icon-pinewzicon-zee
PINEWZ
become creator
Become a News Creator

Your local stories, Your voice

Follow us on
Download App fromplay-storeapp-store
Advertisement
Back

हमें फेसबुक पर लाइक करें, ट्विटर पर फॉलो और यूट्यूब पर सब्सक्राइब्ड करें ताकि आप ताजा खबरें और लाइव अपडेट्स प्राप्त कर सकें| और यदि आप विस्तार से पढ़ना चाहते हैं तो https://pinewz.com/hindi से जुड़े और पाए अपने इलाके की हर छोटी सी छोटी खबर|

सिलीगुड़ी के Bardhaman Road ओवरब्रिज के नीचे अतिक्रमण हटाने के लिए बुलडोजर, दुकानों को जमींदोज

Siliguri, West Bengal:বেশ কয়েক মাস ধরে শিলিগুড়ি বर्धমান রোড ওরালপুলের নিচে জবর দখল করে চলছিল ব্যবসা। আজ বুলডোজার দিয়ে সেই সমস্ত দোকানপাট ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিল শিলিগুড়ি পৌর কর্পোরেশন। কিছুদিন আগেই এই উড়ালপুল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী উদ্বোধন করেন।। ঠিক তারপর পরই উড়ালপুলের নিচের অংশ (সরকারি জায়গা)প্রায় পুরোটাই দখল করে বিভিন্ন ব্যবসা চালাচ্ছিল কিছু উৎপাদ ব্যবসায়ী। প্রথম দিকে পৌর কর্পোরেশনের থেকে সরকারি জায়গা দখল করে রাখার ঘটনায় প্রত্যেক দখলকারীকে নোটিশ দিয়ে জায়গা খালি করার অনুমতি দিলেও তা কোনোভাবেই ওখানকার ব্যবসায়ীরা জায়গা খালি করছিল না। অবশেষে পুরো আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে একপ্রকার বাধ্য হয়েই আজ ফ্লাইওভারের নিচের অংশ দখলকারী দোকানদারদের দোকান বুলডোজার দিয়ে ভেঙে গুড়িয়ে দেয়। পুরো এলাকা পরিষ্কার করে সরকারি জমি নিজেদের হেফাজতে নিয়েনায়।
0
0
Report

अवैध ऑटो-टोटो के कारण असानसोल औद्योगिक क्षेत्र में बस सेवाएं बंद, नागरिक संकट में

