735101
दिन के उजाले में जलपाईगुड़ी के दुर्मारी उत्तर शालबाड़ा में फंसा बूना हाथी, अब रात में जंगल लौटाने की तैयारी
Jalpaiguri, West Bengal:দিনের আলোয় জলপাইগুড়ি জেলার ধুপগুড়ি ব্লকের দুরামারির উত্তর শালবাড়িতে আটকে পড়ল বুনোহাতি। ধুপগুড়ি ব্লকের দুরামারি এলাকার উত্তর শালবাড়িতে দিনের আলোতেই একট বুনোহাতি আটকে পড়ে। বনদপ্তর সূত্রে খবর, মরাঘাট জঙ্গল থেকে খাবারের সন্ধানে রাতে লোকাল এলাকায় ঢুকে পড়ে চারটি হাতির একটি দল। এর মধ্যে দুটি হাতি ভোরের দিকেই জঙ্গলের দিকে ফিরে গেলেও, বাকি দুটি হাতি দুরামারির দক্ষিণ শালবাড়ি হয়ে উত্তর শালবাড়ির তুড়িপাড়া এলাকায় প্রবেশ করে। এদের মধ্যে একটি হাতি একটি ছোট্ট ঝাঁপের ভিতরে আটকে পড়ে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিন্নাগুড়ি ওয়াইল্ডলাইফ স্কোয়াড, খাট্টিমারি বিটের বনকর্মীরা এবং পাশাপাশি বানারহাট থানার পুলিশবাহিনী। বনদপ্তরের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, দিনের আলোয় হাতিগুলো জঙ্গলে ফেরানো সম্ভব নয়, কারণ ভিড় ও আলোতে হাতিরা উত্তেজিত হয়ে পড়তে পারে। তাই সন্ধ্যা নামার পর বা রাতের দিকে পরিস্থিতি অনুকূল হলে হাতিগুলিকে জঙ্গলে ফেরানোর চেষ্টা করা হবে। অন্যদিকে, ভোর ৬টা নাগাদ স্থানীয়রা হাতিগুলোকে প্রথম চোখে দেখে। এখন পর্যন্ত এলাকায় একটি ছোট হাতি ও একটি বড় হাতি অবস্থান করছে। প্রচুর মানুষের ভিড় জমে যাওয়ায় পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ ও বনকর্মীদের বেশ বেগ পেতে হচ্ছে। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ বারবার সাধারণ মানুষকে দূরে থাকার নির্দেশ দিচ্ছে। পাশাপাশি কয়েকজন স্থানীয় যুবকও ভিড় নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করছেন।0
0
Report
हमें फेसबुक पर लाइक करें, ट्विटर पर फॉलो और यूट्यूब पर सब्सक्राइब्ड करें ताकि आप ताजा खबरें और लाइव अपडेट्स प्राप्त कर सकें| और यदि आप विस्तार से पढ़ना चाहते हैं तो https://pinewz.com/hindi से जुड़े और पाए अपने इलाके की हर छोटी सी छोटी खबर|
बारासात के चापाडली मोड़ के रेस्टोरेंटों में फूड सेफ्टी विभाग की कार्रवाई, लाइसेंस रद्द
Kolkata, West Bengal:খাবারের গুণগত মান ও খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে ফের বড়সড় অভিযান। শনিবার বারাসাতের চাপাডালি মোড় সংলগ্ন একাধিক রেস্টুরেন্টে হানা দিল ফুড সেফটি দপ্তর। আচমকা অভিযানে রেস্টুরেন্টগুলিতে শুরু হয় জোরদার তল্লাশি। খাবারের গুণগত মান থেকে শুরু করে খাদ্যসামগ্রী কীভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে, রান্নাঘরের পরিচ্ছন্নতা এবং খাদ্য নিরাপত্তার নিয়ম মানা হচ্ছে কি না—একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখেন আধিকারিকরা। অভিযোগ, বেশ কিছু রেস্টুরেন্টে খাদ্য সুরক্ষা বিধি যথাযথভাবে মানা হচ্ছিল না। বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী পরীক্ষা করার পাশাপাশি রেস্টুরেন্টের প্রয়োজনীয় নথিপত্র, লাইসেন্স এবং খাদ্য নিরাপত্তা সংক্রান্ত কাগজপত্রও যাচাই করা হয়। নিয়ম ভাঙার অভিযোগ সামনে আসতেই কড়া পদক্ষেপ ফুড সেফটি দপ্তরের। একাধিক রেস্টুরেন্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ফুড সেফটি লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।0
