Back
मायापुर दौरे के साथ बंगाल में भाजपा की हिंदू पहचान पर जोर, हमला
DBDebanjan Bandyopadhyay
Feb 18, 2026 15:03:26
Kolkata, West Bengal
শুভেন্দু অধিকারীর পলিটিকাল রিয়াকশন
অমিত শাহের মায়াপুর সফর
মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মায়াপুরে যাওয়ার সঙ্গে ভোটের কোন সম্পর্ক নেই। ভারতীয় জনতা পার্টি ভারতীয় সনাতন ধর্ম, রাষ্ট্রবাদ এবং ভারতীয় সংস্কৃতিকে বিশ্বাস করে এবং তাতে আস্থা রাখে। এটা পরীক্ষিত সত্য। আমরা নিজেকে হিন্দু বলে গর্ব অনুভব করি। যেটা স্বামী বিবেকানন্দ বলে গেছে ন। সনাতন ধর্মের মনীষীদের জন্মতিথি পালন বা নানা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং যান। অমিত শাহ জি ও যান এবং সকলে যান। এটা নিয়ে রাজনীতি করার কোনো কারণ নেই। পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান যা অবস্থা তাতে সমস্ত হিন্দুদের এক জোট হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। কেবল ভারতীয় জনতা পার্টিকে ক্ষমতায় আনা বা সরকার বদলের জন্য নয়। যে গীতার প্রচার ও প্রসার মায়াপুর থেকে সমস্ত পৃথিবীতে ছড়িয়েছে, আজকে অমিত সাহজি তার বক্তব্যে বলেছেন, ভারতবর্ষের বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষ থাকেন। তাদের জন্য বিভিন্ন ভাষায় গীতার প্রচার এবং প্রসার এটা ইসকনের জন্যই হয়েছে। ধর্ম রক্ষার সময় এসেছে বাংলার হিন্দুদের। আর সেই ধর্ম রক্ষা করতে গেলে যারা এখানে হিন্দু স্বার্থ রক্ষা করে সেই দলকে ক্ষমতায় আনতে হবে। না হলে বাংলাদেশের ৫৫০ কিলোমিটার সীমান্ত বেড়া দেওয়া যাবে না এবং জঙ্গিবাদ জামাত এবং মৌলবাদীদের রক্ষাও যাবেনা।
দিঘার জগন্নাথ ধাম
দীঘা জগন্নাথ ধাম একটাই হয়। পশ্চিমবঙ্গেরটি কৃত্রিম। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের শতবর্ষের সায়েন্স সিটির symposium এ সংঘ চালককে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে সরকারি অর্থকে অর্থতে কি হিন্দুদের মন্দির করা যায়? সোমনাথ মন্দির বা অযোধ্যা মন্দির হিন্দুদের অর্থে নির্মিত হয়েছে সেখানে প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতিকে ডাকা হয়েছিল উদ্বোধনের জন্য। কিন্তু সরকারি অর্থে ভারতবর্ষে কোন দিন কোন মন্দির বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান আজ পর্যন্ত করা হয়নি। আমি একাধিকবার এমএলএ এমপি হয়েছি তবে আমি কখনো মন্দির মসজিদের জন্য সরকারি অর্থ দিতে পারিনি। কারণ ভারতবর্ষে সরকারি অর্থে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করা যায় না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কালকে বলেছেন উনি ৪৪০ উনি ৪২০। খাতা পত্র লেখা আছে শ্রী জগন্নাথ ধাম কালচারাল সেন্টার আর কার্ড ছাপিয়েছেন জগন্নাথ ধাম বলে। কালচারাল সেন্টার বললে ওটা সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হয়ে যাবে, আর টেম্পল উনি বলতে পারবেন না কারণ সরকারি অর্থ ওখানে কাজে লেগেছে। তাই জগন্নাথ ধাম বলে উনি কার্ড ছাপিয়েছেন পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে লেখা আছে। হিন্দু ব্যতীত কারুর প্রবেশাধিকার নেই এখানে উনি ওই কথা লিখে দেখান তো। হালাল প্যারা গজা তো হিন্দুরা কেউ খায়নি। ওসব খাইয়ে হিন্দু ভোট পাওয়া যাবে না। ওনাকে যেখানে পাবো হারাবো। ভবানীপুরেও হারাবো।
একমাস পিছনে আইপ্যাক মামলা