Asansol, West Bengal:অটো-টোটোর দাপটে রাস্তায় নেই বাস! আসানসোল শিল্পাঞ্চলের একের পর এক রুটে বন্ধ বাস-মিনিবাস পরিষেবা রাস্তায় একের পর এক অটো ও টোটো। অথচ যাত্রী পরিবহণের অন্যতম পুরনো মাধ্যম বাস ও মিনিবাসের দেখা মিলছে না বহু রুটে। আসানসোল শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রুটে যাত্রী না পাওয়ায় কার্যত বন্ধ হয়ে গিয়েছে বাস ও মিনিবাস পরিষেবা। কোথাও আবার পরিষেবা বন্ধ হওয়ার মুখে। এর জেরে সমস্যায় পড়েছেন বাস মালিক থেকে চালক, কর্মী এবং সাধারণ যাত্রীরা। বাস মালিক ও পরিবহণ কর্মীদের অভিযোগ, অটো ও টোটোর দৌরাত্ম্য ক্রমশ এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, বাস চালিয়ে ন্যূনতম খরচটুকুও তোলা সম্ভব হচ্ছে না। বাসের জ্বালানি, রক্ষণাবেক্ষণ, বিমা, সরকারি ফি, চালক ও কর্মীদের বেতন—সব মিলিয়ে প্রতিদিন যে বিপুল খরচ হচ্ছে, তার তুলনায় আয় অনেকটাই কমে গিয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন লোকসান সামলে চলার পর এখন অনেক বাস মালিকই পরিষেবা বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছেন। অভিযোগ, পূর্বতন সরকারের সময়ে আসানসোল শিল্পাঞ্চলে বেআইনি অটো ও টোটোর সংখ্যা দ্রুত বেড়েছিল। বর্তমান সরকার সেগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করতে একাধিক নির্দেশ ও নিয়ম চালু করলেও আসানসোলেও সেই নির্দেশ কার্যকর হচ্ছে না বলে অভিযোগ পরিবহণ কর্মীদের। তাঁদের আরও অভিযোগ, বিনা রেজিস্ট্রেশন, বিনা নির্দিষ্ট রুট এবং প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়াই প্রায় পাঁচ হাজার অটো ও টোটো বিভিন্ন রাস্তায় চলাচল করছে। শুধু আসানসোলেরLocal অটো-টোটো নয়, ঝাড়খণ্ড, বিহার ও পুরুলিয়া নম্বরের বহু অটো-টোটোকেও শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন রাস্তায় দাপিয়ে বেড়াতে দেখা যাচ্ছে। ফলে একই রুটে বাসের তুলনায় অটো ও টোটোর সংখ্যা বাড়ায় যাত্রী ভাগ হচ্ছে। বাসের যাত্রী কমছে, অথচ বাস চালানোর খরচ কমছে না। এই পরিস্থিতিতে একের পর এক রুট থেকে বাস তুলে নিতে হচ্ছে বলে দাবি বাস মালিকদের। পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে বাস ও মিনিবাস কর্মীদের মধ্যেও। বিভিন্ন জায়গায় তাঁরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। তাঁদের বক্তব্য, বারবার প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি জানানো হলেও সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি। ফলে শেষ পর্যন্ত বাস-মিনিবাস পরিষেবা বন্ধের মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে তাঁরা বাধ্য হয়েছেন। পরিবহণ কর্মীদের প্রশ্ন, অটো-টোটো নির্দিষ্ট নিয়মে নির্দিষ্ট রুটে চলে, তাহলে বাস পরিষেবা টিকিয়ে রাখতে এতটা সমস্যা হওয়ার কথা নয়। তবে নিয়মের বাইরে গিয়ে চলাচলকারী যানবাহনের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ না করলে ভবিষ্যতে আরও বহু রুট থেকে বাস উঠে যেতে পারে। এতে সাধারণ মানুষের ওপর সরাসরি প্রভাব পড়ছে। শিল্পাঞ্চলের প্রত্যন্ত এলাকা থেকে আসানসোল শহর, বাজার, হাসপাতাল, স্টেশন ও কর্মক্ষেত্রে যাতায়াতকারী মানুষের কাছে বাস পরিষেবা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাস বন্ধ হয়ে গেলে তাঁদের অটো বা টোটোর উপর নির্ভর করতে হচ্ছে, ফলে দুর্ঘটনা ও যাতায়াত খরচ বাড়ছে। বাস মালিক ও কর্মীদের দাবি, অবৈধ ও নিয়মবিহিন দ্বারা গাড়ি চলাচলের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা, নির্দিষ্ট রুট নির্ধারণ ও বাস-মিনিবাস পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ প্রয়োজন, নইলে আসানসোল শিল্পাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী বাস পরিবহণ সংকটে পড়বে।
0
0
Report

दिलचस्प हिंदी headline: भाजपा ने काकसा थाने के बाहर दो तृणमूल नेताओं की गिरफ्तारी की मांग में प्रदर्शन किया

Durgapur, West Bengal:দুই তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতারের দাবিতে থানায় বিক্ষোভ বিজেপি কর্মীদের । পশ্চিম বর্ধমান জেলার কাঁকসার বেলডাঙ্গার দুই তৃণমূল নেতাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে কাঁকসা থানার সামনে বিক্ষোভে বসে বেলডাঙ্গা এলাকার বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা। বিক্ষোভের পর কাঁকসা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় বিজেপির পক্ষ থেকে। বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ বেলডাঙ্গা এলাকার তৃণমূল নেতা সন্দীপ কর্মকার ও প্রদীপ কর্মকার দুই ভাই নির্বাচনের পর থেকে এলাকা ছাড়া ছিল। এরপর তারা এলাকায় ফিরে বিজেপি কর্মীদের হুমকি দেওয়া শুরু করে। এক বিজেপি কর্মীকে ফোন করে মিথ্যা কথা বলে তাকে তার হোটেলে ডাকে।বিজেপির অভিযোগ বিজেপি কর্মীদের মিথ্যা ভাবে ফোন করে ডেকে তাদের মারধর করার পরিকল্পনা করেছিল ওই দুই ভাই। বিষয়টি বুঝতে পেরে বিজেপি কর্মীরা তাদের ঘিরে ধরে। এরপরই তাকে এলাকার বাসিন্দারা মারধোর শুরু করলে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কাঁকসা থানার পুলিশ। কাঁকসা থানার পুলিশ দুইজনকে উদ্ধার করে কাঁকসা থানায় নিয়ে আসে। এলাকার বাসিন্দা এবং বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ সন্দীপ কর্মকার ওরফে মিঠুন এলাকায় বহু মানুষের কাছ থেকে বিভিন্নভাবে টাকা নিয়ে সেই টাকা সে ফেরত দেয়নি।এছাড়াও বহু মানুষ আছেন যারা কাজ করে তার কাছ থেকে টাকা পেতেন, সেই টাকা চাওয়া হলেও তা মেলেনি। মিঠুনের বিরুদ্ধে কাঁকসা থানায় একাধিকবার অভিযোগ করলেও তার বিরুদ্ধে পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ।ফের তাকে গ্রেফতারের দাবী জানিয়ে তার কঠোতম শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বিজেপি কর্মীরা。
0
0
Report
Advertisement

