Become a News Creator

Your local stories, Your voice

Follow us on
Download App fromplay-storeapp-store
Advertisement
Back
Kolkata700073
आज मुख्यमंत्री के जन्मदिन पर बैरकपुर लोकसभा क्षेत्र में सेवास्रय कैंप शुरू, हर विधानसभा में कैंप लगे...
SGShreyasi Ganguly
Jan 05, 2026 05:49:55
Kolkata, West Bengal
आज मुख्यमंत्री के आधिकारिक जन्मदिन. उसी जन्मदिन को याद रखते हुए और अभिषेक बनर्जी के अनुसरण में बैराकपुर लोकसभा क्षेत्र में सेवास्रय कैंप शुरू होने वाले हैं. आज हलिशहोर क्षेत्र में कैंप लगाए जाएंगे. बैराकपूर लोकसभा क्षेत्र के हर विधानसभा में अलग-अलग कैंप लगाए जाएंगे.
0
comment0
Report

For breaking news and live news updates, like us on Facebook or follow us on Twitter and YouTube . Read more on Latest News on Pinewz.com

Advertisement
DGDebabrata Ghosh
Jan 06, 2026 16:00:21
Howrah, West Bengal:২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম না থাকায় হাওড়ায় শুনানিতে ডাকা হলো এসইউসিআইয়ের প্রাক্তন সাংসদ তরুণ মন্ডলকে। হাওড়া জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি তৃণমূলের আজয় ভট্টাচার্য, দক্ষিণ হাওড়ার বিধায়ক তৃণমূলের নন্দিতা চৌধুরির পর এবার হাওড়ায় এসআইআরের শুনানিতে ডাকা হলো হাওড়ার বি গার্ডেনের বাসিন্দা এসইউসিআই নেতা তথা দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরের প্রাক্তন সাংসদ তরুণ কুমার মন্ডলকে। এসআইআরের খসড়া তালিকা প্রকাশের পর নথি যাচাইয়ের জেরে রাজ্যজুড়ে বহু ভোটারকে শুনানিতে হাজির হতে হচ্ছে। এই তালিকায় বাদ পড়ছেন না জনপ্রতিনিধিরাও। সেই তালিকায় এবার নাম উঠলো এসইউসিআইয়ের প্রাক্তন সাংসদ তরুণ কুমার মন্ডলের。 মঙ্গলবার দুপুর ১২টা নাগাদ শিবপুরের বি গার্ডেনের কলেজঘাট রোডে পূর্ত দপ্তরের অফিসে শুনানি কেন্দ্রে যাবতীয় নথি নিয়ে শুনানিতে হাজির হতে বলা হয় তরুণবাবুকে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশমতোই তরুণবাবু এদিন যাবতীয় নথি নিয়ে শুনানিতে অংশ নেন। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তরুণবাবুর নাম না থাকায় শুধু তাঁর মায়ের নাম থাকায় এসআইআরের শুনানিতে তাঁকে ডাকা হয়। এদিন শুনানিতে অংশ নেওয়ার পর এই প্রসঙ্গে তরুণবাবু জানান, ‘‘আমি কেন্দ্রীয় সরকারের চাকরি করতাম। তাই ২০০২ সালে কর্মসূত্রে আমি মহারাষ্ট্রে ছিলাম। ফলে তখন নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় কোনওভাবে আমি হাওড়ায় বি গার্ডেনের বাড়িতে না থাকায় আমার নামটা ভোটার তালিকায় ওঠেনি।’’ কিন্তু তরুণবাবুর বক্তব্য, ‘‘২০০২ সালের ভোটার তালিকায় আমার নাম না থাকতে পারে। কিন্তু ২০০৯ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত আমি তো লোকসভার সাংসদ হয়েছিলাম। ভোটার তালিকায় নাম না থাকলে তাহলে আমি কীভাবে সাংসদ হলাম? তবে কী বাংলাদেশ থেকে এসে ভারতের লোকসভায় সাংসদ হয়ে গেলো কেউ? এই প্রশ্ন আমি নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের করেছি। প্রথমত আমি সাংসদ ছিলাম। दोस्रोত আমি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ছিলাম। ফলে নির্বাচন কমিশনের কাছে আমার সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য থাকার কথা। যদি নাও থাকে তাহলেও নির্বাচন কমিশন সহজেই আমার সম্পর্কে তথ্য পেয়ে যেতে পারে।’’ এদিন এসইউসিআইয়ের এই প্রাক্তন সাংসদ অভিযোগ করেন, ‘‘আসলে এভাবে নির্বাচন কমিশন সাধারণ মানুষকে হয়রানি کررছে। শুধু আমাকে নয়, নানা ছোট ছোট বিষয় নিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি کررছে।’’ তাঁর কথায়, ‘‘আমার মায়ের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় ছিলো। আমার মা ২০১৩ সালে মারা যান। শুনানিতে আমি আমার মায়ের ডেথ সার্টিফিকেট জমা দিয়েছি। মায়ের এপিক কার্ড দিয়েছি। তা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা আমার নাম ভোটার তালিকায় উঠবে বলে আশ্বাস দিতে পারেননি। দেখা যাক কমিশন কী করে? অপেক্ষায় রইলাম।’’
0
comment0
Report
NHNantu Hazra
Jan 06, 2026 15:51:13
Salt Lake City, Utah:Hearings are going on during school hours and there are objections from the school authorities. Many people from outside are coming to the hearing, there are small school children and they object by asking who will take their responsibility if something happens. Let the election commission look into the application of the school authorities. স্কুল চলাকালীন চলছে স্কুলের মধ্যে হেয়ারিং সেখানেই আপত্তি স্কুল কর্তৃপক্ষের। বাইরের থেকে বহু মানুষ আসছেন হেয়ারের এ স্কুলের ছোট ছোট বাচ্চারা রয়েছে কিছু হলে তাদের দায়িত্ব কে নেবে এই প্রশ্ন তুলে তাদের আপত্তি। বিষয়টি ইলেকশন কমিশন খতিয়ে দেখুক আবেদন স্কুল কর্তৃপক্ষের। সল্টলেক জিডি ব্লকের একটি বেসরকারি স্কুলে (st. Johan primary school) চলছে হেয়ারিংয়ের কাজ।স্কুলে চলছে ছোট ছোট ছাত্র ছাত্রীদের ক্লাস। সেখানেই হিয়ারিং এর জন্য আসছে বহিরাগতরা দাবি স্কুলের। যদি বাচ্চাদের কিছু হয় তার দায়িত্ব কে নেবে? প্রশ্ন স্কুল কর্তৃপক্ষের। অবিলম্বে বিষয়টি নির্বাচন কমিশন দেখুন আবেদন স্কুল কর্তৃপক্ষের। দুপুর বারোটা থেকে হেয়ারিং শুরু হওয়ার কথা ছিল, সেই মতো হেয়ারিং এ ডাকবে বহু মানুষ তারা স্কুলে এসে জমায়েত হয়। বেশিরভাগ রয়েছে বয়স্ক মানুষ। ঠান্ডার মধ্যে তারা দীর্ঘক্ষণ লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে। কিন্তু হেয়ারিংয়ের কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি, খবর পেয়ে ছুটে আসেন বিধাননগর दक्षिण থানার পুলিশ ও উচ্চপদস্থ আধিকারিক। ছুটে আসে চৌত্রিশ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রঞ্জন পোদ্দার। এর পরেই আলোচনার মাধ্যমে দীর্ঘক্ষণ পর হেয়ারিং কাজ শুরু হয়। তবে hearing এর জন্য দুজন করে ভেতরে যেতে পারবে। এই কারণেই নির্দিষ্ট যে সময় সীমা বেঁধে দেওয়া রয়েছে সেই সময়সীমা অতিক্রম হয়ে যাবে বলেই মনে করছে হিয়ারিং এ আগত মানুষেরা। যার ছেড়ে এই ঠান্ডায় সমস্যায় পড়েছেন তারা।
0
comment0
Report
NHNantu Hazra
Jan 06, 2026 15:50:51
0
comment0
Report
RDRaktima das
Jan 06, 2026 15:35:42
0
comment0
Report
DBDebanjan Bandyopadhyay
Jan 06, 2026 14:46:25
