Become a News Creator

Your local stories, Your voice

Follow us on
Download App fromplay-storeapp-store
Advertisement
Back
Kolkata700073
हामायून कबीर की ब्रिगेड रैली पर हल्ला, ममता बनर्जी के खिलाफ खेल की धमकी
PMPiyali Mitra
Jan 05, 2026 11:23:03
Kolkata, West Bengal
বিক্ষোভকারীদের খেলা হবে”র পাল্টা….হুমায়ুলো… *হুমায়ূন *তাদের ওয়েলকাম অভিষেকের নাম নিয়ে বিক্ষোভ করছে। তারা অভিষেককে কুলষিত করতেছে। সর্বভারতীয় স্তরের নেতা থেকে তাঁকে বুথ লেভেল নামিয়ে আনছে । সেটা অভিষেক দেখুক। তারা আসুক আমার ব্রিগেডের দিনে। আমারও চাইছি খেলা হোক। হুমায়ুন খেলেতে জানেন। আমিও বলছি খেলা হবে। ফুটবলt খেলা হবে নাকি অন‍্য হবে সেটা সেদিন বুঝিয়ে দেবো। তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ করছি *এই মমতাকে আগামী দিনে মুসলিমরা ভোট দেব না। যাঁদের এতদিন ভোটের জন‍্য ব‍্যবহার করেছে এই এই দুধেল গাই দের দুই লাথ খাবে মমতা। সেই ব্যবস্থা করে দেবো। হুমায়ূন কবিরকে ভয় পেয়েছে।* কয়েক দিন আগেই আমার পার্টি ওপেন করেছি। ২২ ডিসেম্বর। কয়েক দিন বয়স। কিছুদিন আগে হুগলির ইজতেমায় আমাকে নামাজ পড়তে বাধা দেয়। আমার গাড়ির সামনে কিছু মধ্যপ যুবক শুয়ে পড়ে। তারপরে আমাকে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। আমারবই দিন উপলব্ধি হয়েছে, রাজ্যের শাসক দল একজন সাসপেন্ডেড বিধায়ককে স্বাভাবিক কর্মসূচিতে ব্যাহত করার উদ্দেশ্যে কিছু পাটাখোর লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। গত ৩১ তারিখ পর আজ ৫ তারিখ ব্রিগেডে ফের বিক্ষোভ। ১ ফেব্রুয়ারি আমায় অনুমতি পেলে ব্রিগেডে সভা হবে। আমি আর্মি অফিসে গিয়েছিলাম। তাদের ফরমেট অনুযায়ী কাল আমার অনুমতি চেয়ে আবেদন জনাব। এনওসি পেলেই আমাদের সভা হবে। সেই উপলক্ষে আমার যখন মাঠ পরিদর্শনে গিয়েছিলাম, তখন কিছু তৃণমূল কর্মী আমাকে বলছে বিজেপি দালাল। তাহলে তাদের নেত্রী অটল বিহারীর দালালি করেছে, রাজনাথ সিং এর দালালি করেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার মা গায়েত্রী দেবীকে অটল বিহারী পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করবে। তাহলে সেটা বিজেপির বি টিম না, আমি বি টিম। বিশ্ব ইজতেমায় শেষ হয়েছে। সেখানে আগত মানুষের জন্য ব্যাবস্থা নেই। মুখ্যমন্ত্রী শুধু মন্দির করে চলেছে। এই মমতাকে আগামী দিনে মুসলিমরা ভোট দেব না। এই দুধেল গাই দের লাথ খাবে মমতা। সেই ব্যবস্থা করে দেবো। হুমায়ূন কবিরকে ভয় পেয়েছে।
0
comment0
Report

For breaking news and live news updates, like us on Facebook or follow us on Twitter and YouTube . Read more on Latest News on Pinewz.com

Advertisement
SKSoumita Khan
Jan 07, 2026 07:08:38
Bhopal, Madhya Pradesh:

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: অ্যানাস্থেশিয়ার অতিরিক্ত ডোজ নিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা। মৃত্যুর সঙ্গে টানা ২৪ দিনের লড়াই। অবশেষে হার মানল জীবন, জিতে গেল মৃত্যু। AIIMS  ভোপালের ইমার্জেন্সি ও ট্রমা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. রশ্মি ভার্মা সোমবার মারা যান। 