0
Report
Raiganj विश्वविद्यालय में दुर्गापूजा के फैसले को लेकर शिक्षकों में राजनैतिक टकराव
Dinajpur, Rangpur Division:রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে এবার দুর্গাপুজো করার উদ্যোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শিক্ষক মহলে। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে পুজো আয়োজনের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আর এই সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসতেই বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠনের মধ্যে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক সংঘের জেলা সভাপতি বাপ্পাদিত্য সরকার জানিয়েছেন, দুর্গাপুজো হলে তাঁদের নৈতিক সমর্থন থাকবে। তাঁর বক্তব্য, তাঁদের সংগঠন রাষ্ট্রবাদী ও হিন্দুত্ববাদী শিক্ষক সংগঠন স্বাভাবিক ভাবেই দুর্গাপুজায় তাদের নৈতিক সমর্থন থাকবে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কমিটি গঠন করে পুজো করলে সে বিষয়ে তাঁদের কোনো মতামত নেই। রাষ্ট্রবাদী সরকার আসার পরে শিক্ষাক্ষেত্রে যা হতে চলেছে, তা খারাপ হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। অন্যদিকে, বামপন্থী শিক্ষক সংগঠন নিখিলবঙ্গ শিক্ষক সমিতির রায়গঞ্জ জোনাল সম্পাদক শুভজিৎ দস্তিদার এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন। তাঁর অভিযোগ, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ছাত্র সংগঠন তৈরি করে কোনো উৎসব আয়োজন করা হলে আপত্তি থাকত না। কিন্তু এভাবে কমিটি গঠন করে দুর্গাপুজোর সিদ্ধান্ত নেওয়া সমর্থনযোগ্য নয়। তাঁর দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের পঠনপাঠনের উন্নতির দিকে নজর না দিয়ে পুজোর আয়োজন করা হচ্ছে। ন্যাকের মূল্যায়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ডি’ গ্রেড পাওয়ার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন তিনি। কংগ্রেস ঘনিষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অজয় রায়চৌধুরীরও আপত্তি রয়েছে সিদ্ধান্তে। তাঁর বক্তব্য, স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় মূলত পড়াশোনার জায়গা। সেখানে পঠনপাঠনের মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিকাঠামো ও পঠনপাঠনের বেহাল দশার মধ্যে দুর্গাপুজোর আয়োজনের সিদ্ধান্ত কতটা যুক্তিসঙ্গত, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। সব মিলিয়ে রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে দুর্গাপুজোর সিদ্ধান্ত ঘিরে শিক্ষক সংগঠনগুলির মতপার্থক্য ও রাজনৈতিক চাপানউতোর ইতিমধ্যেই তুঙ্গে। বাইটঃ ১) বাপ্পাদিত্য সরকার (সভাপতি ABRSM উত্তর দিনাজপুর) ২) শুভজিৎ দস্তিদার (নিখিলবঙ্গ শিক্ষক সমিতি) ৩) অজয় রায়চৌধুরী (সাধারণ সম্পাদক, পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি) 0509ZG_NDIN_RGU_DURGA_R0
