Become a News Creator

Your local stories, Your voice

Follow us on
Download App fromplay-storeapp-store
Advertisement
Back
Darjeeling734101

दार्जीलिंग का पहला जन्मदिन ब्रिटिश कब्रिस्तान में, कैप्टन जॉर्ज एल्यमर लॉयड को याद

KAKAYESH ANSARI
Feb 01, 2026 15:47:20
Darjeeling, West Bengal
Darjeeling citizens celebrate "Darjeeling Birthday" for the first time in a British graveyard where Captain George Alymer Lloyd is buried. The Chogyal, or monarch, of Sikkim, signed the deed of grant transferring Darjeeling to the British East India Company on February 1, 1835. Darjeeling celebrated its 'birthday' for the first time today (1st February). The initiative aims to highlight the hill town's history and honour Captain George Alymer Lloyd, who is credited with laying the foundation of modern-day Darjeeling and is buried there. The Chogyal, or monarch, of Sikkim, signed the deed of grant transferring Darjeeling to the British East India Company on February 1, 1835. Darjeeling's 'birthday' on February 1 marks the first celebration of this day. The aim is to focus on the town's history and to conserve George Aylmer Lloyd's tomb, which is at a cemetery along the Lebong Cart Road. Palzor Tshering, a social activist organizing the project with Anant Sharma, said local people and children attended the program. It was a non-political event. The cake was cut and the candle burnt at George Alymer Lloyd's cemetery. Darjeeling was originally part of the kingdom of Sikkim, which extended to eastern Nepal. In the 1700s, Nepal attacked Darjeeling and established control up to the Teesta river. According to the Archaeological Survey of India (ASI), the East India Company defeated Nepal in war and signed a treaty at Sugauli in 1816, ceding 4,000 square miles (10,000 sq km) of territory. The British returned Darjeeling to Sikkim, but a dispute arose again between Nepal and Sikkim a decade later. Two officers — Captain Lloyd and J.W. Grant — were sent by the East India Company to broker peace between the two countries in 1828. Upon reaching Ghoom, Lloyd was charmed by Darjeeling. It was his responsibility to negotiate a lease of the area with the Chogyal. In 1841, the East India Company granted Sikkim an allowance of ₹3,000 in compensation, later raised to ₹6,000 in 1846. Lloyd continued to live in Darjeeling. Archibald Campbell, a member of the Indian Medical Service, was entrusted with developing the area and setting up a sanatorium. Campbell, the first superintendent of the area, introduced tea cultivation in the hills. Lloyd died at the age of 76 in 1865 and was laid to rest near the old cemetery on Lebong Cart Road. The ASI (Calcutta circle) declared the site to be of national importance under the Ancient Monuments and Archaeological Sites and Remains Acts, 1958. “We would want Lloyd’s burial site to be conserved well and perhaps