पूर्वस्थली-नादनघाट टीम की संयुक्त कार्रवाई: 82 किग्रा गांजा के साथ दो गिरफ्तार
Kalna, West Bengal:পূর্বস্থলী ও নাদনঘাট থানার যৌথ অভিযানে বড় সাফল্য এসটিকেকে রোড দিয়ে গাঁজা পাচারের খবর পেয়ে নড়েচড়ে বসে নাদনঘাট থানার পুলিশ। নসরতপুর মোড় থেকে নাদনঘাট থানার আইসি বিশ্ববন্ধু চট্টরাজের নেতৃত্বে একটি দল সন্দেহভাজন গাড়িটিকে লক্ষ্য করে পিছু ধাওয়া শুরু করে। পরবর্তী সময়ে গাড়িটি পূর্বস্থলী থানার এলাকায় ঢুকে পড়লে, পূর্বস্থলী থানার আইসি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আরেকটি পুলিশ দল পারুলিয়া বাজারে গাড়িটিকে আটকাতে সফল হয়। গাড়িটির পিছনের সিটের পিছন থেকে উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ গাঁজা—ওজন প্রায় ৮২ কেজিরও বেশি। ঘটনাস্থল থেকেই গাড়িসহ দু’জনকে গ্রেপ্তার করে পূর্বস্থলী থানার পুলিশ। ধৃতদের আজ বর্ধমানের বিশেষ আদালতে পেশ করার জন্য পাঠিয়েছে পূর্বস্থলী থানার পুলিশ。0
0
Report
हमें फेसबुक पर लाइक करें, ट्विटर पर फॉलो और यूट्यूब पर सब्सक्राइब्ड करें ताकि आप ताजा खबरें और लाइव अपडेट्स प्राप्त कर सकें| और यदि आप विस्तार से पढ़ना चाहते हैं तो https://pinewz.com/hindi से जुड़े और पाए अपने इलाके की हर छोटी सी छोटी खबर|
Purulia ke Begunkodor station par aaj bhi bhut dar bana hai, din me trainen chalti
Purulia, West Bengal:পুরুলিয়া : ভূত চতুর্দশী এলেই পুরুলিয়াবাসীর মুখে উঠে আসে একটিই নাম । পুরুলিয়ার বেগুনকোদর রেল স্টেশন । আজও সন্ধ্যে নামলেই শুনশান হয়ে যায় গোটা স্টেশন চত্বর। টিকিট ঘরে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় তালা। স্থানীয়রাও আর স্টেশন মুখী হতে চান না । রাত নামলে এই স্টেশনে থামে না কোনো ট্রেন। রাত যত বাড়ে, ততই নিজর্ন স্টেশন চত্বর যেন আরও ছমছমে পরিবেশ হয়ে ওঠে । ঠিক যেন হরর সিনেমার মতো । ভূতুড়ে স্টেশন বলেই পরিচিত এই স্টেশন । পুরুলিয়ার ঝালদার কাছে বেগুনকোদর স্টেশনটি দক্ষিণ-পূর্ব রেলের রাঁচি ডিভিশনের মুরি-কোটশিলা শাখার অধীনে। আর পাঁচটা রেল স্টেশনের এটি নয় । এখানে নেই স্টেশন মাস্টার, রেল পুলিশ বা কোনো রেল কর্মী । দিনের বেলা টিকিট ঘরের ক্যাবিনে বসে থাকেন এজেন্ট কর্মী । তিনিই টিকিট কাটার ব্যবস্থা করেন । দিনের বেলা হাতে গোনা কয়েকটি লোকাল ট্রেনের স্টপেজ রয়েছে এখানে। সন্ধ্যে নামলেই ট্রেন থামে না এখানে । তাই টিকিট ঘরে তালা ঝুলিয়ে চলে যান ওই স্টেশনের দায়িত্বে থাকা এজেন্ট। জনহীন ফাঁকা স্টেশনটি খাঁ খাঁ করতে থাকে । ঘুটঘুটে অন্ধকার আর ঝিঁ ঝিঁ পোকার ডাকে একেবারে ভৌতিক পরিবেশ তৈরি হয়ে স্টেশন চত্বর । ১৯৬০ সাল নাগাদ এই স্টেশন গড়ে ওঠে। স্টেশন মাস্টার ছাড়াও তখন আরেকজন কর্মী ছিলেন। দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়ের রাঁচি ডিভিশনের এই স্টেশনের পাশের গ্রাম বামনিয়া। কিন্তু মৌজা বেগুনকোদর। তাই স্টেশনের নাম বেগুনকোদর। বছর ছয়েক চলার পরেই স্টেশন মাস্টারের বানানো ভূতের গল্পের কারণে ১৯৬৬ সালে দরজা বন্ধ হয়ে যায় স্টেশনের। রটে যায় এখানকার স্টেশন মাস্টার ভূতের ভয়ে রাতারাতি সব ছেড়ে চলে গিয়েছেন। তারপর থেকে আর কেউ এখানে না আসায় স্টেশন কার্যত বন্ধই হয়ে যায়। কোনো রেল কর্মী বা স্টেশন মাস্টার এই স্টেশনে ভয়ে আসতেন না । এলাকাবাসীরা জানান, সেই সময় স্টেশন মাস্টার ছিলেন তাঁর তিন মেয়ে। এলাকায় ইভটিজিংয়ের শিকার হচ্ছিল মেয়েরা। বদলী চাইছিলেন তিনি। না মেলায় ভূতের গল্প ফাঁদেন। ভূতের ভয়ে কেটে যায় ৪০ টি বছর । তারপর ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে বাঁকুড়ার তৎকালীন সাংসদ বাসুদেব আচারিয়ার চেষ্টায় বেগুনকোদর স্টেশনটি প্যাসেঞ্জার হল্ট হিসেবে ফের খুলে যায়। পরিত্যক্ত স্টেশন বিল্ডিংটিকেই নতুন করে মেরামত করে তৈরি হয় টিকিট কাউন্টার ও যাত্রী প্রতীক্ষালয়। দেওয়া হয় কয়েকটি প্যাসেঞ্জার ট্রেনের স্টপ । কিন্তু রেল শর্ত দেয় শুধু দিনের বেলায় এই স্টেশনে ট্রেন থামবে। রেলের একজন এজেন্ট দিয়ে সেখানে টিকিট বিক্রি করা হবে। তারপর থেকে সেই re-spacing আজও