Become a News Creator

Your local stories, Your voice

Follow us on
Download App fromplay-storeapp-store
Advertisement
Back
Kolkata700073
पश्चिम बंगाल में Forest Rights Act पर BJP-TMC भिड़ंत, चाय मजदूरों के वोटर अधिकार
DBDebanjan Bandyopadhyay
Jan 06, 2026 14:29:42
Kolkata, West Bengal
শুভেন্দু অধিকারী প্রেস কনফারেন্স: আপনারা জানেন যে এসআইআর চলছে। এই এসআইআর চলাকালীন আমাদের মাননীয় সাংসদ রাজু বিস্তাজী তিনি 291 2025 প্রথম রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনীয় আধিকারিক মাননীয় মনোজ আগরওয়ালকে চিঠি লেখেন যে দার্জিলিং থেকে শুরু করে আপটু ফালাকাটা, তুফানগঞ্জ, আলিপুরদুয়ার, তরাই, ডুয়ার্স এলাকা জলপাইগুড়ির মাল, নাগরাকাটা থেকে শুরু করে ডাবগ্রাম, ফুলবাড়ি বা উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া এলাকায় যেখানে মূলত চাবাগান অনেক সংখ্যায় এবং কিছু সংখ্যায় আছে সেখানে চাবাগানের যে শ্রমিকরা তারা দশকের পর দশক ধরে চা শ্রমিক হিসেবে কাজ করেছেন এবং ওখানে রয়ে গেছেন বংশ পরম্পরায় তাদের কাছে স্কুল সার্টিফিকেটও নেই, তাদের কাছে কোন কাগজই কার্যত নেই। তাদের 这个 অসুবিধাটা গোটা ভারতবর্ষে থাকার কারণে ভারত সরকার 2006 সালে ফরেস্ট এলাকায় যারা অধিবাসী তাদের জন্য ফরেস্ট অ্যাক্ট অধিকারের আইন এনেছিলেন 2006 সালে। রাজু বিস্তা first এটা আওয়াজ তোলেন যে এসআইআর এ আপনাদের যে 11 दфা ডকুমেন্ট আছে his মধ্যে ফরেস্ট রাইটস যে নথি আছে ওখানে ওরা থাকে সেই নথিটাকে একসেপ্ট করা হতো এই 11 টা দфার মধ্যে ওটা নেই কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে চলে গেল ডিসেম্বর চলে গেল আজকে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ এই কাগজ গ্রহণ করা এখনো পর্যন্ত সরকারিভাবে গ্রহণ করা হয়নি বা জানানো হয়নি। আজকে সকালেই আমি ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষে বিরোধী দলনেতা হিসেবে আমাদের উত্তরবঙ্গের চাবাগান এলাকা এমপি মনোজ টিগ্গা রয়েছেন যিনি নিজেও একজন চা মজদুর। চা বাগানেই উনি থাকেন। তার সঙ্গে দীপক বর্মন সহ আমাদের একাধিক তরাই ডুয়ারস এবং দার্জিলিং প্লেন এলাকার অনেক এমএলএরা আছেন, যাদের এলাকাতে টি গার্ডেন রয়েছে আমরা আজকে অনুরোধ করেছি যেহেতু হিয়ারিং চলছে 7ই ফেব্রুয়ারি হিয়ারিং শেষ হয়ে যাবে। অভিলম্বে এই ফরেস্ট রাইটস অক্ট অনুযায়ী তাদের কাছে যে আছে বিষয়টা তারা যে আছেন সেই কাগজ গ্রহণ করে তাদের হেয়ারিং এ নিষ্পত্তি করা হোক। যাতে একটাও চাবাগান শ্রমিকের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ না যায় এবং আমরা আশাবাদী যে ভারতের নির্বাচন কমিশন আমাদের সাংসদ রাজু বিস্তার চিঠি এবং এলওপি যে যুক্তিপযুক্ত অনুরোধ সেটা তারা গ্রহণ করবেন এবং দ্রুত এর নিষ्पত্তি করবেন। এই 2006 সালে ফরেস্ট রাইটস অ্যাক্ট একমাত্র পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া ভারতবর্ষের সব রাজ্যেই কার্যকর রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে কার্যকর করেনি এই রাজ্যের সরকার। তার কারণ এই সরকার আদিবাসী বিরোধী সরকার। এই সরকার নেপালি রাজবংশী বিরোধী সরকার। এই সরকার চাবাগান শ্রমিকদের বিরোধী সরকার। কারণ অধিকাংশ চাবাগানে 2014 সালে দার্জিলিং থেকে এসএস আলুওয়ালিয়া জেতেন, তার পরবর্তী সবে 2019 এ আলিপুরদুয়ার জলপাইগুড়ি এবং দার্জিলিং আসন থেকে ভারতীয় জনতা পার্টি যেতে এবং 21 অধিকাংশ আসন থেকে বিজেপি জিতেছিল। 24 এর নির্বাচনেও আমরা দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার থেকে জিতেছি। তাতে গরিষ্ঠ সংখ্যক চাবাগানের ভোটাররা আজকে নয় অনেকদিন ধরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজির প্রতি তারা আস্থা রেখে বিজেপিকে ভোট দান করেন এবং তাদের বঞ্চনার জন্য মমতা বন্দোপাধ্যায় বা তৃণমূল কংগ্রেস দায়ী তাই ভোট দেন না। সেই কারণে তাদের এই ফরেস্ট রাইটস অক্ট এই রাজ্য স্বীকৃতি দেয়নি। সেই কারণেই আমরা আজকে সাংবাদিক সম্মেলনের মধ্য দিয়ে রাজু বিস্তার চিঠি আমার চিঠি আমরা তুলে ধরলাম। আমরা আশা করি ইলেকশন কমিশন নিষ্পত্তি করবেন। মুখ্যমন্ত্রী তিন তিনটে চিঠি দিয়েছেন এসআইআর চলাকালীন। সবগুলো চিঠিতেই এসআইআর বন্ধ করার দাবি তুলেছেন। এত অল্প সময় হবে না ইত্যাদি ইত্যাদি। এবং ঘুরিয়ে ফিরিয়ে তিনি বাংলাদেশী মুসলিম অনুপ্রবেশকারী এবং রোহিঙ্গাদের যাতে কেউ ডিস্টার্ব না করে তার কথা বলেছেন। তার রাজ্যে বসবাস করা দশকের পর দশক ধরে থাকা। চা বাগানের শ্রমিকদের যাদের মধ্যে গরিষ্ঠ সংখ্যক হচ্ছে আদিবাসী এবং নেপালি গোরখা এবং রাজবংশী এবং অনেকে বিহার থেকে আগত সেই লোকেদের বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী একবারও কিন্তু এইবার তিনবারের চিঠিতে একবারও উল্লেখ করেননি। এটার মধ্য দিয়ে চাবাগান শ্রমিকদের ভোটাধিকারও যাতে না থাকে ঘুরিয়ে কার্যত তিনি বা তার সরকার বা তার দল এটাই চাইছেন বলে আমাদের মনে হয়েছে। তাই আমরা চাবাগান শ্রমিকদের ভোটার তালিকায় নাম রাখা এবং তারা যাতে কোনভাবে হেয়ারিং এ অসুবিধায় না পড়েন এবং সর্বোপরি 2006 এ ফরেস্ট রাইটসঅক্ট যাতে কার্যকর হয় তার দাবি করার জন্যই আজকে এখানে সমবেত হয়েছে অনেকগুলো শুনানি হয়ে গিয়েছে কাজেই চাবাগান যারা আপাতত অংশগ্রহণ করেছেন তাদের দলে তো পুনরায় এই অর্ডারটা যেখনি হয়ে যাবে কারণ ওরা শুনানিতে গিয়ে ওই ডকুমেন্ট জমা দিয়ে এসছে 11 দফার মধ্যে কোনটা জমা দিতে পারেনি এটা ঘটনা ওই ডকেন্টটা নিয়েছে যারা শোনানিী করেছিলেন এই আরো বা তার প্রতিনিধিরা সেটা