি বাইটঃ- ক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মি তবে বিজেপির এই কোন্দলের রাজনৈতিক সুবিধা নিতে মাঠে তৃনমুল।ব্যারাকপুর পুরসভার চেয়ারম্যান তৃনমুল নেতা উত্তম দাস জানান বিজেপির অনেক টাকা।আর এই টাকার ভাগ নিয়েই ঝামেলা অনেক দিন আগে থেকেই। একজন দলের টাকা পেলে সেই টাকা মেরে দেয়।আরেক পক্ষ ঝামেলা করে। বাইটঃ- উত্তর দাস( চেয়ারম্যান ব্যারাকপুর পৌরসভা) 280226 BKP BJP HOUSE HAMLA 2C TE
0
comment0
Report
MCMoumita Chakraborty
Feb 28, 2026 03:45:32
Kolkata, West Bengal:লক্ষ ২০২৬... সব ঠিক থাকলে এবার পদ্মের প্রার্থী তালিকায় শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেই বঙ্গ বিজেপির বাকি দুই হেভিওয়েটকে দেখা যেতছ পারে প্রার্থী তালিকায়।। রাজ্য সভাপতি শমীঅ ভট্টাচাৰ্য ও কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার কেও প্রার্থী করার বিষয়ে ভাবনা শুরু হয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এর পক্ষ থেকে।। বসিরহাট দক্ষিন ও উত্তরবঙ্গের এঅটি আসন নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।। অন্যদিকে ইতিমধ্যেই বাছাইয়ের জন্য সমীক্ষার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রতিটি বিধানসভার জন্য সম্ভাব্য অন্তত তিন জন প্রার্থীর নাম সর্বোচ্চ নেতৃত্বের কাছে পাঠাচ্ছে ওই সমীক্ষক সংস্থা। এর সঙ্গে যুক্ত হবে জেলা এবং রাজ্যের রিপোর্ট। পাশাপাশি গুরুত্ব পাবে সঙ্ঘের মত। তবে রাজ্য বিজেপির তরফে প্রার্থী পদে ইচ্ছুকদের জীবনপঞ্জী জমা করার কথা বলা হয়েছে। তবে গত বারের মতো নেতাদের হাতে নয়, নিয়ম মেনে রাজ্য বিজেপি দফতরে অফিস সম্পাদকের কাছে সেই জীবনপঞ্জী জমা করার কথা বলা হয়েছে। বিজেপি সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে ২৯৪ টি কেন্দ্রের জন্য হাজারের বেশি জীবনপঞ্জি জমা পড়ে গিয়েছে। প্রাথমিক ভাবে ভূপেন্দ্রর উপস্থিতিতে ঠিক হয়েছে, অন্য দল থেকে আসা এবং তারকা মুখকে যথাসম্ভব প্রার্থী তালিকায় কম রাখতে হবে। সেই সঙ্গে প্রার্থী তালিকায় এ বার বড় প্রভাব থাকবে সঙ্ঘের। প্রাথমিক ভাবে যে আলোচনা হয়েছে এবং বিধায়কদের কাজ, গ্রহণযোগ্যতা, আনুগত্যের প্রশ্নে যে সমীক্ষা রিপোর্ট উঠে আসছে, তাতে একাধিক পুরোনো মুখের নাম বাদ যাওয়া অথবা জায়গা বদল হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। সঙ্ঘ চাইছে যতবেশি সংখ্যক আসনে পুরোনো, পরিচিত এবং বিতর্কহীন প্রার্থী দিতে। সূত্রের খবর, কোচবিহারের নাটাবাড়ি কেন্দ্রে মিহির গোস্বামী এ বার প্রার্থী নাও হতে পারেন। নতুন প্রার্থী আসতে পারে কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্রে নিখিলরঞ্জন দে'র জায়গায়। শিতলখুচি কেন্দ্রেও প্রার্থী পরিবর্তন হতে পারে। ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি কেন্দ্রে শিখা চট্টোপাধ্যায়ের বদলে প্রার্থী হতে পারেন রথীন্দ্রনাথ বসু। ফাঁসিদেওয়া আসনেও প্রার্থী বদল হতে পারে। প্রার্থী বদল হতে পারে মালদহের বেশ কিছু আসনে। গজলের বিধায়ক চিন্ময়দেব বর্মনের জায়গায় এ বার নতুন প্রার্থী দেওয়ার সম্ভবনা বেশি। ইংরেজবাজার কেন্দ্র থেকে সম্ভবত আর প্রার্থী করা হবে না শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরীকে। কালিয়াগঞ্জ আসন থেকে সৌমেন রায়ের প্রার্থী হওয়ার সম্ভবনা কম। বিজেপৌ সূত্রের খবর, বহরমপুর আসন থেকে সুব্রত মৈত্র ফের প্রার্থীপদ নাও পেতে পারেন। সেখান থেকে প্রার্থী করা হতে পারে লোকসভা নির্বাচনের প্রার্থী নির্মল সাহা অথবা অভিনেতা কৌশিক রায়কে। গত বিধানসভা নির্বাচনে জগদ্দল থেকে লড়াই করতে নেমে পরাজিত হওয়া অরিন্দম ভট্টাচার্যকে ফের শান্তিপুরে প্রার্থী করা হতে পারে। কল্যাণী থেকে প্রার্থী করা নাও হতে পারে অম্বিকা রায়কে। স্বপন মজুমদার সম্ভবত বনগাঁ দক্ষিণ থেকে প্রার্থী হবেন না। তাঁকে হাবড়া থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পাঠাতে পারে দল। বাগদা আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তীর প্রাক্তন আপ্তসহায়ক গোপাল গয়ালী। বিজেপি সূত্রের খবর, খেঁজুরি এবং কাঁথি উত্তরে প্রার্থী বদল হতে চলেছে। তমলুক লোকসভার কোনও একটি আসন থেকে প্রার্থী হতে পারেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ভাই দিব্যেন্দু অধিকারী। সম্ভваনা ক্ষীণ হলেও নন্দীগ্রাম আসন ছেড়ে কাঁথি দক্ষিণ থেকে এ বার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন শুভেন্দু এমন জল্পনও রয়েছে। হলদিয়া থেকে প্রার্থী হতে পারেন রাজ্য বিজেপির তথ্য-প্রযুক্তি শাখার ইনচার্জ জয় মল্লিক। খড়্গপুর আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চেয়েছেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। কিন্তু ওই আসনটি ছাড়তে নারাজ বর্তমান বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়। বিজেপি সূত্রের খবর, জগদ্দল থেকে প্রার্থী হতে পারেন প্রিয়াঙ্কু পাণ্ডে। ভাটপাড়ায় নিজের ছেলের আসন থেকে এ বার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন অর্জুন সিংহ। সেক্ষেত্রে পবন সিংহকে নৈহাটি কিংবা বিজপুর আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পাঠানো হতে পারে। উপনির্বাচনে পরাজিত হলেও বরানগরে ফের একবার প্রতিদন্দ্বিতা করতে পারেন সজল ঘোষ। ব্যারাকপুর থেকে দাঁড়াতে পারেন কৌস্তব বাগচী। হুগলির বাইরে কোনও একটি আসন থেকে প্রতিদন্দ্বিতা করতে চাইছেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। বর্ষীয়ান নেতা তাপস রায় নিজে চাইছেন প্রার্থী না হওয়া রাজ্য জুড়ে প্রচার করতে। তবে তাঁকে উত্তর কলকাতা মানিকতলা কিংবা শ্যমপুকুর আসন থেকে প্রার্থী করা হতে পারে। প্রার্থী তালিকায় চমক হতে পারেন অমিতাভ চক্রবর্তী। প্রথা ভেঙে রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। তাঁর জন্য প্রাথমিক ভাবে উত্তরবঙ্গের একটি নিরাপদ আসন বেছেও রাখা হয়েছে। তবে ওই আসনের বর্তমান বিধায়ক বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ এক বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ। তাই ওই আসনে শেষ পর্যন্ত পদ্ম-প্রার্থী কে হবেন তা নিয়ে দড়ি টানাটানি হতে পারে। বিজেপি সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত ৮৪ জনের প্রথম তালিকা তৈরি হয়েছে। সেই নিয়ে বৃহস্পতিবার বৈঠক হয়।।