icon-pinewzicon-zee
PINEWZ
become creator
Become a News Creator

Your local stories, Your voice

Follow us on
Download App fromplay-storeapp-store
Advertisement
Back
Pinewz
712601
DSDIBYENDU SARKAR4 Oct 2025, 09:19 am

आर्मबाग में किसान की मौत: खेत में बिजली गिरने से जान गंवाई

Arambag, West Bengal:আরামবাগঃ০৪ অক্টোবর --------------------------------------------- ধান জমিতে কীটনাশক স্প্রে করতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ হারালেন এক চাষি। ঔ চাষির মৃত্যুতে গোঘাট ১ নম্বর ব্লকের রঘুবাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের গোলপুর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।পুলিশ জানিয়েছে, মৃত ঐ চাষির নাম চন্দ্রশেখর কুণ্ড (৫২)। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকালবেলায় ধান চাষের জমিতে ধানে কীটনাশক দেওয়ার উদ্দেশ্যে মাঠে গিয়েছিলেন চন্দ্রশেখরবাবু। তখনই হঠাৎ করে আকাশে মেঘ জমে বৃষ্টি নামতে শুরু করে। বৃষ্টির সঙ্গে প্রবল বজ্রপাত শুরু হয়। এক বিকট শব্দের সঙ্গে বজ্রপাত সরাসরি তাঁর শরীরে আঘাত হানে। মুহূর্তের মধ্যে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। কিছুক্ষণ পর স্থানীয় বাসিন্দারা মাঠের দিকে গেলে ঘটনাটি তাঁদের নজরে আসে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে উদ্ধার করে আরামবাগ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ। চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রান্তিক কৃষক চন্দ্রশেখর কুণ্ডুর আকস্মিক মৃত্যুতে তাঁর পরিবার এবং গোটা গ্রামে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। স্থানীয় মানুষজন জানান, চন্দ্রশেখরবাবু একজন অভিজ্ঞ ও পরিশ্রমী কৃষক ছিলেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগে বাড়ছে। প্রতিবছর বর্ষাকালে বজ্রাঘাতের কারণে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকাজে নিযুক্ত মানুষজন বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠ বা জমিতে অবস্থান করলেই সবচেয়ে বেশি বিপদের আশঙ্কা থাকে। স্টেজ/স্লাগ--- 0410ZG_ARM_DEATH_R ছবি ও বাইট আছে ২ C তে।
0
0
Report

हमें फेसबुक पर लाइक करें, ट्विटर पर फॉलो और यूट्यूब पर सब्सक्राइब्ड करें ताकि आप ताजा खबरें और लाइव अपडेट्स प्राप्त कर सकें| और यदि आप विस्तार से पढ़ना चाहते हैं तो https://pinewz.com/hindi से जुड़े और पाए अपने इलाके की हर छोटी सी छोटी खबर|

एनआरएस अस्पताल में निर्वाचित छात्र बॉडी की चुनावी मांग, प्रिंसिपल के कक्ष के बाहर प्रदर्शन

Kolkata, West Bengal:স্টুডেন্ট ইলেকটেড বডি ফিরিয়ে আনার জন্য প্রিন্সিপাল ঘেরাও এনআরএস হাসপাতালে। দ্রুত ভোট করানোর দাবি জানিয়ে সরব ছাত্রছাত্রীরা। ছাত্র-ছাত্রীদের বক্তব্য ২০১৯ থেকে ইলেক্টেড স্টুডেন্ট বডি ছিল হাসপাতালে। যা সম্পূর্ণ রাজনীতির রংবিহীন। এই বডির স্টুডেন্টদের সমস্যার কথা তুলে ধরতে কর্তৃপক্ষের কাছে। নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেক বছর ভোট হওয়ার কথা থাকলেও ২০২৪ এর পর থেকে আর কোনো ভোট হয়নি। এই সময় থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার হতে হয়েছে তাদের। হাসপাতাল রাজনীতির রংবিহীন করতে, পুনরায় স্টুডেন্ট বডি তৈরি করার দাবিতে এদিন প্রিন্সিপালের ঘরের ভেতর শান্তিপূর্ণ অবস্থান বিক্ষোভ করতে থাকেন ছাত্র-ছাত্রীরা। এ প্রসঙ্গে জী ২৪ ঘন্টাকে প্রিন্সিপাল সনৎ কুমার ঘোষ জানান, ভোট করানোর একটি আর তার নেই। একমাত্র হায়ার অথরিটি তা পারেন। দ্রুত ভোট করানোর জন্য ইতিমধ্যেই ইমেল করে তিনি হায়ার অথরিটিকে জানিয়েছেন। এছাড়া ছাত্রছাত্রীদের আশ্বাস করার মত আর কিছু নেই তার কাছে।
0
0
Report

