Become a News Creator

Your local stories, Your voice

Follow us on
Download App fromplay-storeapp-store
Advertisement
Back
Jalpaiguri735101

जलपाईगुड़ी में युवसाथी योजना के पैसे खातों में पहुँचे; परिवारों को राहत मिली

PDPradyut Das
Mar 14, 2026 14:02:55
Jalpaiguri, West Bengal
জলপাইগুড়িতে যুব সাথী প্রকল্পের টাকা ব্যাংক একাউন্টে ঢুকেছে। চওড়া হাসি যুবক-যুবতীদের। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে। যুবসাথীর টাকা একাউন্টে ঢুকতে শুরু করেছে। আমাদের টাকা দেড় হাজার টাকা করে ঢুকেছে অনেকটাই সুবিধা হবে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন মুখ্যমন্ত্রীকে জলপাইগুড়ির যুবক ও যুবতীরা। এদিকে জলপাইগুড়ি শহর সংলগ্ন পাটকাটা কলোনী এলাকার বাসিন্দা যুবতী পূজা রায় জানান বাড়িতে ভাই বোন দুজনের একাউন্টে ১৫০০ টাকা করে ৩ হাজার টাকা ঢুকেছে। মা এবং কাকিমা ১৫০০ টাকা করে দুজন ৩০০০ হাজার টাকা মোট পরিবারের চারজন মিলে মাসে ৬০০০ টাকা সরকারি অনুদান ঢুকছে । আর এতে সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের আমরা মানুষজন হিসেবে অনেকটাই সুবিধা হচ্ছে আমাদের, এতে আমরা খুব খুশি ।
0
comment0
Report

For breaking news and live news updates, like us on Facebook or follow us on Twitter and YouTube . Read more on Latest News on Pinewz.com

