icon-pinewzicon-zee
PINEWZ
become creator
Become a News Creator

Your local stories, Your voice

Follow us on
Download App fromplay-storeapp-store
Advertisement
Back
ASAyan Sharma15 Mar 2026, 07:19 am
0
0
Report

हमें फेसबुक पर लाइक करें, ट्विटर पर फॉलो और यूट्यूब पर सब्सक्राइब्ड करें ताकि आप ताजा खबरें और लाइव अपडेट्स प्राप्त कर सकें| और यदि आप विस्तार से पढ़ना चाहते हैं तो https://pinewz.com/hindi से जुड़े और पाए अपने इलाके की हर छोटी सी छोटी खबर|

भातार, पूर्व बर्धमान: फर्जी मुकदमे और मारपीट के विरोध में भाजपा ने पुलिस पर आरोप

Belna, West Bengal:মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে গ্রেপ্তার এবং মারধরের অভিযোগ ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল নববর্ষের দিন পূর্ব বর্ধমানের ভাতার। প্রতিবাদে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা ভাতাড়ের ওড়গ্রাম পুলিশ ফাঁড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখানোর পাশাপাশি বর্ধমান সিউড়ি ১১৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন। অবরোধের জেরে দীর্ঘক্ষণ ধরে ওই রাস্তায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। পরে ভাতাড় থানার পুলিশin আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেন বিক্ষোভকারীরা। বিজেপির ভাতাড় ২ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি অরিন্দম ঘোষের অভিযোগ, তাঁদের কর্মী রঞ্জিত মালিককে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। গতরাতে পুলিশ তাঁর বাড়িতে গিয়ে গ্রেপ্তারের নামে তাঁকে মারধর করে। শুধু তাই নয়, বাড়ির মহিলাদেরও হেনস্থা করা হয়েছে বলে অভিযোগ। বিজেপির আরও দাবি, পুলিশ শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে কাজ করছে। যারা হামলার শিকার হচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধেই মিথ্যা মামলা দায়ের করা হচ্ছে, অথচ প্রকৃত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। অভিযোগ, দু’দিন আগে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালায়। তার প্রতিবাদ জানাতেই উল্টে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের জেলা সাধারণ সম্পাদক বাগবুল ইসলাম বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিলে হামলা চালানো দুষ্কৃতীদের পক্ষ নিয়েই বিজেপি আন্দোলন করছে। তৃণমূল কখনও আইন নিজের হাতে তুলে নেয়নি, বরং আইনের পথেই চলেছে। বিজেপি অপরাধীদের আড়াল করতে অযথা জল ঘোলা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এই বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার সায়ক দাস ও জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অর্ক ব্যানার্জীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই ফোন ধরেন নি।
0
0
Report

पुलिस ने नाका चेकिंग के दौरान 2.73 लाख रुपये जब्त, धनराशि वापस मिलने की उम्मीद

Durgapur, West Bengal:নাকা চেকিং এর সময় দু'লক্ষ তিয়াত্তর হাজার টাকা বাজেয়াপ্ত করল পুলিশ । এবারের ভোটে কোন রকম নাশকতা থেকে এবং বাইরে থেকে অনুপ্রবেশকারীদের প্রবেশ নিয়ে সক্রিয় পুলিশ প্রশাসন। বুধবার দুপুর ১:৩০ মিনিট নাগাদ পশ্চিম বর্ধমান জেলার অন্ডালের চনচনি এলাকায় উখড়া ফাঁড়ির পুলিশ নাকা চেকিং এ সন্দেহবশত এক বাইক আরোহী কে দাঁড় করিয়ে চেক করে। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয় ২ লক্ষ ৭৩ হাজার টাকা। ভোটের গাইডলাইন অনুযায়ী ভোটের দিন ঘোষণার পর থেকেই একসঙ্গে পঞ্চাশ হাজার টাকার বেশি কেউ বহন করতে পারবে না এমনই নির্দেশ রয়েছে। সেই নির্দেশ অমান্য করে এত টাকা নিয়ে কোথায় যাচ্ছিল তার সদুত্তর না মেলায় টাকাগুলি বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। সূত্র মারফত জানা যায় যে ব্যক্তির কাছ থেকে এত বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধার হয়েছে তিনি দুর্গাপুর ফরিদপুর ব্লকের পাটশাওড়া গ্রামের বাসিন্দা। নাম প্রবীর চক্রবর্তী,পেশায় তিনি পোস্ট অফিসের এজেন্ট হিসেবে কাজ করেন বলে জানা যায়। তিনি বলেন পোস্ট অফিসের গ্রাহকদের টাকা একত্র করে তিনি নিয়ে যাচ্ছিলেন,অন্য কোন অভিসন্ধি তার নেই। তবে আইন মোতাবেক তার টাকা বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ জানায় সঠিক তথ্য প্রমাণাদি এনে প্রশাসনের কাছে জমা করলে তার টাকা তিনি ফেরত পাবেন। নতুবা সমস্ত টাকা সরকারের খাতায় জমা পড়বে। ভোটের মুখে এক সঙ্গে এতগুলো টাকা উদ্ধার ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
0
0
Report