स्वास्थ्य मंत्री चेतावनी के बाद कैंिंग अस्पताल रसोईघर में सफाई और ड्रेस को लेकर सवाल

Baruipur, West Bengal:স্বাস্থ্য মন্ত্রীর সতর্কবার্তার পর বদল ক্যানিং হাসপাতালের রান্নাঘরের খাবারের মান উন্নত হলেও পরিকাঠামো ও পোশাকের পরিচ্ছন্নতায় প্রশ্ন। ক্যানিং মহাকুমা হাসপাতালের রান্নাঘরের খাবারের মান কিছুটা হলেও উন্নতি হয়েছে। কিন্তু রান্নাঘরের পরিকাঠামো ও খাবার তৈরির পদ্ধতি নিয়ে একাধিক প্রশ্ন আছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী একাধিক নির্দেশ থাকলেও হাসপাতালে সেই পরিকাঠামো নির্দেশ মানা হচ্ছে না এমন অভিযোগ। তবে রান্নাঘরের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং কর্মীদের পোশাকের ক্ষেত্রে এখনও কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। রান্নার সময় বাণিজ্যিক গ্যাস না থাকলে ঘরোয়া গ্যাস দিয়ে রান্না করা হয় বলে রান্নীর দাবি। কর্মীদের মাথায় ক্যাপ দেখা গেলেও প্রত্যেকের শরীরে নির্দিষ্ট রান্নার ড্রেস নেই। রান্নাঘরে কর্মরত রাধুনী সহ মোট তিনজন জন কর্মী। তারা জানান নির্দিষ্ট সময় মেনে রোগীদের খাবার দেওয়ার ব্যবস্থা চালু রয়েছে। সকালে প্রথমে চা ও বিস্কুট দেওয়া হয়। এরপর সকাল ৭টা থেকে সাড়ে ৭টার মধ্যে টিফিন এবং সাড়ে ১২ টার মধ্যে দুপুরে রোগীদের মধ্যাহ্নভোজন পরিবেশন করা হয়। একইভাবে সন্ধ্যার খাবার এবং রাতের নৈশভোজও নির্দিষ্ট সময় মেনে দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরিদর্শনের পর রান্নাঘরের ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন এলেও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং কর্মীদের নির্ধারিত পোশাক ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরও নজরদারি প্রয়োজন বলেই মনে করছেন রোগীর পরিবাররা।
0
0
Report

पुरुलिया में प्रेमिका की गला काटकर हत्या; आरोपी अमित कुमार महतो गिरफ्तार

Purulia, West Bengal:পুরুলিয়া : প্রেমিকাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলার নলি কেটে খুন করে দেহ প্লাস্টিক বন্দি করে বাইকে করে লোপাটের চেষ্টা যুবকের । মাঝরাতে পুলিশি নাকা চেকিংয়ে ধরা পড়ে যায় ওই যুবক । ঘটনায় গ্রেফতার যুবকের নাম অমিত কুমার মাহাতো (২৩) । বাড়ি পুরুলিয়ার বাঘমুণ্ডি থানার হুড়ুমদা গ্রামে। মৃত যুবতীর নাম প্রিতিকা মাহাতো (২১) । পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডি থানার বুড়দা গ্রামে । পড়াশোনা ও চাকরির প্রস্তুতির জন্য যুবকটি থাকতো পুরুলিয়া শহর লাগোয়া টামনা থানার একটি মেসে। সেখানেই শনিবার ওই মেয়েটি যায়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান সেখানেই তরুণীর গলা কেটে খুন করে ওই যুবক। তারপর মাঝ রাতে বাইকে করে প্লাস্টিক বন্দি অবস্থায় দেহটিকে লোপাট করার জন্য পুরুলিয়ার বাঘমুণ্ডি - বলরামপুর রোড দিয়ে যাওয়ার সময় পিপিএসপি দপ্তরের সামনে পুলিশি নাকা চেকিংয়ে ধরা পড়ে যায় ওই যুবক । জানা যায়, মেয়েটি ও ছেলেটির বেশ কয়েক年的 সম্পর্ক ছিল। তারা একই কোচিংয়ে পড়ত। প্রেমের সম্পর্কের টানাপোড়েনের জেরেই এই খুনের ঘটনা বলে অনুমান পুলিশের । গ্রেফতার যুবককে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়ে আজ পুরুলিয়া জেলা আদালতে পেশ করবে পুলিশ ।
0
0
Report