developed as an interesting destination for tourists,” said Palzor. The neglected final resting place of Darjeeling’s discoverer lies a few metres away from the well-preserved tomb of Alexander Csoma De Koros, a Hungarian Tibetologist who was a member of the Asiatic Society in Calcutta. Koros's tomb was also declared a site of national importance by the ASI. Residents say the Hungarian government consistently expends effort to upkeep the tomb. “Every year, people from the Hungarian embassy visit to ensure it is preserved well. It would be great if Lloyd’s cemetery is restored and maintained well,” said Palzor
0
comment0
Report

For breaking news and live news updates, like us on Facebook or follow us on Twitter and YouTube . Read more on Latest News on Pinewz.com

Advertisement
KMKIRAN MANNA
Mar 15, 2026 18:15:48
Dihierench, West Bengal:*ভোট ঘোষণা হতেই রাতে নন্দীগ্রামে বিজেপির প্রচার মিছিল শুরু হয়ে গেল, বিকেলে শুভেন্দু অধিকারীর নামে দেয়াল লিখনের পর রাতেই বিজেপির প্রচার মিছিল। মিছিল ঘিরে বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা।* ভোট ঘোষণা হতেই নন্দীগ্রামে রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়ে গেল। শুভেন্দু অধিকারীর নামে দেওয়াল লিখনের পাশাপাশি রাতেই বিজেপির প্রচার মিছিল শুরু করে দলীয় কর্মী-সমর্থকরা。 নন্দীগ্রাম মন্ডল ১ এলাকার ভেকুটিয়া অঞ্চলের শ্রীরামপুর বাজারে বিজেপির কর্মী, কার্যকর্তা ও নেতৃত্বরাacal প্রচারে নামেন। রাত প্রায় দশটা পর্যন্ত চলে এই প্রচার কর্মসূচি。 ভোটের ঘোষণা হতেই এলাকায় দেওয়াল লিখন এবং প্রচার মিছিলের মাধ্যমে প্রচার শুরু করায় রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তে শুরু করেছে নন্দીগ্রামে。 বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, আসন্ন নির্বাচনে মানুষের কাছে নিজেদের বার্তা পৌঁছে দিতেই এই প্রচার কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে।
80
comment0
Report
TCTathagata Chakraborty
Mar 15, 2026 17:32:04
Kolkata, West Bengal:शशी पांजावर हमले के विरोध में श্যামपुकुर में तृणমূলের মিছিল তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী Shashi Panja-র উপর হামলার ঘটনার প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে ওঠল Shyampukur Assembly Constituency। রবিবার শ্যামপুকুর বিধানসভা জুড়ে প্রতিটি ওয়ার্ডে প্রতিবাদ মিছিল সংগঠিত করে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী ও সমর্থকদের。 দলীয় পতাকা ও প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে রাস্তায় নেমে হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান তারা। মিছিলে অংশ নেওয়া তৃণমূল কর্মীদের দাবি, গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে এই ধরনের হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও কঠোর শাস্তির দাবিও তোলেন তারা。 তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা জানিয়েছেন, এই ঘটোন প্রতিবাদে তাদের আন্দোলন চলবে এবংআগামী দিনেও বিভিন্নভাবে প্রতিবাদ কর্মসূচি সংগঠিত করা হবে।
152
comment0
Report
NRNarayan Roy
Mar 15, 2026 17:17:20