नंदीग्राम उपचुनाव में हासी राणी रथ भाजपा उम्मीदवार के रूप में प्रचार, 1.01 लाख वोट जीत का दावा

Haldia, West Bengal:শिशির অধিকারীর আশীর্বাদ নিয়ে नंदीद्रামে প্রচারে হাসি রানী রথ, এক লক্ষ দশ হাজার ভোটে জয়ের দাবি। নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী হিসেবে নমিনেশন জমা দেওয়ার পর मुख्यमন্ত্রীর কাঁথির বাড়ি शांतికুঙ্কজে গিয়ে বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা তথা শুভেন্দু অধিকারীর বাবা শিশির অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন হাসি রানী রথ। তাঁদেরকে প্রণাম করে আশীরবাদ নেন তিনি। হাসি রানী রথ বলেন, “শিশিরবাবু আমার রাজনৈতিক गुरु, জেঠু ও অভিভাবক। उनके হাত ধরেই রাজনীতিতে এসেছি। उनके আশীর্বাদ আমার মাথায় আছে। শুভেন্দু অধিকারীর ছেড়ে যাওয়া আসনে তাঁর হয়ে প্রতিনিধিত্ব করব।” নন্দীগ্রামের মানুষকে মাথার উপর ছাদ, পেটে ভাত ও হাতে কাজ দেওয়াই আমার লক্ষ্য। পাশাপাশি নন্দীগ্রামে এক লক্ষ দশ হাজার ভোটে জয়ের দাবি করেন তিনি। অন্যদিকে শিশির অধিকারী বলেন, “চন্দ্রনাথের মা একদিন বিধায়ক হবেন—এটা আমাদেরও ইচ্ছে ছিল। কিন্তু তার আগেই অঘটন ঘটে গেল, চন্দ্রনাথকে খুন করল, দুর্ভাগ্য।” হাসি রানী রথ বিপুল ভোটে জয়ী হবেন দাবি করে তিনি বলেন, “আমার পরামর্শের কিছু নেই, ছোট ছেলে ওর সঙ্গে থাকবে। আমিও যাব, আমার পুরনো লোকজনের কাছে প্রচার করব।” তাঁর দাবি, ফলতার থেকেও বেশি ভোটে জয়ী হবেন চন্দ্রনাথের মা। বাইট শিশির কুমার অধিকারী। বাইট হাসি রানী রথ, নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী।
0
0
Report
Advertisement