रायगंज स्वास्थ्य केंद्र में रसोई सुरक्षा संकट, घर पर खाना बनना चर्चा का विषय

Dinajpur, Rangpur Division:রায়গঞ্জ ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রোগীদের খাবার রান্না ঘিরে উঠছে একাধিক প্রশ্ন। রায়গঞ্জ ব্লকের মহারাজা এলাকায় অবস্থিত এই সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি বিধানসভাগতভাবে হেমতাবাদ বিধানসভার অন্তর্গত। অভিযোগ, রোগীদের খাবার রান্নার জন্য স্বাস্থ্যকেন্দ্র চৌত্রে নির্দিষ্ট রান্নাঘর থাকলেও সেখানে নিয়মিত রান্না হয় না। প্রায় দু’কিলোমিটার দূরে স্বাস্থ্যকর্মীদের নজরদারির বাইরে স্বর্ণজয়ন্তী দলের মহিলাদের বাড়িতে রান্না করে সেখান থেকে প্রতিদিন খাবার এনে রোগীদের পরিবেশন করা হয়। স্বর্ণজয়ন্তী দলের মহিলাদের অভিযোগ, স্বাস্থ্যকেন্দ্রের রান্নাঘরটি দেখতে ঝাঁ চকচকে হলেও বর্ষাকালে ছাদ চুঁইয়ে জল পড়ে। রান্নাঘর থেকে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে খাবার নিয়ে যাওয়ার পথেও পর্যাপ্ত আলো নেই। ঝোপঝাড়ে ঘেরা ওই পথে সাপের ভয়ও রয়েছে। পাশাপাশি রান্নাঘরটি বাউন্ডারি দিয়ে ঘেরা হলেও গেট না থাকায় রাতে রোগীর পরিজনেরা সেখানে মলমূত্র ত্যাগ করেন বলে অভিযোগ। ফলে তৈরি হয় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। অভিযোগ, সমস্যাগুলি একাধিকবার লিখিতভাবে জানানো হলেও স্থায়ী সমাধান হয়নি। তাই রোগীদের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে ওই পরিবেশে রান্না বন্ধ করেছেন স্বর্ণজয়ন্তী দলের মহিলারা। ফলে প্রশ্ন উঠছে, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রান্নাঘর থাকা সত্ত্বেও তা ব্যবহারের উপযোগী করে তুলতে স্বাস্থ্য প্রশাসনের এত অনীহা কেন? সদর ব্লকের স্বাস্থ্যকেন্দ্রেরই যদি এমন অবস্থা হয়, তবে জেলার প্রত্যন্ত এলাকার স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলির পরিস্থিতি কেমন—তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন。
0
0
Report
Advertisement