চলছে। আজও কোনো রেল কর্মী, রেল পুলিশ বা স্টেশন মাস্টার নেই এখানে । শুধু সময় বদলেছে । কিন্তু ‘ভূত-ভূত’ गা ছমছমে ভাব যেন আজও কাটেনি এখানে। একাধিক প্রযোজক সংস্থা এই স্টেশনে তথ্যচিত্রও তৈরি করেছেন। আজও সন্ধ্যে নামলেই জনমানবহীন এই স্টেশ । যদিও ওই রেল স্টেশনের জমিদাতা পরিবার এবং স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, একটা ভূতের গুজব ছড়াছড়া ছিল। কিন্তু এর সত্যতা নেই। স্টেশন মাস্টার বদলির জন্য ভূতের গুজব ছড়িয়েছিলেন । আজ স্টেশনের হাল ফিরেছে। বেশ কয়েকটি ট্রেন এখানে দাঁড়ায় । তবে আরো ট্রেনের স্টপেজ দেওয়া হলে এবং রেল কর্মীদের মোতায়েন হলে ভালো হবে । স্বাভাবিক ছন্দে ফিরুক এই স্টেশন চাইছে জেলার মানুষ । বাইট: ১) মানস মাহাতো (জমিদাতা পরিবার) ২) মনোমহর মাহাতো (স্থানীয় বাসিন্দা) ৩) ট্রেন যাত্রী ৪) স্টার্ট পিটিসি & এন্ড পিটিসি ৫) WT0
0
Report
काली पूजा के मौके पर मालबाजार-ओडलाबाड़ी में आतिशबाजी मेला जोरदार, सुरक्षा के कड़े इंतज़ाम
Mal Bazar, West Bengal:মালবাজার ও ওদলাবাড়িতে জমজমাট আতসবাজির মेला, নিরাপত্তায় নজরদারি প্রশাসনের... প্রতিবারের মতো এবারও কালীপুজোকে কেন্দ্র করে মালবাজার মহকুমার মালবাজার ও ওদলাবাড়িতে বসেছে আতসবাজির মেলা। কয়েক বছর আগেই দুর্ঘটনা এড়াতে প্রশাসনের উদ্যোগে বাজার এলাকা থেকে দূরে নির্দিষ্ট ফাঁকা জায়গায় আতসবাজির দোকান বসানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই নির্দেশ মেনেই প্রতি বছর কালীপুজোর আগে নির্দিষ্ট জায়গায় বসছে এই আতসবাজির মেলা। দমকল ও প্রশাসনের নির্ধারিত নিয়মকানুন মেনেই মালবাজার এবং ওদলাবাড়িতে তৈরি হয়েছে একাধিক আতসবাজির স্টল। স্টলগুলিতে রয়েছে পৃথক নম্বরের ব্যবস্থা। গতকাল রাত থেকেই আতসবাজি কেনার জন্য ভিড় জমাতে শুরু করেছেন ক্রেতারা। আগামী কয়েকদিন ধরে চলবে এই মেলা। বাজার এলাকা থেকে দূরে নিরাপদ জায়গায় সুপরিকল্পিতভাবে মেলা বসায় খুশি ব্যবসায়ী থেকে সাধারণ ক্রেতা, সকলেই। অন্যদিকে, মেলার নিরাপত্তা ও নিয়মবিধি ঠিকভাবে মানা হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে নজরদারি চালাচ্ছে দমকল বিভাগ ও প্রশাসন। Kali Pujo-এর আগে এই আতসবাজির মেলাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই উৎসবের আমেজ ছড়িয়েছে মালবাজার ও ওদলাবাড়ি এলাকায়।0
0
Report
बसंती थाने में आदिवासी समूह ने धर्मांतरण के आरोप पर शिकायत दर्ज कराई
Baruipur, West Bengal:ধর্মান্তকরণের অভিযোগ তুলে বাসন্তী থানায় ডেপুটেশন আদিবাসী ঐক্য পরিষদের বাসন্তী - হিন্দু আদিবাসীদের প্রলোভন দেখিয়ে খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত করার অভিযোগ তুলে বাসন্তী থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দিল আদিবাসী ঐক্য পরিষদ। সংগঠনের পক্ষ থেকে বাসন্তী থানার আধিকারীকের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। চিঠিতে সংগঠনের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তী এলাকায় খ্রিস্টান মিশনারিদের একটি অংশ গরিব হিন্দু আদিবাসী, তপশিলি জাতি ও উপজাতি সম্প্রদায়ের মানুষদের টার্গেট করছে। চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার নাম করে, ঘর বানিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এবং নগদ টাকার লোভ দেখিয়ে তাদের হিন্দু ধর্ম থেকে খ্রিস্টান ধর্মে পরিবর্তন করানো হচ্ছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। সংগঠনের দাবি, এই ধরনের কার্যকলাপ বন্ধ করা প্রয়োজন। এই বিষয়ে পুলিশকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, যাদের ধর্ম পরিবর্তন করানো হয়েছে বলে তাদের দাবি, তাদের নাম ও ঠিকানার তালিকাও পুলিশকে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংগঠনের সদস্যরা। তাদের হুঁশিয়ারি, যদি এই ঘটনা বন্ধ না হয়, তাহলে আগামী দিনে তারা বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবেন। এ বিষয়ে বাসন্তী থানার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, একটি লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।0
