icon-pinewzicon-zee
PINEWZ
become creator
Become a News Creator

Your local stories, Your voice

Follow us on
Download App fromplay-storeapp-store
Advertisement
Pinewz
713130
SANDIP GHOSH CHOWDHURYSANDIP GHOSH CHOWDHURYFollow23 May 2025, 04:16 am

Bardhaman - দীর্ঘ প্রায় পাঁচ বছর বন্ধ থাকার পর ফের কাটোয়া রেল হাসপাতালে টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু হল

Katwa, West Bengal:

দীর্ঘ প্রায় পাঁচ বছর বন্ধ থাকার পর ফের কাটোয়া রেল হাসপাতালে টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু হল।কাটোয়া পুরসভার স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রত্যেক মাসের শেষ বৃহস্পতিবার রেল হাসপাতালে বিশেষ শিবির করে এই টিকাদান করবে। কাটোয়া পুরসভার স্বাস্থ্যদপ্তরের উদ্যোগে রেলের হাসপাতালে এবার থেকে নিয়মিত টিকাকরণ কর্মসূচি চলবে বলে কাটোয়ার পুরপ্রধান সমীর কুমার সাহা জানান।রেলকলোনি সহ কাটোয়া পুরশহরের ১৩,১৪, ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের শিশু এবং মায়েদের সুবিধা হবে।উপস্থিত ছিলেন কাটোয়া পুরসভার চেয়ারম্যান সমীর কুমার সাহা, কাটোয়া পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শুভ্রা রায়, DPHNO করবী দাস, কাটোয়া রেল হাসপাতালের কর্মরত চিকিৎসক।

0
0
Report
Pinewz
713130
SANDIP GHOSH CHOWDHURYSANDIP GHOSH CHOWDHURYFollow21 May 2025, 02:16 pm
0
0
Report
Advertisement
Pinewz
713130
SANDIP GHOSH CHOWDHURYSANDIP GHOSH CHOWDHURYFollow21 May 2025, 02:15 pm

Bardhaman - শারীরিক যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে আত্মঘাতী গৃহবধূ

Katwa, West Bengal:শারীরিক যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে আত্মঘাতী গৃহবধূ।পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোট থানার অন্তর্গত কেওটশা গ্রামের ঘটনা। মৃতার নাম আন্না দাস (৫৩)। ঘটনায় শোকের ছায়া এলাকাজুড়ে। জানা যায় দীর্ঘদিন ধরে পাইলস সহ একাধিক শারীরিক যন্ত্রণায় ভুগছিলেন তিনি। গতকালকে যন্ত্রনা তীব্র হওয়ায় তা সহ্য করতে না পেরে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন ওই মহিলা। বিষ খেয়ে বমি করার সময় সেটা দেখে মৃতার ছেলে বুঝতে পারেন এবং তড়িঘড়ি তাকে সিঙ্গট গ্রামীণ হাসপতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেই কিছুক্ষণ চিকিৎসা চলার পরেই তার মৃত্যু হয়।
0
0
Report
Pinewz
713130
SANDIP GHOSH CHOWDHURYSANDIP GHOSH CHOWDHURYFollow20 May 2025, 05:17 am

Katwa: ৫১ সতীপিঠের এক পীঠ পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোট থানার অন্তর্গত ক্ষীরগ্রাম

Katwa, West Bengal:৫১ সতীপিঠের এক পীঠ পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোট থানার অন্তর্গত ক্ষীরগ্রাম। দেবী এখানে যোগাদ্যা নামে পূজিতা হন। জানা যায় সতীমায়ের ডান পায়ের বুড়ো আঙুল এই ক্ষীরগ্রামে পড়েছিল। দেবীর প্রস্তরমুর্তি সারাবছরই ক্ষীরদীঘির জলের তলায় নিমজ্জিত থাকে। বছরে বেশ কয়েকবার দেবীমূর্তি জলমন্দির থেকে তুলে পুজো করা হলেও, সাধারণ ভক্তগণ দেবীর দেখা পান মাত্র দুইদিন। বৈশাখ সংক্রান্তিতে মহাপুজোর দিন এবং ৪ ঠা জৈষ্ঠ্য অভিষেকের দিন। এই দুইদিনই শুধু মাত্র সাধারণ মানুষ দেবীর দর্শন পান। ৪ ঠা জৈষ্ঠ্য দেবীকে দর্শন করতে ভক্তের ঢল পূর্ব বর্ধমানের ক্ষীরগ্রামে।
0
0
Report
Advertisement
Back to top