পুলিস জানিয়েছে, রশ্মির বাড়ি থেকে সুইসাইড নোট পাওয়া গিয়েছে। সেই নোটে তিনি লিখেছিলেন যে তিনি নিজেই নিজের জীবন শেষ করছেন এবং তাঁর মৃত্যুর জন্য কাউকে দায়ী করা যাবে না। পুলিস ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, ১১ ডিসেম্বর ডিউটি শেষ করে বাড়ি ফেরার পর ডা. ভার্মা নিজেই অ্যানাস্থেশিয়ার বেশি মাত্রার ইনজেকশন নেন বলে অভিযোগ। কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। এরপর পরিবারের সদস্যরা তাঁকে দ্রুত এআইআইএমএস ভোপালে নিয়ে যান। হাসপাতালে পৌঁছাতে প্রায় ২৫ মিনিট সময় লেগে যায়। ততক্ষণে তাঁর হৃদযন্ত্র প্রায় সাত মিনিট ধরে কাজ করা বন্ধ ছিল বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন:Son after Ten Daughters: ১০ মেয়ের পর কোলে এল ছেলে! ১৯ বছরের অপেক্ষার পর বাবা দাবি করলেন...

ইমার্জেন্সি বিভাগের চিকিৎসকেরা সঙ্গে সঙ্গে সিপিআর শুরু করেন। তিন দফা সিপিআরের পর তাঁর হার্টবিট ফিরে আসে। তবে অক্সিজেনের অভাবে তাঁর মস্তিষ্কে গুরুতর ক্ষতি হয়ে যায়। ৭২ ঘণ্টা পরে করা এমআরআই পরীক্ষায় 'গ্লোবাল হাইপক্সিক ব্রেন ইনজুরি' ধরা পড়ে। চিকিৎসকদের মতে, এই অবস্থায় সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম থাকে। ডা. ভার্মাকে এআইআইএমএস-এর প্রধান আইসিইউতে ভেন্টিলেটরে রাখা হয়। ২৪ দিন ধরে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের চেষ্টা সত্ত্বেও তাঁর অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, ৫ জানুয়ারি সকাল প্রায় ১১টায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। পরে তাঁর দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

পরিবারের সদস্যরা পুলিসকে জানিয়েছেন, বাবার মৃত্যুর পর থেকে রশ্মি মানসিক চাপে ছিলেন এবং হতাশায় ভুগছিলেন। তবে কর্মস্থলে কোনও সমস্যার কথা তিনি কখনও কাউকে বলেননি।

ডা. রশ্মি ভার্মার স্বামী ডা. মনমোহন শাক্য একজন অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ। ঘটনার দিন তিনি অচেতন অবস্থায় স্ত্রীকে এআইআইএমএসে নিয়ে যান। চিকিৎসার সময় কিছু মহল থেকে এআইআইএমএস ভোপালের কাজের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তবে হাসপাতাল সূত্র জানায়, ডা. ভার্মা কখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ করেননি এবং তিনি দায়িত্বশীল ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে এআইআইএমএস কর্তৃপক্ষ একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে, যদিও এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। কর্তৃপক্ষ জানায়, পেশাগত চাপের কোনও স্পষ্ট প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:Chuchura Circus: তিনটে জ্যান্ত শিঙিমাছ গিলে বের করে দিচ্ছেন, তাসখন্দেও দেখিয়েছেন এই খেলা, রুদ্ধশ্বাস দর্শকরা

ডা. ভার্মা প্রয়াগরাজের মোতিলাল নেহরু মেডিক্যাল কলেজ থেকে থেকে এমবিবিএস, গোরখপুরের বিআরডি মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমডি। এলএন মেডিক্যাল কলেজ ও পিএমএস ভোপালেও কাজ করেছেন তিনি। প্রায় পাঁচ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি পরিচিত ছিলেন একজন সংবেদনশীল মানুষ হিসেবে। অনেক সময় গরিব রোগীদের চিকিৎসার খরচ নিজে বহন করতেন। সিপিআর প্রশিক্ষণ কর্মসূচির নোডাল অফিসার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন।

