icon-pinewzicon-zee
PINEWZ
become creator
Become a News Creator

Your local stories, Your voice

Follow us on
Download App fromplay-storeapp-store
Advertisement
Back

हमें फेसबुक पर लाइक करें, ट्विटर पर फॉलो और यूट्यूब पर सब्सक्राइब्ड करें ताकि आप ताजा खबरें और लाइव अपडेट्स प्राप्त कर सकें| और यदि आप विस्तार से पढ़ना चाहते हैं तो https://pinewz.com/hindi से जुड़े और पाए अपने इलाके की हर छोटी सी छोटी खबर|

मनिकटला में दो मंजिला मकान का हिस्सा अचानक गिरा, इलाके में सनसनी

Kolkata, West Bengal:মানিকতলায় আচমকাই দোতলা বাড়ির একাংশ ভেঙে পড়ায় চাঞ্চল্য ছড়াল। মানিকতলা ওয়ার্ডস ইনস্টিটিউটের কাছে ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে খবর, বাড়িটিতে প্রায় ১৫টি ঘর ভাড়া দেওয়া রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই বাড়িটির জরাজীর্ণ অবস্থা নিয়ে উদ্বেগে ছিলেন বাসিন্দারা। প্ৰত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ঘটনার সময় বাড়ির উপরের অংশে কয়েকজন ছিলেন। আচমকা বিকট শব্দে বাড়ির একাংশ ভেঙে পড়ে। যদিও এখনও পর্যন্ত বড়সড় হতাহতের খবর নেই। ঘটনার পর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, এর আগেও বাড়িটির একটি অংশ ভেঙে পড়েছিল। তারপরেও বাড়িটির কাঠামোগত সমস্যা নিয়ে স্থায়ী কোনও সমাধান হয়নি। ফের বাড়ির অংশ ভেঙে পড়ায় নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিজেপি নেত্রী অর্চনা মজুমদার অভিযোগ করেন, বাড়িটিকে বিপজ্জনক বলে নোটিশ দেওয়া হলেও বাড়ির মালিক, ভাড়াটিয়া এবং प्रशासनনের তরফে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। যদিও বাড়ির মালিকের দাবি, নোটিশ পাওয়ার পর ভাড়াটিয়াদের সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের কাছ থেকে কোনও সদুত্তর মেলেনি। পাল্টা ভাড়াটিয়াদের অভিযোগ, তাঁদের সঙ্গে বাড়ির বিপজ্জনক অবস্থার নোটিশ নিয়ে কোনোরকম যোগাযোগই করা হয়নি। ফলে বাড়ির একাংশ ভেঙে পড়ার ঘটনায় দায় কার, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে চাপানউতোর।
0
0
Report

भर्ती के दिन से 72 घंटे तक सरकारी अस्पतालों के डॉक्टरों की प्राइवेट प्रैक्टिस पर रोक