Siliguri, West Bengal:শিলিগুড়িতে মারওয়ারи যুব মঞ্চের ‘সংকল্পম’ কর্মসূচি ১৪–১৫ মার্চ শিলিগুড়ি “এক মন, এক লক্ষ্য — শক্তিশালী যুব, শক্তিশালী জাতি” এই মূল ভাবনাকে সামনে রেখে আজ শিলিগুড়িতে অনুষ্ঠিত হলো পশ্চিমবঙ্গ–সিকিম প্রান্তীয় মারওয়ারি যুব মঞ্চের বিশেষ কর্মসূচি ‘সংকল্পম’। আগামী ১৪ ও ১৫ মার্চ শিলিগুড়িতে এই দুই দিনের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। অখিল ভারতীয় মারওয়ারি যুব মঞ্চের সঙ্গে যুক্ত পশ্চিমবঙ্গ–সिकিম প্রান্তীয় মারওয়ারি যুব মঞ্চের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বিভিন্ন শাখার সদস্য ও যুব প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছে। যুব সমাজকে সংগঠিত করা, সামাজিক দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি এবং শক্তিশালী জাতি গঠনের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। এই দুই দিনের ‘সংকল্পম’ কর্মসূচির আতিথ্য দিচ্ছে শিলিগুড়ি শাখা। অনুষ্ঠানতে বিভিন্ন সাংগঠনিক আলোচনা, সামাজিক উদ্যোগ এবং যুব সমাজকে উদ্বুদ্ধ করার নানা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে আজ এই অনুষ্ঠানে।
112
comment0
Report
MMManoj Mondal
Mar 15, 2026 16:31:05
Kolkata, West Bengal:রাজ্যে যখন ভোট ঘোষণা , তখন উত্তর 24 পরগনার হাবরাতে ধরা পড়লো এই ছবি। হাবরা পৌরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের ৩১ নম্বর রেলগেট এলাকায় , লিংকন মন্ডল নামে বিজেপি কর্মী তার দোকানের সামনে বসে কয়েকজন সাধারণ মানুষকে , যাদের এস আই আর এ নাম কেটে গেছে , এবং ভোটার লিস্টে নাম নেই তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে CAA কার্ড দেওয়ার নাম করে কারোর কাছ থেকে ৮০০ টাকা কারোর কাছ থেকে ৭০০ টাকা করে নেওয়ার অভিযোগ। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে হাবরা পৌরসভার চেয়ারম্যান নারায়ণ সাহা এবং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শঙ্কর ঘোষ। চেয়ারম্যান সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে বলেন কাউকে টাকা দেবেন না, ঘটনার খবর জানা জানি হতেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায় ঘটনাস্থলে হাবরা থানার পুলিশ গিয়ে দুই অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। তবে বিজেপির পক্ষ থেকে বিজেপি নেতা দীপঙ্কর চক্রবর্তী জানন যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারা বিজেপির কেউ নয়। পরিকল্পনা করে তৃণমূল ֆাঁসিয়েছে তাদের।
164
comment0
Report
BSBarun Sengupta
Mar 15, 2026 16:30:46
Barrackpur Cantonment, West Bengal:কারুর বাড়িতে যাওয়া এটা তৃণমূলী কালচার। আমরা দেখেছি, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য যখন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তখন এখনকার যিনি মুখ্যমন্ত্রী তিনি দলবল নিয়ে তার বাড়ি চলে গিয়েছিল। আমরা সরকারি প্রশাসনিক ভবনের সামনে যেতে চাই। শশী পাজার বাড়ির উপর আক্রমণ নিয়ে এমনই মন্তব্য করেন। বিমান বসু। তবে বামপন্থার পুনরুত্থান করতে চান তারা এটা বিমান বসুর কথা থেকে স্পষ্ট। তবে তিনি স্বীকার করে নেন এই কাজটা করতে তাদের সময় লাগছে কারণ বামফ্রন্টের বাইরে যারা রয়েছেন তাদের সঙ্গে কথা বলা এবং বিভিন্ন ইস্যুতে একমত হওয়া। এখনো তিনি বলছেন অল্প দিনের মধ্যেই এর নিষ্পত্তি হয়ে যাবে। তবে আগামীকালই বামফ্রন্টের প্রাথমিক তালিকা বের হতে চলেছে এটা কিন্তু তিনি নিশ্চিত করে দেন। যারা বামপন্থী আছেন বা যারা তার বাইরে আছেন তাদের সাথে সুইট এডজাস্টমেন্ট করা হবে এটাকে কোন জোট বা ঘোট বলেনা বিজেপি এবং তৃণমূলের বিরুদ্ধে যারা লড়বে তাদের নিয়ে ট্রিট এডজাস্টমেন্ট হবে। তৈরি হবে কমন প্লাটফর্ম。 