0
Report
Advertisement
जलपाईगढ़ में कांग्रेस नेता के घर पर हमला, पुलिस जांच जारी
Jalpaiguri, West Bengal:update, ওई রাতে আশেপাশের বাড়িতেও পাথর ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ। সেই সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে। দুষ্কৃতী হামলার ভাইরাল ভিডিওকে ঘিরে শোরগোল। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কংগ্রেস নেতার বাড়িতে হামলা।যদিও এই ঘটনার সাথে বিজেপির কোন যোগ নেই বলে দাবি বিজেপি নেতৃত্বের। গতকাল অর্থাৎ ( বৃহস্পতিবার ) গভীর রাতে যুব কংগ্রেস জেলা সভাপতি নব্যেন্দু মৌলিকের বাড়িতে দু দফায় হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ।গভীর রাতে তিনটি স্কুটিতে চেপে মোট ৬ জন দুষ্কৃতকারী এসে হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ।বিষয়টি নিয়ে রাতেই ফেসবুক লাইভ করেন কংগ্রেস নেতা। নব্যেন্দু একদিকে কংগ্রেস নেতা অন্যদিকে একজন সমাজ কর্মী। তার বাড়িতে এহেন হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপান উতর শুরু হয়েছে কংগ্রেস ও বিজেপি এই দুই যুযুধান রাজনৈতিক দলের মধ্যে। হামলার ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যেই জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন নব্যেন্দু মৌলিক।অভিযোগ পেয়ে কংগ্রেস নেতার বাড়ি গিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কংগ্রেসের অভিযোগ সামনেই পৌর ভোট আসতে চলেছে। তার আগে জলপাইগুড়িতে চমক ধমক দেওয়া শুরু করা হয়েছে।এর আগে কালীঘাট পন্থী তৃণমূল কাউন্সিলর দের বাড়ির কাছে গুলি চালিয়ে হামলা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল ল।এবার কংগ্রেস নেতা কর্মীদের বাড়িতে হামলা করা হলো।অর্থাৎ বিরোধী কন্ঠস্বরকে দাবিয়ে দেওয়ার চেষ্টা শুরু হয়েছে। বিজেপির তরফে যাবতীয় অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বিষয়টিকে কংগ্রেসের গোষ্ঠী কোন্দল বলে দাবী করা হয়েছে। পাশাপাশি বিজেপির আরও অভিযোগ পালাবদলের পর যেইসব তৃণমূল নেতাদের কংগ্রেস দলে যোগ দিতে বাধা দিয়েছেন নব্যেন্দু মৌলিক। তারা কেউ এই হামলার সাথে জড়িয়ে নেই তো? *কংগ্রেস নেতা সহ একের পর এক বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের বাড়িতে হামলার … initializing content removed for brevity …0
0
Report
बंगाल के चालिडिही गांव में भूत-आतंक से लोग गांव छोड़ रहे
Bankura, West Bengal:আজ ভূত চতুর্দশী ভূতের আতঙ্কে গ্রাম ছাড়া গ্রামের মানুষ।বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাটি ব্লকের চালিডিহি বাড়ি গ্রামে একটা সময় বসবাস করত ২০ থেকে ২৫টি পরিবার।একে অপরের সাথে হইচই করে আনন্দে দিন কাটাতো গ্রামের মানুষগুলি।আজ থেকে বছর ১০-১২ আগে রাতের অন্ধকারে খুন হয় এক যুবক,সকালে গ্রামের মানুষ ঘুম থেকে উঠে দেখেন গ্রামের পাশে গলাকাটা অবস্থায় পড়ে রয়েছে এক যুবকের মৃতদেহ。 এরপর রাত নামলেই রাতের অন্ধকারে ভুতের আতঙ্ক তারে করে বেড়ায় গ্রামের মানুষদের।বাড়ির পাশে কখনো কান্নার আওজ,কখনো হাঁটাচলার শব্দ,কখনো বাড়ি chále,আবার কখনো গাছের ডালে পা দুলাতে দেখে গ্রামবাসীরা ওই যুবককে।এই ঘটনার পর আরও বেশি আতঙ্ক তাড়া করে বেড়ায় গ্রামের মানুষদের।অলৌকিকভাবে ঘটনার পর কয়েকজন গ্রামবাসী অসুস্থ হয়েমারা যায়।আবার যে দুজনের শরীরে ওই দুই যুবকের আত্মা ভর করেছিল সেই দুজন ব্যক্তি গলায় দড়ি নিয়ে মারা যায়।এরপর আরও বেশি আতঙ্ক গ্রাস করে গ্রামবাসীদের।গ্রাম ছাড়তে শুরু করে একের পর এক গ্রামের মানুষ।পুরো গ্রাম মানুষ শূন্য হয়ে পড়ে। ধীরে ধীরে চালিডিহি বাড়ি গ্রাম কাঁচা বাড়িগুলি ধ্বংস হতে বসে।আজ প্রত্যেকটি বাড়ি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।।জঙ্গলে পরিপূর্ণ হয়েছে গোটা গ্রাম।এক সময় চালিডিহি বাড়ি গ্রাম এখন ভুতের গ্রাম নামে পরিচিত।স্থানীয় ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারে বারে চেষ্টা করা হয় গ্রামবাসীদের গ্রামমুখী করার।কিন্তু মনের মধ্যে এতটাই ভুতের আতঙ্ক আর কেউ ফিরতে চায় না এই গ্রামে।বর্তমান সময়ে দুটি পরিবার বসবাস করে ওই গ্রামে।কারণ তাদের আর কোথাও যাওয়ার উপায় নেই।তবে দিনের আলোয় দিন কাটাতে পারলেও,সন্ধ্যে গড়ালেই কার্যত নিজেদেরকে গৃহ বন্দি করে নেয় তারা।কারণ তাদেরও ভূতের ভয় বা ভূতের আতঙ্ক আজও তারা করে বেড়াই।0