Kolkata, West Bengal:সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকদের প্রাইভেট প্র্যাকটিস নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের। প্রত্যেক চিকিৎসক এর আলাদা আলাদা অ্যাডমিশন ডে থাকে। সেই দিন এবং পরের ৪৮ ঘণ্টা প্রাইভেট প্র্যাকটিস করতে পারবেন না সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকরা। রোগী ভর্তির দিন থেকে ৭২ ঘণ্টা ‘প্রাইভেট প্র্যাকটিস’ নয়, কড়া নির্দেশ চিকিৎসকদের রোগী পরিষেবায় আরও নজরদারি বাড়াতে বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের। সরকারি হাসপাতাল বা মেডিক্যাল কলেজে কোনো রোগী ভর্তি হওয়ার দিন থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা সংশ্লিষ্ট ফ্যাকাল্টি ও চিকিৎসকরা কোনোরকম প্রাইভেট প্র্যাকটিস করতে পারবেন না। আগে থেকে প্রাইভেট প্র্যাকটিসের অনুমতি থাকলেও এই ৭২ ঘণ্টার ক্ষেত্রে সেই অনুমতি কার্যকর হবে না। রাজ্য সরকারের তরফে জারি করা নির্দেশে বলা হয়েছে, রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরের সময়টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ে রোগীর শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন, চিকিৎসায় সাড়া এবং সম্ভাব্য জটিলতার দিকে চিকিৎসকদের আরও ঘনিষ্ঠভাবে নজর রাখা প্রয়োজন। সেই কারণেই চিকিৎসকদের হাসপাতালে পর্যাপ্ত সময় দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে এই সিদ্ধান্ত। ভর্তি হওয়ার দিন থেকেই शुरु ‘৭২ ঘণ্টার’ হিসাব নির্দেশ অনুযায়ী, যেদিন রোগী ভর্তি হবেন, সেই দিন থেকেই ৭২ ঘণ্টার সময়সীমা গণনা হবে। অর্থাৎ ভর্তি হওয়ার দিন এবং তার পরের দু’দিন—এই পুরো সময় সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক প্রাইভেট প্র্যাকটিসে যুক্ত হতে পারবেন না। নির্দেশে আরও স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, কোনো চিকিৎসকের প্রাইভেট প্র্যাকটিস করার জন্য পূর্বানুমতি থাকলেও রোগী ভর্তির দিন থেকে ৭২ ঘণ্টার এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে। কেন এই সিদ্ধান্ত? সরকারি বক্তব্য, রোগী ভর্তির পরবর্তী সময়ে চিকিৎসকদের আরও নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসা পরিষেবা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। বিশেষ করে রোগীর অবস্থার দ্রুত পরিবর্তন বা হঠাৎ কোনো জটিলতা দেখা দিলে চিকিৎসকদের দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়ার সুযোগ থাকা জরুরি। এই বিষয়টিকে সামনে রেখেই রোগী পরিষেবাকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রাইভেট প্র্যাকটিসের উপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। কোন আইনের ভিত্তিতে নির্দেশ? পশ্চিমবঙ্গ মেডিক্যাল এডুকেশন সার্ভিসের ২০০৬ সালের সংশ্লিষ্ট নিয়মে জনস্বার্থে প্রয়োজন মনে করলে সরকার চিকিৎসকদের প্র্যাকটিসের অনুমতি সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে প্রত্যাহার করতে পারে। সেই বিধানের ভিত্তিতেই এই নির্দেশ জারি করা হয়েছে। নির্দেশটি অবিলম্বে কার্যকর হচ্ছে। সরকারি হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজে রোগী পরিষেবার মান আরও বাড়ানো এবং ভর্তি রোগীদের উপর চিকিৎসকদের নিবিড় নজরদারি নিশ্চিত করাই এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য।
0
0
Report