0
Report
शमीक भट्टाचार्य: तृणमूल के भीतर कलह, भाजपा को नगरपालिका चुनावों में बढ़त
Kolkata, West Bengal:৫ই সেপ্টেম্বর শিক্ষক দিবস উপলক্ষে বারাসাতের রবীন্দ্র ভবনে বারাসাত সাংগঠনিক জেলা বিজেপি টিচার্স সেলের উদ্যোগে এক বিশেষ আলোচনা সভা ও শিক্ষক সম্মাননা অনুষ্ঠানের আয়োজিত হয়। অনুষ্ঠানলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ তথা রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীন কোন্দল এবং আসন্ন পুরভোট নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন তিনি। সাংস্কারদের প্রশ্নের উত্তরে শমীক ভট্টাচার্য অভিযোগ করেন, তৃণমূল কংগ্রেসের কিছু লোক হঠাৎ করে বিজেপির পতাকা নিয়ে অরাজকতা সৃষ্টি করছে। তিনি বলেন, “কিছু মানুষ হঠাৎ বিজেপির পতাকা নিয়েছে, গেরুয়া আবির লাগিয়েছে। তারপর নিজেদের দল তৃণমূল কংগ্রেসের ভাগ-বাঁটোয়ারা ও কোন্দল নিয়ে ইট-পাটকেল ছুড়ছে, বাড়ি ভাঙচুর করছে। নিজেদের এমনভাবে তুলে ধরছে যেন তারা ভবিষ্যতের প্রার্থী।” তিনি আরও যোগ করেন, সাধারণ মানুষ এদের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে, ফলে এরা রাজনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক। বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ-কে উদ্দেশ্য করে কুরুচিকর ভাষায় আক্রমণের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, বিজেপি কখনও কারও প্রতি অশালীন ভাষায় আক্রমণের সংস্কৃতি সমর্থন করে না। তবে সংশ্লিষ্ট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ওঁদের সঙ্গে উনি বহুদিন ছিলেন, ফলে উনি হয়তো ওদের ভালোই চेनেন।” এনডিএ (NDA)-তে এনসিপি (NCP)-র অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি স্পষ্ট করেন, তারা এনডিএ-র শরিক হিসেবে স্বাগত, তবে দলটির ভবিষ্যৎ তাদের নেতৃত্ব এবং পশ্চিমবঙ্গের মানুষ নির্ধারণ করবে। আসন্ন পুরসভা ভোট প্রসঙ্গে আত্মবিশ্বাসী শমীক ভট্টাচার্য দাবি করেন, কলকাতা ও হাওড়া পুরনিগম নির্বাচনে বিজেপি দুই-তৃতীয়াংশ আসন লাভ করবে এবং একক নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পুরবোর্ড গঠন করবে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বারাসাত সাংগঠনিক জেলার সভাপতি রাজীব পোদ্দার, রাজ্য সহ-সভাপতি তনুজা চক্রবর্তী, রাজ্য সম্পাদিকা বিভা মজুমদার, বিধায়ক শঙ্কর চট্টোপাধ্যায়, ডাঃ অসিত কুমার মণ্ডল সহ বিজেপি শিক্ষক সেল ও সাংগঠনিক জেলার নেতৃত্ব।0
0
Report
Advertisement
हावड़ा न्यू जलपाईगुड़ी শতाब्दी एक्सप्रेस देरी से रवाना, यात्रियों को लंबा इंतजार
Howrah, West Bengal:হাওড়া স্টেশন থেকে ছাড়লো হাওড়া নিউ জলপাইগুড়ি শতাব্দী এক্সপ্রেস।দুপুর দুটো নাগাদ ছাড়ার কথা থাকলেও বিকেল ৫.২০ মিনিটে ট্রেন ছাড়ে।দীর্ঘক্ষণ স্টেশনে অপেক্ষা করতে হয় যাত্রীদের।0
0
Report
कोलकाता नगर निगम में डि-लीमिटेशन पर टीएमसी के दो धड़ों की सुनवाई