अशोकनगर के तालाब में डूबे दो कक्षा 11 के छात्र, दोस्त की आंखों के सामने मौत

Kolkata, West Bengal:স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ক্লাসে না ঢুকে পাশের পুকুরে মাছ ধরতে গিয়েছিল দুই একাদশ শ্রেণির ছাত্র। আর সেখানেই ঘটেছে মর্মান্তিক ঘটনা। জলে ডুবে মৃত্যু হল দুই বন্ধু। মৃতদের নাম প্রথম দাশগুপ্ত (১৭) এবং শিবম पाल (১৭)। মঙ্গলবারের ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে অশোকনগরে। স্থানীয় ও স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, দুজনেই অশোকনগর বয়েজ সেকেন্ডারি স্কুলের একাদশ শ্রেণির পড়ুয়া। এদিন স্কুলে না ঢুকে আরও এক বন্ধুর সঙ্গে স্কুলের পাশের পীর বাবার পুকুরে মাছ ধরতে যায় তারা। গামছা ব্যবহার করে মাছ ধরার সময় আচমকাই কোনওভাবে জলে তলিয়ে যায় প্রথম ও শিবম। দুই বন্ধুকে জলে ডুবে যেতে দেখে সঙ্গে থাকা তৃতীয় ছাত্র চিৎকার শুরু করে। তাঁর চিৎকার শুনে ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দা ও স্কুলের শিক্ষকরা। প্রথমে স্থানীয় কয়েকজন জলে নেমে প্রথম দাশগুপ্তকে উদ্ধার করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে অশোকনগর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন。 এরপর শিবমের খোঁজে পুকুরে শুরু হয় তল্লাশি। দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টা ধরে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি অশোকনগর থানার সিভিক ভলান্টিয়াররাও জলে নেমে তল্লাশি চালান। শেষ পর্যন্ত কচুরিপানার নিচ থেকে উদ্ধার হয় শিবমের দেহ। জানা গিয়েছে, প্রথম দাশগুপ্তের বাড়ি অশোকনগর পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে। তাঁর বাবা-মা দুজনেই প্রয়াত। প্রায় তিন বছর আগে মায়ের মৃত্যু হয়। এরপর হোস্টেলে থেকেই পড়াশোনা করতেন প্রথম। অন্যদিকে, শিবম পালের বাড়ি অশোকনগর-কল্যাণগড় পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডে। তাঁর বাবা একটি গেঞ্জির কারখানায় কাজ করেন। ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে পরিবার। স্থানীয়দের অভিযোগ, পীর বাবার পুকুরে এর আগেও ছাত্র মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তারপরেও পুকুরটির চারপাশে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই। পুকুর ঘেরাও করা, সিসিটিভি বসানো এবং নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকরা। ঠিক কীভাবে দুই ছাত্র জলে তলিয়ে গেল, তা খতিয়ে দেখছে অশোকনগর থানার পুলিশ। দুই তরতাজা প্রাণের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা এলাকায়。
0
0
Report

इस्लामपुर के नामी शॉपिंग मॉल में आग, दमकलकर्मी घायल; ट्रांसफॉर्मर विस्फोट से आग फैली

Dinajpur, Rangpur Division:পুজোর আগে ইসলামপুরের একটি নামী শপিং মলের দ্বিতলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার খবর মঙ্গলবার সকালে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে আহত হন একাধিক দমকলকর্মী। অগ্নিকাণ্ডে Мলে থাকা প্রচুর জামাকাপড় পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও উল্লেখযোগ্য বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকালে হঠাৎ করেই মলের দ্বিতল থেকে ধোঁয়া ও আগুন বের হতে দেখা যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের দুটি ইঞ্জিন। আগুনের তীব্রতা এতটাই ছিল যে দমকলকর্মীদের বাইরে থেকে কাঁচ ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করতে হয়। সেই সময় কাঁচের আঘাতে একাধিক দমকলকর্মী আহত হন বলে জানা_gi হয়েছে। মলের জমির মালিকের অভিযোগ, শপিং মলের সামনেই থাকা একটি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমারে বিস্ফোরণ ঘটে। তার জেরেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। যদিও দমকল বিভাগের এক আধিকারিক জানান, কী কারণে আগুন লেগেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের পরই অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ১) শুভাশিস সাহা (জমির মালিক) ২) দমকলের আধিকারিক
0
0
Report
Advertisement

राज्य मेडिकल काउंसिल ने पांच नकली डॉक्टरों का पंजीकरण रद्द किया, FIR दर्ज

Kolkata, West Bengal:পাঁচজন ভুয়ো ডাক্তারের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করে, এফ আই আর করলো রাজ্যের মেডিকেল কাউন্সিল। বিধাননগর দক্ষিণ থানায় এফ আই আর দায়ের করা হয়েছে। যে পাঁচজনের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ভুয়ো নথি দেখিয়ে বিহার মেডিকেল কাউন্সিলে জাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট নিয়ে, এ রাজ্যের মেডিকেল কাউন্সিল থেকে আসল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট বার করে ফেলেছিলেন। এবার তাদের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করে, তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ কে তদন্ত করার জন্য এফআইআর দায়ের রাজ্যের মেডিকেল কাউন্সিলের । পাঁচজন চিকিৎসক হলেন...... ১. ইউনুস হাসান ২.উত্তম মাইতি ৩. জুলফিকার মন্ডল ৪.হাফিজুর হালদার ৫.সাইদুল হক
0
0
Report