पश्चिम बंगाल को 365 दिन पर्यटन केंद्र बनाने की योजना—टीम बनेंगे जिला स्तर पर

Kolkata, West Bengal:পয়জন tourist বিষয় // শঙ্কর ঘোষ * 23 জেলার জেলাশাসক এবং ADM সঙ্গে প্রথম বৈঠক। এখানে অর্থ থাকলেও খরচ হয় না। এর আগের সরকার 20 শতাংশ টাকাও খরচ করতে পারেনি। তারপর দুর্নীতির অভিযোগ আছে। * ডিস্ট্রিক্ট লেভেল টিম, ব্লক স্তরে টিম তৈরির কাজ করা হবে। * One state one global destination এটার জন্যে জেলা ভিত্তিক টিম * জলের ব্যবস্থা, বাথরুম নিয়ে অনেক অভিযোগ পেয়েছি। 1000 টুরিস্ট এমনটি সেন্টার তৈরি করার কাজ দ্রুত হাত দেবো। বিকল্প পথে অর্থের যোগান করা হবে। * ডিস্ট্রিক্ট ট্যুরিজম প্যাকেজ তৈরি করা হবে। সংশ্লিষ্ট জেলার দর্শনীয় স্থান দেখার জন্যে এই প্যাকেজ। * ট্যুরিজম পিক টাইম/ সিজন নয়। ৩৬৫ ডে ট্যুরিজম। সব সিজনকে আমরা ব্যবহার করতে চাই। * শিলিগুড়িতে হোটেল ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট করার ব্যাপারে দায়িত্ব নিয়েছি।। তৈরি করা হবে। * পশ্চিমবঙ্গ কে বিয়ের জন্যে ডেস্টিনেশন হিসেবে গড়ে তোলার কাজ হবে।। * যারা অন্য়পূর্বা নিয়ে কথা বলছেন তাদের তথ্য দেখা উচিত। অনেকে এটা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের অকল্যাণ করার চেষ্টা করছে। 1 কোটি 25 লক্ষ মানুষের একাউন্টে টাকা গিয়েছে। তাও দুই মাসে। এটার নজির কোথাও নেই।সব থেকে বেশি টাকা আমাদের রাজ্যে দেওয়া হয়। * অন্যান্য রাজ্যে যে আয়ের মাত্রা আছে সেটা থেকে আমাদের মাত্রা বার্ষিক আয় 12 লক্ষ পর্যন্ত ধরা হয়েছে। তারাও টাকা পাচ্ছেন। * শিক্ষা ক্ষেত্রে রাজনীতি : আমি মনে করি ঘোষণার সঙ্গে পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত পার্থক্য নেই। জন প্রতিনিধি বসেছেন দায়িত্বে। সংসদ, বিধায়কদের রাজনীতির উর্দ্ধে কাজ করবেন। * পিযুষ knodita হুমকি : এটা জানি না।। * CAA: এটা খুব ভালো হয়েছে। এটা হলে দ্রুত সার্টিফিকেট দেওয়া যাবে।
0
0
Report
Advertisement

जादवपुर विश्वविद्यालय परिसर में सुरक्षा-प्रश्नों पर उथल-पुथल: परीक्षा रद्द, पुलिस माँग