পুলিস জানিয়েছে, ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হাতের লেখা পরীক্ষার রিপোর্ট ও ময়নাতদন্তের ফল এলে পুরো বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

আপনি কি অবসাদগ্রস্ত? বিষণ্ণ? চরম কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না। আপনার হাত ধরতে তৈরি অনেকেই। কথা বলুন প্লিজ... 

iCALL (সোম-শনি, ১০টা থেকে ৮টা) ৯১৫২৯৮৭৮২১

কলকাতা পুলিস হেল্পলাইন (সকাল ১০টা-রাত ১০টা, ৩৬৫ দিন) ৯০৮৮০৩০৩০৩, ০৩৩-৪০৪৪৭৪৩৭

২৪x৭ টোল-ফ্রি মানসিক স্বাস্থ্য পুনর্বাসন হেল্পলাইন-- কিরণ (১৮০০-৫৯৯-০০১৯)

(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের AppFacebookWhatsapp ChannelX (Twitter)YoutubeInstagram পেজ-চ্যানেল)

0
comment0
Report
MCMoumita Chakraborty
Jan 07, 2026 04:48:20
Kolkata, West Bengal:বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে নয়া জটিলতা। ফেব্রুয়ারিতে নয়, এপ্রিলেই নির্বাচন? রাজনীতির মারপ্যাঁচে নতুন লাইফলাইন পাবে আওয়ামী লীগ? অন্যদিকে ফেব্রুয়ারী র সময় ভোট চাইছেনা জামাত ও ইউনুস। তাহলে কি ফের পিছোতে পারে ভোট? ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন হচ্ছে না। আওয়ামী লীগকে অন্তর্ভুক্ত রেখেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে আগামী এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে। সম্ভাব্য এই নির্বাচনী তারিখ জানুয়ারিতেই ঘোষণা করা হবে। এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন ভারতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের একজন শীর্ষ নেতা, আনুষ্ঠানিক আলোচনায়। বিষয়টি সম্পর্কে একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র একই ধরনের আভাস দিয়েছে। রাজনৈতিক অচলাবস্থার মধ্যে এই বার্তা আওয়ামী লীগের জন্য নতুন করে স্বস্তির জায়গা তৈরি করেছে। দীর্ঘদিনের চাপ, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ এবং অভ্যন্তরীণ সমীকরণ মিলিয়ে নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাই এখন শক্ত হচ্ছে। এদিকে কূটনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ সময় সামনে। আগামী ১২ জানুয়ারি ঢাকায় আসছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন বলে জানা গেছে। এসব বৈঠকে নির্বাচন, অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়া এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা গুরুত্ব পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে জানুয়ারির মধ্যেই রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা আরও স্পষ্ট হবে। ফেব্রুয়ারির নির্বাচন আপাতত অনিশ্চিত, আর এপ্রিলের মাঝামাঝি একটি সমঝোতামুখী নির্বাচনের দিকেই যেন পরিস্থিতি ধীরে ধীরে গড়াচ্ছে।
0
comment0
Report
PCPrabir Chakraborty
Jan 07, 2026 04:38:03