बालुरघाट में CPIM ने डिप्टी कमिश्नर के दफ्तर के बाहर प्रदर्शन किया

Dinajpur, Rangpur Division:বৰলুরঘাট महकুমा শাসকের দপ্তরের সামনে সিপিআইএম দলের পক্ষ থেকে অবস্থান-বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিল আয়োজন করা হলো মঙ্গলবার বিকালে। প্রথমে সিপিআইএমের দলীয় কার্যালয়ে থেকে কর্মী সমর্থকরা মিছিল শুরু করেন শহর পরিক্রমা করে মিছিল এসে শেষ হয় মহুপమা শাসকের দপ্তরের গেটের সামনে আর সেখানেই অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন কর্মী সমর্থকরা। রাজ্য সরকারের গৃহীত প্রকল্প ও বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পগুলিকে সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। পৌরসভা ও পঞ্চায়েত গুলিতে কাজকর্ম সঠিকভাবে না হওয়ায় সাধারণ মানুষ नিত্য যন্ত্রণায় ভুগছেন। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে সবাইকে যুক্ত করা হবার কথা থাকলেও এখনো পর্যন্ত 많은 মহিলা রয়েছেন যারা সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত। এছাড়াও সরকারে আসার আগে বিজেপি দলের পক্ষ থেকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল প্রতিবছর এসএসসি সহ অন্যান্য চাকরির পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। সে বিষয়েও সরকার কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেনি। এই সমস্ত দাবিকে সামনে রেখেই সিপিআইএমের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার বিকেলে প্রতিবাদ মিছিল ও ডেপুটেশনের আয়োজন করা হয়। জেলা কমিটির সদস্য দলীয় নেতা কল্যাণ দাস বলেন গোটা জেলা জুড়েই বিভিন্ন স্তরে এই ধরনের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিল চলছে রাজ্য সরকারের সদিচ্ছা নিয়ে তাদের প্রশ্ন রয়েছে। আগামী দিনে যতক্ষণ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের দাবি পূরণ না হচ্ছে ততক্ষণ এই আন্দোলন সিপিআইএম এর পক্ষ থেকে চালিয়ে যাওয়া হবে। কল্যাণ দাস সিপিআইএম নিতা
0
0
Report

झाड़ग्राम में 'प्रज्ञा दीदी' योजना: छात्राओं को प्रशासन से जोड़े, एक दिन जिलाधिकारी