Kolkata, West Bengal:এছাড়াও আছেন যাদবপুরে প্রাক্তন ভিসি বুদ্ধদেব সাউ প্রফেসর ভাস্কর সরদার ABRSM। গত ১৯ তারিখ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় টালমাটাল পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। তার মধ্যে অনেক কিছুই পরিকল্পিত বিভিন্ন ধরনের নেগেটিভ তৈরি করা হচ্ছে। ঘটনা সূত্রপাত। গত ১৯ তারিখে গভীর রাতে নটার সময় কেউ বা কার ইউনিয়নের জেনারেল বডির মিটিং ডাকে। আমরা জানি পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের এই মুহূর্তে কোন ইউনিয়ন এক্সেপ্ট করে না। তবে মিটিং ডাকা হয়েছিল। কারা সেই জীবি মিটিং টা ডেকেছিল সেটা আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চেয়েছি। সেই রাতে অনেকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। কে বা কারা মেরেছে তারা কারা আদৌ কি এই কলেজের ছাত্র সেটা আমরা জানতে পেরেছি। রাত সাড়ে বারোটা একজন পর্যন্ত প্রচুর ছাত্র-ছাত্রী অরবিন্দ ভবনের ভেতরে ছিল। কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞাসা করেছি তারা হারাতে ছিল তারা কারা তারা কি সবাই আমাদের ছাত্র নাকি তাদের সাথে বহিরাগতরা ছিল। আমরা দাবি করছি অরবিন্দ ভবনের যে সিসিটিভি ফুটেজ রয়েছে সেগুলি প্রকাশ করা হোক। ঘটনার সময় উপাচার্যকে বহুবার ফোন করেছি। ক্যাম্পাসের মধ্যে রেজিস্টার ছিলেন না। কোন অভিভাবক ছিল না। ঘটনা ঘটছে সেটা জানার পরেও কেউ ক্যাম্পাসে আসার প্রয়োজন মনে করেননি। আমরা চাই আগামী দিন যাতে এই ধরনের ঘটনা না ঘটে কারো জন্য মৃত্যু না ঘটে কাউকে অকারনে যেন মারা না হয়। তাই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পুলিশ পোস্ট করা হোক। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় যদি পুলিশ ফাঁড়ি বসানো হয় তাহলে দীর্ঘদিন ধরে মদ গাঁজার আড্ডা বন্ধ হয়ে যাবে—এই জন্যে তারা হতো দিচ্ছে না। আমরা দাবি করছি ক্যাম্পাসে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য। ২০ তারিখ রাতে ইউনিভার্সিটি থেকে নোটিফিকেশন হয়। নোটিফিকেশনে বলা হয় দ্বিতীয় পরীক্ষা বাতিল করা হোক। পরীক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার মতো জায়গা নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবেশ যদি এতই খারাপ থাকে তাহলে সহ উপাচার্য কেন প্রশ্ন করব প্রথমার্ধের পরীক্ষাটা হলো কি করে। প্রথম ধাপে পরীক্ষাটা কি করে হলো? আপনার মতো করে কেন দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা করা যাবে না—এটি আমাদের প্রশ্ন। আমরা মনে করি মিছিল ছিল বলেই পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও সিবিআই তদন্তের মধ্যে দিয়ে যারা দোষ করেছে তাদের চিহ্নিত করে শাস্তি দিতে হবে। প্রাক্তন উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউ—একদল যেভাবে আমার নামে ন্যারেটিভ করছে, আমি প্রাক্তন ভিসি বলেই পরিচিত। আমরা বলেন, ১২ নাগাদ গেট নম্বর ১ এ যাই। কর্তৃপক্ষ অনুপতি কেন দিলো, বিধায়ক আসে, থানায় যায়। পুলিশ এসে গেট ৪ এ আসে বলেন ছাত্রদের বোঝান। রেজিস্টার নিজেদের দায়িত্ব পালন করেননি। উপাচার্য তিনি নিজেও ফোন বন্ধ করে রেখেছিলেন। বুদ্ধদেব সাওঁ দাবি করেছেন রেজিস্টারকে গ্রেফতার করতে হবে। উপাচার্য যত দিন ওখানে ছিলেন ততদিন অনিয়ম চলেছে। abvp, BMS এর পক্ষ থেকে ভাস্কর সরদার প্রফেসর: গত ১৯ তারিখ থেকে বিশ্বসভা‍দের মধ্যে বহু কিছু ঘটছে, তাদের বেশির ভাগ সাজানো। ঘটনার দিন ৯.৩০ এর দিকে কেউ বা কারা জিবি ডাকে। কারা সেই মিটিং ডেকে ছিল নিয়ম না মেনে। আমরা কলেজ কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছি কারা সেই মিটিং ডেকে ছিল, তাদের চিহ্নিত করতে হবে। তাদের শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। সেই দিন গভীর রাত পর্যন্ত অরবিন্দ ভবনের ছিল। সেই দিন যে ভয় ছিল তারা কারা, তারা কি আদৌ আমাদের JU এর স্টুডেন্ট? এদের চিহ্নিত করতে হবে। আমরা VC কে বারবার ফোন করেছিলাম কিন্তু উনি আমাদের ফোন ধরেননি। সেই দিনের ঘটনার আগে থেকে ঠিক ছিল যাতে আবার অনামিকার, স্বপ্ননীল-এর মতো ঘটনা না ঘটে। আমাদের আবেদন মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও। JU তে পুলিশ ফাঁড়ি থাকলে মদ, বিড়ি, গাঁজা বন্ধ হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ যদি এতই খারাপ থাকে তাহলে জু-সহ উপাচার্যকে প্রশ্ন করব আপনি নোটিশ দিয়ে পরীক্ষা বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন কেন? আমরা মনে করি বামের ছাত্র সংগঠনের মিছিল থাকার কারণে পরীক্ষা বাতিলের আবেদন করেছিলেন। ফলাফল আবার বসানো হয়েছে। উপাচার্য এবং সব উপাচার্য যখন ওখানে ছিলেন তাদের সঙ্গে সিপিএম নেতা পার্থ প্রতিম রায় ছিল কেনো—ভিডিওটিতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। ২০২৫ সালে ৩ নম্বর গেটে ফলক ভাঙা ছিল তখন আবেগ কোথায় ছিল। সেই দিনের ফুটেজ ঘুরে বেড়াচ্ছে, বুদ্ধদেব সাউকে বদনাম করা হচ্ছে, পুলিশ ছাড়া বেরিয়ে গেছে। আমরা জানি সিপিএম-এর ২ জন আধিকারিক এই ভিডিও তুলে দিয়েছে। বুদ্ধদেব সাউ: সেই দিন ঠিক কী ঘটে ছিল এবং আমাকে একদম দোষারোপ করছেন তাদের উদ্দেশ্যে আমি প্রশ্ন করেছি—আমি গেট ১ ও ৪ এ গেছি, আমি কোনো গেট খুলতে বলিনি। রেজিস্টারের গ্রেফতারের দাবি প্রাক্তন ভিসির। ২৮শে আগস্ট JU তে মুখ্যমন্ত্রী আসবেন বন্দে মাতরম গান করতে, সেদিন JU তে কিছু পরিবর্তন হবে।
0
0
Report