গ্রহণ করেছেন তারা ডিওর ওখানে আপলোডও করেছে যখনই অর্ডার হবে তখনই সাথে সাথে তাদেরকে পুনরায় আর হেয়ারিং এ যাওয়ার দরকার হবে না তাদের এটা স্বীকৃতি লাভ করবে যেমন আমাদের বাংলাদেশ থেকে হিন্দু শরণার্থীদের ক্ষেত্রেও সিএএ যারা এপ্লাই করেছেন শুনানিীর মাধ্যমে তারা যেদিন যেদিন সিটিজেনশিপ পাচ্ছেন সেদিনই কিন্তু তার ভোটার লিস্টের নাম উঠে যাবে। এই সংক্রান্ত সাংবাদিক সম্মেলন সিএ সংক্রান্ত এবং কিভাবে ইয়ারও বা এইয়ারো লেভেলে বাতিল হলে বাংলাদেশের হিন্দু শরণার্থীরা তারপরে কোথায় আপিল করবেন এ সংক্রান্ত বিষয়ে আগামী সপ্তাহে আমি আরেকটি সাংবাদিক সম্মেলন করে আপিলের ফরমেট আমি প্রকাশ করব এবং আমি সেটা তাদেরকে মানে গাইড করে দেব বা জানাবো এটা আমার দায়িত্ব সকলে ইন্ডিভিজুয়াল জানতে পারেন না এটা আমাদের কাজের মধ্যে পড়ে আমরা তাদের পক্ষে ভারত সরকার তাদের পক্ষে আপনি কি বলছেন প্র: তৃণমূল একটা ফর্ম খুব গোপনে বিলি করছে পঞ্চনামা বা ঘোষণাপত্র নাম দেয়া হয়েছে। পাঁচজন স্থানীয় লোক নাকি বলবে যে এই লোকটাকে আমি চিনি এবং ইনি বৈধ ভোটার। অবৈধ ভোটারদের বাঁচানোর জন্যই তৃণমূল এই কাজটা করছে। এ বিষয়ে আপনি কিছু বলবেন? শুভেন্দু: করতে পারেন না। করতে দেন না। তৃণমূল কংগ্রেস প্রকাশ্যে তার নেত্রী বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে। আমি আপনাদের কাগজ বানিয়ে দেব। আমার কথা নয়। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর কথা হ্যাঁ কিনা বলুন কয়েকদিন আগে বলেছেন আমি আপনাদেরকে কাগজ বানিয়ে দেব কাগজ বানানোটা কেমন 65 বছরের বৃদ্ধকে বার্থ সার্টিফিকেট দেওয়া কাগজ বানাটা কেমন বরিশাল থেকে আসা মফিজুলকে বারাসাতের বাসিন্দা বলে ডমিসাইল সার্টিফিকেট দেওয়া কাগজ বানানোটা কেমন আইসিডিএস এ পেন্সিল দিয়ে নাম তুলে সেই আইসিডিএস এর তালিকাটা দেওয়া। আর ইলেকশন কমিশন সবগুলোই ধরেছে। প্রথম কথা হচ্ছে ডমিসাইল সার্টিফিকেটের আইন পড়ুন। 15 বছরের পুরনো ডমিসাইল সার্টিফিকেট ছাড়া একসেপ্ট হয় না। হেয়ারিং এ যা দিচ্ছে নিয়ে নিচ্ছে। বিএলওদের যা দিচ্ছেন শুনানিতে নিয়ে নিচ্ছে। তারা আপলোড করছে। ডিওতে ডিওর কাছে ডিইও মানে ডিএম Dএমদেরকে সার্টিফাই করতে হচ্ছে যে এই সার্টিফিকেট অথেন্টিকেট ডিএমদের সার্টিকেট করতে হচ্ছে। এবার ডিএমরা যদি ওবিসির ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের কাটঅফ ডেটের বাইরের কোন ওবিসি সার্টিফিকেট বা কমিউনিটিকে একসেপ্ট করে সেই ডিএম সাসপেন্ড হবে জেল হবে। আইনে তার জানা একইভাবে নতুন ডমিসাইল সার্টিফিকেট নতুন বার্থ সার্টিফিকেট এক্সেপ্ট করার কোন সুযোগ বা জায়গা নেই তৃণমূল আর তৃণমূলের আইপ্যাক প্যাকপ্যাক করতে থাকুন পঞ্চনামা কেন 500 নামাও করতে থাকুন লাভ কিছু হইব না চোর একদম কঠ্য ধরা পড়েছে এদেরকে 14 ফেব্রোরির পরে বলতে হবে এই ভোটার লিস্টে নির্বাচনে আমরা যাবো না তো 7 কোটিছ এসছে ডাপ লিস্টে 58 লাখ বাদ গেছে বাকيتা 15ই ফেব্রুয়ারি বলব প্র: আলিপুরদুয়ারে অভিষেক ব্যানার্জী বলে এলেন আমি চা শ্রমিকদের এই করে দেব চতুর্থবার সরকারে এলে আমি চা শ্রমিকদের তাই করে এটা এক দু নম্বর হচ্ছে যে দুদিন আগে বারুইপুরে তিনি কয়েকজনকে হাটালেন দের দেখা গেল যে তারা ভুভ ভূত দুই আর তিন নম্বর হচ্ছে যে ইউপিএসসি জেটা ডিজিপি নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে তিন তিন ক্ষেত্রে একটু যদি শুভেন্দু: প্রথমত বলি তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড ইন কমান্ড এবং আঞ্চলিক দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক মানে গরুর গাড়ির হেডলাইটের মত তা তিনি ওখানে গিয়ে বলে এসেছেন। এসব কথা তা আপনার প্রথমত বলি চা বাগান কারা পরিচালিত করে এখন পাবলিক সেক্টর আন্ডারটেকিং বা এসটিয়ো পিএসইউর হাতে চাবাগান তো নেই। দুটো একটা আছে। তাইতো চারটে আছে। অনলি ফোর। বাকি সবই প্রাইভেট ম্যানেজমেন্টের হাতে চলে গেছে। কোঅপারেটিভার হাতে তো নেই। একটা মানে শ্রমিকরা যে জুটে কোপাটিপ করে বন্ধ চাবাগান চালাবে এরকম ইনস্ট্যান্স নেই। মাত্র চারটা রয়েছে পিএসইউ পাবলিক সেক্টর আন্ডারটেকিং বা এসটিউ স্টেট আন্ডারটেকিং। এর বাইরের সমস্ত চাবাগান এপ্রক্স 600 চাবাগান আছে প্রায় 50 টা মত বন্ধ হয়ে পড়ে আছে। আর বাকিগুলো চলছে একদম আমাদের দার্জিলিং এ টাইগার হিল থেকে শুরু করে আসাম বর্ডার পর্যন্ত। 12 পর্যন্ত আপনি যদি ধরেন তাহলে এই এলাকায় মূলত বেশিরভাগ চা বাগানগুলো আছে এখানে চাবাগান ম্যানেজমেন্ট দ্বারা পরিচালিত হয়। লেবার একট দুরকম আছে ইউ নো ইট ভেরি ওয়েল যদি রেল কর্মচারীদের সমস্যা হয় নিজাম প্যালেসে আরএলসি ডাকবে যদি পোর্টের কর্মচারীদের শ্রমিকদের সমস্যা হয় আরএলসি ডাকবে যদি এয়ারপোর্টে কোন প্রবলেম হয় আরএলসি ডাকবে ভারত সরকারের বিষয় চাবাগানের শ্রমিকদের যদি প্রবলেম হয় সেন্ট্রাল লেবারে একটা বলা আছে এটি স্টেট সাবজেক্ট। সেই কারণে প্রত্যেক বছর বোনাসের মিটিং রাজ্যের শ্রম কমিশনার শ্রম সচিব শ্রমমন্ত্রীর উপস্থিতিতে সিদ্ধান্ত হয় 19% দেব না 16% দেব না 20% দেব সিদ্ধান্ত হয়। তাই চাবাগান শ্রমিকদের যে সমস্যা এর জন্য দায়ী রাজ্য সরকার। তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড ইন কমান্ড যার নেত্রী মুখ্যমন্ত্রী তার সরকারের নিয়ন্ত্রণে হচ্ছেন চাবাগান শ্রমিকদের সমস্যা তাহলে উনি যে কথাটা বললেন মমতা ব্যানার্জীর বিরুদ্ধেই বললেন মোয়ল প্র: এই যে বারুইপুরে যারা হাটলো তারা সবাই কিন্তু ছ নম্বর ফর্মটা ফিলাপ করেছে। শুভেন্দু: না আপনাকে বলি এটাতেও এত বড় প্রক্রিয়াতে যদি কোন মৃত লোকের নাম