0
Report
आसनसोल में वस्त्र उद्योग के लिए केंद्र का सहयोग, निवेशकों में नई उम्मीद
Asansol, West Bengal:শিল্পের নতুন ভোরের আশায় আসানসোল! বস্ত্র কারখানায় দাঁড়িয়ে বিনিয়োগকারীদের আশ্বাস কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর, প্রসারে উদ্যোগী কর্তৃপক্ষ “হারানো দিনের স্বপ্ন বুকে, নতুন করে জাগুক শিল্পের আলো”— আসানসোলে বস্ত্র শিল্পকে ঘিরে যেন সেই আশারই ছবি। আসানসোল বাংলার শিল্প মানচিত্রে কি ফিরতে চলেছে নতুন সম্ভাবনা? দীর্ঘদিনের শিল্প সংকট কাটিয়ে বস্ত্র শিল্পকে কেন্দ্র করে নতুন করে আশার আলো দেখছে আসানসোল-দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চল। পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলের জামুড়িয়া শিল্পতালুকে একটি বস্ত্র কারখানা পরিদর্শনে এসে এমনই আশার কথা শোনালেন কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রী গিরিরাজ সিং। শুধু শিল্পের সম্ভাবনার কথা বলাই নয়, বিনিয়োগকারীদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে বাংলাতেই শিল্প সম্প্রসারণের বার্তা দিলেন তিনি। কারখানা পরিদর্শনের পর বাংলার শিল্প পরিস্থিতি নিয়ে সরব হন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘ বাম আমলের ইউনিয়নবাজি এবং পরবর্তী তৃণমূল সরকারের আমলে বাংলার অর্থনীতি ও শিল্পক্ষেত্র ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। অথচ একসময় ব্রিটিশ শাসনেরও আগে বাংলা ছিল দেশের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। সেই হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে কেন্দ্র ও রাজ্যের নতুন শিল্পনীতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে তাঁর আশা। গিরিরাজের মতে, কৃষির পরেই কর্মসংস্থানের অন্যতম বৃহৎ ক্ষেত্র বস্ত্র শিল্প। এই শিল্পে এক কোটি টাকা বিনিয়োগ হলে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জনের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। আসানসোল-দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চল-সহ গোটা বাংলায় বস্ত্র শিল্পের একটি শক্তিশালী পরিকাঠামো গড়ে তোলার উপর জোর দেন তিনি। জামুড়িয়ার ওই কারখানার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বিশেষভাবে তাঁদের বাংলায় থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। কর্তৃপক্ষের দাবি, অতীতে শিল্পের প্রতিকূল পরিবেশ, কাটমানি ও তোলাবাজির অভিযোগ এবং নানা সমস্যার কারণে কারখানার ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। এমনকি অন্য রাজ্য কিংবা বিদেশে শিল্প সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথাও ভাবছিলেন তাঁরা। কিন্তু এ দিনের পরিদর্শনে সেই ছবিতে বদলের ইঙ্গিত মিলেছে। কারখানার ভিতরে পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক এস পোন্নমবলমকে পাশে বসিয়েই শিল্পকর্তাদের আশ्वস্ত করেন গিরিরাজ সিং। তাঁর বার্তা, শিল্প গড়তে আর ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। বাংলায় কারখানা করুন, কেন্দ্রীয় সরকার সব রকম সহযোগিতা করবে। মন্ত্রীর এই আশ্বাসের পর বাংলাতেই থেকে শিল্প সম্প্রসারণের সিদ্ধান্তে এগোতে চাইছে কারখানা কর্তৃপক্ষ। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পরিদর্শনে খুশি কারখানার ডিরেক্টর অভিষেক শর্মাও। তাঁর বক্তব্য, কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি ও সহযোগিতার আশ্বাস ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করছে। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ঘোষিত নতুন শিল্পনীতি থেকেও তাঁরা ইতিবাচক সমর্থন পাচ্ছেন বলে জানান তিনি। অভিষেকের কথায়, একসময় বাংলায় বস্ত্র শিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে যথেষ্ট অনিশ্চয়তা ছিল। কিন্তু কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সরাসরি কারখানায় এসে যে ভাবে উৎসাহ দিয়েছেন এবং গার্মেন্টস ইউনিট সম্প্রসারণে সব রকম সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন, তাতে তাঁদের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়েছে। আর অন্য রাজ্য বা বিদেশে শিল্প সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা নয়, বরং বাংলাতেই বিনিয়োগ বাড়িয়ে উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির পরিকল্পনা করছেন তাঁরা। সব মিলিয়ে, আসানসোলের জামুড়িয়ার এই কারখানা পরিদর্শন শুধু একটি শিল্প পরিদর্শনেই সীমাবদ্ধ থাকল না। বরং বাংলায় বস্ত্র শিল্পের ভবিষ্যৎ, নতুন বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থান ঘিরে এক নতুন প্রত্যাশার আবহ তৈরি করল শিল্পাঞ্চলে।0
0
Report
Advertisement
संदाकफु रास्ते सड़क पर ब्लैक पैंथर कैद, वायरल वीडियो बनी चर्चा
Siliguri, West Bengal:সান্দাকফু যাওয়ার পথে গেটওয়েতে এবার ক্যামেরাবন্দি ব্ল্যাক প্যান্থার! সকাল সকাল রাজ্য সড়কে বিরল বন্যপ্রাণীর দেখা। পাহাড়ের আঁকাবাঁকা রাস্তা, চারপাশে ঘন জঙ্গল আর পাহাড়ি প্রকৃতির মাঝে হঠাৎই দেখা মিলল এক বিরল বন্যপ্রাণীর। এবার দার্জিলিংয়ের মানেভঞ্জন ফরেস্ট ডিভিশনের অন্তর্গত সান্দাকপুর গেটওয়ে এলাকায় নজরে এল ব্ল্যাক প্যান্থার। সকাল সকাল রাজ্য সড়কের উপর দিয়ে চলাচলের সময় এক ব্যক্তির মোবাইল ক্যামেরায় ধরা পড়ল এই বিরল দৃশ্য। জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তি গাড়িতে করে যাওয়ার সময় রাস্তার উপর ব্ল্যাক প্যান্থারটিকে দেখতে পান। আচমকা এমন এক বিরল বন্যপ্রাণীর দেখা পেয়ে 그는 গাড়ি থেকেই নিজের মোবাইল ফোনে গোটা দৃশ্যটি ক্যামেরাবন্দি করেন। আর সেই ভিডিও সামনে আসতেই স্বাভাবিকভাবেও কৌতূহল তৈরি হয়েছে প্রকৃতিপ্রেমী ও বন্যপ্রাণীপ্রেমীদের মধ্যে।0
0
Report
हिंदू- मुस्लिम एकता की मिसाल: धूमपाड़ा की काली पूजा में समवेत उत्साह
Dinajpur, Rangpur Division:সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য নজির, ধুমপাড়ার মা বিবিহার কালীপুজো প্রায় ২০০ বছরের ঐতিহ্য, হিন্দু-মুসলিমের মিলনমেলায় পরিণত হয় পুজো ও প্রসাদ বিতরণ দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বংশীহারী ব্লকের ধুমপাড়া গ্রামের শেষ প্রান্তে অবস্থিত মা বিবিহারের কালীমন্দির। প্রায় ২০০ বছরের প্রাচীন এই পুজো শুধু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং হিন্দু-মুসলিম ঐক্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য নিদর্শন হয়ে উঠেছে। কালীপুজোর রাতে এই জাগ্রত দেবীর মন্দিরকে ঘিরে বসে ভক্তদের মিলনমেলা। দুই সম্প্রদায়ের মানুষ একসঙ্গে পুজোর আয়োজন থেকে শুরু করে মেলা পরিচালনা—সবেতেই সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৯০০ সালে বৃন্দাবন সিং এই পুজোর সূচনা করেছিলেন। পরবর্তীতে বংশপরম্পরায় সেই পুজো আজও চলে আসছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মা বিবিহারের পুজো এই অঞ্চলের মানুষের বিশ্বাস, ভক্তি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে পড়েছে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, মুসলিমপ্রধান এই অঞ্চলে মা বিবিহারের পুজোকে কেন্দ্র করে হিন্দু ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ চোখে পড়ে। পার্শ্ববর্তী বরখইর-সহ বিভিন্ন গ্রামের মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষও পুজোয় অংশ নেন। অনেকে মায়ের কাছে মানত করেন, ভোগ নিবেদন করেন। আবার মন্দিরের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় শ্রদ্ধাভরে সালাম জানান মুসলিম ভক্তরা। ধর্মীয় বিভেদকে দূরে সরিয়ে রেখে এই পুজো যেন দুই সম্প্রদায়ের মানুষের হৃদয়ের সেতুবন্ধন হয়ে উঠেছে। স্থানীয় ও দূরদূরান্ত থেকে আসা ভক্তদের বিশ্বাস, মা বিবিহার অত্যন্ত জাগ্রত দেবী। মানসিক শান্তি, রোগমুক্তি এবং মনস্কামনা পূরণের আশায় প্রতি