वायरल तस्वीरों के बाद अराबुल इस्लाम फिर तृणमूल के साथ मेल?

Baruipur, West Bengal:ঋতব্রতের সঙ্গে বৈঠকে আরাবুল ও খয়রুল, ভাইরাল ছবি ঘিরে জল্পনা। আইএসএফ ছাড়ার পরেই তৃণমূলের সঙ্গে বৈঠকে ঋতব্রত? ভাইরাল ছবি ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা। ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা যাচ্ছে, তৃণমূলের কার্যালয়ে বসে রয়েছেন আরাবুল ইসলাম ও খয়রুল ইসলাম। তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন ঋতব্রত। আইএসএফ ছাড়ার পর এই সাক্ষাৎকে ঘিরেই উঠছে একাধিক প্রশ্ন। তাহলে কি এবার নতুন করে তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন আরাবুল ইসলাম? নাকি এটি শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ ও রাজনৈতিক বৈঠক? ভাইরাল ছবিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। তবে এই বৈঠকের আসল উদ্দেশ্য কী, কিংবা আরাবুলদের পরবর্তী রাজনৈতিক অবস্থান কোন দিকে—তা নিয়ে এখনও স্পষ্টভাবে কিছু জানা যায়নি। তাহলে কি ফের তৃণমূলের পথে আরাবুল ইসলাম? উত্তর মিলবে আগামী দিনেই।
0
0
Report
Advertisement

1 सितम्बर से 30 नवंबर तक केंद्र-राज्य मिलकर चीनी की जमाखोरी रोकेंगे

Kolkata, West Bengal:নবান্ন সূত্র উৎসবের মরশুমের আগে চিনির কৃত্রিম সঙ্কট ও মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন সংস্থা যৌথ নজরদারি চালাবে। চিনির অবৈধ মজুতদারি না হয়, তা নিশ্চিত করতে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় খাদ্য ও গণবণ্টন মন্ত্রক। আগামী ১লা সেপ্টেম্বর থেকে ৩০শে নভেম্বর পর্যন্ত বিশেষ নজরদারি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে কেন্দ্র ও রাজ্য যৌথভাবে অভিযান চালাবে বলেও জানানো হয়েছে। মন্ত্রকের ডেপুটি সেক্রেটারির পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, কনফেকশনারি, সফট ড্রিঙ্কস প্রস্তুতকারক, বড় মিষ্টির দোকান এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ সংস্থার মতো যেসব ব্যবসায়ীর বেশি পরিমাণ চিনি প্রয়োজন, তারা একটানা ১৫ দিনের বেশি ১০ মেট্রিক টনের বেশি চিনি মজুত রাখতে পারবেন না। নিয়ম ভাঙলে ন্যূনতম তিন মাসের কারাদণ্ড এবং আর্থিক জরিমানার বিধান রয়েছে। রাজ্যের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকদের মাঠে নেমে স্টক পরীক্ষা করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
0
0
Report