জীবিত লোকের নাম মৃত তালিকায় উঠে যায় তার জন্যই তো ড্রাফট, ভোটার লিস্ট এত তাড়াহুড়া করার কিছু নয় তো ফাইনাল ভোটার লিস্টের পরেই তিনি র্যাম্পে হাটাতেন দেখতে ভালো লাগতো ত্রুটিযুক্ত ভোটার তালিকাকেই খসড়া ভোটার তালিকা বলে আর ত্রুটিভুক্ত তালিকেকেই ফাইনাল ভোটার তালিকা বলে আর যদি নিচে যাই তাহলে ভ্যানিশ কুমার আর জ্ঞানেশ কুমার যাই বলুন না কেন এর তো কোন রোল নেই বিএলও কে দিয়েছিল? 800 বিএলও প্রোভাইডেড বাই স্টেট গভমেন্ট। স্টেটের এডমিনিস্টেটিভ চিফ কে মমতা ব্যানার্জী। চিফ সেক্রেটারি কে ছিলেন মনোজ পন্থ। আপনারা যে লিস্ট দিলেন আমি বলব তৃণমূলের BLO ইচ্ছা করে তিনজনকে মৃত দেখিয়ে দিয়েছে। ওই তিনকে বিএলর বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। ওদের গ্রেপ্তার করা উচিত। কাস্টডিতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে জানা যাবে যে আইপ্যাকের চক্রান্তে জীবিত লোককে মৃত দেখানো হয়েছে। যাতে খসড়া ভোটার তালিকার পরে এসআইআর এর বিরুদ্ধে বারুইপুর বা কোথাও একটা নিয়ে গিয়ে সমগ্র নির্বাচন কমিশনকে কালিমা লিপ্ত করে এসআইआर প্রক্রিয়াকে প্রশ্ন চিহ্নের সামনে দাঁড় করানো যায়। এই চক্রান্ত তিনজন বিএলও করেছেন এবং এই তিনজন বিএলওর সঙ্গে তৃণমূলের যোগাযোগ আছে এই চক্রান্তের চিত্রনাট্য আইপ্যাকেই তৈরি করা প্র: তো এইটা নিয়ে তারা তো সুপ্রিম কোর্টে সম্ভবত তারা কিছু করছে শুভেন্দু: সুপ্রিম কোর্ট তো বলেছে ফাইনাল ভোটার লিস্ট বের হলে যদি কারোর বৈধ লোকের বাদ যায় আপনারা সুপ্রিম কোর্টে আসুন আর্টিকেল 226 এ আছে মৌলিক অধিকার প্রাপ্তবয়স্ক লোক ভোটার হবে। আপনি এখন মাঝখানে গেলে কি হবে? ছয় নম্বর ধর্ম দেবেন আর ওখানেও যাবেন। দুটো তো হতে পারে না। প্র: নিয়োগের বিষয়টি যে ইউপিএসসি সেভাবে করেছে শুভেন্দু: একদম পরিষ্কার পশ্চিমবঙ্গ সরকার দশকর্মা ভান্ডারের মত চলছে। এটা প্রমাণ হয়ে গেছে। ডিওপিটির গাইডলাইন আইএস এর ক্যাডার রুল সিনিয়ারিটি কিচ্ছু মানে না আমার অবৈধ কাজ যে করবে আমি তাকে যা খুশি করবো আমি তাকে 89 এর বাঙালি অত্রী ভটচাজকে বাদ দিয়ে দেব তার থেকে জুনিয়র 94 এর আইএস কে চিফ সেক্রেটারি করব আমি 40 জন আইএসকে দূরে সরিয়ে দিয়ে 2004 এর জগদীশ মিনাকে হোম সেক্রেটারি করব একে দশকর্মা ভান্ডার ছড়া কি বলবেন। ইউপিএসসি আজকে বলে দিয়েছে লিখিতভাবে গতকাল যে পশ্চিমবঙ্গ সরকার যথাসময়ে প্যানেল পাঠায়নি তাই তাদের পাঠানো এই প্যানেল আমরা বাতিল করলাম। মূল লক্ষ্য ছিল রাজীব কুমারকে বের করে আনা। রাজীব কুমারজি রিটায়ার করবেন কোনদিন আর ডিজিপি লিখতে পারবেন না। ডিজিপির পাশে লিখতে হবে এক্টিং ডিজিপি অর ইনচার্জ ডিজি চার্জ। উনি প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি আইটি ডিপার্টমেন্ট ডিজিপি উনার এডিশনাল চার্জ। এত বড় রাজ্য 11 কোটি জনসংখ্যা এখানে এতদিন ডিজিপি পারম্যানেন্ট ছিল না নেই এর থেকে লজ্জার আর কিছু হতে পারে না প্র: আজকে বীরভূমে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা ছিল তার সভায় পৌছাতে দেরি হয়েছে কারণ ডিজিসিএ অনুমতি দেয়নি। এটা বিজেপির চক্রান্ত। শুভেন্দু: আপনি ডিজিসিএ কে প্রশ্ন করুন। সবার জন্য আমি নেই। অভিষেক দাবি করছেন যে বিজেপির ষড়যন্ত্রের জন্য উনার ডিজিসিএ বিরুদ্ধে মামলা করা উচিত। ডিজিএর বিরুদ্ধে মামলা করা উচিত এবং ডিজিসিএ সেখানে আত্মপক্ষ সমর্থন করবে। সব বিষয়ে আমাদের ঢোকার তো কোন র Necessity নেই। আমরা টেকনিক্যালি এর আগে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বনগা যাওয়া নিয়ে। হইচই রই রই করেছিল। ডিজিসি বলে দিয়েছিল যে আপনার রিনিউয়াল করেননি টাকা জমা দেননি। এখানেও কিছু টেকনিক্যাল থাকতে পারে। আপনি যদি আমাকে বলেন যে আপনি একটু সংগ্রহ করে দিন না। সাংবাদিক সাংবাদিক সেজে টেম্পোরারি রিপোর্টার। আমি সংগ্রহ করে একটু পরে আপনাকে দিয়ে দিচি প্র: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ইস্যুতে আরও বলেছেন যে বিজেপির এখনও নির্বাচন আসেনি তার আগে চক্রান্ত শুরু হয়েছে বিজেপি যেন মনে রাখے ওদের 10 গুণ জেদ আমার অভিষেক বন্দোপাধ্যায় শুভêndু: গণতান্ত্রিকভাবে রাজনৈতিক জেদ থাকা ভালো কিন্তু দয়া করে ডায়মন্ড হারবার মডেলে ভোটটা করবেন না আরিজ ছিল বলে করেছেন। এখন ইলেকশন কমিশন সিও অফিস দুটোই আপনাদের এসব কাজ করতে দেবে না। আমাদের যা মনে হয়েছে। আর আমরাও ভারতীয় জনতা পার্টির 21 এবং 24 এর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আপনাদের ভোট চুরি আটকাতে কি করে হয়? সেই অভিজ্ঞতা নিয়ে পূর্ণ শক্তিতে নামছি। সেই কারণেই 62 হাজার বিএলএটু বিজেপি এই প্রথমবার দিয়েছে। 62 হাজার বিএলটু আপনারা তো বিজেপিকে অনেকেই দেখতে পারেন না টকশোতে চোখে দেখতে পাচ্ছি না আন্দোলন নেই জ্ঞানদ্বারা বলেন সন্ধ্যাবেলা। আমরা শুনি। 62 হাজার বিএলএ টু দিয়েছেন এটা শোনার পরে বলবেন মাঠে তো ছিল না আরে মাঠে না থাকুক ছবি তুলে কাগজ দিয়ে তো দিতে হয়েছে বিজেপি তো 40% ভোট ধরে রাখল 19 21 24 নামাতে তো পারলেন নাতচ লড়াই ভোটার লিস্ট পরিষ্কার হয়ে গেল তোর গ্যাপ নেই 2019 41% ভোট 2 কোটি 30 2021 38% ভোট 2 কোটি 28 2024 39% ভোটদ কোটি 33 লক্ষ 27000 আমরা গুছিয়ে নামবো কাউন্টিং হলে মেরে দিয়েছিলেন মানস সাহাকে ক্যান্ডিডেটকে এবারে যাতে এমন জায়গায় কাউন্টিং হল যাতে না হয় যাতে কাউন্টিং এজেন্ট এবং প্রার্থীরা উপর আপনারা আক্রমণ করতে না পারেন আপনাদের জঙ্গি জিহাদীরা তার ব্যবস্থা আমরা করব।