Jhargram, West Bengal:একদিন জেলাশাসকের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাবে ‘প্রজ্ঞা দিদি’, বিশেষ উদ্যোগ ঝাড়গ্রামে ঝাড়গ্রাম: বাল্যবিবাহ রোধের পাশাপাশি নাবালিকা বয়সে মাতৃত্ব রুখতে কড়া পদক্ষেপ করছে রাজ্য সরকার। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই এবার স্কুলপড়ুয়াদের নানা সমস্যা মেটাতে এক অভিনব উদ্যোগ নিল ঝাড়গ্রাম জেলা প্রশাসন। এই কাজে সরাসরি যুক্ত করা হচ্ছে স্কুলছাত্রীদের, যাদের পরিচয় দেওয়া হয়েছে ‘প্রজ্ঞা দিদি’। সাধারণ ছাত্রী ও প্রশাসনের মধ্যে সেতুবন্ধনের কাজ করবে তারাই। স্কুল ও স্থানীয় এলাকার নানা অভাব-অভিযোগ সরাসরি প্রশাসনের কাছে পৌঁছে দিয়ে সমাধানের পথ খোঁজা হবে এই কর্মসূচির মাধ্যমে। পাশাপাশি, কাজের স্বীকৃতি হিসেবে সেরা কাজের পুরস্কারস্বরূপ থাকছে একদিনের জন্য খোদ জেলাশাসকের সঙ্গে প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা করার সুযোগ。 ঝাড়গ্রাম জেলাশাসকের কার্যালয়ের অডিটোরিয়াম হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ‘প্রজ্ঞা দিদি’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে এই প্রকল্পের ব্যাচ উন্মোচন করেন রাজ্যের প্রাণিসম্পদ বিকাশ মন্ত্রী রাজেশ মাহাতো, জেলাশাস্ট্যাক আকাঙ্ক্ষা ভাস্কর এবং পুলিশ সুপার মানব সিংলা। উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের অন্যান্য পদস্থ আধিকারিকরাও। প্রশাসন সূত্রে খবর, প্রথম পর্যায়ে ঝাড়গ্রাম ব্লক এবং ঝাড়গ্রাম পুরসভা এলাকার বিভিন্ন গার্লস ও কো-এড স্কুল মিলিয়ে মোট ৭৪ জন ছাত্রীকে ‘প্রজ্ঞা দিদি’র দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ঝাড়গ্রাম পশ্চিম, পূর্ব এবং মানিকপাড়া চক্রের স্কুলগুলি। আগামী দিনে জেলার প্রতিটি স্কুলেই একজন করে ‘প্রজ্ঞা দিদি’ নিয়োগ করা হবে। এই प्रज्ञা दीदিদের প্রধান কাজ হবে নিজেদের স্কুলের ছাত্রীদের নানা সমস্যার কথা জানা ও সেই তথ্য নিয়মিত জেলা প্রশাসনকে পাঠানো। এর ফলে বাল্যবিবাহ ঠেকানো, স্কুলছুটের সংখ্যা কমানো এবং কিশোরী ও মহিলাদের উপর হওয়া নানা নির্যাতন রুখে দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপ করা সহজ হবে বলে মনে করছেন আধিকারিকরা। উৎসাহ বাড়াতে জেলাশাসক আকাঙ্ক্ষা ভাস্কর এক বিশেষ ঘোষণার কথা জানান। তিনি বলেন, “আগামী ছ’মাসের মধ্যে যে প্রজ্ঞা দিদি সবচেয়ে ভালো কাজ করবে, তাঁকে একদিন আমার সঙ্গে রেখে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হবে। একজন জেলাশাসক ঠিক কীভাবে গোটা জেলা পরিচালনা করেন, সারাদিন ধরে সেই দায়িত্ব নিজের চোখে দেখার ও কাজ করার সুযোগ পাবে সে।” প্রশাসনের আশা, এই পদক্ষেপ ছাত্রীদের নেতৃত্ব দেওয়ার মনোভাব ও সামাজিক দায়িত্ববোধ গড়ে তুলতে বড় ভূমিকা নেবে। বাইট ১) রাজেশ মাহাতো, প্রাণিসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী (স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত) ২) আকাঙ্ক্ষা ভাস্কর, জেলাশাসক
0
0
Report
Advertisement

CID हिरासत में: तृणमूल के पूर्व विधायक सुजय হাজरा समेत चार आरोपी, मेदिनीपुर कोर्ट

Mollar Chak, West Bengal:শালবনী জমি দুর্নীতি মামলায় ধৃত তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরা ঘনিষ্ঠ অমিত ঘোষ, লক্ষীকান্ত ভূঁইয়া ও নিত্যানন্দ রায়কে ৪দিনের সিআইডি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে মেদিনীপুর আদালত। এদিন সিআইডির তরফ থেকে ৮দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছিল। অন্যদিকে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে জামিনের আবেদন করা হয়েছিল। সিআইডি আদালতকে জানায়, এই তিনজন জমি দুর্নীতি মামলায় মিডিলম্যান হিসেবে কাজ করেছে। তারা এই জমি কেলেঙ্কারির সঙ্গে যুক্ত স্বীকার করেছে এবং সুজয় হাজরা মারফত সেই টাকা সুমিত রায়ের কাছে পৌঁছাত সেটাও তারা জানিয়েছে। এবং পাশাপাশি তারা আগামীদিনে তদন্তে সহযোগিতা করবে বলেও জানিয়েছে। এরপরেই আদালত জামিনের আবেদন খারিজ করে ৪দিনের সিআইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন। আগামী ১৯ তারিখ সুমিত রায় কে আদালতে তোলার দিন এই তিনজনকেও মেদিনীপুর আদালতে তোলা হবে।
0
0
Report