Kolkata, West Bengal:चलতি জেলা সফরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আজ কর্মসূচি রয়েছে দুই দিনাজপুরে। দুয়িত্র জেলার দুই লোকসভা আসনেই পরাস্ত হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই অবস্থায় উত্তর দিনাজপুর, জেলার ৯ বিধানসভা আসন ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ৬ বিধানসভা আসনে বিশেষ নজর তৃণমূলের। পরিযায়ী শ্রমিক হেনস্থা ইস্যুতে বিজেপিকে বিঁধতে চাইছে তৃণমূল। পাশাপাশি SIR নিয়ে মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছে তাও উত্তরবঙ্গের দুই জেলার ১৫ বিধানসভা আসনে প্রচারে বিশেষ ভাবে তুলে আনতে চায় বাংলার শাসক দল। সেখানেই আজ SIR আতঙ্কে মৃতের পরিবারের সাথে তিনি দেখা করবেন বালুরঘাটে। ভিন্ রাজ্যে আক্রান্ত হওয়া দুই পরিযায়ী শ্রমিকের বাড়িতে আজ যাবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক মহল মনে করছে উত্তর দিনাজপুর জেলার বেশ কয়েকটি আসনে এবার ত্রিমুখী লড়াই হবে। বেশ কয়েকটি আসনে ফ্যাক্টর হবে কংগ্রেস। সদ্য পাশ্ববর্তী জেলা মালদায় 'মৌসম' বদল হয়েছে। চলতি মাসে কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব সভা করতে পারেন। তাই রাজনৈতিক ভাবে তৃণমূল কংগ্রেস কি ভাবে প্রচার চালাবে তা নিয়েও আজ দলের নেতা কর্মীদের বার্তা দেবেন অভিষেক।
0
comment0
Report
SGShreyasi Ganguly
Jan 07, 2026 03:34:23
0
comment0
Report
SBSoumen Bhattachrya
Jan 07, 2026 03:32:41
0
comment0
Report
DBDebanjan Bandyopadhyay
Jan 07, 2026 01:15:19
Kolkata, West Bengal:আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশের ভারত সফর নিয়ে মঙ্গলবার আইসিসি ও বিসিবি-র মধ্যে আলোচনা থেকে পরস্পরবিরোধী তথ্য পাওয়া গেছে. সূত্র অনুযায়ী, মঙ্গলবার এক ভার্চুয়াল কল에 আইসিসি নাকি বিসিবি-কে জানিয়েছেন যে তারা নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারতের বাইরে সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করছে. ধারণা করা হচ্ছে, আইসিসি বিসিবি-কে জানিয়েছে যে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে বাংলাদেশকে ভারত ভ্রমণ করতে হবে, অন্যথায় পয়েন্ট হারানোর ঝুঁকিতে পড়তে হবে. যদিও বিসিবি দাবি করেছে যে, গভর্নিং বডির পক্ষ থেকে তাদের কাছে এমন কোনো চরমপত্র পৌঁছায়নি. মঙ্গলবারের এই কলের ফলাফল নিয়ে বিসিসিআই বা বিসিবি—কোনো পক্ষ থেকেও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি. বিসিবি গত রবিবার আইসিসি-র কাছে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারতের বাইরে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি 'বিবেচনা' করতে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেওয়ার পর এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল. ভারত ও শ্রীলঙ্কায় আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় ২০ দলের এই টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার প্রায় এক মাস আগে এই জটিল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে. গ্রুপ 'সি'-তে থাকা বাংলাদেশের প্রথম তিনটি ম্যাচ কলকাতায় হওয়ার কথা রয়েছে: ৭ ফেব্রুয়ারি (বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ), ৯ ফেব্রুয়ারি (বনাম ইতালি) এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি (বনাম ইংল্যান্ড). তাদের গ্রুপের শেষ ম্যাচটি ১৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইতে নেপালের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা. বিসিবি-র আইসিসি-কে চিঠি দেওয়ার মূল কারণ ছিল বিসিসিআই-এর একটি সিদ্ধান্ত. বিসিসিআই কলকাতা নাইট রাইডার্সকে বাংলাদেশের ফাস্ট বোলার মুস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য 'নির্দেশ' দিয়েছিল, যাকে গত ডিসেম্বরের আইপিএল নিলামে ৯.