आसनसोल में एक ही व्यक्ति के कई वोटर कार्ड: चुनाव आयोग पर सवाल

Asansol, West Bengal:ভোটে মুখে ‘ভুয়ো ভোটার’ আতঙ্ক! আসানসোলে একই ব্যক্তির একাধিক এপিক নম্বর ঘিরে রাজনৈতিক তরজা আসানসোল : নির্বাচনের মুখে পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোল উত্তর বিধানসভার ধ্রুব ডাঙ্গা আসানসোল পুরনিগমের ৭৬ নম্বর ওয়ার্ডের আসানসোল উত্তর বিধান সভা কেন্দ্রের ১৭১ নম্বর পার্টে ভোটার তালিকায় চরম অনিয়মের অভিযোগ। একই ব্যক্তি, একই ছবি ও ঠিকানা, অথচ তাঁর নামেই রয়েছে একাধিক ভোটার কার্ড বা এপিক নম্বর। এই ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সরব হয়েছে বিরোধী দলগুলি। এই বুথে আগে ৭৭২ ছিল এখন ৬৬৩ ভোটার আছে। ​অসঙ্গতির চিত্র: ​রবি চৌধুরী: পিতা ঈশ্বর দয়াল চৌধুরী। প্রকাশিত সংশোধিত তালিকায় তাঁর নামে চারটি পৃথক এপিক নম্বর পাওয়া গিয়েছে। ​আয়ুষ কুমার সিংহ: পিতা পঙ্কজ সিংহ। তাঁর নামেও রয়েছে দুটি পৃথক সিরিয়াল ও এপিক নম্বর। ​রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া: ​তৃণমূল কংগ্রেস: ব্লক সভাপতি গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় একে 'বিজেপির চক্রান্ত' বলে অভিহিত করেছেন। তাঁর দাবি, এসআইআর (SIR) বা স্ক্রুটিনির পরেও কীভাবে একই ব্যক্তির নাম বারবার থাকে? বিজেপি ভোট চুরির মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করছে এবং নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করছে। ​কংগ্রেস: প্রার্থী প্রসেনজিৎ পইতুন্ডি সরাসরি নির্বাচন কমিশনকে 'বিজেপির বি-টিম' বলে আক্রমণ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, ভুয়ো ভোটার ঢুকিয়ে বিজেপিকে সুবিধা করতে দেয়ার দালালি চলছে। তিনি এ বিষয়ে তথ্যসহ রিটার্নিং অফিসারের কাছে অভিযোগ জানানোর কথা বলেছেন। ​বিজেপি: সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বিজেপি প্রার্থী কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায় জানান, এটি সম্পূর্ণভাবে নির্বাচন কমিশনের যান্ত্রিক বা সিস্টেমের ভুল। তাঁর মতে, তালিকায় অনেক ভুল আছে যা সংশোধনের উপায়ও আছে। বিরোধীদের আক্রমণকে তিনি 'আশিক্ষিতের প্রলাপ' বলে কটাক্ষ করেন। রবি চৌধুরী - জানালেন যে তার নাম ডিলিট হয়েছিল। ডিলিট হওয়ার পর নাম তোলার জন্যই ফর্ম ভরেছিলেন অনলাইনে। একাধিক বার ফর্ম ভরা হয়েছে, যার জন্য সম্ভবত এই ভুল হয়েছে। এই ভুল করেছেন নির্বাচন কমিশনই। রবি আর পি এফ কর্মী শিয়ালদহ ডিভিশনে চাকরি করেন। ​এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিরোধীরা কমিশনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে। 1504ZG_ASN_VOTER LIST
0
0
Report
Advertisement