হি এ বাড়ানো নিয়ে বিমান বসুর দাবি এটা সরকার করতে বাধ্য হয়েছেন। পুরোহিত এবং মহাজ্জেম ভাতা বাড়ানো নিয়ে বিমান বসুর দাবি যারা মন্দির মসজিদ নিয়ে রাজনীতি করে তারাই এটা করবে। এটার মধ্যে কোন অভিনবত্ব কিছু নেই । কাঁচরাপাড়া এসে এমনই মন্তব্য বিমান বসুর。
237
comment0
Report
RDRaktima das
Mar 15, 2026 15:18:39
Kolkata, West Bengal:পশ্চিমবঙ্গ-তে ভূমিসন্তানদের জন্য সরকারি চাকরিতে ১০০%, বেসরকারি চাকরিতে ৮৫% স্থান সংরক্ষণ ও-lhes; ব্যবসা-ঠিকাদারী ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় ও অগ্রাধিকার; বাংলার ভাষা-সংস্কৃতিকে রক্ষার্থে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিশেষ নজর; বাংলায় বাধ্যতামূলক বাংলা মাধ্যম স্কুল ও তাদের পরিকাঠামো উন্নয়ন; পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত দপ্তর-ব্যবস্থাপনায় বাংলায় পরিষেবা বাধ্যতামূলক; ফুটপাত, স্টেশন ও বাজারে বাংলার ভূমিসন্তানদের ব্যবসা সুযোগ বাড়ানো; শিক্ষা-স্বাস্থ্যে বাংলার পুঁজির বিনিয়োগ ও স্থানীয় উদ্যোক্তাদের অগ্রাধিকার; সমস্ত বেসরকারি হসপিটালতে বাংলার স্বাস্থ্য-সেবার মূল্যস্ফীতি কমিয়ে বাংলার রোগীকে অগ্রাধিকার; ধর্ম-জাত-বিভাজনকারী সকল সাম্প্রদায়িক শক্তিকে কঠোর দমন; চাকরি, ব্যবসা, শিক্ষা-স্বাস্থ্য, প্রতিক্ষেত্রে ভূমিসন্তানদের নিরাপত্তা ও নিযুক্ত পরিযায়ী শ্রমিকদের সামাজিক-আর্থিক নিরাপত্তাanggung; ক্রীড়াঙ্গন ও ক্রীড়া সংস্থায় ১০০% ভূমিসন্তানকে সুযোগ; বাংলায় থাকা-franchise-গুলো বাংলার ভূমিসন্তানদের অগ্রাধিকার; প্রতিটি জনপ্রতিনিধিকে বাঙালি হতে হবে; পরিবেশ-জলাভূমি সংরক্ষণে প্রশাসনকে অতিকঠোরতা;
147
comment0
Report
STSrikanta Thakur
Mar 15, 2026 15:16:24
160
comment0
Report
DGDebabrata Ghosh
Mar 15, 2026 14:45:19
Howrah, West Bengal:নির্বাচন घोषণার সঙ্গে সঙ্গে নাকা চেকিং অভিযানে হাওড়া সিটি পুলিশ। রবিবার বিকালে আনুষ্ঠানিকভাবে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের ঘন্টায় বেজে গিয়েছে। তারপরেই তৎপরতা দেখা গেল হাওড়া সিটি পুলিশের উদ্যোগে। এদিন সন্ধ্যায় হাওড়া শিবপুর বিধানসভার কেন্দ্রের ইস্ট ওয়েস্ট বাইপাসের টিকিয়াপাড়া স্টেশন সংলগ্ন অঞ্চলে নাকা চেকিং করে বিভিন্ন গাড়ি তল্লাশি করতে দেখা যায় হাওড়া সিটি পুলিশে আধিকারিদের। যে সমস্ত ব্যক্তিগত গাড়ি এই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছে তাদের কাগজপত্র পরীক্ষা করার সঙ্গে সঙ্গে গাড়িতে তল্লাশী চালানো হচ্ছে।নির্বাচন প্রক্রিয়া যতদিন না সমাপ্ত হচ্ছে ততদিন এই ধরনের অভিযান চলবে বলে জানা গিয়েছে হাওড়া সিটি পুলিশের পক্ষ থেকে। সবমিলিয়ে নির্বাচন ঘোষণা হতেই তৎপর হাওড়া সিটি পুলিশ।
146
comment0
Report
SCSandip Chowdhury
Mar 15, 2026 14:32:17