২ কোটি টাকায় কেনা হয়েছিল. বিসিসিআই-এর এই সিদ্ধান্তের কথা সংবাদমাধ্যমকে জানান সংস্থার সচিব দেবজিৎ সইকিয়া. তবে মুস্তাফিজুরকে—যিনি ২০২৬ সালের নিলামে কেনা একমাত্র বাংলাদেশি খেলোয়াড় ছিলেন—কেন ছেড়ে দেওয়া হলো, তার কোনো কারণ সাইকিয়া উল্লেখ করেননি. জানা গেছে যে, আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিল এই পরিস্থিতি নিয়ে কোনো আলোচনায় বসেনি. ফলে সাইকিয়া ছাড়া মুস্তাফিজুরের এই সিদ্ধান্তের পেছনে আর কার হাত ছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে.
0
comment0
Report
DGDebabrata Ghosh
Jan 06, 2026 16:00:21
Howrah, West Bengal:২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম না থাকায় হাওড়ায় শুনানিতে ডাকা হলো এসইউসিআইয়ের প্রাক্তন সাংসদ তরুণ মন্ডলকে। হাওড়া জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি তৃণমূলের আজয় ভট্টাচার্য, দক্ষিণ হাওড়ার বিধায়ক তৃণমূলের নন্দিতা চৌধুরির পর এবার হাওড়ায় এসআইআরের শুনানিতে ডাকা হলো হাওড়ার বি গার্ডেনের বাসিন্দা এসইউসিআই নেতা তথা দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরের প্রাক্তন সাংসদ তরুণ কুমার মন্ডলকে। এসআইআরের খসড়া তালিকা প্রকাশের পর নথি যাচাইয়ের জেরে রাজ্যজুড়ে বহু ভোটারকে শুনানিতে হাজির হতে হচ্ছে। এই তালিকায় বাদ পড়ছেন না জনপ্রতিনিধিরাও। সেই তালিকায় এবার নাম উঠলো এসইউসিআইয়ের প্রাক্তন সাংসদ তরুণ কুমার মন্ডলের。 মঙ্গলবার দুপুর ১২টা নাগাদ শিবপুরের বি গার্ডেনের কলেজঘাট রোডে পূর্ত দপ্তরের অফিসে শুনানি কেন্দ্রে যাবতীয় নথি নিয়ে শুনানিতে হাজির হতে বলা হয় তরুণবাবুকে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশমতোই তরুণবাবু এদিন যাবতীয় নথি নিয়ে শুনানিতে অংশ নেন। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তরুণবাবুর নাম না থাকায় শুধু তাঁর মায়ের নাম থাকায় এসআইআরের শুনানিতে তাঁকে ডাকা হয়। এদিন শুনানিতে অংশ নেওয়ার পর এই প্রসঙ্গে তরুণবাবু জানান, ‘‘আমি কেন্দ্রীয় সরকারের চাকরি করতাম। তাই ২০০২ সালে কর্মসূত্রে আমি মহারাষ্ট্রে ছিলাম। ফলে তখন নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় কোনওভাবে আমি হাওড়ায় বি গার্ডেনের বাড়িতে না থাকায় আমার নামটা ভোটার তালিকায় ওঠেনি।’’ কিন্তু তরুণবাবুর বক্তব্য, ‘‘২০০২ সালের ভোটার তালিকায় আমার নাম না থাকতে পারে। কিন্তু ২০০৯ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত আমি তো লোকসভার সাংসদ হয়েছিলাম। ভোটার তালিকায় নাম না থাকলে তাহলে আমি কীভাবে সাংসদ হলাম? তবে কী বাংলাদেশ থেকে এসে ভারতের লোকসভায় সাংসদ হয়ে গেলো কেউ? এই প্রশ্ন আমি নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের করেছি। প্রথমত আমি সাংসদ ছিলাম। दोस्रोত আমি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ছিলাম। ফলে নির্বাচন কমিশনের কাছে আমার সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য থাকার কথা। যদি নাও থাকে তাহলেও নির্বাচন কমিশন সহজেই আমার সম্পর্কে তথ্য পেয়ে যেতে পারে।’’ এদিন এসইউসিআইয়ের এই প্রাক্তন সাংসদ অভিযোগ করেন, ‘‘আসলে এভাবে নির্বাচন কমিশন সাধারণ মানুষকে হয়রানি کررছে। শুধু আমাকে নয়, নানা ছোট ছোট বিষয় নিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি کررছে।’’ তাঁর কথায়, ‘‘আমার মায়ের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় ছিলো। আমার মা ২০১৩ সালে মারা যান। শুনানিতে আমি আমার মায়ের ডেথ সার্টিফিকেট জমা দিয়েছি। মায়ের এপিক কার্ড দিয়েছি। তা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা আমার নাম ভোটার তালিকায় উঠবে বলে আশ্বাস দিতে পারেননি। দেখা যাক কমিশন কী করে? অপেক্ষায় রইলাম।’’
0
comment0
Report
NHNantu Hazra
Jan 06, 2026 15:51:13
Salt Lake City, Utah:Hearings are going on during school hours and there are objections from the school authorities. Many people from outside are coming to the hearing, there are small school children and they object by asking who will take their responsibility if something happens. Let the election commission look into the application of the school authorities. স্কুল চলাকালীন চলছে স্কুলের মধ্যে হেয়ারিং সেখানেই আপত্তি স্কুল কর্তৃপক্ষের। বাইরের থেকে বহু মানুষ আসছেন হেয়ারের এ স্কুলের ছোট ছোট বাচ্চারা রয়েছে কিছু হলে তাদের দায়িত্ব কে নেবে এই প্রশ্ন তুলে তাদের আপত্তি। বিষয়টি ইলেকশন কমিশন খতিয়ে দেখুক আবেদন স্কুল কর্তৃপক্ষের। সল্টলেক জিডি ব্লকের একটি বেসরকারি স্কুলে (st. Johan primary school) চলছে হেয়ারিংয়ের কাজ।স্কুলে চলছে ছোট ছোট ছাত্র ছাত্রীদের ক্লাস। সেখানেই হিয়ারিং এর জন্য আসছে বহিরাগতরা দাবি স্কুলের। যদি বাচ্চাদের কিছু হয় তার দায়িত্ব কে নেবে? প্রশ্ন স্কুল কর্তৃপক্ষের। অবিলম্বে বিষয়টি নির্বাচন কমিশন দেখুন আবেদন স্কুল কর্তৃপক্ষের। দুপুর বারোটা থেকে হেয়ারিং শুরু হওয়ার কথা ছিল, সেই মতো হেয়ারিং এ ডাকবে বহু মানুষ তারা স্কুলে এসে জমায়েত হয়। বেশিরভাগ রয়েছে বয়স্ক মানুষ। ঠান্ডার মধ্যে তারা দীর্ঘক্ষণ লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে। কিন্তু হেয়ারিংয়ের কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি, খবর পেয়ে ছুটে আসেন বিধাননগর दक्षिण থানার পুলিশ ও উচ্চপদস্থ আধিকারিক। ছুটে আসে চৌত্রিশ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রঞ্জন পোদ্দার। এর পরেই আলোচনার মাধ্যমে দীর্ঘক্ষণ পর হেয়ারিং কাজ শুরু হয়। তবে hearing এর জন্য দুজন করে ভেতরে যেতে পারবে। এই কারণেই নির্দিষ্ট যে সময় সীমা বেঁধে দেওয়া রয়েছে সেই সময়সীমা অতিক্রম হয়ে যাবে বলেই মনে করছে হিয়ারিং এ আগত মানুষেরা। যার ছেড়ে এই ঠান্ডায় সমস্যায় পড়েছেন তারা।
0
comment0
Report
NHNantu Hazra
Jan 06, 2026 15:50:51
0
comment0
Report
RDRaktima das
Jan 06, 2026 15:35:42
0
comment0
Report
DBDebanjan Bandyopadhyay
Jan 06, 2026 14:46:25