Kolkata, West Bengal:ডি লিমিটেশন নিয়ে শুনানি শুরু হলো আজ শনিবার কলকাতা পুরসভার কার্যত... ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস নিয়ে অভিযোগ জানাতে এসেছে তৃণমূলের দুই শিবিরের প্রতিনিধিরা। প্রধান মুখেদের মধ্যে কালীঘাট তৃণমূলের তরফে আসেন কুনাল ঘোষ, বৈশ্বন্বর চট্টোপাধ্যায়। অন্যদিকে ভালো তৃণমূলের তরফ থেকে আসেন জাভেদ খান। এদিন দুই তৃণমূল শিবিরের পক্ষ থেকেই অভিযোগ ওঠে যে, যে প্রক্রিয়ায় ডি লিমিটেশন করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ আইন বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, একইসঙ্গে দুই তৃণমূল শিবিরের পক্ষ থেকে দাবি ওঠে যে, ম্যাপ সঙ্গে রেখে, তাদের প্রতিনিধিদের নিয়ে ওয়ার্ড ভিজিট করা হোক। আরে দাবি না মানা হলে প্রয়োজনে আগামী দিনে আদালতের দ্বারস্থ হবেন বলেও জানিয়েছেন দুই তৃণমূল শিবিরের প্রতিনিধিরা। উল্লেখ্য, শুধুমাত্র রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরাই নয়, ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস নিয়ে সাধারণ মানুষের অভাব অভিযোগ থাকলেও তারা জানাতে পারেন কলকাতা পুরসভায়। আজ থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে এই প্রক্রিয়া। বেলা ১১ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত প্রত্যেকদিন শুনানি পর্ব চলবে কলকাতা পুরসভায়। তবে শুধুমাত্র অভিযোগ নয়, ওয়ার্ড পুনর্ বিন্যাস নিয়ে কোন সাজেশন থাকলেও তা গ্রহণ করা হবে। ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যে সমস্ত অভিযোগ এবং সাজেশান জমা পড়বে তা একত্রিত করে ফিল্ড ভিজিট করা হবে। সমগ্র কাজটি করবেন কলকাতা পুরসভা এবং পুর নগরউন্নয়ন দপ্তরের আধিকারিকেরা।0
0
Report
खराब सड़कों पर CPI(M) कर्मियों की राबिश से गड्ढे भरने का दावा
Chinsurah, West Bengal:বেহাল রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হয়নি এখনো। রাস্তা সমান করতে রাবিশ ফেলল সিপিএম। বেহাল টি এন মুখার্জী রোড-এর জায়গায় জায়গায় মরন ফাঁদ। প্রতিদিন ই একাধিক দুর্ঘটনায় আহত হচ্ছেন মানুষ। রঘুনাথপুর বাজারে ভাঙা ইট, রাবিশ দিয়ে রাস্তার গর্ত বোজানোর কাজ শুরু করলেন সি পি আই(এম) কর্মীরা। তাদের দাবী,রাস্তার অবস্থা ভয়ঙ্কর খারাপ হয়েছিল। তাই কিছুটা মেরামত করার জন্য রাবিশ ফেলা হল।যাতে মানুষ চলাচল করতে পারে।।।0
0
Report
Advertisement
भाजपा के प्रदेश अध्यक्ष श्रमिक भट्टाचार्य ने जन्माष्टमी रैली में मंच संभाला
Howrah, West Bengal:শ্রমিক ভট্টাচার্য বিজেপি রাজ্য সভাপতি。 পাঁচলা মোড়ে জন্মাষ্টমী পূজার শেষ দিনে পাঁচলা জন্মাষ্টমী পুজো কমিটির পক্ষ থেকে একটি রেলির আয়োজন করা হয়, এই র্যালিতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিজেপির সভাপতি শ্রমিক ভট্টাচার্য। পাঁচলা মোড় থেকে শুরু হয়ে বাউড়িয়া বুড়িখালি তে গিয়ে এই রালি শেষ হয় । বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে এই রেলি যায়。0
0
Report
गोबिंद स्मृति संगीत समारोह ने 50 साल पूरे होने के मौके पर शानदार कार्यक्रम किया