গতবারে করোনা থার্ড ওয়েভের সুযোগ নেয় যেখানে ইভিএম এর মেশিন ছিল নেট লাগিয়েছ ফুট দূরে রেখেছেন আমাদেরকে সোশ্যাল ডিস্টেন্সিং নাম করে সেটাও যাতে করতে না পারেন সেটা আমরা দেখতে পাচ্ছি আমরা ন্যাশনাল পার্টি আমরা সামনে বসবো সেটাও করব আমরা পিছনে বসবো না আপনি আঞ্চলিক পার্টি আপনারা আমাদের পিছেনে বসবেন সেটাও আমরা করব অভিষেক চার শ্রমিকদের মনোজি কুছ পুছনা হে তো বুঝছ লিজিয়ে আজকে আমাদের চাবাগান যেগুলো বন্ধ আছে চেবাগান শ্রমিকদের সংখ্যাটা কত আমাদের মোটামুটি মোটামুটি কতজন এই ডকুমেন্টেশনের সমস্যায় ভুগছেন বা আপনারা যে দাবি করছেন সেটা যদি পূরণ না হয় প্রচুর লাক্স অফ টি গার্ডেন ওয়ার্কার আপনার 600 টি গার্ডেন মানে স্বীকৃত আছে এর বাইরেও ছোট ছোট অনেক টি গার্ডেন আছে 1000 ইউনিট ধরতে পারে 1000 ইউনিট আপনি 1000 করে ভোট ধরতে পারেন 800 হাজার করে তার মধ্যে তো বানারহাট টানারহাটে অনেক জায়গায় বড় বড় চারটে পাঁচটা করে বুত আছে বড় বড় গার্ডেন মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন যে আমরা কারো কাছে মাথা নত করি না কেন্দ্র কবে টাকা পাঠাবে তার ভরসাও করি না আচ্ছা ভালো কথা বলছেন 8 লাখ টাকা ঋণের কথা বলেন কেন আপনার মুখ্যমন্ত্রী প্রত্যেকটা মিটিংে গিয়ে কাঁদে কেন টাকা দেয়নি টাকা দেয়নি টাকা দেয়নি টাকা দেয়নি আপনি তো আগেও বলেছিলেন 21শে জুলাই সম্ভবত যে মানегার টাকা চাই না আবার আপনারাই দিল্লিতে গিয়ে রাজঘাটে গিয়ে ছুটাছুটি করলেন সুজিত বসুর যুদ্ধ গেল শান্তনু সেনের ঘড়ি গেল দিল্লি পুলিশকে দেখে মার ছুর্ত্ত বললেন আটকে দেখেছে মেরেছে ধাক্কাধাক্কি করেছে তারপরে বিনীত গোয়েল তখন ছিল তার সৌজন্যে রাজ্যপালের সামনে বসে থাকলেন অবৈধভাবে দিন 15 ক গান হলো বাজনা হলো নাটক হলো হাম্বা হাম্বা কাম্বা কাম্বাম্বা হল তারপরে আবার ওয়ান ফাইন বন্ডিং উঠে চলে গেলেন টাকা যদি আপনার government's এত আছে গরীব মানুষগুলোকে ভেলোর যাওয়া থেকে বেঙ্গোর থেকে হায়দ্রাবাদ যাওয়া থেকে মুম্বাই যাওয়া থেকে একটু বাঁচান অতিদর্পে হতলঙ্কা অতিমানেচ গৌরবা যত দম্ভ দেখাবেন পতন তত তাড়াতাড়ি হবে যিনি নোবেল এনেছেন ভারতের জন্য তার নামেও এসারিং রাখা হচ্ছে আমি বলতে পারবো না টক টু সিও অফিস নিশ্চয় নামের বানান ভুল আছে নো স্পেলিং মিস্টেক আছে কিছুতো একটা কারণ আছে এমনি তো ডাকেনি সহযোগিতা করা উচিত 85 বছরের উপর যারা সিটিজেনশিপের তাদের ছাড় দিয়েছে তার মধ্যেও যারা বলছেন যেমন মাননীয় প্রাক্তন মন্ত্রী কান্তি গাঙ্গুী বাড়িতে হিয়ারিং করলেন ডেকে পাঠান আসার দরকার ফোন করে বলুন আমি অসুস্থ লোক পাঠিয়ে দেবে তো বিয়েল গিয়ে করে নিয়ে চলে আসবে শুনাব মুখ্যমন্ত্রী গঙ্গাসাগর থেকে ফেরার সময় বলেছে জেটা আপনি বলেছেন সব ভুলভাল কে মৃত বলে চালানো হচ্ছে। নিজেরটা করার একদম চেষ্টা করুন। আমাদের পাশে না নিজের নাম তুলতেই হবে। আর আজকেও বলেছি যে সুপ্রিম কোর্টে দরকার হলে আমি নিজে দাঁড়িয়ে এই নিয়ে সওয়াল করি প্র: দরকার হলে কেন? কালকে তো বলেছেন আর আমি যাচ্ছি। মাঝখানে দরকারটা যদিটা কেন ঢুকলো? আমরা পশ্চিমবঙ্গ ভুগছি। একটু সুপ্রিম কোর্ট দেখুক না। সুপ্রিম কোর্টে দেখুক। এত বড় আইনজ্ঞ একটু সুপ্রিম কোর্টের জাস্টিসদের দেখা দরকার আছে। আমরা বললে বলে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দী ওর সঙ্গে ছিল 21 বছর ছেড়ে চলে এসছে। ছ বছর বিরুদ্ধে বলছে। পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যেকটা লোক বলছে যন্ত্রণা থেকে মুক্তি চাই। কার যন্ত্রণা আপনারা know? কে যন্ত্রণারা দিচ্ছে? সুপ্রিম কোর্টেও একটু দেখা দরকার আছে। লাইভ ল হবে তো। দেশের লোককে দেখা দরকার আছে। কি করেন? পার্লামেন্টের ভিতরে করেছিলেন। তো স্পিকারকে দেখতে চাই আমরা বিধানসভায় কি করেন তো অনেকে দেখেছে লাইভ হওয়ার তাই এই হুমায়ুন খুব বেড়ে বের করে দেব কি বলছিল আমি একাই 100 লড়ে কালকে ছিল আমি যাচ্ছি আজকে হয়েছে যদি পরের দিন বলবে আমার ল্যারিই লড়বে আমার অনেক প্রোগ্রাম আগে থেকে ঠিক করা ছিল 2 কোটি 89 লক্ষ নাম বাদ গেছে উত্তর প্রদেশে বলা হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে এত ভুয়া আপনারা বিজেপি প্রচার করছে কিন্তু বিজেপি রাজ্যে তো এত কোটির নাম বাদ তাহলে তো ইলেকশন ঠিক কাজ করছে কত রকমের কথা বলবেন চাইতেই কাটিব আসিতেই কাটিব কি করে হয় এতক্ষণ বলে গেলেন ভুয়া নাম মৃতকে জানতোকে মৃত ইত্যাদি ইত্যাদি সুপ্রিম কোর্টে যাব কালকে বলেছেন যাব আজকে বলছেন যদি now you বলছেন নতুন অভিযোগ যে উত্তরপ্রদেশে ভুয়া বেশি আমাদের ভুয়া কম তাহলে ইলেকশন কমিশন সঠিক কাজ করছে ধন্যবাদ জানানো উচিত তাহলে মনোজ আগরওয়াল আর জ্ঞানেশ কুমার যে পার্সোনাল টাক গুলো করছেন এটা বন্ধ করুন এরা কি রোহিঙ্গা উত্তর প্রদেশে যাদের নাম বাদ গেল এরা কি রোহিঙ্গা এরা কি সেটা 14 বুঝতে পারবেন বিহারের সংখ্যাটা আমি জানি পরে বলে দেব পশ্চিমবঙ্গটা বলে দেব 15 ফেব্রুয়ারি বলে দেব বিহারে তো ভোটার লিস্ট হয়েছে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী কত সে সংখ্যাটা জানি আমি বলবো না ঠিক समय বলব অত তাড়াহুড়া করার কিছু নেই যখন আধার কার্ড ডিএক্টিভেটেড হবে রেশন কার্ড বন্ধ হবে প্রধানমন্ত্রী অন্য সুরক্ষা যোজনাগুলো কাটিং হবে যখন একাউন্ট ফ্রিজ হয়ে যাবে বন্ধ হয়ে যাবে তখন বুঝবেন যে ইনি ভারতীয় নয় এর আফটার এফেক্ট আছে কোভিডে যেমন এখনো যারা কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন অনেকের এফেক্ট আছে না এর এফেক্টটা একটু সময় লাগবে তো টাইম উইল স্পিক বুঝতে পারবেন সংখ্যাটা ঠিক সময় পেয়ে যাবেন তারা ওরা আপনাদের মিডিয়ায় থাকতে পারে আমার নেই
0
comment0
Report