Kolkata, West Bengal:বশেষে ভারতের ফুটবলের মেগা লিগ আইএসএল এর কিক-অফের দিনক্ষণ এবং একটি নির্দিষ্ট দিশা পাওয়া গেল মঙ্গলবার। দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে চলা আইনি জটিলতা এবং প্রশাসনিক অচলাবস্থার পর, সরকারের সরাসরি হস্তক্ষেপে ২০২৬ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে চলেছে ইন্ডিয়ান সুপার লিগ। ক্রীড়া মন্ত্রক, অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন এবং অংশগ্রহণকারী ১৪টি ক্লাবের প্রতিনিধিদের মধ্যে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকের পর এই জট কেটেছে। মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল এবং মহামেডান স্পোর্টিংয়ের মতো ঐতিহ্যবাহী শক্তির পাশাপাশি মুম্বই সিটি, বেঙ্গালুরু এফসি, এফসি গোয়া, কেরালা ব্লাস্টার্স, চেন্নাই, দিল্লি, পাঞ্জাব, নর্থইস্ট ইউনাইটেড, জামশেদপুর, ওড়িশা এবং ইন্টার কাশির মতো আইএসএল-এর নিয়মিত দলগুলো এই বৈঠকে উপস্থিত ছিল। ভারতীয় ফুটবলের প্রধান অংশীদাররা খেলাটি পুনরায় শুরু করার একটি রোডম্যাপে একমত হয়েছেন। ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মান্ডব্য নিশ্চিত করেছেন যে, আইনি অনিশ্চয়তাই ছিল এই বিলম্বের প্রধান কারণ। মন্ত্রী বলেন, "কিছু আদালতের মামলার কারণে আইএসএল অনিশ্চয়তার মুখে ছিল। তবে আমরা সমস্ত অংশীদারদের সাথে কথা বলতে সক্ষম হয়েছি এবং সমস্যার সমাধান হয়েছে; এ বছরই আইএসএল অনুষ্ঠিত হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিভঙ্গি হলো ভারতে খেলাধুলা যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এবং আমি আনন্দিত যে আমরা এটি সমাধান করতে পেরেছি।" মাঠের লড়াইয়ে দেখা যাবে ১৪টি ক্লাবকে, যারা 'সুইস মডিউল' সিস্টেমে সিঙ্গল-লেগ হোম-অ্যান্ড-অ্যাওয়ে ফরম্যাটে খেলবে। এই কাঠামোয় মোট ৯১টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে, যা মরশুম বাতিল বা সংক্ষিপ্ত হওয়ার আশঙ্কা দূর করে প্রতিযোগিতামুলক ধারাবাহিকতা ফিরিয়ে আনবে। মাঠের বাইরেও প্রশাসনিক সংস্কার এই বৈঠকের অন্যতম প্রধান বিষয় ছিল। ক্লাবগুলো একটি ‘গভর্নিং কাউন্সিল বোর্ড’ গঠন করবে জাদের বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বায়ত্তশাসন থাকবে। এই পদক্ষেপটি ফেডারেশনের সাথে সংঘাত কমাতে এবং ক্লাবগুলোকে রাজস্ব, স্পনসরশিপ ও অপারেশনাল পরিকল্পনার ওপর আরও নিয়ন্ত্রণ দেওয়ার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। আর্থিক কাঠামোটিও স্পষ্ট করা হয়েছে। একটি ২৫ কোটি টাকার কেন্দ্রীয় তহবিল (central pool) তৈরি করা হবে, যেখানে AIFF ৪০ শতাংশ অবদান রাখবে। লিগ নিজে পাবে ১০ কোটি টাকা এবং আই-লিগের জন্য ৩.২ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হবে। ইন্ডিয়ান উইমেন্স লিগ (IWL) ১০০ শতাংশ অর্থায়ন পাবে—যা নারী ফুটবলকে শক্তিশালী করার সরকারি সদিচ্ছার প্রতিফলন। কাঠামোগত পরিবর্তন কেবল আইএসএল-এর মধ্যেই সীমিত নয়। আই-লিগ মরশুম সংকুচিত করে ৫৫টি ম্যাচ করা হবে, আর ঘরোয়া ফুটবলের পিরামিডকে আরও উন্নত করতে আই-লিগ ২ এবং ৩-কে একীভূত করা হবে। কর্মকর্তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে ৬টি জাতীয় লিগই নির্ধারিত সময়ে শুরু ও শেষ হবে—যার লক্ষ্য হলো ভারতীয় ফুটবলের ক্যালেন্ডারের বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনা। প্রশাসনিক লড়াই এবং অনিশ্চয়তায় জর্জরিত একটি খেলার জন্য ১৪ ফেব্রুয়ারির এই প্রত্যাবর্তন কেবল একটি সূচি ঘোষণা নয়। এটি ক্রীড়া ইকোসিস্টেমকে স্থিতিশীল করার, ক্লাবগুলোকে রক্ষা করার এবং মান্ডব্যের কথা অনুযায়ী—ভারতীয় খেলাধুলা যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় তা নিশ্চিত করার একটি সরকারি প্রচেষ্টা।
0
comment0
Report
DBDebanjan Bandyopadhyay
Jan 06, 2026 14:29:42
Kolkata, West Bengal:শুভেন্দু অধিকারী প্রেস কনফারেন্স: আপনারা জানেন যে এসআইআর চলছে। এই এসআইআর চলাকালীন আমাদের মাননীয় সাংসদ রাজু বিস্তাজী তিনি 291 2025 প্রথম রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনীয় আধিকারিক মাননীয় মনোজ আগরওয়ালকে চিঠি লেখেন যে দার্জিলিং থেকে শুরু করে আপটু ফালাকাটা, তুফানগঞ্জ, আলিপুরদুয়ার, তরাই, ডুয়ার্স এলাকা জলপাইগুড়ির মাল, নাগরাকাটা থেকে শুরু করে ডাবগ্রাম, ফুলবাড়ি বা উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া এলাকায় যেখানে মূলত চাবাগান অনেক সংখ্যায় এবং কিছু সংখ্যায় আছে সেখানে চাবাগানের যে শ্রমিকরা তারা দশকের পর দশক ধরে চা শ্রমিক হিসেবে কাজ করেছেন এবং ওখানে রয়ে গেছেন বংশ পরম্পরায় তাদের কাছে স্কুল সার্টিফিকেটও নেই, তাদের কাছে কোন কাগজই কার্যত নেই। তাদের 这个 অসুবিধাটা গোটা ভারতবর্ষে থাকার কারণে ভারত সরকার 2006 সালে ফরেস্ট এলাকায় যারা অধিবাসী তাদের জন্য ফরেস্ট অ্যাক্ট অধিকারের আইন এনেছিলেন 2006 সালে। রাজু বিস্তা first এটা আওয়াজ তোলেন যে এসআইআর এ আপনাদের যে 11 दфা ডকুমেন্ট আছে his মধ্যে ফরেস্ট রাইটস যে নথি আছে ওখানে ওরা থাকে সেই নথিটাকে একসেপ্ট করা হতো এই 11 টা দфার মধ্যে ওটা নেই কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে চলে গেল ডিসেম্বর চলে গেল আজকে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ এই কাগজ গ্রহণ করা এখনো পর্যন্ত সরকারিভাবে গ্রহণ করা হয়নি বা জানানো হয়নি। আজকে সকালেই আমি ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষে বিরোধী দলনেতা হিসেবে আমাদের উত্তরবঙ্গের চাবাগান এলাকা এমপি মনোজ টিগ্গা রয়েছেন যিনি নিজেও একজন চা মজদুর। চা বাগানেই উনি থাকেন। তার সঙ্গে দীপক বর্মন সহ আমাদের একাধিক তরাই ডুয়ারস এবং দার্জিলিং প্লেন এলাকার অনেক এমএলএরা আছেন, যাদের এলাকাতে টি গার্ডেন রয়েছে আমরা আজকে অনুরোধ করেছি যেহেতু হিয়ারিং চলছে 7ই ফেব্রুয়ারি হিয়ারিং শেষ হয়ে যাবে। অভিলম্বে এই ফরেস্ট রাইটস অক্ট অনুযায়ী তাদের কাছে যে আছে বিষয়টা তারা যে আছেন সেই কাগজ গ্রহণ করে তাদের হেয়ারিং এ নিষ্পত্তি করা হোক। যাতে একটাও চাবাগান শ্রমিকের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ না যায় এবং আমরা আশাবাদী যে ভারতের নির্বাচন কমিশন আমাদের সাংসদ রাজু বিস্তার চিঠি এবং এলওপি যে যুক্তিপযুক্ত অনুরোধ সেটা তারা গ্রহণ করবেন এবং দ্রুত এর নিষ्पত্তি করবেন। এই 2006 সালে ফরেস্ট রাইটস অ্যাক্ট একমাত্র পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া ভারতবর্ষের সব রাজ্যেই কার্যকর রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে কার্যকর করেনি এই রাজ্যের সরকার। তার কারণ এই সরকার আদিবাসী বিরোধী সরকার। এই সরকার নেপালি রাজবংশী বিরোধী সরকার। এই সরকার চাবাগান শ্রমিকদের বিরোধী সরকার। কারণ অধিকাংশ চাবাগানে 2014 সালে দার্জিলিং থেকে এসএস আলুওয়ালিয়া জেতেন, তার পরবর্তী সবে 2019 এ আলিপুরদুয়ার জলপাইগুড়ি এবং দার্জিলিং আসন থেকে ভারতীয় জনতা পার্টি যেতে এবং 21 অধিকাংশ আসন থেকে বিজেপি জিতেছিল। 24 এর নির্বাচনেও আমরা দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার থেকে জিতেছি। তাতে গরিষ্ঠ সংখ্যক চাবাগানের ভোটাররা আজকে নয় অনেকদিন ধরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজির প্রতি তারা আস্থা রেখে বিজেপিকে ভোট দান করেন এবং তাদের বঞ্চনার জন্য মমতা বন্দোপাধ্যায় বা তৃণমূল কংগ্রেস দায়ী তাই ভোট দেন না। সেই কারণে তাদের এই ফরেস্ট রাইটস অক্ট এই রাজ্য স্বীকৃতি দেয়নি। সেই কারণেই আমরা আজকে সাংবাদিক সম্মেলনের মধ্য দিয়ে রাজু বিস্তার চিঠি আমার চিঠি আমরা তুলে ধরলাম। আমরা আশা করি ইলেকশন কমিশন নিষ্পত্তি করবেন। মুখ্যমন্ত্রী তিন তিনটে চিঠি দিয়েছেন এসআইআর চলাকালীন। সবগুলো চিঠিতেই এসআইআর বন্ধ করার দাবি তুলেছেন। এত অল্প সময় হবে না ইত্যাদি ইত্যাদি। এবং ঘুরিয়ে ফিরিয়ে তিনি বাংলাদেশী মুসলিম অনুপ্রবেশকারী এবং রোহিঙ্গাদের যাতে কেউ ডিস্টার্ব না করে তার কথা বলেছেন। তার রাজ্যে বসবাস করা দশকের পর দশক ধরে থাকা। চা বাগানের শ্রমিকদের যাদের মধ্যে গরিষ্ঠ সংখ্যক হচ্ছে আদিবাসী এবং নেপালি গোরখা এবং রাজবংশী এবং অনেকে বিহার থেকে আগত সেই লোকেদের বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী একবারও কিন্তু এইবার তিনবারের চিঠিতে একবারও উল্লেখ করেননি। এটার মধ্য দিয়ে চাবাগান শ্রমিকদের ভোটাধিকারও যাতে না থাকে ঘুরিয়ে কার্যত তিনি বা তার সরকার বা তার দল এটাই চাইছেন বলে