বছর অসংখ্য মানুষ মায়ের দরবারে হাজির হন। দীপাবলি ও অমাবস্যার এই বিশেষ দিনে গোটা গ্রাম যেন ধর্মীয় সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠে। পুজোর পরের দিন খিচুড়ি প্রসাদ বিতরণকে কেন্দ্র করে আরও বেশি মানুষের সমাগম হয়। হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সকলেই একসঙ্গে প্রসাদ গ্রহণ করেন। সারা বছর এলাকার মানুষ অপেক্ষা করেন এইspecial দিনটির জন্য। ঘন জঙ্গল ও ধানক্ষেতের সরু রাস্তা পেরিয়ে মন্দিরে পৌঁছন দূরদূরান্তের ভক্তরা। দুর্গম পথের ক্লান্তি ভুলে মায়ের দর্শন এবং প্রসাদ গ্রহণে তাঁদের উৎসাহ থাকে চোখে পড়ার মতো। ধর্মীয় পরিচয় আলাদা হলেও বিশ্বাস, ভক্তি ও মানবিকতার বন্ধনে একত্রিত হওয়ার এই দৃশ্যই মা বিবিহার কালীপুজোকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে। ধুমপাড়ার এই প্রাচীন পুজো আজ শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং হিন্দু-মুসলিম ঐক্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক জীবন্ত প্রতীক।0
0
Report
धूपगुड़ी एसटीएस क्लब Pujo: राजनीतिक बदलाव के साथ उद्घाटन नया अंदाज
Jalpaiguri, West Bengal:পালাবদলে বদলে গেল ধূপগুড়ির এসটিএস ক্লাবের পুজোর ছবিও! অনুপস্থিত একদা দাপুটে তৃণমূল নেতা, নজর কাড়ল শৃঙ্খলাপূর্ণ আয়োজন। যদিও তৃণমূল নেতা রাজেশ সিং ( গুড্ডু) টেলিফোনে জানান বাইরে থাকার দরুন তিনি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি। ক্লাবের সাথেই ছিলেন আছেন থাকবেন। সকলের সাথে যোগাযোগ হচ্ছে কোন অসুবিধা নেই। উত্তরবঙ্গের দুর্গাপুজোর মানচিত্রে বরাবরই বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে জলপাইগুড়ি ধূপগুড়ির এসটিএস ক্লাব। প্রতি বছরই অভিনব থিম, নজরকাড়া মণ্ডপসজ্জা এবং জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মাধ্যমে দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে এই পুজো। শুধু উত্তরবঙ্গ নয়, পুজো দেখতে আশপাশের রাজ্য থেকেও ভিড় জমান অসংখ্য মানুষ। তবে এবার পুজোর চমকের পাশাপাশি বিশেষভাবে চর্চায় উঠে এল রাজনৈতিক পালাবদলের ছাপ এবং আয়োজনের ধরনে পরিবর্তন। একসময় এসটিএস ক্লাবের পুজোর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের দাপুটে নেতা তথা জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক রাজেশ কুমার সিংয়ের নাম। কিন্তু এবারের পুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেখা গেল না সেই পরিচিত মুখকে। রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে বদলে গেল উদ্বোধনী মঞ্চের পরিচিত ছবিও। শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন আনুষ্ঠানিকভাবে পুজোর উদ্বোধন করেন। উপস্থিত ছিলেন জলপাইগুড়ির সাংসদ জয়ন্ত রায়, ধূপগুড়ির বিধায়ক নরেশ রায়, জেলা বিজেপি নেতৃত্ব এবং প্রশাসনের আধিকারিকরা। শুধু রাজনৈতিক উপস্থিতিতেই নয়, পুজোর ব্যবস্থাপনাতেও এবার চোখে পড়েছে পরিবর্তন। অতীতে রাস্তার উপর মণ্ডপ তৈরি এবং দর্শনার্থীদের ভিড়ের জেরে যান চলাচল ও সাধারণ মানুষের যাতায়াতে সমস্যার অভিযোগ উঠেছিল। তবে এবার সেই পরিস্থিতি এড়াতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায়। দর্শনার্থীদের পুজো দেখার সুযোগ করে দেওয়ার পাশাপাশি যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়েছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানও। ক্লাবের এই উদ্যোগে খুশি সাধারণ মানুষ। সব মিলিয়ে এবারের এসটিএস ক্লাবের পুজোয় যেন এক অন্য ছবি ধরা পড়ল। একদিকে রাজনৈতিক পালাবদলের ছাপ, অন্যদিকে পুরনো বিতর্ক এড়িয়ে সুশৃঙ্খল আয়োজন। ফলে এবার শুধু থিম কিংবা মণ্ডপের আকর্ষণ নয়, ধূপগুড়ির এসটিএস ক্লাবের পুজো আলোচনায় উঠে এসেছে বদলে যাওয়া পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনার কারণেও।0
0
Report
Advertisement
Gaaliyon ke virodh par Gosaba vidhaayak ke samarthakon ne mahila par baans-dandon se hamla