গতবারের জয়ী বিধায়কদের অধিকাংশের কাজ নিয়ে নেতিবাচক রিপোর্ট গিয়েছে বলেই সূত্রের খবর। তাই বিজেপি নেতৃত্বের একাংশের ধারণা ফের প্রার্থী করা হলে অনেকেই জিতে আসতে পারবেন না। সেই আসনগুলোয় ঝুঁকি এড়াতে বদল হচ্ছে প্রার্থী। সূত্রের খবর, ফাঁসিদেওয়া আসন থেকে বর্তমান বিধায়কের বদলে প্রার্থী হতে পারেন অজয় ওরাওঁ। ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি আসনেও বর্তমান বিধায়কের বদল ঘটতে পারে। সেই জায়গায় প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন শচিন প্রসাদ এবং রথীন্দ্রনাথ বসু। মাথাভাঙ্গা থেকে প্রার্থী হতে পারেন প্রতিবাদী ভাওয়াইয়া শিল্পী মনীন্দ্র বর্মন। গত বিধানসভায় দিনহাটা থেকে সামান্য ব্যবধানে জিতলেও বর্তমান বিধায়কের বদলে নাটাবাড়ি কেন্দ্র থেকে লড়তে পারেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। শেষ পর্যন্ত রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তী বালুরঘাট থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে অর্থনীতিবিদ অশোক লাহিড়ীকে সরিয়ে আনা হতে পারে আলিপুরদুয়ারে। ইংরেজবাজারের বিধায়ক শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরীর বদলে ওই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন অম্লান ভাদুড়ী। কালিয়াগঞ্জের বর্তমান বিধায়ককে অন্য আসনে সরিয়ে সে জায়গায় নিয়ে আসা হতে পারে আদি বিজেপি কর্মী কমল সরকারকে। কর্শিয়াংয়ের বিধায়ক বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ায় ওই আসনটিতে প্রার্থী বদল নিশ্চিত। স্থানীয় কিছু সমীকরণের কথা মাথায় রেখে নীরজ জিম্বাকে দার্জিলিং থেকে ওই আসনে নিয়ে আসা হতে পারে। তবে উত্তরবঙ্গ থেকে ফের একবার পুরোনো আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন নকশালবাড়ি, শিলিগুড়ি, পুরাতন মালদহ, ফালাকাটা তুফানগঞ্জের বিধায়কেরা। তবে বদল হতে পারে কোচবিহার দক্ষিণ, গাজলের মতো আসনে। দক্ষিণবঙ্গে বিধায়ক সংখ্যা কম হওয়ায় অনেক নতুন মুখের প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফারাক্কা থেকে প্রার্থী হতে পারেন অয়ন ঘোষ। দাঁতন থেকে প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বিমলশঙ্কর নন্দের। মধ্যমগ্রাম থেকে প্রার্থী হতে পারেন পবিত্র দেবনাথের। রাসবিহারী থেকে প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে আছেন তুষারকান্তি ঘোষ। বিধাননগর থেকে প্রার্থী হতে পারেন মধুছন্দা কর। বনগাঁ দক্ষিণ থেকে এ বার সম্ভবত আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না স্বপন মজুমদার। তাঁকে হাবড়া থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পাঠাতে পারে দল। পটাশপুর কিংবা এগরা থেকে প্রতিদন্দ্বিতা করতে পারেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ভাই দিব্যেন্দু অধিকারী। ভাটপাড়া থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন পবন সিংহ। সেক্ষেত্রে অর্জুন সিংহ যেতে পারেন জগদ্দল কিংবা ব্যারাকপুরে। অন্য আসনে প্রতিদদ্বন্দ্বিতা করবেন শীলভদ্র দত্ত। সেক্ষেত্রে খড়দহ থেকে লড়তে পারেন কৌস্তুভ বাগচী। কৃষ্ণনগর উত্তর আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন রুদ্রনীল ঘোষ। তাঁর নাম অবশ্য রয়েছে শিবপুর এবং বারাসত আসনেও।
0
comment0
Report
sidebar-img
Advertisement
Back to top