Katwa, West Bengal:কাটোয়া বিধানসভায় বুথ পরিদর্শনে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী, বাড়ছে ভোটারদের আস্থা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকেই জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার কাজ। সেই সূত্রেই রবিবার বিকেলে কাটোয়া বিধানসভার হরিপুর গ্রামে ৮, ৯, ১০, ১১ ও ১২ নম্বর বুথ পরিদর্শন করল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। ক্যাটোয়া থানার আধিকারিকদের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত বুথগুলির পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। শুধু বুথ এলাকা ঘুরে দেখা নয়, গ্রাম জুড়ে টহল দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গেও কথা বলেন জওয়ানরা। বুথের ভিতরের অবকাঠামো ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখা হয়। এদিন গ্রামে আধা সামরিক বাহিনীর টহল দেখে স্বস্তি প্রকাশ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। গ্রামের পুরুষ ও মহিলাদের সঙ্গে কথা বলে ভোটের দিন নির্ভয়ে ভোট দিতে উৎসাহ দেন বাহিনীর জওয়ানরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে গ্রামে পাড়ায় পাড়ায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহল দেওয়ায় এবার ভোট নিয়ে আর কোনও ভয় নেই। প্রশাসনের এই উদ্যোগে তারা অনেকটাই আশ্বস্ত। গ্রামবাসী বরুন মাঝি বলেন কেন্দ্রীয় বাহিনী গ্রামে টহল দিচ্ছে দেখে আমরা খুবই খুশি। এতে আমাদের সাহস বাড়ছে। এবার আমরা নির্ভয়ে ভোট দিতে পারব। ভোটকে সামনে রেখে প্রশাসনের এই বুথ পরিদর্শন ও টহল কর্মসূচি আগামী দিনেও জারি থাকবে বলে জানা গেছে।
192
comment0
Report
BSBhabananda Singha
Mar 15, 2026 14:32:01
Dinajpur, Rangpur Division:রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার পরই নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে উত্তর দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন বিধানসভা এলাকায় শুরু হয়েছে দলীয় ঝান্ডা, ব্যানার ও ফ্লেক্স অপসারণের কাজ। কমিশনের আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের লাগানো রাস্তার ধারের ঝান্ডা, ব্যানার, পোস্টার ও ফ্লেক্স খুলে ফেলতে ইতিমধ্যেই মাঠে নেমেছে প্রশাসনের কর্মীরা। প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে রায়গঞ্জ, কালিয়াগঞ্জ, ইসলামপুর, চোপড়া সহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় এই অভিযান চলছে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী সরকারি ও বেসরকারি সম্পত্তিতে লাগানো কোনও রাজনৈতিক প্রচারের সামগ্রী রাখা যাবে না। সেই কারণেই দ্রুততার সঙ্গে সেগুলি সরিয়ে ফেলার কাজ চলছে। প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে ঘিরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের আদর্শ আচরণবিধি মেনে শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ বলে প্রশাসনের দাবি।
175
comment0
Report
SCSaurav Chaudhuri
Mar 15, 2026 14:06:21
115
comment0
Report
DBDebanjan Bandyopadhyay
Mar 15, 2026 13:50:08
Kolkata, West Bengal:প্রশ্ন: কমিশন বলছে নিরপেক্ষ থাকার নির্দেশ দিয়েছে । কুনাল ঘোষ: কমিশন নিজে নিরপেক্ষ?  কমিশন বলছে আমরা নিরপেক্ষ থাকার নির্দেশ দিচ্ছি। কমিশন নিজেই তো বিজেপির দল। তো কমিশন নিজে আগাগোড়া এসআইআর পদ্ধতিটায় তারা নিরপেক্ষ রইলেন না এখন তারা নিরপেক্ষতার পরামর্শ দিচ্ছেন। উনারা দুদিনের ভোট ঘোষণা করেছেন। এ নিয়ে কোন মন্তব্য করবো না। এটা আমাদের শীর্ষ নেতৃত্ব দেখছেন। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস সারা বছর উন্নয়ন এবং বাংলার মানুষের অধিকার rক্ষার যা কাজ করেন মমতা বন্দোপাধ্যায় মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে। আমরা  তৈরি। ওদের যা ইচ্ছা আমরা তাতেই তৈরি। কারণ আমরা মানুষের সঙ্গে 12 মাস থাকি। শীত গ্রীষ্ম বর্ষা। বাংলায় মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সরকার বর্ষা। তো সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে আমরা প্রস্তুত। এবং আগেরবার উনারা বলেছিলেন আট দফায় ভোট করিয়েছিল। আট দফা। করোনার মধ্যে। আমরা বারবার বলেছিলাম বিশেষভাবে শেষ চার দফা করবেন না একসঙ্গে মিলিয়ে দিন করোনা ছড়াবে। শোনেনি । বিজেপি বলেছিল আট দফায় চাই। হেরেছে। তো এবার দু দফা।য় আট দফায় করিয়েছিল। 77  আসন পায়। সেটা অবশ্য কমে গেছে। তো যাই হোক আট দফায়  77। এবার দু দফায় সেটাও কমে 27 এ দাঁড়াবে। প্রশ্ন: জ্ঞানশ কুমার বলছে আমাদের কাছে সমস্ত দলই দু দফা বলেছে কুণাল: আমি এ নিয়ে কোন মন্তব্য করবো না এটা আমাদের সর্বভারতীয় নেতৃত্ব দেখছেন আমি এ নিয়ে কোন মন্তব্য করব না । প্রশ্ন: কমিশন বলছে যে রাজ্যে এসেছিলেন এবং অফিসাররা কে কি করেছেন সে অনুযায়ী অফিসারদের একটা তালিকা তৈরি হয়েছে এবং পদক্ষেপ করা হবে নিরপেক্ষতাতার প্রশ্নে। কুণাল: দেখুন আমরা প্রথম মনে করি যে জ্ঞানেশ কুমার তিনি নিজে নিরপেক্ষ নন। ফলে তার তিনি যে যেভাবে বাংলার মানুষের ভোটারের অধিকার ভোটিংয়ের অধিকার বা নাগরিকত্বের অধিকার তিনি যেভাবে বিপদে ফেলেছেন মানুষকে তার জন্য মুখ্যমন্ত্রী শুধু আন্দোলনে করতে হয়নি। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির এজলাসে নিজে দাঁড়িয়ে সওয়াল করতে হয়েছে। তো ফলে এই নিরপেক্ষতা ব্যবস্থা হুমকি আমরা এগুলো জ্ঞানেশ কুমার নিজে পক্ষপাত দুষ্ট আচরণ করেছেন। আমাদের পরিষ্কার কথা আপনারা নিরপেক্ষ থাকুন নির্বাচন কমিশন। আর আমরা মানুষের সঙ্গে সারা বছর থাকি। বিজেপি বাংলার বকেয়া দেয় না। আর্থিক বৈষম্য 100 দিনের টাকা দেয় না। জলজীবন মিশন টাকা দেয় না আবাসের টাকা দেয় না 1লক্ষ 96 হাজার কোটি টাকা দেয় না বাংলাকে অপমান করে বাংলার মনীষীদের অপমান করে বাংলা বললে পিটিয়ে মারে। বাংলা বললে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়। মানুষকে হয়রানির লাইনে দাঁড় করিয়ে দেয়। মৃত্যুর মিছিল আত্মহত্যা প্যানিকে অসুস্থতা এবং মৃত্যু সেই বিজেপির সঙ্গে বাংলার মানুষের কোন সম্পর্ক নেই আগাগোড় একটা বঙ্গবিরোধী পার্টি বাংলা বিরোধী পার্টি ফলে আমরা নির্বাচন কমিশন বিজেপির হয়ে অনেক ব্যাট করেছে। আপনারা নিরপেক্ষ থাকুন। বাংলার মানুষের উপর ছাড়ুন। 250 এর বেশি আসন নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস ফিরছে। মমতা বন্দোপাধ্যায় আবার চতুর্থবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আসছেন। প্রশ্ন: ২০২১ সালে নির্বাচন ও তার পরবর্তী সময় যে হিংসা হয়েছিল সেই ঘটনার নামে তালিকা নেয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। বলেছে নির্বাচন কমিশন। কুনাল: যা ইচ্ছা করুন। ওনার বিরুদ্ধেই তো সব আপত্তি। আছে। উনার বিরুদ্ধে জনগণ ব্যবস্থা নেবে ভোটেই সেটা বুঝতে পারবেন। মানুষের রায়টা দেখলেই বুঝতে পারবেন যে এই বিজেপি, জ্ঞানেশ কুমার এদের বিরুদ্ধে বাংলার মানুষের যে প্রতিবাদ অধিকার রক্ষার লড়াই কাকে বলে সেটা ভোটের রেজাল্ট বের হলে দেখতে পারবে। প্রশ্ন: 60 লক্ষ মানুষ এর ভোটাধিকার প্রসেসে রয়েছে কুনাল: দেখুন উনি একটা মুখে কথা বলেছেন। আমাদের পরিষ্কার বক্তব্য মাননীয় মমতা বন্দোপাধ্যায় মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী আর এদিকে হচ্ছে আমাদের সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আর গোটা তৃণমূল কংগ্রেস পরিবার। আমাদের পরিষ্কার বক্তব্য হচ্ছে একজনও বৈধ ভোটারকে বাদ দিয়ে ভোট হবে না। তো উনি তো একটা কথা বললেন দেখলাম যে বাংলায় ওই বিচার ব্যবস্থার তত্ত্বাবধানে এগুলো চলছে। তো সুতরাং আশা করি কোন বৈধ ভোটার একজনও বৈধ ভোটারকে যেন বাদ না রাখা হয়। প্রশ্ন: শুভন্দু অধিকারী তিনি বলছেন নন্দীগ্রামে তো আমি আছি। বিজেপি বললে আরো একটা আসনে লড়তে পারি。 