OBC प्रमाणपत्र फर्जी होने के आरोप: संपा बर्मन मंडल का प्रमाणपत्र रद्द, मामला दर्ज

Kolkata, West Bengal:রেজিনগরের রামপাড়া-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হুমায়ুন ঘनিষ্ঠ সম্পা বর্মন মণ্ডলের OBC সার্টিফিকেট বাতিল。 সম্পা বর্মন মণ্ডলের কাস্ট সার্টিফিকেট নিয়ে এক পঞ্চায়েত সদস্যের তরফে বহরমপুরের এসডিও অফিসে অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে শুরু হয় অনুসন্ধান。 অনুসন্ধানে উঠে আসে, তিনি OBC-র ‘সৎচাষী’ সাব-কাস্টের অন্তর্ভুক্ত নন। তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর বিডিও, বেলডাঙা-২-এর তরফে তাঁকে শোকজ করা হয় এবং সাত দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়。 তবে OBC-র অন্তর্ভুক্ত হওয়ার স্বপক্ষে কোনও নথি দেখাতে পারেননি সম্পা বর্মন মণ্ডল। তাঁর দাবি, প্রায় ৩০-৪০ বছর আগে আগুনে তাঁর সমস্ত নথিপত্র পুড়ে নষ্ট হয়ে গিয়েছে。 অভিযোগ, অন্য কাস্টের হওয়া সত্ত্বেও ২০২৩ সালে তাঁর নামে OBC সার্টিফিকেট ইস্যু করা হয়েছিল。 তদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতে বহরমপুরের এসডিও-র নির্দেশে সম্পা বর্মন মণ্ডলের OBC শংসাপত্র বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি, তাঁর বিরুদ্ধে রেজিনগর থানায় মামলা রুজুর প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।
0
0
Report

एसएसकेएम अस्पताल के पास पेड़ गिरा, तीन घायल में एक महिला की मौत

Kolkata, West Bengal:এসএসকκέςএম হাসপাতাল চত্বর, নেফ্রোলজি বিল্ডিংয়ের সামনে, OPD গেট নম্বর ১-এর পাশের ঘটনা * OPD গেটের পাশে রোগী ও তাঁদের পরিজনদের বসার জন্য তৈরি ছোট কংক্রিটের বসার জায়গার কাছে একটি বড় গাছ হঠাৎ উপড়ে পড়ে। * গাছের নিচে চাপা পড়ে তিনজন আহত হন, তাঁদের মধ্যে একজন মহিলা। * পুলিশকর্মী ও হাসপাতালে উপস্থিত রোগী-পরিজনদের সাহায্যে আহতদের এসএসকেকেำนวน ট্রমা কেয়ার সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। * চিকিৎসক পরীক্ষা করে ৪৬ বছরের রাহেদা বিবিকে মৃত ঘোষণা করেন। * মৃত রাহেদা বিবির বাড়ি বীরভূমের নলহাটি থানার হায়দরাপুর গ্রামে। * তিনি ভোরবেলা বীরভূম থেকে এসএসকেএমে এসেছিলেন আত্মীয় আখলিমা বিবির দেখাশোনা করতে। * আখলিমা বিবি ইউরোলজি বিভাগে ৩ তলায় ১৬ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন। * আহত দুই ব্যক্তি: * জিল্লার রহমান (৬৮) * শিশ মহম্মদ শেখ (৭৬) * দু’জনই বর্তমানে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। * প্রাথমিক তদন্তে এখনও পর্যন্ত কোনও অভিযোগ বা ষড়যন্ত্রের প্রমাণ মেলেনি।
0
0
Report
Advertisement