बंगाल की हालत बदलेगी: भारत उत्सव के बीच नया संकल्प

Kolkata, West Bengal:গত কয়েক দশকে বাংলার পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে। এক সময় বাংলা গোটা দেশের অর্থনৈতিক দিক দিয়ে সর্বোচ্চ স্থানে ছিল কিন্তু। কিন্তু দুর্ভাগ্য কত কয়েক দশকে পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে। এখন নতুন ভারত। এই নতুন ভারত বিশ্ব কে পথ দেখাচ্ছে sসেখানে বাংলার পরিস্থিতি খারাপ থেকে খারাপ হয়েছে। বাংলা পিছিয়ে থাকতে পারে না। উঠে দাঁড়াতে হবে। পরিবর্তন করার সংকল্প নিতে হবে। সব সময় নেগেটিভিটি ছড়ানো নয় বরং পজিটিভিটি র স্যাথে এগোতে হবে। আপনাদের সকলকে শুভ নববর্ষ। আজ আমরা পহেলা বৈশাখ উদযাপন করছি। এটি একটি মহান উৎসব এবং শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মানুষই নন, বরং বাঙালিরা যেখানেই থাকুন না কেন এবং যারা বাংলার সাথে যুক্ত তারা যেখানেই থাকুন না কেন, তারা এই উৎসব উদযাপন করছেন। বন্ধুরা, আজ সারা দেশে আঞ্চলিক স্বাদযুক্ত বিভিন্ন উৎসব পালিত হচ্ছে। আসামে রঙালি বিহু, যা কতটা রঙিন। বিহার, ইউপি অঞ্চলে - বিসুওয়ানি, পাঞ্জাবে - বৈশাখী। সব জায়গায়, কেরালায় - বিষু, তামিলনাড়ুতে - পুথান্ডু। আমি যা বলতে চাইছি তা হলো, সারা দেশ আজ উৎসব উদযাপন করছে এবং একটি উৎসবমুখর মেজাজে রয়েছে। এমনটা কীভাবে হয় যে একটি নির্দিষ্ট দিনে, এই ১৪ এবং ১৫ই এপ্রিলে, সারা দেশ একই সময়ে নিজেদের মতো করে উৎসব উদযাপন করছে? আমাদের উৎসবগুলোর তাৎপর্য কী, তা অনেক সময়ই আমাদের মাথায় আসে না। বন্ধুরা,আপনি জানেন, ভারত একটি অত্যন্ত প্রাচীন দেশ। হাজার হাজার বছরের জীবন্ত ইতিহাস, এক অবিচ্ছিন্ন ইতিহাস। অসংখ্য আক্রমণ, উপনিবেশায়ন সত্ত্বেও ভারত টিকে আছে। ভারত কোনো বিরতি ছাড়াই এগিয়ে চলেছে۔ ভারত... এই ভারত... এই ভারত আসলে কী, তা আমাদের উপলব্ধি করতে হবে। আর যখন আমরা এই পহেলা বৈশাখের মতো উৎসব বা সারা দেশের অন্যান্য উৎসব উদযাপন করি, তখন আমাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে ভারত হলো উৎসবের দেশ। এবং এই উৎসবগুলো কেবল নিছক আনন্দ-ফুর্তি নয়। সময়ের সাথে সাথে, আমরা এর মূল সারমর্ম থেকে সরে এসেছি। এবং আমরা এই উৎসবগুলোকে ব্যাখ্যা করতে শুরু করেছি, সেগুলোকে প্রকাশ করার বা সংজ্ঞায়িত করার চেষ্টা করেছি এমনভাবে যে কেউ কোথাও গিয়ে বলে এটি ফসল তোলার উৎসব। আর আমরা ভুলে যাই যে এত বৈচিত্র্যময় জলবায়ুর এই দেশে, এমনটা নয় যে সারা দেশে একই সাথে ফসল তোলা হচ্ছে। বিভিন্ন