Barrackpore, West Bengal:গোবিন্দ स्मৃতি সংগিতায়ন ৫০ বছরে পা দিল। সুকান্ত সদনে হল তাদের অনুষ্ঠান। উপস্থিত ছিলেন অসিম বন্ধু ভট্টাচার্য, সংগীত কার সৌম্ম বসু, গুরু প্রদীপ্ত নিয়োগী, ছিলেন ব্যারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তোভ বাগচী। এছাড়াও এস আর এম বি র আধিকারিকেরা। নাচে,গানে জমজমাট অনুষ্ঠান。0
0
Report
नेपाल बाढ़ में चंदननगर की शिप्रा राय पटारी के परिवार की तलाश, डीएनए नमूने भेजे
Chinsurah, West Bengal:সব ঠিক থাকলে কাল বাড়ি ফেরার কথা ছিলো, ফিরেই ছেলের কাছে আমেরিকা যাওয়ার কথা ছিলো। সেই ছেলেই মাকে খুঁজতে ফিরে এলো। নেপালে গিয়ে দেখল ক্ষীণ আশাও আর নেই, ডিএনএ পরীক্ষার নমুনা দিয়ে বাড়ি ফিরছে চন্দননগরের শিপ্রা রায় পাটারি দুই ছেলে। নেপালে হড়পা বান বিপর্যয়ে ভেসে গেছেন চন্দনগর হরিদ্রা ডাঙার বাসিন্দা শিপ্রা রায় পাটারি। তারপর এগারো দিন অতিবাহিত হয়েছে। যে ভ্রমন সংস্থার সঙ্গে প্রাক্তন শিক্ষিকা শিপ্রা গিয়েছিলেন সেই পর্যটক দলের সবাই নিখোঁজ রয়েছেন। শিপ্রা দেবীর বড় ছেলে নিলয় আমেরিকায় থাকেন। মায়ের খোঁজ করতে তিনি চন্দনগর ফেরেন। গত ২ সেপ্টেম্বর নেপালে যান ভাই অনিককে নিয়ে। নেপালে গিয়ে প্রথমে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তারপর হাসপাতাল গুলোতে খোঁজ করেন। ডিএনএ পরীক্ষার জন্য রক্তের নমুনা দিয়ে বাড়ি ফিরছেন দুই ভাই। কাকা বাবলু পাটারির সঙ্গে তাদের ফোনে কথা হয়ে শুক্রবার রাত এগারোটায়। নেপালের ভয়ঙ্কর ছবি দেখে তারা আৎকে ওঠেন। কাও তাণ্ডবলিলা চলেছে কাদা জলের স্রোতে। গোটা গ্রাম বাড়ি ঘর ভেসে গেছে। চিহ্ন মাত্র নেই। বাবলু পাটারি জানান, বড় দাদা রবীন্দ্রনাথ বৌদি শিপ্রা দুজনের অবসরপ্রাক্ত স্কুল শিক্ষক। এক ছেলে আমেরিকায় থাকে। একজন বাইরে চাকরি করত। বছর দুয়েক হল চন্দনগর ফিরেছে। কৈলাশ মানস সারোবর যাওয়ার কথা ছিলো দাদা বৌদির। দাদার বয়সের কারণে ছাড়পত্র পায়নি। বৌদি বলেছিল তাহলে আর যাবে না। কিন্তু দাদাই বলেছিল যেতে। নেপাল থেকে ফিরে ছেলে নিলয়ের কাছে আমেরিকায় যাওয়ার কথা ছিলো দুজনের। সেটি আর হল না। দুজনেই বেড়াতে খুব ভালোবাসত। বছরে বেশ কয়েকবার বেড়াতে যেত। যখন নেপালে বিপর্যয়ের ছবি দেখলাম ভয় পেয়ে গেলাম। তবু ভেবেছিলাম হয়ত কিছু একটা মিরাকল হলেও হতে পারে। কিন্তু ভাইপোরা নেপালের ওই জায়গা দেখে বলল কোনো আশা নেই। একজন মানুষ না বহু মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছে। পরিজনরা যাচ্ছে খোঁজ করছে। হাসপাতাল পুলিশ মর্গে ছবি টাঙানো আছে সেগুলো দেখছে। চারিদিকে শুধু হাহাকার আর কান্না ছাড়া কিছু নেই।0
0
Report
Advertisement
शिलिगुड़ी में खाद्य सुरक्षा विभाग का अभियान, कई दुकानों में मिलावट पकड़े जाने की खबर
Siliguri, West Bengal:সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে এবার শহরের পাশাপাশি শহরতলীতেও অভিযান খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের! শিলিগুড়ি মহকুমার বাগডোগরায় একাধিক নামি খাবারের হোটেল, মিষ্টির দোকান সহ বাজারের মুদিখানা এবং মাছ মাংসের দোকানেও অভিযান খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের । বিকেল নাগাদ বাগডোগড়ার বিহারমোড় ,আপার বাগডোগরা ও কালী মন্দির এলাকায় বাজারে অভিযান চালায় মাটিগাড়া