पुरुलिया में बिना मंज़ूरी मदरसे: 252 स्कूलों पर बंदी नोटिस जारी

Purulia, West Bengal:पुरुलिया: राज्य सरकार ने बिना मंज़ूरी के चल रहे मदरसा स्कूलों के ख़िलाफ़ सख़्त कदम उठाए हैं। राज्य भर में 252 मदरसों को बंद करने का नोटिस जारी किया गया है। इस लिस्ट में पुरुलिया ज़िले के तीन मदरसा स्कूल शामिल हैं: 1) बैकाटा गाँव में बैकाटा मकतब प्राइमरी स्कूल (पुरुलिया मोफुसिल पुलिस स्टेशन के तहत), 2) रंगामेटिया गाँव में घरीज नमाज़ मेमोरियल जूनियर हाई मदरसा (बोरो पुलिस स्टेशन के तहत), और 3) मुकुंदापुर गाँव में मुकुंदapur याकूब साहा जूनियर हाई मदरसा (जयपुर पुलिस स्टेशन के तहत)। बैकाटा गाँव (पुरुलिया मोफुसिल पुलिस स्टेशन इलाका) में बैकाटा मकतब प्राइमरी स्कूल एक दशक से ज़्यादा समय से बिना सरकारी मंज़ूरी के चल रहा है। स्कूल में पाँच टीचर और लगभग 60 छात्र हैं, और क्लास सुबह लगती है। स्कूल प्रशासन का कहना है कि पिछली सरकार के समय से ही सरकारी मान्यता पाने की कई कोशिशों के बावजूद कोई सफलता नहीं मिली। अब, मौजूदा राज्य सरकार स्कूल को बंद करने का नोटिस जारी करने की तैयारी कर रही है। इस घटनाक्रम से टीचर और अभिभावक दोनों ही बहुत चिंतित हैं। वे अपील कर रहे हैं कि स्कूल को बंद करने के बजाय सरकारी मान्यता दी जाए। गाँव वाले और टीचर दोनों ही मौजूदा राज्य सरकार से उम्मीद लगाए बैठे हैं। हालाँकि, सवाल यह भी उठ रहा है कि इतने लंबे समय तक बिना मंज़ूरी के स्कूल को चलने कैसे दिया गया। बाइट्स: 1. मोइनुद्दीन अंसारी (टीचर-इन-चार्ज) 2. कलीमुल्लाह अंसारी (असिस्टेंट टीचर) 3. हलीमा खातून (छात्रा) 4. हरकिल अंसारी (कर्माध्यक्ष, पुरुलिया II पंचायत समिति / अभिभावक)
0
0
Report

जलपाईगुड़ी में रेल कोच रेस्टोरेंट: 350 व्यंजन, 14 सितम्बर से उद्घाटन

Jalpaiguri, West Bengal:পরিত্যক্ত রেলের কামরায় অত্যাধুনিক রেস্টুরেন্ট, মিলবে ৩৫০ রকমের খাবার! পুজোর মুখে খুশির হাওয়া জলপাইগুড়ি তে。 পরিত্যক্ত র Rails কোচ রেস্টaurant এবার হয়ে উঠছে রসনাতৃপ্তির নতুন ঠিকানা। জলপাইগুঁড়ি রোড স্টেশন সংলগ্ন ডেঙ্গুয়াঝার রেলগেটের পাশে রেলের একটি কামরা সাজিয়ে তৈরি করা হয়েছে অত্যাধুনিক রেস্টুরেন্ট। রেলের উদ্যোগে তৈরি এই নতুন রেস্টুরেন্ট ঘিরে ইতিমধ্যেই উৎসাহ দেখা দিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। রেলযাত্রী থেকে শুরু করে স্থানীয় মানুষ—সকলেই এখানে এসে খাবারের স্বাদ নিতে পারবেন। জানা গিয়েছে, এই রেল কোচ রেস্টুরেন্টে প্রায় ৩৫০ রকমের খাবারের আইটেম পাওয়া যাবে। অর্থাৎ ট্রেনের কামরায় বসেই মিলবে নানা ধরনের খাবারের স্বাদ। জানা গিয়েছে, বড় ক্রেনের সাহায্যে রেলের বগিটিকে নির্দিষ্ট জায়গায় নিয়ে এসে বসানো হয়েছে। এরপর সেটিকে রীতিমতো সাজিয়ে তোলা হয়েছে রেস্টুরেন্টের আদলে। বাইরে থেকে দেখলেই বোঝার উপায় নেই, এটি আর চলন্ত ট্রেনের কামরা নয়। সাজসজ্জার কাজ শেষ হওয়ার পর থেকেই কৌতূহলী মানুষের ভিড়ও চোখে পড়ছে এলাকায়। বর্তমানে উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে এই রেল কোচ রেস্টুরেন্ট। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হওয়ার কথা। রেল স্টেশনের কাছেই এমন অভিনব রেস্টুরেন্ট তৈরি হওয়ায় খুশি স্থানীয় মানুষও। এবার থেকে ট্রেন ধরতে আসা যাত্রী কিংবা এলাকাভিত্তিক বাসিন্দারা, দুটো পক্ষই খাবারের পাশাপাশি রেলের কামরায় বসে অন্যরকম অভিজ্ঞতা নেওয়ার সুযোগ পাবেন। অর্থাৎ, ট্রেন এবার শুধু গন্তব্যে পৌঁছে দেবে না— ভেজ, ননভেজ এবং সাউথ ইন্ডিয়ান ট্রেনের কামরাতেই মিলবে ৩৫০ রকমের খাবারের স্বাদ।
0
0
Report
Advertisement