भांगर में अराबुल इस्लाम के समर्थकों के बीच तनाव, उनकी कार पर हमला

Baruipur, West Bengal:ভাঙ্গড় দু'নম্বর প্রশাসনিক দপ্তরে নিজের পঞ্চায়েত সমিতিতে আসেন ভাঙ্গড় দু'নম্বর ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আরাবুল ইসলাম, আরাবুল ইসলাম ভিতরে ঢোকার পর থেকেই বাইরে আইএসএফ কর্মী সমর্থকরা জড়ো হতে থাকে, বিজয়গঞ্জ বাজার থানার পুলিশ তৎপর হয়ে আরաբুল ইসলামকে পঞ্চায়েত সমিতি থেকে সেভ করে বার করার চেষ্টা করেন, পুলিশ এসকর্ট করে আরাবুল ইসলামকে যখন তার বাড়ির উদ্দেশ্য নিয়ে যাচ্ছিল বিডিও অফিসের সামনেই তার গাড়িতে ইট দিয়ে হামলা করা হয়, ঘটনাস্থলে জমায়েত রয়েছে আইএসএফের প্রচুর কর্মী সমার্থক, বাইরে শুরু হয় হই হট্টগোল উত্তেজনা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজয়গঞ্জ বাজার থানার পুলিশ।
0
0
Report

चार साल से कम बच्चों लिए Chlorpheniramine और Phenylephrine वाले FDC पर नियम लागू

Kolkata, West Bengal:शीलিষুদের সর্দি-কাশির ওষুধে বড়সড় নিষেধাজ্ঞা! কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের। চার বছরের নিচে শিশুদের জন্য Chlorpheniramine Maleate ও Phenylephrine- এই দুই উপাদান যুক্ত সব FDC-তে কড়া বিধিনিষেধ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের। এই দুটি কম্বিনেশন এর ওষুধ প্রেসক্রাইব করার আগে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে চিকিৎসকদের। সতর্ক করাহল ওষুধ বিক্রেতাদের। নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, এই দুই উপাদানযুক্ত FDC-র লেবেল, প্যাকেজ ইনসার্ট এবং প্রচারমূলক সামগ্রীতে স্পষ্টভাবে সতর্কবার্তা দিতে হবে—“Fixed Dose Combination shall not be used in children below four years of age.” অর্থাৎ, চার বছরের কম বয়সি শিশুদের ক্ষেত্রে এই ওষুধ ব্যবহার করা যাবে না—এই বিষয়টি প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলিকে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক কে ইতিমধ্যে চিঠি সতর্ক করা হয়েছে,তাদের সংস্থার তৈরী করা ওষুধের লেবেলে উল্লেখ থাকতে হবে ,৪ বছের নিচে শিশুদের ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার কথা। এর আগে ১৫ এপ্রিল ২০২৫-এ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে Chlorpheniramine Maleate এবং Phenylephrine Hydrochloride-যুক্ত কয়েকটি নির্দিষ্ট FDC-র ক্ষেত্রে। এবার বয়স সীমা নিদির্ষ্ট করে ওষুধের প্যাকেটে লেবেলে নিষেধাজ্ঞার কথা উল্লেখ করতে বলাহল। বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশেই সিদ্ধান্ত।কেন্দ্র জানিয়েছে, Expert Committee এবং Drugs Technical Advisory Board (DTAB)-এর সুপারিশের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের তরফ থেকে কেন এই নিষেধাজ্ঞা চার বছর নিচে শিশুদের জন্য ------ Chlorpheniramine Maleate হল একটি অ্যান্টিহিস্টামিন। সর্দি, নাক দিয়ে জল পড়া এবং অ্যালার্জির উপসর্গ কমাতে এটি ব্যবহার করা হয়। কিন্তু ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে এর প্রভাবে অতিরিক্ত ঘুম, ঝিমুনি, মাথা ঘোরা কিংবা অস্বাভাবিক অস্থিরতা দেখা দিতে পারে অন্যদিকে, Phenylephrine হল এক নাক বন্ধভাব কমানোর ওষুধ (decongestant)। এটি নাকের রক্তনালি সংকুচিত করে নাক বন্ধভাব কমাতে সাহায্য করে। তবে ছোট শিশুদের এর প্রভাবে হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, রক্তচাপ বৃদ্ধি, অস্থিরতা এবং অন্যান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও গুরুত্বপূর্ণ।একসঙ্গে দুই ওষুধে বাড়ে বিপদের আশঙ্কা এই ধরনের FDC-তে একসঙ্গে দুটি সক্রিয় উপাদান থাকে। ফলে শিশুকে একই সঙ্গে অন্য কোনও সর্দি-কাশির ওষুধ দেওয়া হলে একই বা কাছাকাছি উপাদান শরীরে অতিরিক্ত পরিমাণে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এতে অতিরিক্ত মাত্রায় ওষুধ গ্রহণ বা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
0
0
Report
Advertisement

