Back
ठंड के मौसम में बालापोश की मांग बढ़ी, शांतिनगर की महिलाएं आय बनाने लगीं
SCSandip Chowdhury
Nov 29, 2025 14:45:56
Katwa, West Bengal
ধীরে ধীরে কমছে তাপমাত্রার পারদ , বাড়ছে শীতের প্রকোপ, এই শীতের সময় আরামদায়ক ঢাকা হিসাবে বাড়ছে বালাপোসের চাহিদা । শীতের দিনে সাইকেল, ভ্যানে করে বিভিন্ন পাড়ার অলিগলিতে বালাপোষ বিক্রি করতে পৌঁছায় ফেরিওয়ালারা। এই বালাপোষ তৈরি হয় কাটোয়া মহকুমার কেতুগ্রামের শান্তিনগরে। শিমুল বা কার্পাস তুলোর তৈরি লেপের দামের চেয়ে বালাপোষের দাম অনেকটাই কম হওয়ায় মানুষ এখন বালাপোষের দিকেই ঝুঁকছে বেশি। তাই শীতের মরসুমে দুটো পয়সা রোজগারের আশায় বালাপোষ তৈরি করতে ব্যস্ত শান্তিনগর গ্রামের মহিলারা। এই সময় ন মরসুমি আয় করার জন্য ব্যস্ত শান্তি নগরের মহিলারা। তারা জানান শীতের শুরু থেকেই শুরু হয় বালাপোষ তৈরির কাজ। মহাজনদের কাছ থেকে উল কাটা তুলো নিয়ে রকমারি সিন্থেটিক কাপড়ের মধ্যে সেই তুলো ভরে হাতে সেলাই দিয়ে তৈরি হচ্ছে এই বালাপোষ। শীতের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে বালাপোসের চাহিদাও বাড়ে। শীতের সিজিনে কাজ করে বাড়তি দুটো পয়সার মুখ দেখে খুশি এলাকার মহিলারা। এখন শান্তিনগর গ্রামের প্রতিটি বাড়িতেই তৈরি হচ্ছে বালাপোষ। বাড়ির নিকানো পরিষ্কার উঠানেই চলছে কাপড় চেরা, তুলো ভরা থেকে শুরু করে সেলাইয়ের কাজ। বাড়ি কাজ সামলে বালাপোষ তৈরির সমস্ত টাই সামলান বাড়ির মহিলারা। জানা যায় এখানে সাতটি স্বনির্ভর গোষ্ঠী। প্রতি গোষ্ঠীর ১০-১২ জন মহিলা রোজ বালাপোষ তৈরির কাজ করেন। এই বালা পোষ তৈরি করে এক একটি বালাপোষ পিছু সেলাইয়ের মজুরি হিসাবে ৯০ টাকা করে পান তারা। এক একজন মহিলা দিনে দুটো , তিনটে করে বালাপোষ তৈরি করেন। সংসারের কাজের ফাঁকে এই আয় প্রতিটি পরিবারের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। তবে এই শিল্প এখনও পুরোপুরি মহাজননির্ভর। মহাজনরা বাড়ি বাড়ি ঘুরে পুরনো কাপড় সংগ্রহ করেন, তার পর তুলো ও সুতো দিয়ে শ্রমিকদের হাতে তুলে দেন বালাপোশ তৈরির কাজ। প্রতিটি বালাপোশ বিক্রি করে মহাজনরা যেখানে ২০০–২৫০ টাকা পর্যন্ত লাভ পান, সেখানে শিল্পীরা পান সামান্য মজুরি। প্রতিদিন এক একজন শিল্পী দু’টি পর্যন্ত বালাপোশ তৈরি করতে পারেন। তৈরি হওয়া বালাপোশ পরে বিক্রির জন্য পাঠানো হয় মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, নদীয়া-সহ বিভিন্ন জেলায়। শিল্পীরা বলছেন, বছর বছর বালাপোশের চাহিদা বাড়ছে। লেপের তুলনায় হালকা এবং দাম কম হওয়ায় মানুষ বালাপোশই বেশি কিনছেন। তাই শীতের মরশুমে আমাদের কাজও বাড়ে। শীত যত বাড়ছে, ততই চাহিদা চড়ছে। ফলে এখন শান্তিনগরের প্রতিটি উঠোনে ব্যস্ততার ছবি আর সেই ব্যস্ততাই শীতের মরশুমে এনে দিচ্ছে বহু পরিবারের আর্থিক স্বস্তি।
0
Report
For breaking news and live news updates, like us on Facebook or follow us on Twitter and YouTube . Read more on Latest News on Pinewz.com
Advertisement
BSBidhan Sarkar
FollowMar 11, 2026 18:50:290
Report
RTRonay Tewari
FollowMar 11, 2026 18:50:130
Report
RTRonay Tewari
FollowMar 11, 2026 18:49:570
Report
RDRaktima das
FollowMar 11, 2026 17:05:110
Report
KAKAYESH ANSARI
FollowMar 11, 2026 17:05:000
Report
SRSanjoy Rajbanshi
FollowMar 11, 2026 15:34:240
Report
PDPradyut Das
FollowMar 11, 2026 15:34:050
Report
AMArkodeepto Mukherjee
FollowMar 11, 2026 15:33:440
Report
NRNarayan Roy
FollowMar 11, 2026 15:33:320
Report
ANArnabangshu Neogi
FollowMar 11, 2026 15:33:040
Report
AMArkodeepto Mukherjee
FollowMar 11, 2026 15:32:520
Report
KMKIRAN MANNA
FollowMar 11, 2026 15:32:350
Report
SBSoumen Bhattachrya
FollowMar 11, 2026 15:32:020
Report
SPSANDIP PRAMANIK
FollowMar 11, 2026 15:31:390
Report
DBDebanjan Bandyopadhyay
FollowMar 11, 2026 13:21:530
Report