For breaking news and live news updates, like us on Facebook or follow us on Twitter and YouTube . Read more on Latest News on Pinewz.com

Advertisement
AGAyan Ghosal
Jan 07, 2026 15:46:52
Kolkata, West Bengal:GANGA TRAIN *গঙ্গাসাগর মেলা ২০২৬: ১২৬টি বিশেষ ট্রেন চালু করে শিয়ালদহ ডিভিশনের ব্যাপক প্রস্তুতি; লক্ষ্য ‘শূন্য ত্রুটি’* কলকাতা: ০৭ জানুয়ারি ২০২৬: আসন্ন গঙ্গাসাগর মেলা ২০২৬ উপলক্ষে তীর্থযাত্রীদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে পূর্ব রেলের শিয়ালদহ ডিভিশন ট্রেন পরিষেবায় রেকর্ড পরিমাণ বৃদ্ধি চূড়ান্ত করেছে। অভূতপূর্ব এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে চলতি বছরে শিয়ালদহ ডিভিশন মোট ১২৬টি বিশেষ ট্রেন পরিচালনা করছে, যা পূর্ববর্তী বছরগুলির ৭২টি ট্রেনের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। এই বর্ধিত পরিষেবার সুষ্ঠু ও নিরাপদ পরিচালনা নিশ্চিত করতে শিয়ালদহ ডিভিশনের সিনিয়র ডিভিশনাল অপারেশনস ম্যানেজার শ্রী পঙ্কজ যাদব কন্ট্রোলার ও মূল সুপারভাইজারদের সঙ্গে একটি কৌশলগত বৈঠক করেন। বৈঠকে তিনি কন্ট্রোল অফিসকে ডিভিশনের “মেরুদণ্ড” হিসেবে উল্লেখ করে জানান, ১২৬টি বিশেষ ট্রেনের নির্বিঘ্ন চলাচল ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে কন্ট্রোল অফিসের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বৈঠকে অতিরিক্ত বিশেষ ট্রেনগুলিকে বিদ্যমান সময়সূচির সঙ্গে সুষ্ঠুভাবে সমন্বয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়, যাতে লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থীর যাত্রা নির্বিঘ্ন ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হয়। এই বৈঠকে শ্রী যাডব অপারেশনাল শৃংখলা বজায় রাখার বিষয়ে কঠোর নির্দেশ দেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানান যে, গঙ্গাসাগর মেলার সময় ডিভিশন উচ্চ সতর্কতায় কাজ করছে এবং মানবিক ত্রুটির ক্ষেত্রে কোনওরূপ ছাড় দেওয়া হবে না। যেকোনো মানবিক ত্রুটির ফলে যদি যাত্রী অসুবিধা বা অপারেশনাল ব্যাঘাত ঘটে, তবে তা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে। দক্ষতা ও নিরাপত্তাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। *গ্রাউন্ড-লেভেল মনিটরিংয়ের জন্য গৃহীত নির্দেশনা ও কৌশলগুলির মধ্যে রয়েছে:* *Sক্রিয়াল Field পর্যবেক্ষণ:* গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতে অফিসার ও সুপারভাইজারদের মোতায়েন করা হবে, যাতে ভিড়ের গতিবিদি ও ট্রেন চলাচল রিয়েল-টাইমে পর্যবেক্ষণ করা যায়। *Sর্বোচ্চ পরিবহন সক্ষমতা:* ১২৬টি বিশেষ ট্রেন পরিচালনার মাধ্যমে স্টেশনে ভিড় কমানো এবং যাত্রীদের ঘনঘন যাতায়াতের সুযোগ প্রদান করা হবে। *প্রাক্-সতর্ক নজরদারি:* কন্ট্রোলারদের সম্ভাব্য লজিস্টিক সমস্যা আগেভাগে চিহ্নিত ও প্রতিরোধ করার জন্য নিয়মিত নজরদারির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই বিস্তৃত প্রস্তুতির মাধ্যমে শিয়ালদহ ডিভিশন গঙ্গাসাগর মেলা ২০২৬-এ বিপুল সংখ্যক পুণ্যার্থীর আগমন সামাল দিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং এই মেলাকে নিরাপত্তা, গতি ও পরিষেবার দৃষ্টান্ত হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
0
comment0
Report
NHNantu Hazra
Jan 07, 2026 14:43:32
Salt Lake City, Utah:स्वास्थ्य भवन अभियान: पश्चिम बंगाल आशा कर्मी यूनियन के द्वारा। स्वास्थ्य भवन से कुछ दूरी पर बैरिकेड्स लगाए गए हैं और आशा कर्मी रास्ते पर बैठकर प्रदर्शन कर रहे हैं। পश्चिमবঙ্গ আশা কর্মী ইউনিয়নের তরফ থেকে স্বাস্থ্য ভবন অভিযান। স্বাস্থ্য ভবনের কিছুটা দূরে ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে রাস্তা সেখানেই আশা কর্মীরা রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে。 আন্দোলনকারীদের দাবী: আশা কর্মীদের জন্য मासিক ন্যূনতম মজুরি ১৫০০০ টাকা, ইন্সেন্টিভ সহ সমস্ত বকেয়া প্রদান ভাগে ভাগে টাকা দেওয়া বন্ধ, সরকারি ছুটি যেগুলো আছে সেই ছুটি দিতে হবে。 কর্মরত অবস্থায় মৃত আশা কর্মীর পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা প্রদান সহ বিভিন্ন দাবিতে স্বাস্থ্য ভবন ঘেরাও অভিযান。 আশা কর্মীদের ন্যূনতম ভাতা বৃদ্ধি, মাসের পর মাস সমস্ত বকেয়া প্রদান, ছুটি সহ আরো বহু দাবিতে গত ২৩/১২/২৫ থেকে রাজ্যজুড়ে পশ্চিমবঙ্গ আশা কর্মী ইউনিয়ন ও পশ্চিমবঙ্গ পৌর স্বাস্থ্যকর্মী (কন্ট্রাকচুয়াল) ইউনিয়নের আহবানে লাগাতার কর্ম বিরতি চলছে। কর্ম বিরতির আজ ১৬ দিন। রাজ্য সম্পাদিকা ইসমত আরা খাতুন পশ্চিমবঙ্গ আশা কর্মী ইউনিয়ন。
0
comment0
Report
AGAyan Ghosal
Jan 07, 2026 12:30:16
Kolkata, West Bengal:WINTER *আবহাওয়া পয়েন্টার* ১) কাল রাতেও কলকাতা ১০ এর ঘরে। রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০.৩ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৪ ডিগ্রি কম। কাল কলকাতায় দিনের তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৭ ডিগ্রি কম। দিনে রাতে জুবুথюбু ঠান্ডা অন্ততঃ ১১ জানুয়ারি রবিবার পর্যন্ত। ২) সিউড়ি ৬.৩। কল্যানী ৭.১। বাঁকুড়া ৭.৩। পশ্চিম বর্ধমান ৭.৪। কৃষ্ণনগর ৮.২।উলুবেড়িয়া ৮.৪। বহরমপুর ৯.১। পুরুলিয়া ৯.৬। সল্টলেক ৯.৮। ব্যারাকপুর ১০। দমদম ৯.৭। বসিরহাট ৯.৯। দীঘা ৯.৯。 ৩) দক্ষিণবঙ্গের বীরভূম ও পশ্চিম বর্ধমান জেলাতে শৈত্য প্রবাহের সর্তকতা। আজ এবং আগামীকাল এই সতর্কতা থাকবে। ৪) শীতল দিনের সতর্কতা হুগলি উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা পূর্ব পশ্চিম বর্ধমান বীরভূম মুর্শিদাবাদ এবং নদীয়াতে। আজ এই জেলাগুলিতে শীতল দিনের পরিস্থিতি বজায় থাকবে। ৫) অতি ঘন বা ঘন কুয়াশার সতর্কতা উত্তর ২৪ পরগনা বীরভূম নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদে। আজ বীরভূম মুর্শিদাবাদ নদিয়া জেলাতে সকাল গড়িয়ে বেলা বাড়লেও কুয়াশার সতর্কতা জারি থাকবে। দৃশ্যমানতা ৫০ মিটারে নেমে আসতে পারে। ৬) উত্তরবঙ্গে শীতল দিনের পরিস্থিতি তিন জেলাতে। জলপাইগুড়ি আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে শীতল দিনের পরিস্থিতি আজ ও আগামীকাল। ৭) দার্জিলিং থেকে মালদা উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই ঘন কুয়াশার সতর্কবার্তা। আগামীর ৪৮ ঘন্টায় ঘন কুয়াশা সতর্কবার্তা থাকবে উত্তরবঙ্গে。 ৮) *জানুয়ারি মাসের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড* *১৮০০ সালের ২০ শে জানুয়ারি ৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বকালীন রেকর্ড। ***২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি ৯.০ ডিগ্রী সেলসিয়াস। ***২০১৮ সালে ৮ই জানুয়ারী ১০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ****২০২৩ সালে ৬ই জানুয়ারি ১০.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। *****২০২৬ সালের ৬জানুয়ারি ১০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ******২০২৬ সালের ৭ জানুয়ারি ১০.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ৯) দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট নিম্নচাপ গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোবে। এই সিস্টেমের কারণে হাওয়ার গতিপ্রকৃতি বদল। উত্তর ও উত্তর পশ্চিমের অবাধ হওয়ায় শীতল হচ্ছে বাংলা।