আমাদের মনে হয়েছে। তাই আমরা চাবাগান শ্রমিকদের ভোটার তালিকায় নাম রাখা এবং তারা যাতে কোনভাবে হেয়ারিং এ অসুবিধায় না পড়েন এবং সর্বোপরি 2006 এ ফরেস্ট রাইটসঅক্ট যাতে কার্যকর হয় তার দাবি করার জন্যই আজকে এখানে সমবেত হয়েছে অনেকগুলো শুনানি হয়ে গিয়েছে কাজেই চাবাগান যারা আপাতত অংশগ্রহণ করেছেন তাদের দলে তো পুনরায় এই অর্ডারটা যেখনি হয়ে যাবে কারণ ওরা শুনানিতে গিয়ে ওই ডকুমেন্ট জমা দিয়ে এসছে 11 দফার মধ্যে কোনটা জমা দিতে পারেনি এটা ঘটনা ওই ডকেন্টটা নিয়েছে যারা শোনানিী করেছিলেন এই আরো বা তার প্রতিনিধিরা সেটা গ্রহণ করেছেন তারা ডিওর ওখানে আপলোডও করেছে যখনই অর্ডার হবে তখনই সাথে সাথে তাদেরকে পুনরায় আর হেয়ারিং এ যাওয়ার দরকার হবে না তাদের এটা স্বীকৃতি লাভ করবে যেমন আমাদের বাংলাদেশ থেকে হিন্দু শরণার্থীদের ক্ষেত্রেও সিএএ যারা এপ্লাই করেছেন শুনানিীর মাধ্যমে তারা যেদিন যেদিন সিটিজেনশিপ পাচ্ছেন সেদিনই কিন্তু তার ভোটার লিস্টের নাম উঠে যাবে। এই সংক্রান্ত সাংবাদিক সম্মেলন সিএ সংক্রান্ত এবং কিভাবে ইয়ারও বা এইয়ারো লেভেলে বাতিল হলে বাংলাদেশের হিন্দু শরণার্থীরা তারপরে কোথায় আপিল করবেন এ সংক্রান্ত বিষয়ে আগামী সপ্তাহে আমি আরেকটি সাংবাদিক সম্মেলন করে আপিলের ফরমেট আমি প্রকাশ করব এবং আমি সেটা তাদেরকে মানে গাইড করে দেব বা জানাবো এটা আমার দায়িত্ব সকলে ইন্ডিভিজুয়াল জানতে পারেন না এটা আমাদের কাজের মধ্যে পড়ে আমরা তাদের পক্ষে ভারত সরকার তাদের পক্ষে আপনি কি বলছেন প্র: তৃণমূল একটা ফর্ম খুব গোপনে বিলি করছে পঞ্চনামা বা ঘোষণাপত্র নাম দেয়া হয়েছে। পাঁচজন স্থানীয় লোক নাকি বলবে যে এই লোকটাকে আমি চিনি এবং ইনি বৈধ ভোটার। অবৈধ ভোটারদের বাঁচানোর জন্যই তৃণমূল এই কাজটা করছে। এ বিষয়ে আপনি কিছু বলবেন? শুভেন্দু: করতে পারেন না। করতে দেন না। তৃণমূল কংগ্রেস প্রকাশ্যে তার নেত্রী বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে। আমি আপনাদের কাগজ বানিয়ে দেব। আমার কথা নয়। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর কথা হ্যাঁ কিনা বলুন কয়েকদিন আগে বলেছেন আমি আপনাদেরকে কাগজ বানিয়ে দেব কাগজ বানানোটা কেমন 65 বছরের বৃদ্ধকে বার্থ সার্টিফিকেট দেওয়া কাগজ বানাটা কেমন বরিশাল থেকে আসা মফিজুলকে বারাসাতের বাসিন্দা বলে ডমিসাইল সার্টিফিকেট দেওয়া কাগজ বানানোটা কেমন আইসিডিএস এ পেন্সিল দিয়ে নাম তুলে সেই আইসিডিএস এর তালিকাটা দেওয়া। আর ইলেকশন কমিশন সবগুলোই ধরেছে। প্রথম কথা হচ্ছে ডমিসাইল সার্টিফিকেটের আইন পড়ুন। 15 বছরের পুরনো ডমিসাইল সার্টিফিকেট ছাড়া একসেপ্ট হয় না। হেয়ারিং এ যা দিচ্ছে নিয়ে নিচ্ছে। বিএলওদের যা দিচ্ছেন শুনানিতে নিয়ে নিচ্ছে। তারা আপলোড করছে। ডিওতে ডিওর কাছে ডিইও মানে ডিএম Dএমদেরকে সার্টিফাই করতে হচ্ছে যে এই সার্টিফিকেট অথেন্টিকেট ডিএমদের সার্টিকেট করতে হচ্ছে। এবার ডিএমরা যদি ওবিসির ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের কাটঅফ ডেটের বাইরের কোন ওবিসি সার্টিফিকেট বা কমিউনিটিকে একসেপ্ট করে সেই ডিএম সাসপেন্ড হবে জেল হবে। আইনে তার জানা একইভাবে নতুন ডমিসাইল সার্টিফিকেট নতুন বার্থ সার্টিফিকেট এক্সেপ্ট করার কোন সুযোগ বা জায়গা নেই তৃণমূল আর তৃণমূলের আইপ্যাক প্যাকপ্যাক করতে থাকুন পঞ্চনামা কেন 500 নামাও করতে থাকুন লাভ কিছু হইব না চোর একদম কঠ্য ধরা পড়েছে এদেরকে 14 ফেব্রোরির পরে বলতে হবে এই ভোটার লিস্টে নির্বাচনে আমরা যাবো না তো 7 কোটিছ এসছে ডাপ লিস্টে 58 লাখ বাদ গেছে বাকيتা 15ই ফেব্রুয়ারি বলব প্র: আলিপুরদুয়ারে অভিষেক ব্যানার্জী বলে এলেন আমি চা শ্রমিকদের এই করে দেব চতুর্থবার সরকারে এলে আমি চা শ্রমিকদের তাই করে এটা এক দু নম্বর হচ্ছে যে দুদিন আগে বারুইপুরে তিনি কয়েকজনকে হাটালেন দের দেখা গেল যে তারা ভুভ ভূত দুই আর তিন নম্বর হচ্ছে যে ইউপিএসসি জেটা ডিজিপি নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে তিন তিন ক্ষেত্রে একটু যদি শুভেন্দু: প্রথমত বলি তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড ইন কমান্ড এবং আঞ্চলিক দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক মানে গরুর গাড়ির হেডলাইটের মত তা তিনি ওখানে গিয়ে বলে এসেছেন। এসব কথা তা আপনার প্রথমত বলি চা বাগান কারা পরিচালিত করে এখন পাবলিক সেক্টর আন্ডারটেকিং বা এসটিয়ো পিএসইউর হাতে চাবাগান তো নেই। দুটো একটা আছে। তাইতো চারটে আছে। অনলি ফোর। বাকি সবই প্রাইভেট ম্যানেজমেন্টের হাতে চলে গেছে। কোঅপারেটিভার হাতে তো নেই। একটা মানে শ্রমিকরা যে জুটে কোপাটিপ করে বন্ধ চাবাগান চালাবে এরকম ইনস্ট্যান্স নেই। মাত্র চারটা রয়েছে পিএসইউ পাবলিক সেক্টর আন্ডারটেকিং বা এসটিউ স্টেট আন্ডারটেকিং। এর বাইরের সমস্ত চাবাগান এপ্রক্স 600 চাবাগান আছে প্রায় 50 টা মত বন্ধ হয়ে পড়ে আছে। আর বাকিগুলো চলছে একদম আমাদের দার্জিলিং এ টাইগার হিল থেকে শুরু করে আসাম বর্ডার পর্যন্ত। 12 পর্যন্ত আপনি যদি ধরেন তাহলে এই এলাকায় মূলত বেশিরভাগ চা বাগানগুলো আছে এখানে চাবাগান ম্যানেজমেন্ট দ্বারা পরিচালিত হয়। লেবার একট দুরকম আছে ইউ নো ইট ভেরি ওয়েল যদি রেল কর্মচারীদের সমস্যা হয় নিজাম প্যালেসে আরএলসি ডাকবে যদি পোর্টের কর্মচারীদের শ্রমিকদের সমস্যা হয় আরএলসি ডাকবে যদি এয়ারপোর্টে কোন প্রবলেম হয় আরএলসি ডাকবে ভারত সরকারের বিষয় চাবাগানের শ্রমিকদের যদি প্রবলেম হয় সেন্ট্রাল লেবারে একটা বলা আছে এটি স্টেট সাবজেক্ট। সেই কারণে প্রত্যেক বছর বোনাসের মিটিং রাজ্যের শ্রম কমিশনার শ্রম সচিব শ্রমমন্ত্রীর উপস্থিতিতে সিদ্ধান্ত হয় 19% দেব না 16% দেব না 20% দেব সিদ্ধান্ত হয়। তাই চাবাগান শ্রমিকদের যে সমস্যা এর জন্য দায়ী রাজ্য সরকার। তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড ইন কমান্ড যার নেত্রী মুখ্যমন্ত্রী তার সরকারের নিয়ন্ত্রণে হচ্ছেন চাবাগান শ্রমিকদের সমস্যা তাহলে উনি যে কথাটা বললেন মমতা ব্যানার্জীর বিরুদ্ধেই বললেন মোয়ল প্র: এই যে বারুইপুরে যারা হাটলো তারা সবাই কিন্তু ছ নম্বর ফর্মটা ফিলাপ করেছে। শুভেন্দু: না আপনাকে বলি এটাতেও এত বড় প্রক্রিয়াতে যদি কোন মৃত লোকের নাম জীবিত লোকের নাম মৃত তালিকায় উঠে যায় তার জন্যই তো ড্রাফট, ভোটার লিস্ট এত তাড়াহুড়া করার কিছু নয় তো ফাইনাল ভোটার লিস্টের পরেই তিনি র্যাম্পে হাটাতেন দেখতে ভালো লাগতো ত্রুটিযুক্ত ভোটার তালিকাকেই খসড়া ভোটার তালিকা বলে আর ত্রুটিভুক্ত তালিকেকেই ফাইনাল ভোটার তালিকা বলে আর যদি নিচে যাই তাহলে ভ্যানিশ কুমার আর জ্ঞানেশ কুমার যাই বলুন না কেন এর তো কোন রোল নেই বিএলও কে দিয়েছিল? 800 বিএলও প্রোভাইডেড বাই স্টেট গভমেন্ট। স্টেটের এডমিনিস্টেটিভ চিফ কে মমতা ব্যানার্জী। চিফ সেক্রেটারি কে ছিলেন মনোজ পন্থ। আপনারা যে লিস্ট দিলেন আমি বলব তৃণমূলের BLO ইচ্ছা করে তিনজনকে মৃত দেখিয়ে দিয়েছে। ওই তিনকে বিএলর বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। ওদের গ্রেপ্তার করা উচিত। কাস্টডিতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে জানা যাবে যে আইপ্যাকের চক্রান্তে জীবিত লোককে মৃত দেখানো হয়েছে। যাতে খসড়া ভোটার তালিকার পরে এসআইআর এর বিরুদ্ধে বারুইপুর বা কোথাও একটা নিয়ে গিয়ে সমগ্র নির্বাচন কমিশনকে কালিমা লিপ্ত করে এসআইआर প্রক্রিয়াকে প্রশ্ন চিহ্নের সামনে দাঁড় করানো যায়। এই চক্রান্ত তিনজন বিএলও করেছেন এবং এই তিনজন বিএলওর সঙ্গে তৃণমূলের যোগাযোগ আছে এই