কুনাল: দেখুন এগুলো সব উনাদের মায়ার খেলা। এখন দিনের শেষে বিজেপি হারছে সিপিএম শূন্য পার করবে না এবং 250র বেশি আসন নিয়ে মমতা বন্দোপাধ্যায় আবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ফিরে আসছেন। এই গোটা পরিস্থিতিতে দিশাহীন অবসাদগ্রস্ত বিজেপি তারা সব নানা ধরনের কথাবার্তা বলবে। এগুলোর কোন রাজনৈতিক ইম্প্যাক্ট গুরুত্ব নেই। আর নন্দীগ্রাম থেকে এবার ঘাসের উপর জোড়াফুল চিহ্নের প্রতীকের প্রার্থী জিতে আসবেন。 প্রশ্ন: শুভেন্দু অধিকারী আরো একটা বিষয় বলছেন বলছে বহু দফায় ভোট হলে তৃণমূল বাহিনী  এক জায়গায় ভোট দিয়ে  অন্য জায়গায় গিয়ে কালি মুছে ভোট দিতে পারে। কম দফায় ভোট হলে সেটা সুবিধ。 কুনাল: আমি একটা কথা বলি এই যে শুভেন্দু অধিকারী বলছেন বহু দফায় ভোট হলে তৃণমূলের সুবিধা ইত্যাদি ইত্যাদি কয়েকটা কথা বললেন, 21 সালে তো উনারাই জোর করে আট দফায় ভোট করিয়েছিলেন । উনি তো তখন বিজেপিতে। তখন উনি কি বলেছিলেন সেই বিবৃতিগুলো একবার দেখুন। তখন উনি বলেছিলেন যত বেশি দফায় ভোট আট দফায় ভোট কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ঘিরে দেব । আবকিবার 200 পার শুনেছিলাম। তো কথা পাল্টাচ্ছেন কেন? কথা পাল্টাচ্ছেন কেন ? আপনি তো 20 সালের নভেম্বর মাসে তৃণমূল ছেড়ে চলে গেছিলেন বিজেপিতে । আপনারাই তো জোর করে koronary মধ্যে বাংলার মানুষকে বিপদে ফেলে আট দফায় ভোট করিয়ে করোনা ছড়িয়েছে। তখন যুক্তি দিচ্ছিলেন আট দফায় হলে আপনাদের কি কি সুবিধা क्या অসুবিধা গোহারা হারার পর এখন আবার উল্টো যুক্তি দিতে এসেছেন এই ফলে সম্পূর্ণ দ্বিচারিতা গিরগিটি রাজনীতি হচ্ছে। প্রশ্ন : মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন ইমাম মুহাজ্জম পুরোহিতদের জন্য বৃদ্ধি এবং ডি এ বৃদ্ধির কথাটা শুভেন্দু অধিকারী বলছেন এটা নাকি জোক। কুনাল:  আজব কথা। একটা অফিস একটু ঘোষণা তো ওদের ওদের এত লাগছে লাগছে কেন ?মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় দুটি ঘোষণা করেছেন একটি যারা পূজারী, ইমাম মজেম, তাদের । অন্যদিকে হচ্ছে সরকারি কর্মচারী বা পেনশনভোগী বা যারা আছেন। ওদের এত লাগছে? ওদের তো খুশি হওয়া উচিত। ওদের এত ব্যথা হচ্ছে কেন? সিএম দেবেন এটাতো বুঝতে হবে তার মানে দেওয়াটা ভেবেই রেখেছিলেন আজকে উনি ঘোষণা করেছেন। 중앙 সরকারের এত টাকা বাকি বাংলাকে তার বকিয়া দেয় না কেন্দ্রীয় সরকার 1 লক্ষ 96 হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে 100 দিনের টাকা দেয়নি জলজীবন মিশনের টাকা দেয়নি আবাসনের আবাসের টাকা দেয়নি মমতা বন্দোপাধ্যায় সামাজিক সুরক্ষায় গরীব মানুষ সাধারণ মানুষকে সুরক্ষিত রেখে তারপর তার সাধ্যমত যতটা পেরেছেন তিনি দিয়েছেন। তাতে ওদের অসুবিধাটা কোথায় হচ্ছে। তো মানুষ পেয়েছেন তো তাহলে আপনাদের ব্যথাটা কোথা? না পেলে ব্যথা। পেলে ব্যথা । ওই কি একটা গান আছে না শুভندرদের বিজেপির নেতাদের ওইটাই জিজ্ঞে তোদের কোন কোন জায়গা ব্যথা। প্রশ্ন: বিজেপি আজকে নির্বাচন কমিশনে একটা অভিযোগ করেছে তারা বলছে কলকাতা পুলিশ নাকি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে অপব্যবহার করছে。 