Baruipur, West Bengal:বিধায়ককে গালিগালাজের প্রতিবাদ করায় মহিলাকে বাঁশ-লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ। তদন্তে পুলিশ। গোসবা - গোসাবার বিধায়ক বিকর্ণ নস্করকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজের প্রতিবাদ করায় এক মহিলাকে বাঁশ লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল বাসন্তীতে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই প্রতিবাদী মহিলা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বাসন্তী থানার চুনাখালি গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তর চুনাখালি মন্ডল পাড়া এলাকায়। আক্রান্ত মহিলার নাম মঞ্জু মন্ডল। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে মঞ্জু মন্ডল ও তার ছেলে মিলন মন্ডল ও জামাই রাজু মন্ডল রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। সেই সময় রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে স্থানীয় তৃণমূল কর্মী সমর্থক তপন মন্ডল, সুশান্ত মন্ডল, সুরোজিত মন্ডল, উত্তম মন্ডল সহ অন্যান্যরা গোসাবার বিধায়কের নামে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করছিল বলে অভিযোগ। ছেলে এবং জামাই এর প্রতিবাদ করলে তাদের সঙ্গে বচসা বাঁধে। এরপর মঞ্জু মন্ডলও ঘটনার প্রতিবাদে সরব হন। অভিযোগ, এর কিছুক্ষণ পর মঞ্জু মন্ডলকে একা পেয়ে ১০-১৫ জন দুষ্কৃতী বাঁশ, লাঠি নিয়ে তাঁর উপর চড়াও হয়। ছেলে ও জামাই দ্রুত সেখান থেকে সরে গেলেও মঞ্জু দেবীকে ধরে মাটিতে ফেলে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। মারধরে অচৈতন্য হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। আক্রান্ত মহিলার অভিযোগ, যারা মারধর করেছে তারা তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী। পরে খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যায়। প্রথমে স্থানীয় একটি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অবস্থাক সংকটজনক হওয়ায় গভীর রাতে তাকে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন মঞ্জু মন্ডল। থানায় অভিযোগ দায়ের করবেন বলে জানা যায় ।0
0
Report
कटोया के सांकोपाड़ा में अज्ञात प्राणी का आतंक, सोते समय दो महिलाओं को काटे जाने का आरोप
Katwa, West Bengal:কাটোয়ার সাঁকোপাড়ায় অজানা প্রাণীর আতঙ্ক, রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় দুই মহিলাকে কামড়ানোর অভিযোগ রাতের অন্ধকারে কখনও বাড়ির উঠোনে, কখনও ঘরের ভিতরে হানা দিচ্ছে এক অজানা প্রাণী। ঘুমন্ত অবস্থায় পায়ে কামড় বসিয়ে মুহূর্তের মধ্যে পাঁচিল বা ছাদের কার্নিশ বেয়ে উধাও হয়ে যাচ্ছে সেটি। স্থানীয়দের অনুমান, প্রাণীটি ভাম বিড়াল। আর তাকে ঘিরেই আতঙ্ক ছড় They've ceased? जारी. পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া ১ ব্লকের মোস্তাফাপুর সংলগ্ন সাঁকোপাড়া গ্রামে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, ইতিমধ্যেই ওই প্রাণীর কামড়ে দুই মহিলা জখম হয়েছে। রাতের বিভিন্ন সময় একাধিক বাড়িতে তার আনাগোনা দেখা যাচ্ছে। চোখ জ্বলজ্বল করা, লম্বা লেজ ও অদ্ভুত মুখের গড়নের কারণে প্রাণীটিকে নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য। বাড়িতে ছোট শিশু থাকায় আতঙ্কিত অভিভাবকদেরাও। সন্ধ্যা নামলেই দরজা-জানলা বন্ধ করে ঘরের ভিতরে থাকছেন বাসিন্দারা। গ্রামবাসীদের দাবি, এখনও বনদফতর বা পঞ্চায়েতকে বিষয়টি জানানো হয়েছেনি। প্রাণীটির পরিচয় নিশ্চিত করে দ্রুত তাকে ধরার ব্যবস্থা করার দাবি উঠেছে এলাকায়। তবে আতঙ্কের এই প্রাণীটি আদৌ ভাম বিড়াল কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।0
0
Report
ओडलाबाड़ी फ्लायओवर पर ब्राउन शुगर के साथ गिरफ्तार, माल पुलिस ने कार्रवाई शुरू की
