713403সম্প্রীতি উৎসব ২০২৬
Sukdal, West Bengal:দক্ষিণ মেমারি খাঁড়ো যুবক সংঘের সম্প্রীতি উৎসব ২০২৬ নানান অনুষ্ঠানের মাধ্যমে চলছে। সকাল থেকে প্রভাত ফেরী, বসে আঁকো প্রতিযোগিতা, রক্তদান শিবির, চার দলীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা সহ সান্ধ্যকালীন অনুষ্ঠান দিয়ে শেষ। মেমারি শহরে ক্রীড়া জগতে অনন্য নজির গড়ে চলেছে দক্ষিণ মেমারি খাঁড়ো যুবক সংঘ। আবাসিক ফুটবল কোচিং, ক্যারাটে প্রশিক্ষণ তাদের মাঠে চলছে। শুরু করতে চলেছে ডিউস ক্রিকেট কোচিং একাডেমি ও অ্যাথলেটিক কোচিং। পাশাপাশি সামাজিক কাজেও যথেষ্ট ভূমিকা দেখা যায়। সারা বছর ধরে থ্যালাসেমিয়া রোগীদের রক্তের চাহিদা পূরণ করে চলেছে। আজ বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ব্লাড ব্যাঙ্কের সহযোগিতায় থ্যালাসেমিয়া রোগীদের সহায়তার জন্য রক্তদান উৎসব করা হয়, সেখানে ৬০ জন মহিলা পুরুষ নির্বিশেষে রক্ত দেন। দুপুর ২টা থেকে চারদলীয় ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে সাতগাছিয়া ফুটবল কোচিং সেন্টার, পাড়ার ফুটবল কোচিং সেন্টার, পান্ডুয়া ফুটবল একাডেমি ও খাঁড়ো যুবক সংঘ ফুটবল একাডেমি। চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় ট্রাইবেকারে চ্যাম্পিয়ন হয় খাঁড়ো যুবক সংঘ ফুটবল একাডেমি ও রানার্স হয় পান্ডুয়া ফুটবল একাডেমি। ম্যান অফ দ্য ম্যাচ সম্মান অর্জন করেন অঙ্কিত মোহান্ত এবং বেস্ট গোলকিপার সেখ মিরাজউদ্দিন। এদিন এই অনুষ্ঠানে উৎসাহিত করতে উপস্থিত ছিলেন মেমারি বিধানসভার বিধায়ক মধুরসূদন ভট্টাচার্য্য, মেমারি পৌরসভার চেয়ারম্যান স্বপন বিষয়ী, ভাইস চেয়ারম্যান সুপ্রিয় সামন্ত সহ কাউন্সিলরবৃন্দ, জেলা পরিষদ কর্মাধ্যক্ষ নিত্যানন্দ ব্যানার্জী, মেমারি ১ পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ মৃন্ময় ঘোষ সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
0
713103সিটি অফ জয়কে সিটি অফ ভয় বানিয়ে দিয়েছে তৃণমূল: বিপ্লব দেব
Bardhaman, West Bengal:বর্ধমান:একসময় বাইরের রাজ্যের মানুষ পশ্চিমবঙ্গে, বিশেষ করে কলকাতায় আসতে ভালোবাসতেন। বাবা-মায়েরা সন্তানদের বলতেন—কলকাতা দেখে আয়, বর্ধমানের কার্জন গেট, হাওড়া ব্রিজ দেখে আয়। কিন্তু এখন সেই পরিস্থিতি আর নেই। এখন কেউ কলকাতায় যেতে চাইলে বাবা-মায়েরা আশঙ্কায় থাকেন, সাবধানে যেতে বলেন। দিদির শাসনে ‘সিটি অফ জয়’ আজ ‘সিটি অফ ভয়’-এ পরিণত হয়েছে—এভাবেই তৃণমূল কংগ্রেস ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র কটাক্ষ করলেন বিজেপি নেতা তথা ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব।
শনিবার বিজেপির ‘পরিবর্তন সংকল্প যাত্রা’-র অংশ হিসেবে বর্ধমানের বড়নীলপুরে আয়োজিত এক পথসভা থেকে তিনি রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন। বিপ্লব দেব বলেন, তার সভা কার্জন গেটে হওয়ার কথা থাকলেও জেলা প্রশাসন অনুমতি দেয়নি। বাধ্য হয়ে তাকে বড়নীলপুরে পথে নামতে হয়েছে। তিনি বলেন, “যখন কেউ পথে নামে, তখন কী হয়, তা দিদি খুব ভালোভাবেই জানেন।” সভা থেকে নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়েও শাসক দলকে আক্রমণ করেন বিজেপি নেতা। তিনি দাবি করেন, এই রাজ্যে আর ‘ডাবল-ডাবল’ জাল ভোট চলবে না। বর্ধমানে প্রায় ২৩ হাজার নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, যাদের তিনি ‘ভূত ও প্রেতাত্মা’ বলে কটাক্ষ করেন। বিপ্লব দেবের বক্তব্য, এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন ভুয়া ভোটারদের নাম বাদ দিয়েছে। ফলে এবার আর জাল ভোট দিয়ে জেতা সম্ভব হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এদিনের সভা থেকে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, ভোট ব্যবস্থার স্বচ্ছতা এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে একের পর এক অভিযোগ তুলে তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ শানান বিজেপি নেতা।
0