0
comment0
Report
AGAyan Ghosal
Jan 07, 2026 11:58:33
Kolkata, West Bengal:AAMAR METRO KOLKATA PRESS RELEASE *MORE METRO SERVICES IN BLUE LINE ON WEEKDAYS FROM 08.01.2026* *FIVE DIRECT METRO SERVICES FROM JAI HIND BIMANBANDAR TO SHAHID KHUDIRAM STATION FROM 08.01.2026* Kolkata, Date: 07.01.2026 More Good news for Metro commuters! Metro Railway will operate 282 services (141 UP and 141 DN) in Blue Line on weekdays (Monday to Friday) instead of 272 services from 08.01.2026 (Thursday). *Weekday Services (Monday to Friday)* First Services: • 06:50 hrs. from Noapara to Shahid Khudiram (No Change) • 06:54 hrs. from Shahid Khudiram to Dakshineswar (No Change) • 06:55 hrs. from Dakshineswar to Shahid Khudiram (No Change) • 06:55 hrs. from Mahanayak Uttam Kumar to Dakshineswar (No Change) Last Services: • 21:28 hrs. from Dakshineswar to Shahid Khudiram (No Change) • 21:31 hrs. from Shahid Khudiram to Dakshineswar (instead of 21:34 hrs.) • 21:38 hrs. from Dakshineswar to Mahanayak Uttam Kumar (New Service) • 21:44 hrs. from Shahid Khudiram to Dum Dum (No Change) *Additional Direct Services in Yellow Line (Monday to Friday) from 08.01.2026* The number of direct Metro services from Jai Hind Bimanbandar to Shahid Khudiram on weekdays is also increasing from two to five from 08.01.2026. Commuters travelling in these direct services to destinations such as Esplanade, Kalighat, Mahanayak Uttam Kumar or Shahid Khudiram will not have to change trains at Noapara station. *The five direct services from Jai Hind Bimanbandar to Shahid Khudiram will depart at:* • 08:18 hrs. (First direct service) (New Service) • 09:12 hrs. (New Service) • 09:36 hrs. (No Change) • 17:47 hrs. (New Service) • 21:00 hrs. (last direct service) (No Change) These services will ensure a seamless and convenient journey from the Airport to Shahid Khudiram or other places in and around Kolkata.
0
comment0
Report
AGAyan Ghosal
Jan 07, 2026 10:29:46
Kolkata, West Bengal:तरुण मंडल। उम्र 46 साल। बसीरहाट पानी तार हाई स्कूल के जियोग्राफी टीचर हे। और पिछले 11 साल से उत्तर 24 परगना जिला की बसीरहाट लोकसभा क्षेत्र की हींगलगंज इलाके में बीजेपी कार्यकर्ता हे। बीजेपी सूत्र से अभी तक इए खबर मिली हे कि इस बार 2026 विधानसभा चुनाव में वो हींगलगंज सीट से बीजेपी के लिए चुनाव लड़ेंगे। 5 जनवरी गहरे रात में इसके दुलदुली गांव स्थित मकान से लेकर 2 किलोमीटर दुलदुली बाजार तक करीब 20 से ज्यादा पोस्टर लगाया गया। जिसमें उसको जान से मार ने की धमकी, धर से सर अलग करने की धमकी सहित काफी सारा खतरनाक चेतावनी दी गई। मुद्दा इए था, की इए वो बसीरहाट लोकसभा चुनाव क्षेत्र हे जहां कभी शेख शाहजहान का राज चलता था। 2023 के बाद धीरे धीरे बीजेपी मुस्लिम उद्घोषित बसीरहाट में अपना संगठन बढ़ाना शुरू किया। पिछले लोक सभा चुनाव में शेख शाहजहान द्वारा पीड़ित हिंदू महिला रेखा पात्र को इस लोकसभा क्षेत्र से बीजेपी अपना उम्मीदवार भी कर चुके हे। हाला की वो हार गए। फिर भी बीजेपी को डराने धमकाने की सिलसिला जारी हे। तरुण मंडल उर्फ सुजीत मंडल एक ऐसा नेता हे जो निडर हो कर पश्चिम बंगाल और बांग्लादेश बोर्डर की इस इलाके में धीरे धीरे लोकप्रिय होने लगा। इसी महीने पश्चिम बंगाल के विपक्ष नेता शुभेंदु अधिकारी को अपने इलाके में चुनावी प्रचार में लाने की कोशिश में जुटी तरुण मंडल को सीधा धमकी पोस्टर में कहा गया की अगर शुभेंदु आधिकारी बसीरहाट से विद्याधरी नदी पार करके हींगलगंज आया तो तरुण मंडल के लिए वो अच्छा नहीं होगा। टिकटैक अयान घोषाल और तरुण मंडल दुलदुली गांव के बीजेपी समर्थक और हिंदू लोगों का मानना हे कि पिछले कुछ सालों में तरुण मंडल जिस तरह से निडर होकर यह पे बीजेपी संगठन को मजबूत किया वो काबिले तारीफ है। गांव के एक हिंदू स्कूल मास्टर भी तरुण मंडल के ऊपर जान लेवा हमले की चेतावनी भरी पोस्टर की कड़ी निंदा की। पीटीसी : रोज अपने घर से ढाई घंटा दूर स्कूल आते जाते हे तरुण मंडल और लौटते लौटते कभी कभी रात हो जाती हे… बाइट ऑफ हिंदू लोग और स्थानीय बीजेपी समर्थक हींगलगंज विधान सभा क्षेत्र की तृणमूल कांग्रेस विधायक पहले तो घटना की निंदा की। लेकिन साथ ही साथ मुद्दे को बीजेपी का मन गढ़न कहा और आरोप लगाया कि इए सब तृणमूल कांग्रेस को बदनाम करने की गंदी साजिश है। बाइट देवेश मंडल। तृणमूल विधायक। हिंगलगंज। (विधायक इलाके से बाहर हे कुछ काम के लिए। हिंदी वीडियो बाइट करके भेजा है) इए पहली बार नहीं हे कि तरुण मंडल के साथ इए हुआ। 2021 विधान सभा चुनाव से पहले भी इनको घर से उठाने की और खत्म कर देने की धमकी मिल चुकी हे। बाइट तरुण मंडल 3 पोस्टर 3 अलग अलग पीटीसी अयान घोषाल
0
comment0
Report
ANArnabangshu Neogi
Jan 07, 2026 10:29:31
0
comment0
Report
PSPrasenjit Sardar
Jan 07, 2026 09:17:15
Baruipur, West Bengal:প্রাণ নাশের আশঙ্কা, পুলিশ কমিশনারসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে চিঠি—সশস্ত্র নিরাপত্তার আবেদন তৃণমূল জেলা পরিষদ সদস্যের জীবননাশের আশঙ্কার কথা জানিয়ে কলকাতা পুলিশ কমিশনারসহ একাধিক ঊর্ধ্বতন পুলিশ আধিকারিকের কাছে লিখিত আবেদন জানালেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা পরিষদ সদস্য হাকিমুল ইসলাম। চিঠিতে তিনি তাঁর জন্য ২৪ ঘণ্টা সশস্ত্র নিরাপত্তা দেওয়ার দাবি তুলেছেন। চিঠিতে হাকিমুল ইসলাম জানান, তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচিত জেলা পরিষদ সদস্য। সম্প্রতি অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির কাছ থেকে প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। এলাকার বর্তমান পরিস্থিতি এবং রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে তাঁর জীবন চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন। আবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত ৪ ডিসেম্বর সকাল ১১টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিটের মধ্যে পোলেরহাট থানার অন্তর্গত পোলেরহাট পেট্রোল পাম্পের কাছে তৃণমূলের এক অংশ গাড়ি আটকে তাঁকে গালিগালাজ করে এবং লোহার রডজাতীয় অস্ত্র দিয়ে হামলার চেষ্টা চালায়। সেদিনই তাঁকে খুন করার হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে অবিলম্বে তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের হস্তক্ষেপ ও সশস্ত্র নিরাপত্তা মোতায়েনের আবেদন জানিয়েছেন হাকিমুল ইসলাম।
0
comment0
Report
SKSoumita Khan
Jan 07, 2026 07:08:38
Bhopal, Madhya Pradesh:

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: অ্যানাস্থেশিয়ার অতিরিক্ত ডোজ নিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা। মৃত্যুর সঙ্গে টানা ২৪ দিনের লড়াই। অবশেষে হার মানল জীবন, জিতে গেল মৃত্যু। AIIMS  ভোপালের ইমার্জেন্সি ও ট্রমা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. রশ্মি ভার্মা সোমবার মারা যান। 

পুলিস জানিয়েছে, রশ্মির বাড়ি থেকে সুইসাইড নোট পাওয়া গিয়েছে। সেই নোটে তিনি লিখেছিলেন যে তিনি নিজেই নিজের জীবন শেষ করছেন এবং তাঁর মৃত্যুর জন্য কাউকে দায়ী করা যাবে না। পুলিস ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, ১১ ডিসেম্বর ডিউটি শেষ করে বাড়ি ফেরার পর ডা. ভার্মা নিজেই অ্যানাস্থেশিয়ার বেশি মাত্রার ইনজেকশন নেন বলে অভিযোগ। কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। এরপর পরিবারের সদস্যরা তাঁকে দ্রুত এআইআইএমএস ভোপালে নিয়ে যান। হাসপাতালে পৌঁছাতে প্রায় ২৫ মিনিট সময় লেগে যায়। ততক্ষণে তাঁর হৃদযন্ত্র প্রায় সাত মিনিট ধরে কাজ করা বন্ধ ছিল বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন:Son after Ten Daughters: ১০ মেয়ের পর কোলে এল ছেলে! ১৯ বছরের অপেক্ষার পর বাবা দাবি করলেন...