ব্লক খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর। অভিযানে একাধিক মিষ্টির দোকানে অসচেতনতা, মুদিখানার দোকানে মেয়াদ উত্তীর্ণ জিনিসপত্র এবং খাবারের হোটেলে ফ্রিজে বাসি খাবারের ছবি ফুটে ওঠে। ব্যবসায়ীদের সতর্ক করার পাশাপাশি সময়সীমা বেঁধে দিয়ে নজরদারির হুঁশিয়ারি দেন খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর এর আধিকারিকরা। আপাততভাবে ব্যবসায়ীদের সময় দেওয়া হয়েছে পরবর্তীতে এই ঘটনা সামনে আসলে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান মাটিগাড়া ব্লক খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিক জিতু মন্ডল। এদিনের এই অভিযানে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা ছাড়াও বাগডোগরা থানার পুলিশ ও মাটিগাড়া ব্লকের অতিরিক্ত বিডিও উপস্থিত ছিলেন । তবে গরমের জন্য খাবার যাতে খারাপ না হয় তাই ফ্রিজে রাখা হয় । আগামীদিনে আর যাতে না হয় তাই খেয়াল রাখা হবে মত হোটেল ব্যবসায়ীদের।0
0
Report
गरीब बच्चों के लिए शिक्षा और समाजसेवा: शुभ्रा दीदी ने गांव में नया अध्याय शुरू किया
Chinsurah, West Bengal:মেসির ভক্ত, তসলিমার অনুরাগী, তাঁরও অনুরাগী ছাত্র ছাত্রীরা।পুঁথিগত শিক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি মানুষ গড়েন শুভ্রা দিদিমনি। অসহায় মানুষ দেখলে তার মন কাঁদে।কিছু একটা করতে হবে,এমন কিছু যাতে মানুষটা মানুষ হয়ে বাঁচতে পারে।পথে ঘাটে পরে থাকা মানুষ গুলোর জন্য বড্ড চিন্তা হয় তাঁর। হুগলি ব্রাঞ্চ স্কুলের রসায়নের শিক্ষিকা শুভ্রা ভট্টাচার্য।চুঁচুড়ার বাসিন্দা শুভ্রা শিক্ষকতা করতে গিয়ে দেখেছেন অনেক ছাত্র আছে যাদের আর্থিক অবস্থা সচ্ছল না।তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।শিক্ষক, প্রাক্তন ছাত্রদের নিয়ে গড়ে তুলেছেন একটি সংগঠন।রাজনৈতিক ছোঁয়া বাঁচিয়ে নিরবে কাজ করে চলেছে সেই সংগঠন।গাছ লাগানো থেকে পরিবেশ রক্ষা,ভব ঘুরেদের ঠিকানা খুঁজে ঘরে ফেরানো।যতদিন না ঘরে ফিরছে তাদের খাওয়া পড়ার দায়িত্ব নেওয়া এসবই করে চলেন শুভ্রা দিদিমনি।মানুষের কুসংস্কার দূর করতে বিজ্ঞান চর্চার গুরুত্ব বোঝান তিনি।পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চের সক্রিয় সদস্য শুভ্রা দি। বিভিন্ন সেমিনারে ডাক পরে তার। খুব ছোটবেলা থেকেই একজন সমাজসেবক হওয়ার স্বপ্নকে লালন করতে করতে বড়ো বেলার "তোমার হবি" অনুচ্ছেদের খাতাটি "সমাজসেবী ও শিক্ষিকা" দিয়ে ভরিয়ে তুলতেন। পরিবারে বড়দের মানুষের জন্য নিঃস্বার্থ কর্মের মধ্যে দিয়েই তার বেড়ে ওঠা।তিনিও তাই ছোট থেকেই নিজের পড়াশোনার পাশাপাশি 많은 দরিদ্র মানুষ ও আত্মীয় পরিজনকে বিনা মূল্যে পড়াশোনা শেখাতে শুরু করেন। নিজে দশম শ্রেণীতে পড়ে অষ্টম নবম শ্রেণীর ছাত্র ছাত্রীদের পড়াতেন। এছাড়া রাস্তা ঘাটে অসহায় মানুষ গুলোকে দেখে ভাবতেন কবে একটা চাকরি পাবেন আর ওদের সহায়তা প্রদানে সামিল হবেন। কথায় আছে ইচ্ছে থাকলে উপায় হয়। তাই জীবনের প্রথম চাকরি ছিল হাওড়ায় অগ্রগতি নামক একটা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনে। সেখান থেকেই