চক্রান্তের চিত্রনাট্য আইপ্যাকেই তৈরি করা প্র: তো এইটা নিয়ে তারা তো সুপ্রিম কোর্টে সম্ভবত তারা কিছু করছে শুভেন্দু: সুপ্রিম কোর্ট তো বলেছে ফাইনাল ভোটার লিস্ট বের হলে যদি কারোর বৈধ লোকের বাদ যায় আপনারা সুপ্রিম কোর্টে আসুন আর্টিকেল 226 এ আছে মৌলিক অধিকার প্রাপ্তবয়স্ক লোক ভোটার হবে। আপনি এখন মাঝখানে গেলে কি হবে? ছয় নম্বর ধর্ম দেবেন আর ওখানেও যাবেন। দুটো তো হতে পারে না। প্র: নিয়োগের বিষয়টি যে ইউপিএসসি সেভাবে করেছে শুভেন্দু: একদম পরিষ্কার পশ্চিমবঙ্গ সরকার দশকর্মা ভান্ডারের মত চলছে। এটা প্রমাণ হয়ে গেছে। ডিওপিটির গাইডলাইন আইএস এর ক্যাডার রুল সিনিয়ারিটি কিচ্ছু মানে না আমার অবৈধ কাজ যে করবে আমি তাকে যা খুশি করবো আমি তাকে 89 এর বাঙালি অত্রী ভটচাজকে বাদ দিয়ে দেব তার থেকে জুনিয়র 94 এর আইএস কে চিফ সেক্রেটারি করব আমি 40 জন আইএসকে দূরে সরিয়ে দিয়ে 2004 এর জগদীশ মিনাকে হোম সেক্রেটারি করব একে দশকর্মা ভান্ডার ছড়া কি বলবেন। ইউপিএসসি আজকে বলে দিয়েছে লিখিতভাবে গতকাল যে পশ্চিমবঙ্গ সরকার যথাসময়ে প্যানেল পাঠায়নি তাই তাদের পাঠানো এই প্যানেল আমরা বাতিল করলাম। মূল লক্ষ্য ছিল রাজীব কুমারকে বের করে আনা। রাজীব কুমারজি রিটায়ার করবেন কোনদিন আর ডিজিপি লিখতে পারবেন না। ডিজিপির পাশে লিখতে হবে এক্টিং ডিজিপি অর ইনচার্জ ডিজি চার্জ। উনি প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি আইটি ডিপার্টমেন্ট ডিজিপি উনার এডিশনাল চার্জ। এত বড় রাজ্য 11 কোটি জনসংখ্যা এখানে এতদিন ডিজিপি পারম্যানেন্ট ছিল না নেই এর থেকে লজ্জার আর কিছু হতে পারে না প্র: আজকে বীরভূমে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা ছিল তার সভায় পৌছাতে দেরি হয়েছে কারণ ডিজিসিএ অনুমতি দেয়নি। এটা বিজেপির চক্রান্ত। শুভেন্দু: আপনি ডিজিসিএ কে প্রশ্ন করুন। সবার জন্য আমি নেই। অভিষেক দাবি করছেন যে বিজেপির ষড়যন্ত্রের জন্য উনার ডিজিসিএ বিরুদ্ধে মামলা করা উচিত। ডিজিএর বিরুদ্ধে মামলা করা উচিত এবং ডিজিসিএ সেখানে আত্মপক্ষ সমর্থন করবে। সব বিষয়ে আমাদের ঢোকার তো কোন র Necessity নেই। আমরা টেকনিক্যালি এর আগে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বনগা যাওয়া নিয়ে। হইচই রই রই করেছিল। ডিজিসি বলে দিয়েছিল যে আপনার রিনিউয়াল করেননি টাকা জমা দেননি। এখানেও কিছু টেকনিক্যাল থাকতে পারে। আপনি যদি আমাকে বলেন যে আপনি একটু সংগ্রহ করে দিন না। সাংবাদিক সাংবাদিক সেজে টেম্পোরারি রিপোর্টার। আমি সংগ্রহ করে একটু পরে আপনাকে দিয়ে দিচি প্র: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ইস্যুতে আরও বলেছেন যে বিজেপির এখনও নির্বাচন আসেনি তার আগে চক্রান্ত শুরু হয়েছে বিজেপি যেন মনে রাখے ওদের 10 গুণ জেদ আমার অভিষেক বন্দোপাধ্যায় শুভêndু: গণতান্ত্রিকভাবে রাজনৈতিক জেদ থাকা ভালো কিন্তু দয়া করে ডায়মন্ড হারবার মডেলে ভোটটা করবেন না আরিজ ছিল বলে করেছেন। এখন ইলেকশন কমিশন সিও অফিস দুটোই আপনাদের এসব কাজ করতে দেবে না। আমাদের যা মনে হয়েছে। আর আমরাও ভারতীয় জনতা পার্টির 21 এবং 24 এর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আপনাদের ভোট চুরি আটকাতে কি করে হয়? সেই অভিজ্ঞতা নিয়ে পূর্ণ শক্তিতে নামছি। সেই কারণেই 62 হাজার বিএলএটু বিজেপি এই প্রথমবার দিয়েছে। 62 হাজার বিএলটু আপনারা তো বিজেপিকে অনেকেই দেখতে পারেন না টকশোতে চোখে দেখতে পাচ্ছি না আন্দোলন নেই জ্ঞানদ্বারা বলেন সন্ধ্যাবেলা। আমরা শুনি। 62 হাজার বিএলএ টু দিয়েছেন এটা শোনার পরে বলবেন মাঠে তো ছিল না আরে মাঠে না থাকুক ছবি তুলে কাগজ দিয়ে তো দিতে হয়েছে বিজেপি তো 40% ভোট ধরে রাখল 19 21 24 নামাতে তো পারলেন নাতচ লড়াই ভোটার লিস্ট পরিষ্কার হয়ে গেল তোর গ্যাপ নেই 2019 41% ভোট 2 কোটি 30 2021 38% ভোট 2 কোটি 28 2024 39% ভোটদ কোটি 33 লক্ষ 27000 আমরা গুছিয়ে নামবো কাউন্টিং হলে মেরে দিয়েছিলেন মানস সাহাকে ক্যান্ডিডেটকে এবারে যাতে এমন জায়গায় কাউন্টিং হল যাতে না হয় যাতে কাউন্টিং এজেন্ট এবং প্রার্থীরা উপর আপনারা আক্রমণ করতে না পারেন আপনাদের জঙ্গি জিহাদীরা তার ব্যবস্থা আমরা করব।গতবারে করোনা থার্ড ওয়েভের সুযোগ নেয় যেখানে ইভিএম এর মেশিন ছিল নেট লাগিয়েছ ফুট দূরে রেখেছেন আমাদেরকে সোশ্যাল ডিস্টেন্সিং নাম করে সেটাও যাতে করতে না পারেন সেটা আমরা দেখতে পাচ্ছি আমরা ন্যাশনাল পার্টি আমরা সামনে বসবো সেটাও করব আমরা পিছনে বসবো না আপনি আঞ্চলিক পার্টি আপনারা আমাদের পিছেনে বসবেন সেটাও আমরা করব অভিষেক চার শ্রমিকদের মনোজি কুছ পুছনা হে তো বুঝছ লিজিয়ে আজকে আমাদের চাবাগান যেগুলো বন্ধ আছে চেবাগান শ্রমিকদের সংখ্যাটা কত আমাদের মোটামুটি মোটামুটি কতজন এই ডকুমেন্টেশনের সমস্যায় ভুগছেন বা আপনারা যে দাবি করছেন সেটা যদি পূরণ না হয় প্রচুর লাক্স অফ টি গার্ডেন ওয়ার্কার আপনার 600 টি গার্ডেন মানে স্বীকৃত আছে এর বাইরেও ছোট ছোট অনেক টি গার্ডেন আছে 1000 ইউনিট ধরতে পারে 1000 ইউনিট আপনি 1000 করে ভোট ধরতে পারেন 800 হাজার করে তার মধ্যে তো বানারহাট টানারহাটে অনেক জায়গায় বড় বড় চারটে পাঁচটা করে বুত আছে বড় বড় গার্ডেন মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন যে আমরা কারো কাছে মাথা নত করি না কেন্দ্র কবে টাকা পাঠাবে তার ভরসাও করি না আচ্ছা ভালো কথা বলছেন 8 লাখ টাকা ঋণের কথা বলেন কেন আপনার মুখ্যমন্ত্রী প্রত্যেকটা মিটিংে গিয়ে কাঁদে কেন টাকা দেয়নি টাকা দেয়নি টাকা দেয়নি টাকা দেয়নি আপনি তো আগেও বলেছিলেন 21শে জুলাই সম্ভবত যে মানегার টাকা চাই না আবার আপনারাই দিল্লিতে গিয়ে রাজঘাটে গিয়ে ছুটাছুটি করলেন সুজিত বসুর যুদ্ধ গেল শান্তনু সেনের ঘড়ি গেল দিল্লি পুলিশকে দেখে মার ছুর্ত্ত বললেন আটকে দেখেছে মেরেছে ধাক্কাধাক্কি করেছে তারপরে বিনীত গোয়েল তখন ছিল তার সৌজন্যে রাজ্যপালের সামনে বসে থাকলেন অবৈধভাবে দিন 15 ক গান হলো বাজনা হলো নাটক হলো হাম্বা হাম্বা কাম্বা কাম্বাম্বা হল তারপরে আবার ওয়ান ফাইন বন্ডিং উঠে চলে গেলেন টাকা যদি আপনার government's এত আছে গরীব মানুষগুলোকে ভেলোর যাওয়া থেকে বেঙ্গোর থেকে হায়দ্রাবাদ যাওয়া থেকে মুম্বাই যাওয়া থেকে একটু বাঁচান অতিদর্পে হতলঙ্কা অতিমানেচ গৌরবা যত দম্ভ দেখাবেন পতন তত তাড়াতাড়ি হবে যিনি নোবেল এনেছেন ভারতের জন্য তার নামেও এসারিং রাখা হচ্ছে আমি বলতে পারবো না টক টু সিও অফিস নিশ্চয় নামের বানান ভুল আছে নো স্পেলিং মিস্টেক আছে কিছুতো একটা কারণ আছে এমনি তো ডাকেনি সহযোগিতা করা উচিত 85 বছরের উপর যারা সিটিজেনশিপের তাদের ছাড় দিয়েছে তার মধ্যেও যারা বলছেন যেমন মাননীয় প্রাক্তন মন্ত্রী কান্তি গাঙ্গুী বাড়িতে হিয়ারিং করলেন ডেকে পাঠান আসার দরকার ফোন করে বলুন আমি অসুস্থ লোক পাঠিয়ে দেবে তো বিয়েল গিয়ে করে নিয়ে চলে আসবে শুনাব মুখ্যমন্ত্রী গঙ্গাসাগর থেকে ফেরার সময় বলেছে জেটা আপনি বলেছেন সব ভুলভাল কে মৃত বলে চালানো হচ্ছে। নিজেরটা করার একদম চেষ্টা করুন। আমাদের পাশে না নিজের নাম তুলতেই হবে। আর আজকেও বলেছি যে সুপ্রিম কোর্টে দরকার হলে আমি নিজে দাঁড়িয়ে এই নিয়ে সওয়াল করি প্র: দরকার হলে কেন? কালকে তো বলেছেন আর আমি যাচ্ছি। মাঝখানে দরকারটা যদিটা কেন ঢুকলো? আমরা পশ্চিমবঙ্গ ভুগছি। একটু সুপ্রিম কোর্ট দেখুক না। সুপ্রিম কোর্টে দেখুক। এত বড় আইনজ্ঞ একটু সুপ্রিম কোর্টের জাস্টিসদের দেখা দরকার আছে। আমরা বললে বলে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দী