ইমার্জেন্সি বিভাগের চিকিৎসকেরা সঙ্গে সঙ্গে সিপিআর শুরু করেন। তিন দফা সিপিআরের পর তাঁর হার্টবিট ফিরে আসে। তবে অক্সিজেনের অভাবে তাঁর মস্তিষ্কে গুরুতর ক্ষতি হয়ে যায়। ৭২ ঘণ্টা পরে করা এমআরআই পরীক্ষায় 'গ্লোবাল হাইপক্সিক ব্রেন ইনজুরি' ধরা পড়ে। চিকিৎসকদের মতে, এই অবস্থায় সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম থাকে। ডা. ভার্মাকে এআইআইএমএস-এর প্রধান আইসিইউতে ভেন্টিলেটরে রাখা হয়। ২৪ দিন ধরে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের চেষ্টা সত্ত্বেও তাঁর অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, ৫ জানুয়ারি সকাল প্রায় ১১টায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। পরে তাঁর দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

পরিবারের সদস্যরা পুলিসকে জানিয়েছেন, বাবার মৃত্যুর পর থেকে রশ্মি মানসিক চাপে ছিলেন এবং হতাশায় ভুগছিলেন। তবে কর্মস্থলে কোনও সমস্যার কথা তিনি কখনও কাউকে বলেননি।

ডা. রশ্মি ভার্মার স্বামী ডা. মনমোহন শাক্য একজন অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ। ঘটনার দিন তিনি অচেতন অবস্থায় স্ত্রীকে এআইআইএমএসে নিয়ে যান। চিকিৎসার সময় কিছু মহল থেকে এআইআইএমএস ভোপালের কাজের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তবে হাসপাতাল সূত্র জানায়, ডা. ভার্মা কখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ করেননি এবং তিনি দায়িত্বশীল ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে এআইআইএমএস কর্তৃপক্ষ একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে, যদিও এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। কর্তৃপক্ষ জানায়, পেশাগত চাপের কোনও স্পষ্ট প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:Chuchura Circus: তিনটে জ্যান্ত শিঙিমাছ গিলে বের করে দিচ্ছেন, তাসখন্দেও দেখিয়েছেন এই খেলা, রুদ্ধশ্বাস দর্শকরা

ডা. ভার্মা প্রয়াগরাজের মোতিলাল নেহরু মেডিক্যাল কলেজ থেকে থেকে এমবিবিএস, গোরখপুরের বিআরডি মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমডি। এলএন মেডিক্যাল কলেজ ও পিএমএস ভোপালেও কাজ করেছেন তিনি। প্রায় পাঁচ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি পরিচিত ছিলেন একজন সংবেদনশীল মানুষ হিসেবে। অনেক সময় গরিব রোগীদের চিকিৎসার খরচ নিজে বহন করতেন। সিপিআর প্রশিক্ষণ কর্মসূচির নোডাল অফিসার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন।

পুলিস জানিয়েছে, ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হাতের লেখা পরীক্ষার রিপোর্ট ও ময়নাতদন্তের ফল এলে পুরো বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

আপনি কি অবসাদগ্রস্ত? বিষণ্ণ? চরম কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না। আপনার হাত ধরতে তৈরি অনেকেই। কথা বলুন প্লিজ... 

iCALL (সোম-শনি, ১০টা থেকে ৮টা) ৯১৫২৯৮৭৮২১

কলকাতা পুলিস হেল্পলাইন (সকাল ১০টা-রাত ১০টা, ৩৬৫ দিন) ৯০৮৮০৩০৩০৩, ০৩৩-৪০৪৪৭৪৩৭

২৪x৭ টোল-ফ্রি মানসিক স্বাস্থ্য পুনর্বাসন হেল্পলাইন-- কিরণ (১৮০০-৫৯৯-০০১৯)

(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের AppFacebookWhatsapp ChannelX (Twitter)YoutubeInstagram পেজ-চ্যানেল)

0
comment0
Report
Advertisement
Back to top