ঠিক করছে আটঘাট বেঁধে করছে। আমি ইডি উকিল নই। আমি সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতি ও নই। আর এই আইপ্যাক বা ফাইল এবং মোবাইল ফোন চুরি করা মমতা ব্যানার্জির মুখপাত্রও নই। আমি চাই যখন পুলিশ মমতা ব্যানার্জির হাতে থাকবে না এমন সময় তদন্ত হওয়া উচিত। নইলে আবার তদন্তকারীদের ওপর উনি আক্রমণ করবেন। শুধু মমতা ব্যানার্জি নিজে আক্রমণ করতে যাননি, তার সঙ্গে রাজিব কুমার,মনোজ বর্মা এবং বিধাননগরের কমিশনার মুকেশ ছিলেন। এরা জোট বেঁধে গিয়েছিল সেদিন। এখন যদি আবার আপনি তদন্ত করতে যান তখন মমতা ব্যানার্জি সুপ্রতিম সরকার এবং পীযূষ পান্ডে কে নিয়ে হাজির হবেন। আমার মনে হচ্ছে আইনি লড়াইতে আটঘাট বেঁধেই ইড়িয়ে এগোচ্ছে ইডি। কারণ প্রকাশ্য দিবালোকে সব ক্যামেরার সামনে ফাইলগুলো হাতে নিয়ে বলেছিলেন আমি ছিনিয়ে নিয়ে এলাম। উনি তো স্বীকার করেছেন যে উনি চুরি করেছেন। আজকে আমার বাড়িতে তিনবার সিআইডি পাঠিয়েছে। আমি বাড়িতে থাকি না আমার বাবা মা চা-বিস্কুট খাইয়েছেন। আমি যদি সিআইডির অফিসারকে চাটি মারতাম আমি কি বাইরে থাকতাম। দেশের আইন সবার জন্য সমান। এক যাত্রায় পৃথক ফল হতে পারে না। অন্য লোকের ক্ষেত্রে যা হয়েছে যেমন শাহজাহান ইডিট তদন্তে বাধা দিয়েছিলেন এখন জেলে আছেন। মমতা ব্যানার্জিকেও একইভাবে আইনের আওতায় আনা উচিত। এটা কবে হবে কখন হবে হয়তো সময় বলবে।
গেরুয়া পতাকায় থুতু দেওয়া
থুতু ফেলেছে একটা জিহাদীর বাচ্চা। পুলিশকে সব জানানো হয়েছে, ওরা বলছে মুছে ফেলেছে। আমিও নামধাম সব দিয়ে টুইট করেছি। মে মাসে বিজেপির সরকার এলে যোগী আদিত্যনাথ জির মত ওই জিহাদীর বাচ্চা কে শুকনো লঙ্কা পুড়িয়ে ওর নাকে ধোঁয়া ঢোকাবো। উত্তরপ্রদেশের সমস্ত জিহাদিকে যোগী আদিত্যনাথ যে যেরকম শায়েস্তা করেছেন, সেরকম পশ্চিমবঙ্গের সব জিহাদীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমার বিজেপি পরিচয় এর আগে আমি একজন হিন্দু বাড়ির ছেলে। আমার হিন্দু দেব দেবী বা ধর্মকে যারা আঘাত করবে তাদের বিরুদ্ধে সব রকম প্রতিবাদ করব।
কমিশনকে তোপ অভিষেকের
একটা কথা বলবো দেখবি আর জ্বলবি লুচির মত ফুলবি। ব্রেকফাস্টে গিয়েছে ৫৮ লাখ । এখন লাঞ্চে প্রায় 11 লাখ চলে গিয়েছে। আর যখন ফাইনাল লিস্ট বেরোবে তখন সূর্য ডুববে বিকেলের চা সিঙ্গারা সহযোগে তৃণমূল সব দেখে বলবে ভোটে আর লড়বো না।। তৃণমূলকে আমাদের ভোটার নিয়ে ভাবতে হবে না।
আরাবুল গিয়েছিল হুমায়ুনের কাছে, আর হুমায়ুনের জামাইকে প্রার্থী করতে চাইছে টিএমসি
আমার ওসব জানার দরকার নেই। আমার একটাই কাজ। বিজেপির সরকার আনতে হবে। তাহলে বাবর হুমায়ুন দের নাম মুছবে।
0
Report
For breaking news and live news updates, like us on Facebook or follow us on Twitter and YouTube . Read more on Latest News on Pinewz.com
Advertisement
KMKIRAN MANNA
FollowMar 10, 2026 10:06:530
Report
RDRaktima das
FollowMar 10, 2026 10:04:330
Report
DBDebanjan Bandyopadhyay
FollowMar 10, 2026 10:04:240
Report
ASAyan Sharma
FollowMar 10, 2026 10:04:120
Report
DBDebanjan Bandyopadhyay
FollowMar 10, 2026 10:04:040
Report
DGDebabrata Ghosh
FollowMar 10, 2026 10:03:430
Report
STSrikanta Thakur
FollowMar 10, 2026 10:03:010
Report
BSBarun Sengupta
FollowMar 10, 2026 10:01:340
Report
DBDebanjan Bandyopadhyay
FollowMar 10, 2026 09:06:280
Report
NRNarayan Roy
FollowMar 10, 2026 09:05:100
Report
SRSanjoy Rajbanshi
FollowMar 10, 2026 09:04:240
Report
MMManoj Mondal
FollowMar 10, 2026 09:04:010
Report
BBBimal Basu
FollowMar 10, 2026 08:31:200
Report
PDPradyut Das
FollowMar 10, 2026 08:31:010
Report
ANArnabangshu Neogi
FollowMar 10, 2026 08:18:450
Report