105 साल की उम्र में जेल से मुक्त, कोर्ट ने बाकी सजा माफ की

Malda, West Bengal:১০৫ বছর বয়সে মুক্তির স্বাদ পেলেন রসিক চন্দ্র। দীর্ঘ জেল বন্দির পর অবশেষে পূর্ণাঙ্গ মুক্তি। তার বয়স ও শারীরিক অসুস্থতার কথা মাথায় রেখে বাকি সাজা মুকুব করল সুপ্রিম কোর্ট। খুশির হাওয়া পরিবারে। জানা গেছে, রসিক চন্দ্র মন্ডল মালদার মানিকচকের পশ্চিম নারায়নপুর গ্রামের বাসিন্দা। ৯৯৮৮ সালে সম্পত্তি সংক্রান্ত বিবাদের জেরে নিজের ভাই সুরেশ মণ্ডলকে খুনের অভিযোগ হয় রসিকের বিরুদ্ধে। সেই মামলায় ১৯৯৪ সালে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তখন তাঁর বয়স ছিল ৭৪ বছর。 দীর্ঘদিন জেলে থাকার পর ২০১৮ সালে মুক্তির জন্য কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। কিন্তু সেখানে সুফল মেলেনি।এরপর সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন রসিক চন্দ্র মন্ডল। শীর্ষ আদালতও তাঁর সাজা বাতিল করেনি। তবে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। ২০২০ সালে ৯৯ বছর বয়সে আগাম মুক্তির আবেদন করেন। আবেদনে তাঁর বার্ধক্য এবং বয়সজনিত নানা শারীরিক সমস্যার কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। ২০২১ সালের মে মাসে এই আবেদনের ভিত্তিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে বিষয়টি জানতে চান সুপ্রীম কোর্ট। মামলাটি চলতে থাকে দীর্ঘদিন। এরপর ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে শীর্ষ আদালত তাঁকে অন্তর্বর্তী জামিন বা প্যারোলে মুক্তির নির্দেশ দেয়। সেই সময়ে থেকে জেলের বাইরে ছিলেন তিনি。 গত শুক্রবার তিন বিচারপতির বেঞ্চ- মামলাটির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করে। আদালত জানায়, রসিকচন্দ্রের বয়স বিবেচনা করে তাঁর যাবজ্জীবন সাজার বাকি সময়টুকু আর ভোগ করতে হবে না。 প্রায় চার দশক ধরে চলা এই মামলায় শেষ পর্যন্ত জেল থেকে মুক্তি মিলল রসিকচন্দ্রের। জীবনের বাকি দিনগুলি এবার পরিবারের সঙ্গে নিজের ইচ্ছেমতো কাটানোর সুযোগ পেলেন শতায়ু এই সাজাপ্রাপ্ত আসামি। স্মৃতিশক্তি আজ ক্ষীণ হয়েছে। ভালো করে কথাও বলতে পারেন না রসিক চন্দ্র মন্ডল।
0
0
Report
Advertisement
Advertisement
Back to top