सरकारी मंजूरी बिना चल रहे पुरुलिया के तीन मदरसे बंदी नोटिस

Purulia, West Bengal:পুরুলিয়া: সরকারি অনুমোদনহীন মাদ্রাসা বিদ্যালয়গুলোর উপর কোপ পড়ল রাজ্য government's 。 রাজ্যের ২৫২ টি মাদ্রাসা বন্ধের নোটিশ জারি করেছে সরকার। এই তালিকায় রয়েছে পুরুলিয়ার জেলার তিনটি মাদ্রাসা বিদ্যালয় । ১) পুরুলিয়া মফস্বল থানার বাইকাটা গ্রামে অবস্থিত বাইকাটা মকতাব প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২) পুরুলিয়ার বোরো থানার অন্তর্গত রাঙ্গামেট্যা গ্রামে অবস্থিত ঘারিজ নামাজ মেমোরিয়াল जूनियर उच्च মাদ্রাসা এবং ৩) পুরুলিয়ার জয়পুর থানার অন্তর্গত মুকুন্দপুর গ্রামে অবস্থিত মুকুন্দপুর ইয়াকুব সাহা जूनিয়র উচ্চ মাদ্রাসা । সরকারি অনুমোদো ছাড়া ১০ বছরের বেশি সময় ধরে চলছে পুরুলিয়া মফস্বল থানার বাইকাটা গ্রামে অবস্থিত বাইকাটা মকতাব প্রাথমিক বিদ্যালয়টি। বিদ্যালয়ে পঠনপাঠনের জন্য রয়েছেন ৫ জন শিক্ষক ও প্রায় ৬০ জন পড়ুয়া । সকাল বেলায় পঠনপাঠন হয় বিদ্যালয়টিতে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিগত সরকারের আমল থেকে বিদ্যালয়টিকে বার বার সরকারি অনুমোদনের চেষ্টা করেও কোন লাভ হয়নি বলে অভিযোগ। এবার বর্তমান রাজ্য সরকার এই বিদ্যালয় বন্ধের নোটিশ জারি করতে চলেছে । এতেই কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে শিক্ষক এবং অভিভাবকদের কপালে । তাদের সকলের আবেদন এই বিদ্যালয় যাতে বন্ধ না করে সরকারি অনুমোদন দেওয়া হোক । বর্তমান রাজ্য সরকারের উপর আশা রাখছেন গ্রামবাসী এবং শিক্ষকরা । তবে অনুমোদন ছাড়াই কীভাবে চলছিল এই বিদ্যালয় ? টা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। বাইট: ১) মঈনুদ্দিন আনসারী (ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক) ২) কলিমউল্লা আনসারী (সহ শিক্ষক) ৩) হালিমা খাতুন (পড়ুয়া) ৪) হরকিল আনসারী (পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ, পুরুলিয়া ২ পঞ্চায়েত সমিতি / গ্রামবাসী) ৫) আবুল আনসারী (অভিভাবক) ৬) রাজিনা বিবি (অভিভাবক) ৭) মেহেজান বিবি (অভিভাবক) ৮) স্পট থেকে WT
0
0
Report

बागुला दुर्गापुर रेलगेट पर विस्थापित परिवारों के लिए विधायक असिम विश्वास का बड़ा आश्वासन

Ranaghat, West Bengal:বগুলা দুর্গাপুর রেলগেটে উচ্ছেদ হওয়া দুস্থ পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ালেন উত্তর-পূর্বের বিধায়ক অসীম বিশ্বাস, রেলের সার্বিক উন্নয়নীমূলক কাজের স্বার্থে উচ্ছেদ হওয়া বগুলা দুর্গাপুর রেলগেট সংলগ্ন র Railলাইনের ধারের দুস্থ পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা করলেন উত্তর-পূর্ব বিধানসভার বিধায়ক অসীম বিশ্বাস। নিজে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উচ্ছেদ হওয়া মানুষদের দুর্দশার কথা শোনেন এবং তাঁদের পুনর্বাসনের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আশ্বাস দেন. ​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রেলের প্রকল্পের কাজ এগোনোর জন্য দীর্ঘদিন ধরে রেললাইনের পাশে বসবাসকারী বেশ_some_gob... (content unchanged)
0
0
Report