Advertisement
NRNarayan Roy
Mar 14, 2026 14:51:38
Siliguri, West Bengal:*ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রEditor's জনসভাকে তীব্র কটাক্ষ সেলিমের।* শনিবার বিকেলে শিলিগুড়ি পুরনিগমের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের টিকিয়াপাড়া ময়দানে বামফ্রন্টের তরফে এসআইআর, রাজ্যের শাসকদলের দূর্নীতি সহ একাধিক ইস্যুতে একটি জনসভার আয়োজন করা হয়েছিল। ওই জনসভাতেই প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহম্মদ সেলিম। আর ওই জনসভায় বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসকে একসঙ্গে আক্রমন করেন তিনি। জনসভার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির ব্রিগেড সমাবেশকে তীব্র কটাক্ষ কর‍তে ছাড়েননি সেলিম। পাশাপাশি এদিনের জনসভা থেকেই বাংলাকে বাঁচাতে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ফের একবার বামফ্রন্ট ঘুরে দাঁড়াবে বলে দাবি করেন তিনি। মহম্মদ সেলিম ছাড়াও এদিনের ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তণ মন্ত্রী তথা মেয়র অশোক ভট্টাচার্য, সিপিএম নেতা জীবেশ সরকার, সিপিএমের জেলা সম্পাদক সমন পাথক সহ বামফ্রন্টের শরিকদের দলের নেতৃত্বরা। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মহম্মদ সেলিম বলেন, এর আগে "ব্রিগেডে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পাগলু ডান্স করেছিল। তারপর আর ব্রিগেড করেননি। এর আগে বিজেপি গীতাপাঠ করেছিল। এসব বুজরুকি কেউ শুনতে চায় না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও আগে সরকারি খরচে রাজনৈতিক মিটিিং করেন। আর এবার প্রধানমন্ত্রী সরকারি খরচে রাজনৈতিক প্রচার করতে এসেছেন। বিজেপি আর তৃণমূলের একই কায়দা। প্রশাসনিক খরচে প্রশাসনিক মিটিংকে রাজনৈতিক মিটিংয়ে পরিবর্তন করেন তারা , আর বিরোধীদের ডাকেন না। কিন্তু মমতাকে বিরোধী মনে করে না। ওটা আরএসএসেরই আরেকটা ঘরানা। বিজেপি আর আরএসএস চেয়েছিল মমতাকে দূর্গা সাজিয়ে পশ্চিমবঙ্গ দখল করবে। সেই রাজনীতি করা হয়েছে। আর আজকেও নাটক করেছে।" এরপরই বিজেপি কর্মী সমর্থকদের ব্রিগেডে যাওয়ার সময় মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে হামলার ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, "বিরোধীদের আক্রমণ করার নজির কে তৈরি করেছে? বুলডোজার দিয়ে হামলা কে করেছে? উত্তরপ্রদেশে যোগী করে থাকলে এখানে তৃণমূল করেছে। ২০১১ পর আমাদের কত বামপন্থী কর্মীরা ঘর ছাড়া হয়েছে। ৮৫ হাজার মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। ১৩০০ দলীয় কার্যালয় ভাংচুর ও দখল করা হয়েছে। আর এটাই তো আরএসএসের রাজনীতি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগে গান্ধীবাদি রাজনীতি করতেন। তারপরে বাজপেয়ীর কাছে গিয়ে মোদি আর মমতা এক পাঠশালায় পড়েছেন। আর একই রকমের রাজনীতি করছেন।"এরপর বাংলাকে বাঁচাতে হলে নির্বাচনে বামদের পুনরজ্জীবিত হওয়া প্রয়োজন রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। নির্বাচনরের পরে বামেদের ক্ষমতায় এলে কিংবা যে যেখানে জয়ী হবে সেখানে বিধানসভা থেকে ব্লক পর্যন্ত উন্নয়নের কাজ করা হবে বলে জানান তিনি। এরপর প্রধানমন্ত্রীর এদিন ব্রিগেডে সবকা সাথ সবকা বিকাশ ও হিসাবের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, "বিজেপি কখনও সবকা সাথ হতে পারে না। বিজেপি মানেই বিভাজন। অসমে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে আক্রমণ করা হচ্ছে। লাদাখে সোনম ওয়াংচুককে জেলবন্দি করে রাখা হয়েছে। বিজেপি সবকা সাথ চায় না। বিজেপি সবসময় একটি ফ্যাসিস্ট পরিকল্পনা নিয়ে চলে। একটি কৃত্রিম শত্রুতা তৈরি করে ও পরে তার সঙ্গে ছায়াযুদ্ধ করে। প্রত্যেকটা ভোটের আগে এই বিভাজনের রাজনীতি করেন।" শেষে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর উত্তরবঙ্গ সফরকে ঘিরে যে রাজ্য ও কেন্দ্রর সংঘাত প্রকাশ্যে এসেছে সেবিষয়ে মহম্মদ সেলিম বলেন, "সাংবিধানিক প্রধান যারা থাকেন তাদের একটা মর্যাদা থাকে। দৈনন্দিন রাজনৈতিক সংঘাতে তারা জড়ান না। আর রাজনৈতিক বিবাদে সাংবিধানিক প্রধানদের পদকে টেনে আনা যায় না। কিন্তু বিজেপির government এমন হয়েছে ও মমতার government এমন হয়েছে, যারা এই সাংবিধানিক পদ নিয়েও রাজনীতি করেন। এতে মর্যাদা দেশের যাচ্ছে, সংবিধানের যাচ্ছে। মূলত আইপিএস, আইএএসরা ভালো প্রমোশন পাওয়ার জন্য দলদাস হয়ে গেলে সংবিধান না মেনে কাজ করলে তাই হবে। কোন নীচ মানের লোকেরা, সংকীর্ণ মনের লোকেরা উচ্চপদে চলে গেলেই উচ্চ হয়ে যায় না। বরঞ্চ পদটার গরিমা নষ্ট হয়ে যায়।"
88
comment0
Report
DBDebanjan Bandyopadhyay
Mar 14, 2026 14:46:18
89
comment0
Report
CDChampak Dutta
Mar 14, 2026 14:04:12
Kaji Chak, West Bengal:*পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় রান্নার গ্যাস নিয়ে এখনই উদ্বেগ হওয়ার কোনো কারণ নেই, কারণ পর্যাপ্ত পরিমাণে গ্যাস রয়েছে, সেই গ্যাস সিলিন্ডার সময় মতন ডেলিভারিও করা হবে। তেল সংস্থার প্রতিনিধি ও এলপিজি গ্যাসের ডিস্ট্রিবিউটার ডিলারদের সাথে বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠক করে এমনই অভয়বাণী শোনাল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন। কেউ গুজব ছড়ালে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে দিল পুলিশ।