অঞ্চলে, বিভিন্ন জলবায়ু পরিস্থিতিতে আলাদা আলাদা সময়ে ফসল তোলা হয়। কিন্তু কোনোভাবে এগুলোকে কেবলই ফসল তোলার উৎসব হিসেবে তুলে ধরার এবং উদযাপনের চেষ্টা করা হয়েছে, আর এই প্রক্রিয়ায় এটি তার সারমর্ম হারিয়েছে। বন্ধুরা, যখন আমরা বলি ভারত উৎসবের দেশ, তখন আমাদের অবশ্যই বুঝতে হবে যে ভারত উৎসবের মাধ্যমেই নিজেকে উদযাপন করে, নিজেকে সংজ্ঞায়িত করে, নিজেকে পুনরুজ্জীবিত করে। কারণ এই উৎসবগুলোর মধ্যে যদি আপনি সাধারণ একটি সূত্র খোঁজেন, তবে তা মূলত আপনাকে বলে দেবে যে ভারত আসলে কী। ভারত কোনো ভৌগোলিক পরিমণ্ডল নয়। ভারত কোনো শাসক বা কোনো রাজ্যের দ্বারা সৃষ্ট নয়। আধুনিক রাজনৈতিক রাষ্ট্রের এই চারটি বৈশিষ্ট্য। ১৯৪৭ সালের আগে ভারতের এই বিভাগে যোগ্য বলে বিবেচিত হয় না। কারণ এমন কোনো শাসক ছিলেন না যিনি পুরো দেশ শাসন করেছিলেন। তা সত্ত্বেও, ভারত বহু শতাব্দী ধরে अस्तিত্ব রেখে এসেছে। এই ভূমি ভারতের অস্তিত্ব ও সারমর্মকে বোঝার জন্য উৎসব পালন করে আসছে, প্রায়শই একই সাথে, অথবা সময়ের সাথেয কিছু প্রভেদে। ভারতের শক্তি, জাতীয় শক্তিকে সময়ে সময়ে পুনরুজ্জীবিত করতে বাংলা একটি তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ভারত শক্তি কথাটি যে ভাবনাটি এনে দিয়েছে, সেই ভাবনাকে এই ভূমি বহুজনপূর্ণ করেছে। আমরা যে এই উৎসবগুলো উদযাপন করি, এবং এই ভূমি যা তার সংস্কৃতিতে এতটা সমৃদ্ধ ও প্রাণবন্ত, আমরা বাংলাকে ভারতের আধ্যাত্মিক, সাংস্কৃতিক ও সাহিত্যের রাজধানী হিসেবে মানি। ৬০০ বছর আগে, সমগ্র ভারত বিদেশি আগ্রাসনের সময়ে ছিল, এই মাটি শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জন্ম দিয়েছে। ঋষি বঙ্কিমচন্দ্রচট্টোপাধ্যায় যিনি আমাদের বন্দে মাতরম ডাকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ১৯০৫ সালে ব্রিটিশরা বাংলা ভাগ করলে এই গান সারাদেশে স্বাধীনতা আন্দোলনের স্লোগানে পরিণত হয়েছিল। বাংলা ঐতিহ্য ও বীর বুদ্ধিজীবীদের ভূমি, স্বাধীনতা আন্দোলনের অনুপ্রেরণা। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলার অর্থনীতি দেশের শীর্ষ তিনটি স্থান অর্জন করেছিল। ১৯৮০ সাল পর্যন্ত দেশের চারটি রাজ্য বাংলার জীববিজ্ঞান, বৌদ্ধিক প্রাণবন্ততা ইত্যাদি বিষয়ে শীর্ষ ছিল। আজকের দিনেও আমাদের প্রজেক্টগুলোতে চ্যালেঞ্জ রয়েছে। আমাদের MSME ইন্টারেস্ট এবং উদ্যোগের দিকগুলি। ২০২৬ সালের পহেলা বৈশাখ আমাদের জন্য সংকল্পের দিন। আমরা আমাদের সর্বোচ্চ অবদান রাখব।
0
0
Report
Advertisement