स्थायी भर्ती मामले पर आरोप, पंचायत समिति में हंगामा और सियासी उथलपुथल

Katwa, West Bengal:নিয়ম বহির্ভূতভাবে স্থায়ী চাকরিতে নিয়োগের অভিযোগ। আর সেই নিয়োগের রেজুলেশন নিয়েই উঠছে একের পর এক প্রশ্ন। অভিযোগ, বোর্ড সদস্যদের আগে স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়া হয়েছিল। পরে নিজেদের মতো করে লেখা হয় রেজুলেশন। আর এই অভিযোগ ঘিরেই মঙ্গলকোটের পিণ্ডীরা সমবায় সমিতিতে তুমুল শোরগোল। চলে বচসা, চোখরাঙানি, হট্টগোল। তৃণমূল আমলে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব বিজেপি। মঙ্গলকোটের ভাল্যগ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত পণ্ডীরা সমবায় সমিতি। আর এই সমিতিতেই স্থায়ী কর্মী নিয়োগকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিতর্ক।অভিযোগ, আসিফুল রহমান নামে এক যুবক গত প্রায় তিন বছর ধরে এই সমবায় সমিতিতে অস্থায়ী কর্মী হিসেবে কাজ করে। সমিতির অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত কাজও দেখভাল করে সে। সমিতির সদস্যদের দাবি, প্রায় নয় মাস আগে বোর্ড মিটিংয়ে তাঁর স্থায়ী নিয়োগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সদস্যদের স্বাক্ষরও নেওয়া হয়েছিল।কিন্তু সেই স্বাক্ষর নেওয়ার পদ্ধতি নিয়েই এখন উঠছে গুরুতর অভিযোগ। বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য প্রদীপ ভট্টাচার্য সমিতিতে গিয়ে বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর নেন। তাঁর অভিযোগ, বোর্ড মিটিংয়ে উপস্থিত সদস্যদের আগে সাদা কাগজে বা রেজুলেশনের বিষয় না জানিয়ে স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়া হয়। পরে ওই স্বাক্ষর ব্যবহার করেই আসিফুল রহমানকে স্থায়ী করার রেজুলেশন লেখা হয়েছে।এই অভিযোগ ঘিরেই সমিতির ভিতরে শুরু হয় তুমুল বচসা। একে অপরের দিকে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ, চোখরাঙানি আর হট্টগোলে উত্তেজনা ছড়ায়। বিজেপি পঞ্চায়েত সদস্য প্রদীপ ভট্টাচার্যের অভিযোগ, তৃণমূল আমলে নিয়ম না মেনেই ওই যুবককে স্থায়ী চাকরিতে নিয়োগ করা হয়েছে। তাঁর দাবি, নিয়োগে কোনো অনিয়ম হয়েছে হলে সেই নিয়োগ বাতিল করতে হবে। পাশাপাশি গোটা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তেরও দাবি তুলেছেন তিনি। তবে অভিযোগ মানতে নারাজ আসিফুল রহমান। তাঁর দাবি, সমিতির সদস্যরা সকলেই জানতেন যে তাঁকে স্থায়ী কর্মী হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। রাজনৈতিক কারণেই তাঁকে সমিতির চাকরি থেকে সরানোর চেষ্টা চলছে বলেও দাবি তাঁর। বাইট:- ১) সীমন্ত কুমার লাহা(বোর্ড মেম্বার) ২)কাকুলি মাঝি ( সদস্য) ৩) আলি উদ্দিন শেখ( প্রেসিডেন্ট) ৪)শামসুর খান(সম্পাদক) ৫) প্রদীপ ভট্টাচার্য ( সদস্য) ৬)আসিফুর রহমান
0
0
Report
Advertisement

बिहार के नकली डॉक्टर के आरोप, फर्जी रजिस्ट्रेशन से अस्पताल-इंस्टीट्यूट चर्चा

Kolkata, West Bengal:জাল ডাক্তার আবার সার্জারীর টিচিং ফ্যাকাল্টি, সার্জারির বিষয়ে পড়ান বিহারে মেডিকেল কাউন্সিল থেকে জাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট নিয়ে এসে, এই রাজ্যের মেডিকেল কাউন্সিল থেকে আসল রেজিস্ট্রেশন বের করার অভিযোগ ছিল। তার বিরুদ্ধে বর্ধমান এর সদর থানায় ভুল চিকিৎসায় শিশু মৃত্যুর অভিযোগে ইতিমধ্যেই অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এবার জাল ডাক্তার সাইদুল হকের বিরুদ্ধে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য। তিনি নাকি বর্ধমানের একটি বেসরকারী মেডিকেল ইনস্টিটিউট ডাক্তারি পড়ুয়াদের সার্জারী বিভাগের শিক্ষক হিসাবে পড়ান। ডাক্তার রাজীব পান্ডে, সেক্রেটারি, অ্যাসোসিয়েশন অফ প্রাইভেট হসপিটাল এন্ড নার্সিংহোম
0
0
Report