ওর সঙ্গে ছিল 21 বছর ছেড়ে চলে এসছে। ছ বছর বিরুদ্ধে বলছে। পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যেকটা লোক বলছে যন্ত্রণা থেকে মুক্তি চাই। কার যন্ত্রণা আপনারা know? কে যন্ত্রণারা দিচ্ছে? সুপ্রিম কোর্টেও একটু দেখা দরকার আছে। লাইভ ল হবে তো। দেশের লোককে দেখা দরকার আছে। কি করেন? পার্লামেন্টের ভিতরে করেছিলেন। তো স্পিকারকে দেখতে চাই আমরা বিধানসভায় কি করেন তো অনেকে দেখেছে লাইভ হওয়ার তাই এই হুমায়ুন খুব বেড়ে বের করে দেব কি বলছিল আমি একাই 100 লড়ে কালকে ছিল আমি যাচ্ছি আজকে হয়েছে যদি পরের দিন বলবে আমার ল্যারিই লড়বে আমার অনেক প্রোগ্রাম আগে থেকে ঠিক করা ছিল 2 কোটি 89 লক্ষ নাম বাদ গেছে উত্তর প্রদেশে বলা হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে এত ভুয়া আপনারা বিজেপি প্রচার করছে কিন্তু বিজেপি রাজ্যে তো এত কোটির নাম বাদ তাহলে তো ইলেকশন ঠিক কাজ করছে কত রকমের কথা বলবেন চাইতেই কাটিব আসিতেই কাটিব কি করে হয় এতক্ষণ বলে গেলেন ভুয়া নাম মৃতকে জানতোকে মৃত ইত্যাদি ইত্যাদি সুপ্রিম কোর্টে যাব কালকে বলেছেন যাব আজকে বলছেন যদি now you বলছেন নতুন অভিযোগ যে উত্তরপ্রদেশে ভুয়া বেশি আমাদের ভুয়া কম তাহলে ইলেকশন কমিশন সঠিক কাজ করছে ধন্যবাদ জানানো উচিত তাহলে মনোজ আগরওয়াল আর জ্ঞানেশ কুমার যে পার্সোনাল টাক গুলো করছেন এটা বন্ধ করুন এরা কি রোহিঙ্গা উত্তর প্রদেশে যাদের নাম বাদ গেল এরা কি রোহিঙ্গা এরা কি সেটা 14 বুঝতে পারবেন বিহারের সংখ্যাটা আমি জানি পরে বলে দেব পশ্চিমবঙ্গটা বলে দেব 15 ফেব্রুয়ারি বলে দেব বিহারে তো ভোটার লিস্ট হয়েছে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী কত সে সংখ্যাটা জানি আমি বলবো না ঠিক समय বলব অত তাড়াহুড়া করার কিছু নেই যখন আধার কার্ড ডিএক্টিভেটেড হবে রেশন কার্ড বন্ধ হবে প্রধানমন্ত্রী অন্য সুরক্ষা যোজনাগুলো কাটিং হবে যখন একাউন্ট ফ্রিজ হয়ে যাবে বন্ধ হয়ে যাবে তখন বুঝবেন যে ইনি ভারতীয় নয় এর আফটার এফেক্ট আছে কোভিডে যেমন এখনো যারা কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন অনেকের এফেক্ট আছে না এর এফেক্টটা একটু সময় লাগবে তো টাইম উইল স্পিক বুঝতে পারবেন সংখ্যাটা ঠিক সময় পেয়ে যাবেন তারা ওরা আপনাদের মিডিয়ায় থাকতে পারে আমার নেই
0
comment0
Report
ASAyan Sharma
Jan 06, 2026 14:28:43
Kolkata, West Bengal:দিনের পর দিন ব্লাড প্রেসারের ওষুধ খেয়ে যাচ্ছেন। অথচ কোন কাজই করছে না। ভাবছেন চিকিৎসক তো লিখে দিচ্ছে ওষুধ তবুও কেন কাজে আসছে না। কিন্তু আপনি কি জানেন, আপনি যে ট্যাবলেটটি দোকান থেকে কিনেছেন, মূল সমস্যা সেখানেই। আপনি ভাবতেই পারবেন না, একেবারে সিল করা ট্যাবলেটের মোড়ক যার ভিতরে রয়েছে, গুণগত মানে ফেল করেছে এমন ব্লাড প্রেসার ওষুধ। যেগুলো নাকি আরো পাঁচটা ট্যাবলেট এর মত শক্ত ধরনের নয়। নরম প্রকৃতির, হাত দিয়ে চাপ দিলেই ভাঙার বদলে চেপ্টে যাবে। নদীয়া জেলার একাধিক ওষুধের দোকান থেকে এমনই গুণগত মানে ফেল করা হাই ব্লাড প্রেসারের ওষুধের নমুনা সংগ্রহ করে রাজ্যের ড্রাগ কন্ট্রোল এর ইন্সপেক্টররা। রাজ্যের ড্রাগ টেস্টিং ল্যাবে পরীক্ষার পর দেখাযায়, ওষুধ গুলির মধ্যে ব্লাড প্রেসার রুখে দেওয়ার মত কোন উপাদান নেই। বিজ্ঞপ্তি জারি করে সতর্ক করলো রাজ্যের ড্রাগ কন্ট্রোল। প্রচুর পরিমাণে ভাই ব্লাড প্রেসারের ওষুধ বাজেয়াপ্ত করল নদীয়া জেলার ড্রাগ কন্ট্রোলের আধিকারিকরা。
0
comment0
Report
SPSANDIP PRAMANIK
Jan 06, 2026 12:52:10
Kolkata, West Bengal:গত ২৪ ঘন্টায় সারা রাজ্য জুড়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা অনেকটাই কমেছে। বিশেষ করে কলকাতার আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা 10.2 ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে তাপমাত্রা ১০ এর নিচে ছিল 2013 সালে ৯ জানুয়ারি তাপমাত্রা ছিল ৯。 সবচেয়ে কম তাপমাত্রা ছিল ১৮৯৯ সালে কুড়ি জানুয়ারি ৬.৭。 ২০২৩ সালেরও তাপমাত্রা ১০. ৯ হয়েছিল ৬ জানুয়ারি। ২০১৮ তে ১০.৫ হয়েছিল ৮ই জানুয়ারিতে। আগামী কয়েক দিন শীতল আবহাওয়া থাকবে শুধুমাত্র বিক্ষিপ্তভাবে বর্ধমান এবং বীরভূম জেলায় সইত প্রবাহ থাকবে বিক্ষিপ্তভাবে。 বঙ্গোপসাগরে একটি সুস্পষ্ট নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে গতকাল রাতে সকালে সেটি দক্ষিণ পূর্ব বঙ্গোপসাগরের অবস্থান করছে। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে এটির গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে আগামী ২৪ ঘন্টায়।আগামী ৪৮ ঘন্টায় এটি দক্ষিণ পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের উপর দিয়ে যাবে, এর প্রভাবে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম থেকে যে শীতল হাওয়া আসছে তার গতিবেগ বেড়েছে তাই তাপমাত্রা অনেকটাই কমেছে। এর প্রভাবে বায়ু নিম্নস্তরে যে পরিবর্তন হয়েছে তার জন্য এই শীতল পরিস্থিতি । সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ও এখন রাজ্য জুড়ে কম রয়েছে। আগামী সাত দিনে এ রাজ্যের আগামী চার দিন পর্যন্ত শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। আগামী চার দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যেরকম আছে তেমনি থাকবে।চারদিন পরে দু ডিগ্রি তাপমাত্রা বাড়তে পারে । তাই আগামী তিনদিন পর্যন্ত বিভিন্ন রাজ্যে শীতল দিন পূর্বাভাস,মূলত বীরভূম 2 বর্ধমান নদিয়া মুর্শিদাবাদ উত্তর চব্বিশ পরগনা দক্ষিণ 24 পরগনা শীতল দিন হওয়ার সম্ভাবনা। শুধু বীরভূম এবং বর্ধমানের বিক্ষিপ্ত ভাবে সইত্য প্রবাহ চলবে। উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রে মালদা দার্জিলিং জলপাইগুড়ি কোচবিহার দুই দিনাজপুরে আগামী চার দিন শীতল দিন থাকবে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দক্ষিণবঙ্গে তিন থেকে চার ডিগ্রী কম থাকবে স্বাভাবিকের থেকে। উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রেও ২ থেকে ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রা কম থাকবে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে তিন থেকে ডিগ্রি কম থাকবে।দক্ষিণবঙ্গে এবং উত্তরবঙ্গের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা চার থেকে ছয় ডিগ্রি কম থাকবে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্তভাবে ঘন কুয়াশা থাকবে, সকালবেলা কুয়াশা থাকবে এবং দুপুরের আগে পর্যন্ত শিশির পড়ার আবহাওয়া থাকবে।দক্ষিণবঙ্গের ক্ষেত্রে থেকে মাঝারি কুয়াশা,ঘন কুয়াশা থাকবে মুর্শিদাবাদ নদিয়া বীরভূম। বাকি সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা। আজকে থেকে ধীরে ধীরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পশ্চিমে জেলাগুলিতে হালকা বাড়বে। তবে দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিক এর থেকে কম থাকবে পূর্বের জেলা নদীয়া মুর্শিদাবাদ বর্ধমান。 কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে আগামীকাল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ এর কাছাকাছি থাকবে এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৮ আশে থাকবে। সকালের দিকে হালকা কুয়াশা এবং রাতের দিকে শিশির থাকবে। আগামীকাল কলকাতা তাপমাত্রা ১৯বা ২০ এবং সর্বনিম্ন ১০কাছাকাছি থাকবে, বৃষ্টিপাতের কোনো সম্ভাবনা নেই ।
0
comment0
Report
NSNabanita Sarkar
Jan 06, 2026 11:37:45
Rajpur Sonarpur, West Bengal:

তথাগত চক্রবর্তী: স্কুলে যাওয়ার পথে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় অকালে ঝরে গেল এক শিশুর প্রাণ। মৃত ছাত্রীর নাম স্মৃতি তরফদার। বয়স মাত্র ১১ বছর। সে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী এবং বাসন্তী দেবী বালিকা বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করত। (Sonarpur Road Accident)

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ সোনারপুরের দিদিমণি স্টপেজ সংলগ্ন এলাকায় এই হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনাটি ঘটে। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন প্রতিদিনের মতোই স্মৃতি তার দিদি দিশা তরফদারের ব্যাটারি চালিত স্কুটিতে চেপে স্কুলে যাচ্ছিল। দিশা স্মৃতির কাকার মেয়ে এবং একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। স্কুটিতে স্মৃতির সঙ্গে ছিল তার আরেক বোন শ্রুতি তরফদার। তিনজনেই বাসন্তী দেবী বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, 'দিদিমণি স্টপেজের' কাছে রাস্তায় অন্য একটি গাড়িকে সাইড দিতে গিয়ে স্কুটির ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন দিশা। মুহূর্তের মধ্যেই স্কুটিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের একটি পুকুরে পড়ে যায়। তিনজনই পুকুরে তলিয়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ছুটে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। দিশা ও শ্রুতিকে কোনওরকমে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও দীর্ঘক্ষণ স্মৃতির খোঁজ পাওয়া যায়নি। প্রায় কুড়ি মিনিট পরে পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয় স্মৃতিকে। দ্রুত তাঁকে পাশের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