Kolkata, West Bengal:বশেষে ভারতের ফুটবলের মেগা লিগ আইএসএল এর কিক-অফের দিনক্ষণ এবং একটি নির্দিষ্ট দিশা পাওয়া গেল মঙ্গলবার। দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে চলা আইনি জটিলতা এবং প্রশাসনিক অচলাবস্থার পর, সরকারের সরাসরি হস্তক্ষেপে ২০২৬ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে চলেছে ইন্ডিয়ান সুপার লিগ। ক্রীড়া মন্ত্রক, অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন এবং অংশগ্রহণকারী ১৪টি ক্লাবের প্রতিনিধিদের মধ্যে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকের পর এই জট কেটেছে। মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল এবং মহামেডান স্পোর্টিংয়ের মতো ঐতিহ্যবাহী শক্তির পাশাপাশি মুম্বই সিটি, বেঙ্গালুরু এফসি, এফসি গোয়া, কেরালা ব্লাস্টার্স, চেন্নাই, দিল্লি, পাঞ্জাব, নর্থইস্ট ইউনাইটেড, জামশেদপুর, ওড়িশা এবং ইন্টার কাশির মতো আইএসএল-এর নিয়মিত দলগুলো এই বৈঠকে উপস্থিত ছিল। ভারতীয় ফুটবলের প্রধান অংশীদাররা খেলাটি পুনরায় শুরু করার একটি রোডম্যাপে একমত হয়েছেন। ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মান্ডব্য নিশ্চিত করেছেন যে, আইনি অনিশ্চয়তাই ছিল এই বিলম্বের প্রধান কারণ। মন্ত্রী বলেন, "কিছু আদালতের মামলার কারণে আইএসএল অনিশ্চয়তার মুখে ছিল। তবে আমরা সমস্ত অংশীদারদের সাথে কথা বলতে সক্ষম হয়েছি এবং সমস্যার সমাধান হয়েছে; এ বছরই আইএসএল অনুষ্ঠিত হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিভঙ্গি হলো ভারতে খেলাধুলা যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এবং আমি আনন্দিত যে আমরা এটি সমাধান করতে পেরেছি।" মাঠের লড়াইয়ে দেখা যাবে ১৪টি ক্লাবকে, যারা 'সুইস মডিউল' সিস্টেমে সিঙ্গল-লেগ হোম-অ্যান্ড-অ্যাওয়ে ফরম্যাটে খেলবে। এই কাঠামোয় মোট ৯১টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে, যা মরশুম বাতিল বা সংক্ষিপ্ত হওয়ার আশঙ্কা দূর করে প্রতিযোগিতামুলক ধারাবাহিকতা ফিরিয়ে আনবে। মাঠের বাইরেও প্রশাসনিক সংস্কার এই বৈঠকের অন্যতম প্রধান বিষয় ছিল। ক্লাবগুলো একটি ‘গভর্নিং কাউন্সিল বোর্ড’ গঠন করবে জাদের বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বায়ত্তশাসন থাকবে। এই পদক্ষেপটি ফেডারেশনের সাথে সংঘাত কমাতে এবং ক্লাবগুলোকে রাজস্ব, স্পনসরশিপ ও অপারেশনাল পরিকল্পনার ওপর আরও নিয়ন্ত্রণ দেওয়ার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। আর্থিক কাঠামোটিও স্পষ্ট করা হয়েছে। একটি ২৫ কোটি টাকার কেন্দ্রীয় তহবিল (central pool) তৈরি করা হবে, যেখানে AIFF ৪০ শতাংশ অবদান রাখবে। লিগ নিজে পাবে ১০ কোটি টাকা এবং আই-লিগের জন্য ৩.২ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হবে। ইন্ডিয়ান উইমেন্স লিগ (IWL) ১০০ শতাংশ অর্থায়ন পাবে—যা নারী ফুটবলকে শক্তিশালী করার সরকারি সদিচ্ছার প্রতিফলন। কাঠামোগত পরিবর্তন কেবল আইএসএল-এর মধ্যেই সীমিত নয়। আই-লিগ মরশুম সংকুচিত করে ৫৫টি ম্যাচ করা হবে, আর ঘরোয়া ফুটবলের পিরামিডকে আরও উন্নত করতে আই-লিগ ২ এবং ৩-কে একীভূত করা হবে। কর্মকর্তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে ৬টি জাতীয় লিগই নির্ধারিত সময়ে শুরু ও শেষ হবে—যার লক্ষ্য হলো ভারতীয় ফুটবলের ক্যালেন্ডারের বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনা। প্রশাসনিক লড়াই এবং অনিশ্চয়তায় জর্জরিত একটি খেলার জন্য ১৪ ফেব্রুয়ারির এই প্রত্যাবর্তন কেবল একটি সূচি ঘোষণা নয়। এটি ক্রীড়া ইকোসিস্টেমকে স্থিতিশীল করার, ক্লাবগুলোকে রক্ষা করার এবং মান্ডব্যের কথা অনুযায়ী—ভারতীয় খেলাধুলা যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় তা নিশ্চিত করার একটি সরকারি প্রচেষ্টা।
0
comment0
Report
Advertisement
Back to top