সেবাকাজের হাতেখড়ি। নিজে টিউশনি করে অনেক মানুষের সহায়তা দিতে শুরু করেন। তারপর সরকারী স্কুলে চাকরি। চাকরির পাশাপাশি বিবাহিত জীবন সন্তান মানুষ মা বাবার প্রতি কর্তব্য ইত্যাদি ব্যস্ততা পেরিয়েও চলতো শখের সমাজসেবা। তারপর ২০১৭ সাল থেকে শুরু হলো সাংগঠনিক ভাবে মেয়ে ও তার বান্ধবীদের নিয়ে শুরু "অন্তরবীক্ষণের" মাধ্যমে সমাজ সেবার কাজ। এরপর ধীরে ধীরে যুক্ত হলো ছাত্রছাত্রীরা। চারটে ইট ভাঁটার শ্রমিকদের নিয়ে স্কুল খুলেছেন।তাদের শিক্ষা স্কুলের ছাত্রদের শিক্ষা দেওয়া অন্যান্য সামাজিক কাজ নিয়ে চলে। ছাত্র ছাত্রীদের0
0
Report
श्रीरामपुर होटल-रेस्टोरेंट छापेमारी: एक्सपायर्ड पिज़ा और डेड टैगिंग पर खाना फेंका गया
Chinsurah, West Bengal:শ্রীরামপুরে হোটেল-রেস্তোরাঁয় অভিযান, মেয়াদোত্তীর্ণ পিৎজা নষ্ট, ডেট ট্যাগ না থাকায় ফেলা হল রান্না করা চিকেন। ফেলা হলো ২০২৫ সালের ডেট এক্সপেরি হয়ে যাওয়া কড়াইশুঁটি। শ্রীরামপুরের এনএস অ্যাভিনিউ চৌত্তরে হোটেল ও রেস্তোরাঁয় অভিযান চালাল প্রশাসন, পুরসভা ও পুলিশ। অভিযানে ফায়ার লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্স এবং ফুড লাইসেন্স খতিয়ে দেখার পাশাপাশি খাবারের গুণমান ও সংরক্ষণ পদ্ধতিও পরীক্ষা করা হয়। অভিযানকারীদের দাবি, বড়সড় কোনো নিয়ম লঙ্ঘন বা পচা খাবার পাওয়া যায়নি। তবে বেশ কিছু রেস্তোরাঁয় রান্না করা খাবার সংরক্ষণের ক্ষেত্রে ডেট ট্যাগিং না থাকার মতো ছোটখাটো ত্রুটি ধরা পড়ে। ২০২৫ সালের মেয়াদ উত্তীর্ণ বেশ কিছু পিৎজাও পাওয়া যায়। সেগুলি নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে বলে জানান আধিকারিকরা। এক আধিকারিক বলেন, রান্না করা খাবার ফ্রিজে রাখার ক্ষেত্রে তারিখ উল্লেখ করে লেবেল লাগাতে হবে। রান্নাঘর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং খাবারে অননুমোদিত কোনো রং ব্যবহার করা যাবে না। ডেট ট্যাগিং না থাকায় রান্না করা চিকেনও জনসাধারণের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে ফেলে দেওয়া হয়েছে। তবে ওই চিকেন পচা ছিল না বলেও স্পষ্ট করেন তিনি। অন্যদিকে, রেস্তোরাঁর প্রতিনিধি শেখ সোহেল জানান, আধিকারিকরা তাঁদের ফায়ার, ট্রেড এবং ফুড লাইসেন্স পরীক্ষা করেন। রান্না করা বা সেদ্ধ খাবার কবে তৈরি হয়েছে, তা উল্লেখ করে কোনও লেবেল বা মার্কিং ছিল না। সেই কারণেই কিছু খাবার ফেলে দিতে বলা হয়। ভবিষ্যতে খাবার সংরক্ষণের আগে তার গায়ে তৈরির তারিখ উল্লেখ করার জন্য আধিকারিকেরা সতর্ক করেছেন বলেও জানান তিনি。0
0
Report
Advertisement
चंदननगर में रेड चिली छापा: पचे मांस और अस्वच्छ रसोई मिली; सात दिन नोटिस जारी
Chinsurah, West Bengal:চন্দননগরেও পচা মাংস মাছ। রেড চিলিতে রেইড খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিকদের। খাদ্য সুরক্ষা সপ্তাহে চন্দননগরের অভিযান চালাচ্ছে খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিকরা。 চন্দনগর বড়বাজার এলাকা লালবাগান এলাকা রথের সড়ক সহ বিভিন্ন জায়গায় হোটেল রেস্তোরাঁ এবং ক্যাটারিং ব্যবসায়ীদের আস্তানায় হানা দেয় খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর। প্রচুর পরিমাণে পচা মাংস রান্না করা খাবার চিংড়ি মাছ জমিয়ে রাখা হয়েছে দেখেন তারা। কিছু খাবার ফেলে নষ্ট করা হয়। নোটিশ দেওয়া হয় সাত দিনের। রান্নার যায়গা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ।সব ঠিক করতে বলা হয়。0