* বেশ কয়েকদিন ধরেই রান্নার গ্যাস নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে হেঁশেলে। গ্যাসের জোগানে টান পড়লে কী হবে, হোটেল- রেস্তোরাঁর পাশাপাশি চিন্তা শুরু হয়েছে গৃহস্থ বাড়িতেও। এই পরিস্থিতিতে শনিবার পশ্চিম মেদিনীপুরে জেলাস্তরের ‘এলপিজি মনিটরিং কমিটি’র বৈঠক হয়েছে। মেদিনীপুরে কালেক্টরেটের সভাঘরে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে ছিলেন জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণ, জেলা পুলিশ সুপার পলাশচন্দ্র ঢালী প্রমুখ। ডাকা হয়েছিল ‘আইওসি’, ‘ভিপিসি’ প্রভৃতি কোম্পানির প্রতিনিধিদের, এলপিজি’র ডিস্ট্রিবিউটর এবং ডিলারদের। প্রশাসন সূত্রের খবর, উপস্থিত ডিস্ট্রিবিউটরেরা দাবি করেছেন, জেলায় তেমন সঙ্কট পরিস্থিতি নেই। অনেকে উদ্বিগ্ন হয়ে ‘বুকিং’ করছেন। ফলে ‘বুকিং’ বেড়ে গিয়েছে। এই বিষয়ে জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণ বলেন, ইন্ডিয়ান অয়েল, ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন, এইচপিসিএল এর প্রতিনিধি এবং এলপিজি ডিলার ডিস্ট্রিবিউটারদের সঙ্গে বসে জেলার পরিস্থিতি কি রয়েছে সেই নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তারা জানিয়েছেন আমাদের জেলাতে যথেষ্ট স্টক রয়েছে। মানুষের মধ্যে প্যানিকের জন্য বেশি বেশি বুকিং করার প্রবণতা রয়েছে। যেহেতু অনেক মানুষ একসাথে বুকিং করতে যাচ্ছে সেই জন্য পোর্টালে সার্ভারে একটা সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এটা শর্ট আউট করার চেষ্টা করছে তারা জানিয়েছে। যাদের যেটুকু দরকার সেটুকুই বুকিং করবেন। সবাই মিলিয়ে বুকিং করতে গেলে এই অসুবিধা হবে। কত স্টক রয়েছে কত বুকিং হয়েছে কাকে কাকে সরবরাহ করতে পেরেছে এই সমস্ত ডেটা জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের সঙ্গে ওই কোম্পানি শেয়ার করবে। সেইসঙ্গে তাদের কে জানানো হয়েছে অগ্রাধার ভিত্তিতে হাসপাতাল, স্কুল, অঙ্গণওয়াড়ি কেন্দ্র, হোস্টেল এবং গৃহস্থ্দের গ্যাস দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।আমরাও মনিটরিং করব। জেলা পুলিশ সুপার পলাশ চন্দ্র ঢালী বলেন, জেলায় গ্যাসের কালোবাজারি এখনো পর্যন্ত কোনো খবর নয়। তবে সমস্ত থানাকে সতর্ক করে রাখা হয়েছে দেখার জন্য। ইনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ সব জায়গা থেকে খবর নিচ্ছে এবং নজর রাখছে। একটা গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে যে এখানে গ্যাসের অপ্রতুলতা রয়েছে। গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
160
comment0
Report
CDChittaranjan Das
Mar 14, 2026 12:02:54
Durgapur, West Bengal:প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বঙ্গ সফরের দিনেই গেরুয়া শিবিরে ভাঙন। বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন বিজেপির আসানসোল সাংগঠনিক জেলার প্রভারী প্রমূখ রূপক पांজা। দুর্গাপুরে জেলা তৃণমূলের কার্যালয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর হাত ধরে তিনি তৃণমূলের পতাকা তুলে নেন। এই যোগদানকে ঘিরে জেলাজুড়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর রূপক পাঁজা বিজেপির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ধরেন। বিশেষ করে তিনি বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারির বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁর দাবি, দীর্ঘদিন বিজেপির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও সেখানে তিনি প্রত্যাশিত কাজের পরিবেশ পাননি। দলের ভেতরে অনেক অসঙ্গতি ও অগণতান্ত্রিক আচরণ রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বিজেপির নেতারা কয়লা চুরি, বালি চুরির সাথেও যুক্ত। অনুপ মাঝির সাথে ও সরাসরি আঘাত রয়েছে জিতেন্দ্র তিওয়ারির। রূপক পাঁজা জানান, "রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন যেভাবে এগিয়ে চলেছে, তা তাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে একের পর এক উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের জন্য নানা কল্যাণমূলক কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে. এসবই আমাকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে। সেই কারণেই আমি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। আজ যোগ দিলাম। রাজ্যের উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং মানুষের পাশে দাঁড়াতে আমি now থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী হিসেবেই কাজ করতে চাই। দলের আদর্শ মেনে মানুষের জন্য কাজ করাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য হবে বলে।” এদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী রূপক পাঁজাকে দলে স্বাগত জানিয়ে বলেন, "বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে অনেকেই তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন। কারণ তারা বুঝতে পারছেন যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বেই রাজ্যের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব। যারা মানুষের জন্য কাজ করতে চান এবং উন্নয়নের রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন, তাদের জন্য তৃণমূল কংগ্রেসের দরজা সবসময় খোলা। রূপক পাঁজার মতো অভিজ্ঞ রাজনৈতিক কর্মী দলে যোগ দেওয়ায় সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে." সব মিলিয়ে বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির ভাঙন যে অব্যাহত রইল তা বলাই যায়। অন্যদিকে বিজেপি মুখপাত্র সুমন্ত Mন্ডলের বক্তব্য, তৃণমূল কতগুলো বহুরূপী পুষে রেখেছে তাদেরকে কখনও বিজেপি, কখনও সিপিআইএম, কখনও কংগ্রেস সাজিয়ে দেখায়।
189
comment0
Report
Advertisement
Back to top