Mal Bazar, West Bengal:ওদলাবাড়ি ও ডামডিমের মাঝে ফ্লাইওভারে ব্রাউন সুগার সহ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করল মাল থানার পুলিশ। গোপন সুত্রে খবর পেয়ে মাল থানার আই সি পলজার ভুটিয়ার নেতৃত্বে সাব ইন্সপেক্টর পল্লব চক্রবর্তী গতকাল রাতে ওদলাবাড়ী ফ্লাইওভারের কাছ থেকে সইফুল আহমেদ নামক এক ব্যক্তিকে ব্রাউন সুগার সহ আটক ও পরে গ্রেফতার করে। গোপন সুত্র মারফত খবর পান সইফুল আহমেদ নিষিদ্ধ নেশার দ্রব্য সমেত ওদলাবাড়ী থেকে ডামডিমের দিকে যাচ্ছে। পুলিশ টিম নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে চলে যান। সইফুলকে আটক করে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তাকে সার্চ করে চারটি প্যাকেটের মধ্যে রাখা ৮.৪৯ গ্রাম ব্রাউন সুগার পায়। পরে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করা হয়। সমস্ত ঘটনা ভিডিওগ্রাফি করা হয়। ধৃত সইফুল আহমেদের বাড়ি আলিপুরদুয়ার জেলার জয়গা থানা এলাকায়। পুলিশ সামগ্রিক ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। গত কয়েকদিনে এই নিয়ে বেশ কিছু যুবক কে মাদক দ্রব্য সহ গ্রেপ্তার করলো মাল পুলিশ।0
0
Report
Advertisement
धानतरेस की रात असानसोल: मास्कधारी चोरों ने तीन फ्लैटों में चोरी कर दी
Asansol, West Bengal:ধনতেরাসের রাতে কমলা ধামে দুঃসাহসিক চুরি! মুখোশ পরে পরপর তিন ফ্ল্যাটে হানা, সিসিটিভিতে ধরা পড়ল দুষ্কৃতীদের ছবি। আসানসোল ধনতেরাসের রাতেও নিরাপদ নয় আবাসন! আসানসোলের রানিগঞ্জ থানার অন্তর্গত জিরাডাঙা এলাকার কমলা ধাম সোসাইটিতে porpor তিনটি ফ্ল্যাটে চুরির ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, ৪ থেকে ৫ জন মুখোশধারী দুষ্কৃতী রাতের অন্ধকারে আবাসনে ঢুকে প্রথম ও দ্বিতীয় তলার তিনটি ফ্ল্যাটে হানা দেয়। সেখান থেকে সোনা-দানা-সহ বিপুল পরিমাণ গয়না নিয়ে চম্পট দেয় তারা। আবাসনের সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে মুখোশধারী দুষ্কৃতীদের গতিবিধির ছবি। স্থানীয় সূত্রে জানা_gিয়েছে, চুরির সময় কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তির গতিবিধি নজরে আসে এক বাসিন্দার। বিষয়টি তিনি অন্য বাসিন্দাদের জানান। এরপর কয়েকজন আবাসিক নিরাপত্তারক্ষীকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন। তখনই সামনে আসে পরপর তিনটি ফ্ল্যাটে চুরির ঘটনা। অভিযোগ, ফ্ল্যাটের ভিতরে থাকা বাসিন্দারা চিৎকার করে সাহায্য চাইলেও দীর্ঘক্ষণ নিরাপত্তারক্ষীদের দেখা মেলেনি। সেই সুযোগেই দুষ্কৃতীরা একের পর এক ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে মূল্যবান গয়না ও টাকা পয়সা নিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর আবাসনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ফ্ল্যাটের মালিকেরা। তাঁদের প্রশ্ন, নিরাপত্তারক্ষী থাকা sত্তেও কীভাবে একসঙ্গে তিনটি ফ্ল্যাটে চুরির ঘটনা ঘটল? বিপদের সময় নিরাপত্তারক্ষীদের ভূমিকা কী ছিল? সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, মুখোশ পরা কয়েকজন ব্যক্তি চুরির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম নিয়ে আবাসনের ভিতরে ঘোরাফেরা করছে।। খবর পেয়ে রানিগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে দুষ্কৃতীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।0
0
Report
हरिदेपुर पूर्व पुटियारि तरुण संघ ने सुवर्ण जयंती मनाई; विधायक पपिया अधिकारी अस्वस्थ
Kolkata, West Bengal:ক্লাবের নাম হরিদেবপুর পূর্ব पुटিয়ারि तरुण সংঘ क्लাব। এই पুজो এই বছর ৫০ বছরে পা দিল অর্থাৎ সুবর্ণ জয়ন্তী বর্ষ। বিধায়িকা पাপিয়া अधিকারী এই پুজور উদ্বোধন পড়ার কথা থাকলে শরীর খারাপ의 জন্য উনি এখনো আসতে পারেননি। थিম: कृष्णঠাকুরের দ্বারকানগরী। পুরো জলের মধ্যের যে সমুদ্রর ভাবটা ছিল দ্বারকানগরীর, পুরো সেটাকে উদ্যোক্তারা তুলে ধরেছে মানুষের কাছে। বাইট रাহুল বারুই। پুজোর অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি।0
0
Report
41 साल के बेहाला मिलन शक्ती क्लब की काली पूजा: डाक विभाग थीम वाला पंडाल
Kolkata, West Bengal:বেহালা মিলন শক্তি ক্লাব এর ৪১ বছর এর কালি পুজো, এবছর এর থিম কলকাতা র ডাক বিভাগ, পোস্ট অফিস এর আদলে তৈরী প্যান্ডেল, ডাক টিকিট দিয়ে সাজানো হয়েছে মন্ডপ। আজ পুজোর উদবোধন করলেন মহারাজ রাজীবেসা নন্দ মহারাজ। সব শেষে মহারাজ ক্লাব এর নামে একটি চিঠি লিখে দিলেন।0
0
Report
Advertisement