0
Report
आसनसोल के रानीगंज स्वास्थ्य केंद्र: छत से पानी, दीवारों में दरार, मरीजों में दहशत
Asansol, West Bengal:বেহাল দশা আসানসোলের রানীগঞ্জ ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের। ছাদ দিয়ে চুঁইয়ে পড়ছে জল, দেওয়ালে বড় বড় ফাটল, খসে পড়ছে পলেস্তারা। স্যাঁতসেঁতে ঘরে বারো মাস ভ্যাপসা গন্ধ। আর এই ভগ্নপ্রায় ভবনেই চলছে চিকিৎসা পরিষেবা। ফলে চরম আতঙ্ক ও কষ্টে দিন কাটছে রোগী থেকে চিকিৎসক, নার্স সকলেরই। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এই হাসপাতালের উপর নির্ভরশীল রানীগঞ্জ কোলফিল্ড এলাকার কয়েক हजार সাধারণ মানুষ। সারাদিনে বহু রোগী আসেন নানা রোগের চিকিৎসার জন্য। বিশেষ করে মহিলা রোগীদের ভিড় সবচেয়ে বেশি। রোগীর চাপ যথেষ্ট থাকলেও পরিকাঠামোর উন্নয়নে আগে সেভাবে নজর দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। হাসপাতালে আসা এক রোগীর কথায়, "বৃষ্টি হলেই ছাদ দিয়ে জল পড়ে। দেওয়ালের অবস্থা দেখে ভয় লাগে, কখন ভেঙে পড়ে। বাধ্য হয়েই এখানে আসতে হয়।" একই আতঙ্কে রয়েছেন হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদেরাও। এক চিকিৎসকের বক্তব্য, এই প্রতিকূল পরিবেশে চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ছে। ঘর সবসময় স্যাঁতসেঁতে থাকায় ওষুধপত্র ও যন্ত্রপাতি নষ্ট হওয়ারও আশঙ্কা থাকে। হাসপাতালের কর্মীদের দাবি, শুধু ভবন মেরামতই নয়, চিকিৎসক, নার্স ও গ্রুপ-ডি কর্মীর সংখ্যাও বাড়ানো প্রয়োজন। পরিকাঠামো উন্নত ও কর্মী সংখ্যা বাড়লে এই হাসপাতাল থেকেই উন্নত চিকিৎসা পাবেন সাধারণ মানুষ, দূরে কোথাও যেতে হবে না। পালা বদলের পর রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতির আশায় বুক বেঁধেছেন রানীগঞ্জ ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের রোগী থেকে চিকিৎসক সকলেই। now দেখার, স্বাস্থ্য দপ্তর কবে এই বেহাল স্বাস্থ্য কেন্দ্রের দিকে নজর দেয়।0
0
Report
उदयনারायणपुर में बाढ़ की स्थिति सुधर रही, ऊँचे इलाके सुरक्षित, ग्रामीणों में राहत का माहौल
Howrah, West Bengal:উদয়নারায়নপুরের পরিস্থিতি ফলোআপ গতকালকের থেকে আজকে উদয়নারায়ণপুরের নদী উপচে জল থেকে প্লাবিত হওয়া পরিস্থিতি অনেকটাই উন্নতির দিকে বলা চলে নদী উপচে জল আর ঢুকছে না যে জল গত কালকে ঢুকেছিল সেই জলই আজ উদয়নারায়নপুরের নিচু এলাকার গ্রামগুলিতে আস্তে আস্তে ঢুকছে পাশাপাশি উঁচু এলাকা ক্রমশ উন্নতির দিকে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমস্ত কিছু দিকে নজর রাখা হচ্ছে। পানীয় জল খাবার সমস্ত কিছুই দেয়া শুরু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে।। নদীর জল নতুন করে এলাকা প্লাবিত করার পরিস্থিতি আপাতত নেই বলাই চলে।0
0
Report
Advertisement