3000 रुपए मातृ शक्ति कार्ड से महिलाओं को आत्मनिर्भर बनाने का दावा, विपक्षी ने कहा प्रलोभन

Durgapur, West Bengal:মহিলাদের স্বাবলম্বী করতে ৩০০০ টাকার ভরসা কার্ড নিয়ে প্রলোভন বিজেপির মাতৃ শক্তির। কমিশনে অভিযোগ জানিয়েও কোনো লাভ হবে না বক্তব্য তৃণমূল প্রার্থীর । শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি আর বরণ ডালায় রয়েছে মিষ্টি, প্রদীপের আলো আর তার সঙ্গে ৩০০০ টাকার ভরসা কার্ড। কিন্তু এই ‘ভরসা’ নিয়েই উড়ছে প্রশ্ন। মাতৃ শক্তির নামে আর্থিক প্রতিশ্রুতি দিয়ে ‘প্রলোভন’ দেখাচ্ছে বিজেপি অভিযোগ তৃণমূলের। দুর্গাপুর পূর্ব বিধানসভার বিধান নগরের হাডকো মোড় এলাকায় দোরগোড়ায় হাজির বিজেপির মহিলা মোর্চা। লক্ষ্য একটাই মহিলাদের স্বাবলম্বী করা। অন্তত এমনটাই দাবি গেরুয়া শিবিরের। বাড়ি বাড়ি গিয়ে তুলে দেওয়া হচ্ছে ‘মাতৃ শক্তি ভরসা কার্ড’। সঙ্গে বড়সড় প্রতিশ্রুতি ক্ষমতায় এলে মাসে ৩০০০ টাকা! নববর্ষের আবহে এই কার্ড যেন হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক ‘গিফট প্যাক’। ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে প্রতিটি মহিলার হাতে পৌঁছে যাচ্ছে এই প্রতিশ্রুতির কার্ড। আর তার সঙ্গে বাড়ছে জল্পনা, প্রশ্ন, বিতর্ক। জেলা মহিলা মোর্চার সভানেত্রী শুভ্রা প্রসাদ সাহার সাফ কথা, “আমাদের একটাই লক্ষ্য, মহিলাদের স্বাবলম্বী করা। প্রধানমন্ত্রী আগেই ঘোষণা করেছেন, ৩০০০ টাকা দেওয়া হবে। তাই আমরা মানুষের দরজায় পৌঁছ যাচ্ছি।” তৃণমূলের অভিযোগ, এটা নিছকই ভোটের আগে প্রলোভনের ফাঁদ! দুর্গাপুর পূর্বের প্রার্থী প্রদীপ মজুমদারের কটাক্ষ, “বিজেপি ভাঁওতাবাজের দল। ভোটের আগে মানুষকে ভুল বোঝাতে বাড়ি বাড়ি ঘুরছে। এটা সরাসরি নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা লঙ্ঘন।” অভিযোগ জানাবো ঠিকই, কিন্তু তাতে কিছু হবে না। কারণ কমিশন বিজেপির পক্ষেই কাজ করছে।
0
0
Report

पश्चिम बर्द्धमान में अधिकारी जनता से मिले, मतदान का दिया आह्वान

Asansol, West Bengal:বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখল পশ্চিম বর্ধমান জেলা Shাসক এস পোন্নমবলম পুলিশ কমিশনার প্রনব কুমার সহ অন্যান্য আধিকারিক। বছরের প্রথম দিন সকালবেলায় প্রথমে রানীগঞ্জের গ্রামীণ এলাকা অর্থাৎ আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভার বল্লভপুর পঞ্চায়েত এলাকা, তারপরেই জামুরিয়া বিধানসভার অন্তর্গত কেন্দা এলাকাতে সাধারণ মানুষদের সঙ্গে কথা বললেন; সবাইকে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান করেছেন; কেউ ভয় দেখাচ্ছে কিনা বা আগে কোনদিন কেউ ভয় দেখিয়েছে কিনা এই সমস্ত তথ্য নিলেন; এইভাবেই জেলার সমস্ত এলাকায় ঘুরবে বলে জানা গেছে।
0
0
Report
Advertisement
0
0
Report