এই খবরে পরিবারে নেমে আসে শোকের ছায়া। এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে গভীর শোকের ছায়া। হাসিখুশি স্মৃতির এমন আকস্মিক মৃত্যুতে স্তব্ধ প্রতিবেশীরা। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে পুলিস জানিয়েছে।

এর আগে, সোনারপুরের ঘাসিয়াড়ায় ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাল দুই নাবালক। মৃতেরা এলাকারই বাসিন্দা, দেবকুমার ও সাগর সরকার নামে বছর ১৬-র দু’জন কিশোর। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে বাবার সঙ্গে সাগরের শেষবার কথা হয়েছিল। রাত সাড়ে দশটা নাগাদ বাড়ি ফেরার কথা জানিয়েই ব্যাডমিন্টন খেলতে বেরিয়েছিল তাঁরা। এরপর বাবা ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে উঠে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার খবর পান।

পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি প্রাইভেট গাড়ি সোনারপুরের দিক থেকে তেমাথার দিকে যাচ্ছিল। গাড়িটি অত্যন্ত দ্রুত গতিতে ছিল বলে দাবি। সেটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রথমে একটি লাইট পোস্টে ধাক্কা মারে। তারপর সোজা গিয়ে রাস্তার ধারের দোকানঘরে ঢুকে পড়ে। সংঘর্ষের জেরে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দুই কিশোরের।