बेलूर बाजार की गणेश पूजा: ‘हिंदू राष्ट्र’ थीम से बवाल, पीएम मोदी-चाय वाली तस्वीर वायरल

Howrah, West Bengal:বেলুড় বাজারের শিবচন্দ্র চ্যাটার্জি স্ট্রিটের একটি গণেশ পূজোকে ঘিরে তীব্র বিতর্ক দানা বেঁধেছে। এবছর থিম হিন্দু রাষ্ট্র। তুলে ধরা হয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং সিদ্ধিদাতা গণেশ দুজনেই বসে আছেন, দুজনের হাতেই চায়ের কাপ — অর্থাৎ ‘চায় পে চর্চা’। পিছনের দেওয়ালে লেখা রয়েছে ‘হিন্দু রাষ্ট্র’। একদিকে ভারতবর্ষের ম্যাপ, তার পাশেই হিন্দু পতাকা রাখা হয়েছে। এই থিম সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়।পুজোর উদ্যোক্তা পেশায় প্রমোটর খোকন কাঁরার বলেন দীর্ঘদিন ধরে এই পূজো তিনি করে আসছেন।এটা তাঁর নিজের পূজো।প্রতি বছর থিম করেন।এবারের থিম তারই মস্তিষ্কপ্রসূত।ভালো সাড়া মিলছে।তবে এভাবে ধর্মের সঙ্গে রাজনীতিকে মেশানো ঠিক নয় বলে মন্তব্য করেন বালির বিধায়ক সঞ্জয় সিং।তিনি বলেন এটা বাংলার সংস্কৃতি নয়।গণেশ ঠাকুরকে প্রধানমন্ত্রী পূজো দিয়েছেন।তিনি বসে চা খাচ্ছেন এটা মেনে নেওয়া যায়না。
0
0
Report
Advertisement
0
0
Report

तृणमूल पंचायत सदस्य गिरफ्तार, फर्जी अपहरण मामले में 3 लाख रुपये मांगने के आरोप

Kolkata, West Bengal:মিথ্যা অপহরণ মামলায় ফাঁসিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগে তৃণমূলের এক পঞ্চায়েত সদস্যকে গ্রেপ্তার করল গোপালনগর থানার পুলিশ। সোমবার রাতে গ্রেপ্তার করা হয় গোপালনগর ১ নম্বর পঞ্চায়েতের সদস্য উৎপল সরকারকে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে জমি দখল ও তোলাবাজি-সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি গোপালনগর থানার বালিয়াডাঙা এলাকার বাসিন্দা কলাই দাস তাঁর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগকারীর দাবি, সামাজিকভাবে হেয় করা এবং বদনাম করার উদ্দেশ্যে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপহরণের মামলা দায়ের করানোর চেষ্টা হয়। সেই মামলা তুলে নেওয়ার জন্য তাঁর কাছে ৩ লক্ষ টাকা দাবি করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ। পরিস্থিতির চাপে পড়ে অভিযুক্তকে ২ লক্ষ টাকা দিতে বাধ্য হন বলে দাবি করেছেন অভিযোগকারী। এরপরই গোটা বিষয়টি নিয়ে গোপালনগর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তের পর সোমবার রাতে উৎপল সরকারকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে কীভাবে ওই অপহরণ মামলাটি দায়ের হয়েছিল, টাকা লেনদেনের ঘটনায় আর কেউ জড়িত কি না এবং অভিযোগের পিছনে প্রকৃত ঘটনা কী—তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনায় তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যের গ্রেপ্তারিকে ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে।
0
0
Report
Advertisement
Advertisement
Back to top