दमदम उत्तर की टीएमसी उम्मीदवार चंद्रिमा भट्टाचार्य का प्रचार صبح-शाम उफान, हजारों समर्थक मौजूद

North Dumdum, West Bengal:পয়লা বৈশাখের সকালে প্রচারে ঝড় তুললেন দমদম উত্তরের তৃণমূল প্রার্থী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। বাঙালি আবেগকে সান দিয়ে এদিন প্রচার চালান তিনি। এদিন নিমতা কালচার মোড় থেকে প্রচার শুরু করেন দমদম উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। চতুর্থ বারের জন্য বিধায়ক পদপ্রার্থী তিনি। তার প্রচারে উপস্থিত ছিলেন দমদমের সাংসদ সৌগত রায়। উপস্থিত ছিলেন উত্তর দমদম পুরসভার পুরপ্রধান বিধান বিশ্বাস সহ কয়েক হাজার কর্মী সমর্থকরা। কখনো হাত নেড়ে কখনো হাত জোর করে মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ সারেন প্রার্থী。
0
0
Report
Advertisement

नववर्ष के अवसर पर अरूप विश्वास ने प्रातःफेरी के साथ चुनाव प्रचार तेज किया

Kolkata, West Bengal:কথায় আছে माछে ভাতে बাঙালি। آर سوبھاش چنڈرا? নৱবৰ্ষ উপলক্ষে پروভাত ফেরী করলেন টালিগঞ্জের তৃণমূল প্রার্থী অরূপ বিশ্বাস। বুধবার সকালে মস্ত বড় দুই रুই মাছ সঙ্গে নিয়ে প্রভাত পেরী করতে দেখা গেল তাঁকে। सामान्यত বলা হয়ে থাকে रুই মাছ শুভ। বিয়ে হোক কিংবা अन्नপ্রাশন যেকোনো শুভ উৎসবে रুই মাছ আনা হয়ে থাকে বাঙালির ঘরে। সম্প্রতি বাঙালির খাদ্যা অভ্যাস উঠে এসেছে জോড় রাজনৈতিক চর্চায়। বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজ্যে अमিষ খাবার बंद হয়ে যাবে বলে প্রচার चालানো হচ্ছে বর্তমান শাসকদলের তরফে। কিন্তু বাঙালি তার জায়গা থেকে অটল সেই কথাটা আরো আরেকবার মনে করিয়ে दিতেই ভরপুর বাঙালিয়ানা কে সামনে রেখে আজ নববর्ष উদযাপন করেন অরূপ বিশ্বাস। প্রথমে মাছ হাতে প্রভাতফেরি, শেষে মিষ্টিমুখ করানো সবই চলে। ভোটের আগে নববর্ষ উদযাপনের সঙ্গেই এদিন চলে জনসংযোগ।
0
0
Report

बंगाल के जिलों में पुलिस कंपनियों की संख्या जारी; मालदा में सबसे अधिक

Kolkata, West Bengal:দার্জিলিং ৬১ কোম্পানি শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেট ৪৪ কোম্পানি কালিম্পং ২১ কোম্পানি জলপাইগুড়ি ৯২ কোম্পানি আলিপুরদুয়ার ৭৭ কোম্পানি কোচবিহার ১৪৬ কোম্পানি ইসলামপুর পুলিশ জেলায় ৬১ কোম্পানি রায়গঞ্জ পুলিশ জেলায় ৭১ কোম্পানি দক্ষিণ দিনাজপুর ৮৩ কোম্পানি মালদহে ১৭২ কোম্পানি জঙ্গিপুর পুলিশ জেলায় ৭৬ কোম্পানি মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলায় ২৪০ কোম্পানি পূর্ব মেদিনীপুর ২৭৩ কোম্পানি। পূর্ণ মেদিনীপুর ২৭১ কোম্পানি ঝাড়গ্রাম ৭৪ কোম্পানি বাঁকুড়া ১৯৩ কোম্পানি পুরুলিয়া ১৫১ কোম্পানি বীরভূম ১৭৬ কোম্পানি আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট ১২৫ কোম্পানি।
0
0
Report
Advertisement
Advertisement
Back to top