এরকম স্কুটিতে পথ-দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে এক শিক্ষকের। নাম সন্দীপ রায় (৪৬)।ঘটনাটি ঘটে বুধবার রাতে সোনারপুর থানা সংলগ্ন সেতুর কাছে। জানা গিয়েছে, সন্দীপবাবু সোনারপুরের বোস বাগানের বাসিন্দা। বালিগঞ্জের একটি বেসরকারি স্কুলের ইতিহাসের  শিক্ষক। রাতে এটিএম থেকে টাকা তোলার জন্য নিজের স্কুটি নিয়ে সোনারপুর উড়ালপুল থেকে নেমে সোনারপুর মোড়ের দিকে যাচ্ছিলেন। বৃষ্টিতে রাস্তায় পিছলে স্কুটি সমেত মাটিতে পড়ে যান তিনি। সেই সময় থেকে আসা লরির চাকায় তার একটা পা ও শরীরের কিছু অংশ পিষে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি নার্সিংহোমে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ইএম বাইপাস সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালে রেফার করেন চিকিৎসকরা। 

 
 

(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের AppFacebookWhatsapp ChannelX (Twitter)YoutubeInstagram পেজ-চ্যানেল)

 
 

 

0
comment0
Report
DBDebanjan Bandyopadhyay
Jan 06, 2026 10:30:40
Kolkata, West Bengal:ওড়িশা সহ নানা রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিক বিতাড়ন ও নিপীড়ন বন্ধ, সুরক্ষা ও নিরাপত্তা, সকল পরিযায়ী শ্রমিকের ভোটাধিকার বজায় রাখা সহ ৬ দফা দাবিতে রাজ্যপাল, কেন্দ্রীয় ও রাজ্য শ্রম দপ্তর پرিযায়ী শ্রমিক ডেপুটেশন দিল AIUTUC অনুমোদিত অল ইন্ডিয়া মাইগ্ল্যান্ট ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন। এই উপলক্ষে মঙ্গলবার দুপুরে রাজা সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার থেকে হোয়াই চ্যানেল পর্যন্ত মিছিল করে পরিযায়ী শ্রমিকদের এই সংগঠন। কেন ডাবল ইঞ্জিন সরকার শাসিত রাজ্যগুলিতে পরিযায়ী শ্রমিক নিপীড়ন ও বিতাড়ন হচ্ছে, মিছিল থেকে সেই প্রশ্ন তোলা হয়। তাঁদের দাবি, রাজ্য সরকারের চরম উদাসীনতা ও গাফিলতির ফলে বেশ কিছুকাল ধরেই ভিনরাজ্যের প্রশাসন অতি সহজেই বাংলাভাষী পরিযায়ী শ্রমিকদের 'বাংলাদেশী হিসাবে দাগিয়ে দিয়ে দিনের পর দিন ভেরিফিকেশনের নামে আটকে রাখা, আদালতে না তুলে পে- লোডারের মাধ্যমে কাঁটাতারের ওপারে পুষব্যাক করা ইত্যাদি চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি বড় উদ্বেগের সাথে লক্ষণীয়, বর্তমানের SIR প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকায় নিজেদের নাম বহাল রাখতে গিয়ে পরিযায়ী শ্রমিকরা ভীষণভাবে নাজেহাল হচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে তাদের দাবি ১) ওড়িশা সহ নানা রাজ্যে বাংলাভাষী সহ পরিযায়ী শ্রমিক বিতাড়ন ও নিপীড়িয়েন বন্ধ করতে হবে। পরিযায়ী শ্রমিকদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা, রেজিস্ট্রেশন ও সরকারি পরিচয়পত্র সুনিশ্চিত করতে হবে। ২) নিপীড়নে ও দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবার পিছু একজনের চাকুরী ও পঞ্চাশ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ এবং আহতদের ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ৪) পরিযায়ী শ্রমিক নিপীড়নে জড়িতদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে। ৫) SIR এর অজুহাতে কোনো পরিযায়ী শ্রমিকের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া চলবে না। ৬) অত্যাচারিত হয়ে নিজ এলাকার ফিরে আসা পরিযায়ী শ্রমিকদের সারা বছরে সুনিশ্চিত কাজ দিতে হবে, যতদিন তা না হয় ততদিন মাসিক ২৫ হাজার টাকা ভাতা প্রদান করতে হবে। বাইট - জয়ন্ত সাহা, সম্পাদক,অল ইন্ডিয়া মাইগ্রান্ট ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন
0
comment0
Report
ASAyan Sharma
Jan 06, 2026 10:29:56
0
comment0
Report
Advertisement
Back to top