बिहार मेडिकल काउंसिल में फर्जी डॉक्टर रजिस्ट्रेशन घोटाला; तीन चिकित्सकों पर आरोप

Kolkata, West Bengal:# বিহার মেডিকেল কাউন্সিলে জাল নথি দেখানো নকল রেজিস্ট্রেশন রেজিস্ট্রেশন হয়ে গেল রাজ্যে আসল। রাজ্যের মেডিকেল কাউন্সিল এর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ। কোন যাদু মন্ত্রে জাল ডাক্তার হয়ে গেলো আসল ডাক্তার এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছে অ্যাসোসিয়েশন অফ প্রাইভেট হসপিটাল অ্যান্ড নার্সিংহোম। সূত্রের খবর এই জাল নথি দেখিয়ে পাওয়া সার্টিফিকেট নিয়ে,এই তিনজন রাজ্যের একটি পুরসভায় মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত। ১. শেখ ইউনুস হাসান - দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথর প্রতিমার বাসিন্দা।তিনি পাটনার আর্যভট্ট খান নলেজ ইউনিভার্সিটি তে mbbs পড়তে না গিয়েই,২০১৯ সালে, mbbs পাশের জাল নথি দেখিয়ে 48533 রেজিস্ট্রেশন বার করেন । আর এই জাল নথি দেখিয়ে নিজেকে এরাজ্যে মেডিকেল কাউন্সিলে নিজেকে ডাক্তার হিসেবে রেজিস্টারও করেছেন। একজন স্ত্রী রোগ এবং চর্ম রোগ বিশেষজ্ঞ হিসাবে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করছেন একাধিক হাসপাতালে।সূত্রে খবর,পাশাপাশি রাজ্যের একটি পুরসভায় মেডিকেল অফিসার হিসাবে কর্মরত। ২. শেখ হাফিজুর হালদার,দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরের বাসিন্দা। বিস্ফোরক অভিযোগ কখনও বিহারে পাটনায় আর্যভট্ট খান নলেজ ইউনিভার্সিটি তে mbbs পড়তে না গিয়েই,২০১৭ সালে, mbbs পাশের জাল নথি দেখিয়ে 45781 রেজিস্ট্রেশন বার করেন । আর এই জাল নথি দেখিয়ে নিজেকে এরাজ্যে মেডিকেল কাউন্সিলে নিজেকে ডাক্তার হিসাবে রেজিস্টারও করেছেন। একজন স্ত্রী রোগ এবং চর্ম রোগ বিশেষজ্ঞ হিসাবে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করছেন একাধিক হাসপাতালে।সূত্রে খবর,পাশাপাশি রাজ্যের একটি পুরসভায় মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত। ৩.ডাক্তার উত্তম মাইতি,দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলি থানা באזורের বাসিন্দা।বিস্ফোরক অভিযোগ কখনও বিহারে না গিয়েই বাবা সাহেব ভিমরাও আম্বেকর ইউনিভার্সিটিতে mbbs পড়তে না গিয়েই,২০০৮ সালে, mbbs পাশের জাল নথি দেখিয়ে 40477 রেজিস্ট্রেশন বার করেন । আর এই জাল নথি দেখিয়ে নিজেকে এরাজ্যে মেডিকেল কাউন্সিলে নিজেকে ডাক্তার হিসেবে রেজিস্টারও করেছেন। একজন স্ত্রী রোগ এবং চর্ম রোগ বিশেষজ্ঞ হিসাবে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করছেন একাধিক হাসপাতালে করেন।সূত্রে খবর,পাশাপাশি রাজ্যের একটি পুরসভায় মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত। # অ্যাসোসিয়েশন অফ প্রাইভেট হসপিটাল অ্যান্ড নার্সিংহোম সংগঠনের তরফ থেকে, বিহার মেডিক্যাল কাউন্সিল কে চিঠি লিখলে, তার উত্তরে জানায়, এই তিনজন কোনভাবেই বিহার মেডিক্যাল কাউন্সিল থেকে রেজিস্ট্রেশন নেননি। যে রেজিস্ট্রেশন তাদের দেওয়া হয়েছে বিহার মেডিক্যাল কাউন্সিলের বলে দাবি করা হচ্ছে তা জাল করা হয়েছে.
0
0
Report
Advertisement
Advertisement
Back to top