কুনাল:  এটা তো ওদের গালগল্প । কলকাতা পুলিশ সুষ্ঠুভাবে কাজ করছে। অপব্যবহার কেন করবে ?কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করা দরকারই বা পড়লো কোথায়? ব্যবহারে দরকারই পড়লো না তো অপব্যবহার ।যারা অভিযোগ করছে, তাদের চারপাশেই দেহরক্ষী হিসেবে এতগুলো কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘোরে। অপব্যবহার তো ওইখানে হয়ে যাচ্ছে। কলকাতা পুলিশের কি অপব্যবহার করবে? শশি পাঁজার উপর হামলা তাতে বিজেপি ভয়ঙ্করভাবে মুখশ খুলে গেছে । প্যাচে পড়েছে । মহিলা মন্ত্রী এবং অজিত পাঁজা বাড়ি যারা হামলা করেছে ওই অসভ্যগুলো জানে না 250 নম্বর চিত্তরঞ্জন এভিনিউ এর রাজনৈতিক তাৎপর্যটা । বাংলার সঙ্গে যোগাযোগ থাকলে বাংলার রাজনীতির সঙ্গে যোগাযোগ থাকলে কলকাতার সঙ্গে যোগাযোগ থাকলে সবাই সেটা বুঝতো। উত্তর কলকাতার একটা জায়গা 250 নম্বর অজিত কুমার পাজার বাড়ি। ডক্টর রঞ্জিত পাঞ্জা স্মৃতি বিজড়িত ডক্টর শশি পাজা মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের ক্যাবিনেটে একজন মহিলা মন্ত্রী । তার বাড়িতে ওইভাবে হামলা করেছে শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণদেবের ছবিটা তার কাঁচ টুকরো টুকরো করে দিয়েছে।  এখন কোনভাবে যাতা বলে একটা কিছু নাটক ফেদে যারা ব্রিগেডে পৌঁছে গেছিল বলে ফেসবুক পোস্ট করে দিয়েছিল তারা এখন হসপিটালেশুয়ে পোস্ট দিচ্ছে। যে আমরা আহত আমরা পড়ে আছি । বিজেপি আর ব্রিগেডে পৌছ ছবিটাকে ডিলিট করছে এই তো নাটক ব্রিগেডে পৌছে করেছে ঘটনাস্থলেই নেই পরে সামলাতে গিয়ে ওখানে শুয়ে নাটক করতে গেছে。 প্রশ্ন: মুখ্যমন্ত্রীর ডি এ ঘোষণা এটা কি চাপের মুখে শেষ মুহূর্তে ঘোষণা? কুনাল: কোন চাপের নয়। তাদের কি মনে হয় কোন চাপের? অত্যন্ত মানে ঠান্ডা মাথায় ঠিক যখন ঘোষণা করার তিনি তখনই ঘোষণা করেছেন। কোন চাপের মুখে নয়। মমতা ব্যানার্জীকে চাপফাপ এই শব্দগুলো দিয়ে বলে কোন লাভ নেই。 প্রশ্ন: ডি এ মঞ্চের তরফে বলা হয়েছে যে 13 মার্চ এর বনধের পরেই সরকার চাপে পড়ে গিয়েছিল কুনাল: ওটা আপনাদের চ্যানেলে আপনারা বড় করে দেখান। যারা সেদিনকে সরকারি অফিসগুলোতে গেছেন রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করেছেন তারা জানেন ধর্মঘটের কোথাও কোন প্রভাব পড়েনি। ফলে ধর্মঘট, চাপ এইসব কথাগুলো বলে কোন লাভ নেই । এই যারা বলছেন যে কথাগুলো বলছেন তাদের নাকি অমুক তাদের আন্দোলন তাদের ওই নির্লজ্যদেরকে বলুন যে বাংলাকে যখন কেন্দ্রীয় সরকার টাকা দেয় না তখন তো একবারও মুখ থেকে বের হলো না যে কেন্দ্রীয় সরকার বাংলার বকেয়া টাকাটা দিয়ে দাও। তাহলে মুখ্যমন্ত্রীর হয়তো আমাদের দিতে সুবিধা হয় সেটা তো বলেনি বিজেপির দালালি করে গেছে। সব সিপিএমের এগুলো সব বিজেপি এরা এখন মুখ্যমন্ত্রী দিয়েছেন তাতেও দুঃখ। আরে মানুষ খুশি হচ্ছেন কেন্দ্র থেকে টাকা বন্ধ করে রেখেছি মানুষের খোব নিয়ে রাজনীতি করতে চাইছি।  কিন্তু এই মুখ্যমন্ত্রী তো তারপরেও আমাদের কোন চক্রান্তকে সফল হতে দিচ্ছেন না। কেন্দ্রের টাকা বন্ধ তার মধ্যেও উনি আবার সাধ্যমত দিচ্ছেন। সেজন্য গা এখন ওদের বার্নল লাগাতে হচ্ছে। গা জ্বলছে। ওরা মানুষকে পাইয়ে দেওয়ার জন্য আন্দোলন করছে না। ওরা না পাওয়ার ক্ষোব নিয়ে সরকার বিরোধী আন্দোলন করছে।
112
comment0
Report
Advertisement
Back to top